15 MARCH, 2026
BY- Aajtak Bangla
ছুটির দিন সকালে সুস্বাদু কচুরি না খেলে তো চলবে না। কোথায় গেলে পাবেন সেরা কচুরি জানুন।
উত্তর কলকাতা হোক বা দক্ষিণ কলকাতা, হিংয়ের কচুরির কিছু বিখ্যাত দোকান আছে। এগুলি না খেলে কলকাতার আর কী উপভোগ করলেন।
ছুটির দিনে সকাল সকাল বেরিয়ে এই দোকানগুলির হিংয়ের কচুরি খেয়ে দেখুন।
উত্তর কলকাতার ১০০ বছরের পুরনো কচুরির দোকান এটি। এখনও এখানে শাল পাতায় মোড়ানো খোসা শুদ্ধু আলুর তরকারি মেলে। বাগবাজার স্ট্রিটে ইউনিয়ন ব্যাঙ্কের বিপরীতে এই দোকান খোলা সকাল ৬টা থেকে ১১টা ও বিকেল ৫টা থেকে ১০টা পর্যন্ত। দাম ৪ টাকা পিস।
এখানকার সাদা লুচি গত আড়াইশো বছর ধরে বিক্রি হচ্ছে। এদের লুচি-ছোলার ভাল একবার খেলে বারবার খেতে আসবেন। এটি শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে অবস্থিত। দোকান খোলা সকাল ৬টা থেকে ১০টা ও বিকেল ৪টা থেকে ৮টা। এক পিসের দাম ৫ টাকা থেকে শুরু।
এরপর আসে দক্ষিণ কলকাতায় ভবানীপুর থানার বিপরীতে শ্রীহরি মিষ্টান্ন ভান্ডারের কচুরি। সকালে যে কচুরি বিক্রি হয়, তা হল 'গুটকে কচুরি'। বাকি সময় সাধারণ সাইজের ডালের পুর ভরা কচুরি। সঙ্গে মিষ্টি ছোলার ডাল।
দেশপ্রিয় পার্কের থেকে সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের মহারানির কচুরি খুব জনপ্রিয়।
মহারানি থেকে কয়েক পা দূরে বিখ্যাত হিংয়ের কচুরির দোকান মহারাজ।
কলেজ স্ট্রিটের কচুরি তো বটেই এই দোকানের মিষ্টির স্বাদও মুখে লেগে থাকার মতো। কচুরির সঙ্গে থাকে ছোলার ডাল বা আলুর তরকারি। কলেজ স্ট্রিট লাগোয়া সূর্য সেন স্ট্রিটে এই দোকান।
কলকাতার ক্লাব কচুরির কথা হলে শর্মা টি-এর নাম আসবেই। আলু এবং চানা মেশানো তরকারির সঙ্গে লাল লাল ক্লাব কচুরি খেতে হলে কিন্তু আসতে হবে এই দোকানে। সঙ্গে থাকে টক ঝাল আচার-লঙ্কাও।
ভবানীপুর থানার বিপরীতে শ্রী হরি মিষ্টান্ন ভান্ডার হল ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো একটি কিংবদন্তি মিষ্টির দোকান। রুপোলী পর্দার বহু জনপ্রিয় তারকারও বিশেষ পছন্দের জায়গা এটি। আশেপাশের অঞ্চলের মানুষ এখানকার কচুরি খেতে নিয়মিত ভিড় করেন। আলুর সুস্বাদু তরকারির সঙ্গে গরম গরম কচুরি খেয়ে এই দোকানের ল্যাংচা খেতে খেতে অনেকেই বাড়ির পথ ধরেন।