২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবার মমতা কুমারীর নামে অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি তাঁর পদের অপব্যবহার করেছেন। ব্যাঙ্কের কাছে গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত সব তথ্যই থাকে। সেই তথ্য জোগাড় করে এক গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড থেকে ১ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। এছাড়াও আরেক গ্রাহকের সই জাল করে চেকের মাধ্যমে ফিক্সড ডিপোজিট থেকে ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সরিয়েছে।