বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছন সমাজবাদী পার্টি নেতা। তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গাড়ি থেকে নেমেই অভিষেককে জড়িয়ে ধরে অখিলেশ বলেন, 'তুমি খুব ভালো কাজ করেছ।' এরপর তিনি মমতার ঘরের দিকে এগিয়ে যান। সেখানে তৃণমূল নেত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে দিয়ে অখিলেশ বলেন, 'আপনি হারেননি।' উত্তরে মমতাও বলেন, 'হ্যাঁ, আমরা হারিনি।' এরপর দু’জন দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন।
গেরুয়া সুনামিতে এবার বেশিরকভাগ তৃণমূল তারকারই পরাজয় হয়েছে নির্বাচনে। দ্বিতীয়বার ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে ভোটের টিকিট পেলেও, বেশ বড় ব্যবধানে হার হয় তাঁর। বিজেপির কৌস্তুভ বাগচীর কাছে হারতে হয়েছে রাজকে। হারের বিপর্যয়ের পাশাপাশি, রাজকে মুখোমুখি হতে হয় নোংরা আক্রমণের। পরিচালকের গায়ে কাদা ছোড়া হয়, এমনকী তাঁকে ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগানও ওঠে।
বিমানের ভিতর তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান। আর সেই ভিডিও নিজেই পোস্ট করলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি দল বেঁধে বিমানে উঠে তাঁর দিকে কটাক্ষ করতে করতে পিছনের দিকে চলে যান।
৮ মে, মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ। শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণা করবে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)। সাংবাদিক বৈঠক করে এই ফলপ্রকাশ করবেন বোর্ড সভাপতি। সকাল ৯:৩০ মিনিটে সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে এবছরের মাধ্যমিকের মেধাতালিকা ও রেজাল্ট ঘোষণা করা হবে। এরপর সকাল ১০:১৫ মিনিট থেকে পরীক্ষার্থীরা পর্ষদের অনুমোদিত ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে নিজেদের রেজাল্ট দেখতে ও মার্কশিট ডাউনলোড করতে পারবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আমি হারিনি, কেন পদত্যাগ করব?’ অর্থাৎ তিনি পদত্যাগ করবেন না তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এই আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যপাল। পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন আরএন রবি। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নন।
প্রাথমিক ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুসারে, চন্দ্রনাথ রথকে খুব কাছ থেকে বুকে একাধিকবার গুলি করা হয়েছিল, যা তাঁর হৃৎপিণ্ড ভেদ করে যায়। এই গুরুতর আঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যায় এবং এতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে, আধিকারিকরা স্পষ্ট করেছেন, এগুলো কেবল প্রাথমিক ময়নাতদন্তের তথ্য এবং একটি বিস্তারিত রিপোর্ট এখনও বাকি আছে।
বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। তিনি দাবি করেছেন, ভোটগণনা কেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হোক। তাঁর কথায়, 'দয়া করে গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ দেখান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মমতার বাড়িতে পৌঁছলেন সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব। তাঁকে স্বাগত জানাতে দাঁড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গাড়ি থেকে নেমেই তিনি জড়িয়ে ধরেন অভিষেককে। বলেন, 'তুমি খুব ভালো কাজ করেছ।' এরপরই তিনি এগিয়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরের দিকে। সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে দিতে দিতে অখিলেশ বলেন, দিদি, আপনি হারেন নি। মমতাও বলেন, হ্যাঁ আমরা হারিনি। এরপর মমতা অখিলেশকে নিয়ে ঘরে বসান।
বিধানসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজনৈতিক হিংসার চরম রূপ দেখল পশ্চিমবঙ্গ। বুধবার রাতে রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী তথা আপ্ত সহায়ক (PA) চন্দ্রনাথ রথকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে ছুটেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবারও বারাসত মেডিক্যালে যান বিজেপি নেতা। সেখানে শ্রদ্ধা জানান দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী চন্দ্রনাথকে। শুভেন্দু স্পষ্ট বলেন, 'আমি ভবানীপুরে না জিতলে ওঁকে হয়তো টার্গেট করা হত না।'
তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী এবং কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কৌশলকে দায়ী করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, 'দলের পতনের জন্য অভিষেক একাই দায়ী।'
নির্বাচন পরবর্তী একের পর এক হিংসার ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, 'এগুলো না থামলে প্রতিরোধ-প্রতিকার হবে। বিজেপি সারা ভারতে জিতছে। কাউকে না ধমকানো-চমকানো, না কারও উপর হাত তোলা। কারও জিনিসপত্র লুঠ করা হয় না। আমাদের উপর প্রচুর অত্যাচার করা হয়েছে। মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে, সেটা বেরিয়ে গিয়েছে। কোনও হিংসা অত্যাচার চলবে না। গুলি-বন্দুকের সংস্কৃতি আমরা বন্ধ করব।'