প্রায় সাড়ে তিন মাস গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর আজ সোমবার সকালে ED-র দফতরে হাজিরা দেয় সোনা পাপ্পু। ন'ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তকারীরা। তারপরই গ্রেফতার করা হয়।
জয়ের পর প্রথমবার ভবানীপুর কেন্দ্রে এসে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'কেবলমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে আমি কোনও কাজ করব না। গত ১৫ বছরে আপনারা বুঝতে পারেনি বিধায়ক কেমন হওয়া উচিত। কোনও পরিষেবা পাননি। কিন্তু এবার বুঝবেন, কারণ এবার আপনাদের ভাই বিধায়ক হয়েছে। গ্রামের একটা ছেলেকে এভাবে আপন করে নিলেন, মমতার আহংকার ভেঙে দিলেন।'
সোমবার সন্ধ্যায় নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে বললেন ৪ জনের নাম। জানিয়ে দিলেন স্ক্যানারে থাকা তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণও। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কলকাতা পুরসভার ফাইল খোলা হচ্ছে। ছেড়ে কথা বলার লোক নই আমরা। ৪টি নাম দিয়ে দিয়েছি আমি।' তালিকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আর কার কার নাম রয়েছে?
গিয়েছিলেন দখল হয়ে যাওয়া ভেড়ি উদ্ধার করতে, আর গিয়েই স্বমহিমায় ধরা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। নৌকা চালালেন, মাছ ধরলেন। আবার সেই মাছ ভাজা খেলেন, তা-ও আবার মুড়ির সঙ্গে। তাঁকে ঘিরে জনতার ভিড় ছিল একেবারে চোখে পড়ার মতো। রাজ্যে পালাবদল হতেই দখলমুক্ত হয়েছে ভেড়ি। আর সেই আনন্দে অন্য মুডে ধরা দিলেন দিলীপ ঘোষ। দুই থালা ভাজা মাছ সঙ্গে মুড়ি নিয়ে খেলেন জমিয়ে। ফুলের মালা পরিয়ে, মিষ্টি খাইয়ে সংবর্ধনাও দেওয়া হয় মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশকে নতুন উচ্চতা দিয়েছেন। সেটা মডেল। এই রাজ্যও সেভাবেই চলবে। জানালেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ইতিমধ্যেই অবৈধ দখলদারি ও বেআইনি নির্মাণ ধ্বংস শুরু করেছে রাজ্য সরকার। সেটাও চলতে থাকবে বলে জানান তিনি। বলেন, 'সরকারের দায়িত্ব রাস্তাঘাট ঠিক করা, আইন মোতাবেক সব চালানো। আমরা সেই কাজই করছি।'
পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডের কিনারা করেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকেই মমতার জমানায় কোণঠাসা হয়ে গিয়েছিলেন। সেই দুঁদে IPS দময়ন্তী সেনকে ফের লাইমলাইটে নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফিরে দেখা তাঁর জার্নি।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ৪ জনের নাম করে শুভেন্দুর বক্তব্য, 'শান্তনু, সুজিত ভিতরে গিয়েছে, এবার বাকিদেরও হাজতবাস করাবে BJP সরকার।' কোন কোন নেতার নাম প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভবানীপুরে নিজের কেন্দ্রে গিয়ে আর কী কী বললেন শুভেন্দু?
সূত্রের খবর, অভিষেকের তরফে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর আইনজীবী অর্ক কুমার নাগ। তাঁর মক্কেলকে যেন রক্ষাকবচ দেওয়া হয়, তার জন্য কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই আইনজীবী।
বকরি ইদের সময়ে কি প্রকাশ্য রাস্তায় আর গরু কাটা হবে? সরকারি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কী বলছে নাখোদা মসজিদ? রাস্তা আটকে নমাজ পাঠ কিংবা মাইকে আজান নিয়েই বা কী প্রতিক্রিয়া এই মসজিদ কমিটির?
তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা প্রকাশ করে হাই কোর্টে গিয়েছিলেন ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। আর তাঁর আবেদন শুনেছে রাজ্যের শীর্ষ আদালত। কোর্টের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গিরকে অন্তবর্তী রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদেক্ষেপ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি সুগত ভট্টচার্যের বেঞ্চ জানিয়েছে, জাহাঙ্গিরকে যেন নির্বাচনে লড়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তাঁকে যেন ভোটের আগে গ্রেফতার না করা হয়।
সরকার বদল হয়েছে রাজ্যে। আর সেইসঙ্গে চালু হয়েছে জাতীয় শিক্ষানীতি। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের মধ্যে চুক্তিও সই হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে বারবার অনীহা দেখা গিয়েছিল। এখন কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। আর বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হল। সেইকথা প্রকাশ্যেই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।