Advertisement

High Blood Pressure Prevention: কখনও বাড়বে না ব্লাড প্রেশার, হাইপারটেনশন প্রতিরোধের সেরা টিপস ডাক্তারের

১৭ মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য হল অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের বিপদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি। কিন্তু তারপরও উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এটাই চিন্তার। তাই ঝটপট এই অসুখ এড়ানোর রাস্তাটা জেনে নিন। টিপস দিলেন চিকিৎসক।

হাই ব্লাড প্রেশার প্রতিরোধহাই ব্লাড প্রেশার প্রতিরোধ
সায়ন নস্কর
  • কলকাতা,
  • 16 May 2026,
  • अपडेटेड 1:49 PM IST
  • ১৭ মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস
  • এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য হল অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের বিপদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
  • তাই ঝটপট এই অসুখ এড়ানোর রাস্তাটা জেনে নিন

(পরামর্শে বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: এম এস পুরকাইত) 
১৭ মে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য হল অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের বিপদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি। কিন্তু তারপরও উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এটাই চিন্তার।

হাই ব্লাড প্রেশারকে সাধারণত ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলা হয়। কারণ, এই রোগের প্রথমদিকে তেমন কোনও স্পষ্ট উপসর্গ দেখা যায় না। কিন্তু ঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে হার্ট অ্যাটাক, কিডনির অসুখ থেকে শুরু করে একাধিক জটিল অসুখ নিতে পারে পিছু। তাই সাবধান হতেই হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, সারা বিশ্বে প্রায় ১৪০ কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় বেশি ভোগেন। যদিও বর্তমানে কম বয়সীদেরও উচ্চ রক্তচাপ অসুখটি হচ্ছে। এর প্রধান কারণ হল মানসিক চাপ, চেপে রাখা রাগ, ধূমপান ও অন্যান্য নেশা। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়মিত জীবনযাত্রা, অনিয়মিত ঘুম ও বিশ্রামের অভাবও এর অন্যতম কারণ। 

কখন বলা হয় হাই ব্লাড প্রেশার?
রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা অনেকেরই জানা নেই। সাধারণত সিস্টোলিক ক্ষেত্রে ১১০ থেকে ১২০ এমএমএইচজি এবং ডায়াস্টোলিক ক্ষেত্রে ৮০ থেকে ৯০ এমএমএইচজি-এর মধ্যে থাকা উচিত। এর থেকে বেশি হলেই উচ্চ রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়।

তাই আর সময় নষ্ট নয়, বরং জেনে নিন কীভাবে ব্লাডপ্রেশার নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন হাই ব্লাড প্রেশার?
১. সবার প্রথমে ওজন কমাতে হবে। BMI অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা সবার আগে জরুরি।
২. ব্যালেন্স ডায়েট খেতে হবে। নুন, প্রাণিজ প্রোটিন ও অত্যধিক ফ্যাটযুক্ত খাবার কম খেতে হবে। বেশি করে খান পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার।
৩. প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, যোগব্যায়াম বা ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে পাঁচ দিন নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৪. ধূমপান করা চলবে না। এমনকী চা, কফি ও অ্যালকোহল কম খেতে হবে।
৫. প্রতিদিন ছয় থেকে আট ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। এছাড়া মানসিক শান্তির জন্য ধ্যান করতে হবে।
৬. বয়স ৪০ পেরনোর পর নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা জরুরি। বিশেষত, যাঁদের ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা পারিবারিকভাবে উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস রয়েছে, তাঁরা অবশ্যই নিয়মিত মেপে চলুন।

Advertisement


মাথায় রাখতে হবে, উচ্চ রক্তচাপ শুধু হার্ট, কিডনি বা মস্তিষ্কের বড় বিপদ ডেকে আনে না। বরং এটি চোখের উপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। এই অসুখ চোখের রেটিনার সূক্ষ্ম রক্তনালির ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে সামান্য রক্তক্ষরণ থেকে শুরু করে রেটিনার বড় ক্ষতি হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন এই রোগ প্রতিরোধ করার। 


বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement