ব্যালিস্টিক মিসাইল, ফাইটার জেট কিংবা স্টিলথ বোম্বার-যুদ্ধ বাঁধলেই এই নামগুলো চেনা। দূরপাল্লার মারণ ক্ষমতা। প্রচণ্ড গতিতে শত্রুর ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য ওস্তাদ। কিন্তু বর্তমানে ইরান বনাম ইজরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধে তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে বিধ্বংসী মারণাস্ত্র। নাম ‘কামিকাজি ড্রোন’। দেখতে ছোট। সংকীর্ণ জায়গা দিয়েও যেতে পারে। আবার শত্রুর নজরেও আসে না। রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে চলে। ফলে প্রাণহানির ঝুঁকি নেই। রেইকি করা হোক বা বোমা ফেলা, কাজ সেরে ফিরে আসে। বড় চমক- এটা ‘আত্মঘাতী’। শিকারের অপেক্ষায় তক্কে তক্কে থাকে। সুযোগ এলেই নির্দিষ্ট টার্গেট লক করে আছড়ে পড়ে। এক্কেবারে ধুয়া ধুয়া করে দেবে! মিসাইলের সঙ্গে এটাই ফারাক কামিকাজির। অপারেশন সিঁদুরের সময় এই ড্রোন ব্যবহার করেছিল ভারতীয় সেনা।