
পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) ভারতের অংশ। তাই এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না। জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্ট কিছু ব্যবসায়ীর দায়ের করা একটি মামলার শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণ করেছে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) পণ্য পাঠানো হয়েছিল। তবে, এর উপর কোনও কর আরোপ করা হয়নি। সম্প্রতি, কর আধিকারিকরা নোটিশ দিয়ে ব্যবসায়ীদের জানিয়েছেন যে তাঁদের জিএসটি দিতে হবে। এই নোটিশের বিরুদ্ধে একদল ব্যবসায়ী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁরা যুক্তি দিয়েছেন যে ইসলামাবাদ-উরি এবং রাওয়ালকোট (পিওকে) এবং চাক্কান-দা-বাগ (পুঞ্চ) এর মধ্যে বাণিজ্য হয়েছে। যা আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত নন। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং তাই তাঁদের জিএসটি দেওয়া উচিত নয়।
আবেদনকারীরা যুক্তি দিয়েছেন যে তাঁরা নিয়ন্ত্রণ রেখার আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যকে "জিরো-রেটেড সেল" হিসাবে বিবেচনা করেছেন, যার উপর কোনও সেল ট্যাক্স প্রযোজ্য নয়। অতএব, তাঁরা এই বাণিজ্যের উপর কোনও সেল ট্যাক্স চাপাননি।
হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত
হাইকোর্ট জানিয়েছে যে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর আইনত জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ। অতএব, এই বাণিজ্য আন্তর্জাতিক নয়, বরং রাজ্য-আন্তঃরাজ্য বাণিজ্য। অতএব, জিএসটি দিতে হবে। আদালত আরও জানিয়েছে যে, জিএসটি আইনের অধীনে আইনি প্রতিকার পাওয়া যায়, তাই ব্যবসায়ীদের আদালতের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। অতএব, তাঁদের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পাঠানো পণ্য জিএসটি-র আওতাভুক্ত হবে, কারণ এই বাণিজ্য আন্তর্জাতিক নয়, বরং রাজ্য-স্তরের।