24 AUGUST 2026
BY- Aajtak Bangla
ভাতে কার্বোহাইড্রেট থাকায় দ্রুত শক্তি পাওয়া যায়। পরিমাণমতো খেলে বেশ কিছুক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
ভাত শরীরের অন্যতম প্রধান শক্তির উৎস। বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজনীয় জ্বালানি দেয়।
প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ভাত খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে জমতে পারে। এর ফলে ধীরে ধীরে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সাদা ভাত দ্রুত হজম হওয়ায় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। বিশেষ করে বেশি পরিমাণে খেলে এই প্রভাব বেশি হতে পারে।
ভাত তুলনামূলকভাবে সহজপাচ্য খাবার। তাই অনেকের ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা বা অসুস্থতার সময় ভাত খেতে আরাম লাগে।
সাদা ভাতে ফাইবারের পরিমাণ কম। তাই শুধু ভাতের ওপর নির্ভর করলে এবং শাকসবজি কম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।
শুধু ভাত খেলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট পাবে না। ভাতের সঙ্গে ডাল, সবজি, ডিম, মাছ বা অন্য প্রোটিন রাখা জরুরি।
ব্রাউন রাইসে সাদা ভাতের তুলনায় বেশি ফাইবার ও কিছু মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। তাই নিয়মিত ভাত খেলে মাঝে মাঝে এটি বেছে নেওয়া যেতে পারে।
একসঙ্গে অনেকটা ভাত খেলে শরীর হজমের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়। ফলে খাবারের পর কারও কারও ক্লান্তি বা ঘুমঘুম ভাব দেখা দিতে পারে।
রোজ ভাত খাওয়া নিজে থেকে ক্ষতিকর নয়। মূল বিষয় হল পরিমাণ ঠিক রাখা এবং ভাতের সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি ও ফাইবার রাখা।
প্লেটের বড় অংশ সবজি, সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং পরিমিত ভাত রাখলে খাবারটি বেশি ভারসাম্যপূর্ণ হয়। ব্যক্তির বয়স, শারীরিক পরিশ্রম ও স্বাস্থ্যের উপর প্রয়োজনীয় পরিমাণও নির্ভর করে।