জয়া আহসানবয়সকে তুড়ি মেরে ওড়ান দুই বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা জয়া আহসান। বয়স যেন ছুঁতে পারে না বাংলাদেশি নায়িকাকে। কেউ বলেন তাঁর বয়স ৪০ পার করে ফেলেছে আবার কারোর মতে জয়া ৫০ বা তার বেশি। কিন্তু নায়িকা কিছুতেই বুঝতে দেন না তাঁর আসল বয়স কত। নিজেকে ফিট রাখতেই বরাবর ভালোবাসেন পদ্মাপারের এই নায়িকা। তাঁর অভিনয় যেমন প্রশংসিত, তেমনি তাঁর ফিটনেস দেখেও ঈর্ষান্বিত হন না এমন তারকার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। জয়া বারবারই তাঁর ভক্তদের মুগ্ধ করেছেন। সম্প্রতি জয়ার বোল্ড লুক আগুন ধরিয়েছে নেটপাড়ায়।
সম্প্রতি জয়া তাঁর কিছু ছবি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে তাঁর কিলার লুক ঘুম উড়িয়েছে নেট দুনিয়ার। হালকা পিচ রঙা টিউব ড্রেসে ধরা দিয়েছেন জয়া। সঙ্গে মানানসই গয়না ও মেকআপ। তবে নেটিজেনদের চোখ আটকেছে জয়ার খোলা পিঠে। মেদহীন পিঠ থেকে চোখ সরবে না আপনার। জয়ার এই লুকসের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। বাংলাদেশের অনেক নেটিজেনই জয়ার এই রূপে মুগ্ধ। নেটিজেনের একজন লেখেন, আসল বয়স ৫৩ কিন্তু আপনাকে দেখতে লাগে ৩৫।
এটা একেবারেই সত্যি যে জয়ার প্রকৃত বয়স ঠিক কত, তা কেউই জানেন না। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দুই বাংলার দর্শকের মনে পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছেন সেই কবেই। এদিকে তাঁর গ্ল্যামারও দেখার মতো। অনেকেই বলে থাকেন জয়ার বয়স ৫০-এর কোঠায়। তবুও চামড়া ঝুলে যাওয়া তো দূর, মুখে একটা বলিরেখাও পড়েনি। অভিনেত্রীর এমন রূপ দেখে স্তম্ভিত সকলে। মেকআপ ছাড়া বহুবার নিজের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন জয়া। সেখানেই দেখা গিয়েছে, এখনও কী গ্লো তাঁর মুখে।
জয়ার এমন ফিটনেস ও উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য হল সঠিক ডায়েট। তিনি মনে করেন ত্বককে ভিতর থেকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে হেলদি ডায়েট, পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিজের ডায়েট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন না তিনি। তবে ভাত খেয়েই এমন সুন্দর চেহারা তিনি ধরে রেখেছেন, তা একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন জয়া। ফিটনেসের দিকেও জয়া খুবই মনোযোগ দেন। সকাল সকাল উঠে নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন। রাতে সঠিক সময়ে ঘুম এবং সকালে উঠে পড়া, কোনওদিন এই অভ্যাসের বদল হয়নি। এমনিতেও অতিরিক্ত মেকআপ করতে ভালোবাসেন না জয়া।