2 MARCH 2026
BY- Aajtak Bangla
শুরু হয়ে গিয়েছে বর্ষা। দিনরাত অঝোড় ধারায় বৃষ্টি হলেও প্যাচপ্যাচে গরম কমছে না। তাই এসির চাহিদা এখনও তুঙ্গে বাজারে।
ঘরের সাইজ এবং প্রয়োজনীয়তা অনুসারে কোন এসি কিনবেন তা ঠিক করা হয়। কারও লাগে ১ টন কারও লাগে দেড় টন তো কারও লাগে ২ টনের এসি। কিন্তু এই এসির টনটি কী জানেন?
অনেকেই হয়তো ভাবেন এটি এসি-র ওজন, তবে তা কিন্তু নয়। তাহলে এই 'টন' শব্দটি আসলে কী বোঝায়? কেন ক্রেতা হিসাবে এটি জানা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
এসির 'টন' মানে এসি-র ওজন বোঝায় না। বরং এটি এসিটির ঘর ঠান্ডা করার (cooling capacity) ক্ষমতাকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ, এক ঘণ্টায় কতটা গরম কাটাতে পারে ওই এসি তাই নির্দেশ করে এসির টন।
১ টন কুলিং = প্রতি ঘণ্টায় ১২,০০০ ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (BTU) তাপ সরাতে পারে। ১.৫ টন এসি = প্রতি ঘণ্টায় ১৮,০০০ BTU তাপ সরাতে পারে। ২ টন এসি = প্রতি ঘণ্টায় ২৪,০০০ BTU তাপ সরাতে পারে।
এই ধারণার উৎস এক টন (২,০০০ পাউন্ড) বরফ গলাতে যত তাপ লাগে, তা ২৪ ঘণ্টায় সরানো। একটি ঘরের আয়তন অনুসারে টন বাছা জরুরি। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়, ভাল কুলিং হয় এবং খরচও কমে।
ঘরের আকার অনুযায়ী কত টনের এসি কেনা উচিত? ছোট ঘর (১০০-১৫০ বর্গফুট) - ০.৮ থেকে ১ টন এসি যথেষ্ট।
মাঝারি ঘর (১৫০-২৫০ বর্গফুট) – ১.৫ টন এসি প্রয়োজন। বড় ঘর (২৫০ বর্গফুটের বেশি) – -২ টন বা তার বেশি ক্ষমতার এসি লাগাতে হবে।
যদি এসি ছোট হয়, তাহলে ঘর ঠান্ডা করতে বেশি সময় নেবে এবং বিদ্যুৎ বিল বাড়বে। আবার, যদি খুব বড় টনের এসি হয়, তাহলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে ঠিকই, কিন্তু আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ হবে না।