বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট। ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাওয়ার আগে আপনার বেশ কতগুলি তথ্য জেনে রাখা দরকার। যেমন, আপনার বুথ, ভোট কখন শুরু, কতক্ষণ চলবে, আপনার কেন্দ্রে কী ব্যবস্থা, ভোট দিতে গেলে সঙ্গে কী কী রাখতে হবে ইত্যাদি।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিনগুলিতে কি ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে না বন্ধ? এই নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। বিভ্রান্তি দূর করতে জেনে নিন দিনক্ষণ।
২০২১ বিধানসভা। ২০২৪ লোকসভা। সিপিএমের আসন শূন্য। এবার ২০২৬ বিধানসভা ভোট। সিপিএম কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? কতটা চমক দেবে রাজ্যে ৩৪ বছর শাসনে থাকা বামেরা? মুখোমুখি সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
এই তথ্য সামনে এনেছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস বা এডিআর। তাদের তরফে ২০২৬ সালে ভোটে অংশগ্রহণকারী ২৯২০ জন প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, এবারে মোট প্রার্থীর ২৩ শতাংশ বা ৬৮৩ জন নিজেদের বিরুদ্ধে থাকা ফৌজদারি মামলার কথা জানিয়েছেন। ৫৮৯ জন জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার দাবি করেছেন, 'মালদা ও মুর্শিদাবাদে রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক সভাগুলিতে ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। সেই সাফল্যেই ভয় পেয়ে তৃণমূল ও বিজেপি ভয় পেয়েছে।'
দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। কোন জেলার কোন কোন বিধানসভার মানুষ ভোট দেবেন, একনজরে দেখে নিন।
২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। মূলত কলকাতা ও আশেপাশের জেলাগুলিতে দ্বিতীয় দফায় মতদান করবে সাধারণ মানুষ। দ্বিতীয় দফার প্রচারের জন্য বুধবার উত্তর দমদমে প্রচার সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন। ১৬ জেলার ১৫২ আসনে ভোট হবে। বাংলার এবারের ভোটের প্রধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি।
এঁরাই ভোটে গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করতে পারেন। এমনকী প্রভাবিত করতে পারেন ভোটারদের। প্রতি কেন্দ্র ধরে ধরে একাধিক ব্যক্তিদের তালিকা দিল কমিশন। তাতে রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট নেতা থেকে শুরু করে প্রার্থীও।
বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। প্রায় প্রতিটি জনসভাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করছেন, ওরা (BJP) বাংলায় মাছ-মাংস-ডিম খাওয়া বন্ধ করতে বলেছে। নির্বাচনী জনসভায় মমতা বলছেন, 'বিজেপি আপনাদের মাছ খেতে দেবে না। মাংস বা ডিমও খেতে দেবে না।' যার পাল্টা হিসেবে মাছ নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবিরও। প্রায় প্রতিদিনই বাংলায় বিজেপি প্রার্থীদের দেখা যাচ্ছে মাছ খেতে বা মাছের গুণগান গাইতে। কোনও প্রার্থী আবার মাছ নিয়ে প্রচার করছেন। কেউ বাজারে গিয়ে মাছ কিনছেন।
প্রচুর সংখ্যক মানুষের নিত্যদিনের কাজে অন্যতম ভরসা মোটরবাইক। বিশেষ করে গিগ ওয়ার্কারদের সর্বক্ষণের কাজের সঙ্গী এই মোটরবাইক। নির্বাচন কমিশনের ৪৮ ঘণ্টা আগে বাইক চালানোয় নিষেধাজ্ঞার নির্দেশিকায় বিভ্রান্তিও ছড়িয়েছে, ওলা, উবার, সুইগি, জোম্যাটো বয়রা কি বাইক নিয়ে বেরোতে পারবেন?