
জ্যোতিষশাস্ত্রে শুক্রকে প্রেম, সৌন্দর্য, শিল্প, সম্পদ ও আরামের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। এই গ্রহের অবস্থান পরিবর্তন মানেই রাশিচক্রে বড়সড় প্রভাব। ২৬ নভেম্বর সকাল ১১টা ১০ মিনিটে শুক্র তুলা ছেড়ে বৃশ্চিক রাশিতে প্রবেশ করেছে। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত শুক্র এখানেই অবস্থান করবে। এর প্রভাব ভালো-মন্দ দুই দিকেই পড়বে সব রাশির ওপর। কোথাও মিলবে অর্থলাভের সুযোগ, কোথাও আবার দেখা দিতে পারে টানাপোড়েন।
মেষ
শুক্র অষ্টম ঘরে থাকায় আর্থিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হবে। তবে ব্যবসা বা কাজে ক্ষতির সম্ভাবনা আছে, তাই সিদ্ধান্তে সতর্কতা দরকার।
বৃষ
সপ্তম ঘরে শুক্রের গমন কাজের চাপ বাড়াবে। ব্যবসায় লাভ কমতে পারে। বাড়তি খরচ এড়াতে অর্থ পরিকল্পনা জরুরি।
মিথুন
ষষ্ঠ ঘরে শুক্র প্রবেশ করায় অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যয় বাড়তে পারে। দাম্পত্য জীবনেও চাপ তৈরি হতে পারে।
কর্কট
পঞ্চম ঘরে শুক্র থাকায় প্রেমজ সম্পর্ক মধুর হবে। সৃজনশীল কাজে সাফল্য এবং সন্তান লাভের যোগও রয়েছে।
সিংহ
চতুর্থ ঘরে শুক্রের গমন পারিবারিক সমস্যা কমাবে। জমি-সম্পত্তি সংক্রান্ত লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখাই শ্রেয়।
কন্যা
তৃতীয় ঘরে শুক্র অবস্থান করায় দাম্পত্যে অশান্তি বাড়তে পারে। ব্যবসা বা কর্মজীবনে গড়পড়তা ফল মিলবে। ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।
তুলা
দ্বিতীয় ঘরে শুক্র থাকায় উদ্বেগ ও ব্যয় বাড়তে পারে। ব্যয়বহুল জিনিস কেনার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।
বৃশ্চিক
নিজ রাশিতে শুক্র প্রবেশ করায় আত্মবিশ্বাস কমতে পারে। আর্থিক লাভ হলেও ব্যয়ও বাড়বে।
ধনু
দ্বাদশ ঘরে শুক্র থাকায় পুরনো বিবাদ মিটে যেতে পারে। মানসিকভাবে আধ্যাত্মিকতা বাড়বে। তবে কাজের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।
মকর
একাদশ ঘরে শুক্রের গমন নতুন যোগাযোগ ও সাফল্যের সুযোগ এনে দেবে। সামাজিক বৃত্তের মাধ্যমে কাজ এগোবে। প্রেম জীবনেও ইতিবাচকতা বাড়বে।
কুম্ভ
নবম ঘরে শুক্র থাকায় কর্মস্থলে উন্নতি, পদোন্নতি বা ভালো পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। তবে সাবধানতা জরুরি।
মীন
নবম ঘরে শুক্রের গমন বিশেষ উপকারী হবে না। আর্থিক চাপ বাড়তে পারে। অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সম্পর্কের মধ্যে সমস্যা বাড়াতে পারে।