চোরবাগান পদপিষ্টে মৃত বরানগরের বাসিন্দা দিলীপ ঘোষ ও দীপালি ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের ছেলের দায়িত্বও নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ অর্থাত্ বুধবার সকাল থেকে চোরবাগানে মৃতদের বাড়িতে পর পর যান শুভেন্দু অধিকারী। সরকারের তরফে ২৫ লক্ষ আর্থিক সাহায্য তুলে দিলেন সকলের হাতে। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। এরপরেই দিলীপ ঘোষ ও দীপালি ঘোষের বাড়িতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এটা আমার কর্তব্য। ছেলেটার বাবা-মা চলে গিয়েছে। আমি বাড়ির লোককে বলেছি, আমার কাছে থাকতে চাইলে ও থাকতে পারে। আমি অভিভাবক হতে পারি। প্রতিভাবান ছেলে। ওকে আমাকে দিয়ে দিন।'
তদন্তের স্বার্থে সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইলে তোলা ভিডিয়ো, ফরেন্সিক রিপোর্ট, কল রেকর্ড, থানার নথি, কন্ট্রোল রুমের লগ, চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য শারীরিক প্রমাণ খতিয়ে দেখা হবে।
'মাইকে বলার দরকার ছিল না, প্যাণ্ডেল ভেঙে পড়ে যাবে। মাঝ রাতে গিয়েছিলাম। প্যাণ্ডেল ভেঙে পড়েনি। এটা মানুষের ভুল'। চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
চোরবাগানে নিহত প্রিয়া সমাদ্দারের বাড়িতে গেলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বারাকপুরের ঘোলায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। হাতে তুলে দেন ২৫ লাখ এবং ২ লাখের দুটি চেক। সেই সঙ্গে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন। মাকে চাকরির ব্যবস্থা এবং স্কুটি কিনে দেওয়ার কথাও বলেন।
মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বরানগরের বাসিন্দা দিলীপ ঘোষ ও দীপালি ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের ছেলের দায়িত্বও নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন শুভেন্দু।
'দুর্গাপুজো ধর্মীয় অনুষ্ঠান। মাকে নিয়ে যাবেন যাঁরা, তাঁদের নামপরিচয় জানতে হবে। সনাতন ধর্ম মানলেই প্রতিমাকে হাত দেবেন। এ বছর ব্যবস্থা আরও সুন্দর করা হয়েছে। একদিকে নিরাপত্তা, আর মায়ের মূর্তির পবিত্রতা'। বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বিসর্জনের ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে দশমীর সকালে বাবুঘাটে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং পুর-কমিশনার। মুখ্যমন্ত্রী প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাও করেন।
শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভ বিজয়া দশমী মানেই চোখ ভরা জল আর বিষাদের করুণ সুর। ঢাকের কাঠিতে 'ঠাকুর থাকবে কতক্ষণ, ঠাকুর যাবে বিসর্জন' সুর বাজার সঙ্গে সঙ্গেই বাঙালি হৃদয়ে নেমে আসে এক শূন্যতার অনুভূতি। দুর্গাপুজোর ভিড় সামলানোর পর এবার বিসর্জন পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করাই রাজ্য প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
Chorebagan Stampede: দুর্ঘটনার দিন আহতদের সরকারি হাসপাতাল থেকে নিয়ে গিয়ে বাইপাসের ধারে প্রাইভেট হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেই নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। তা হলে কি সরকারি হাসপাতালের পরিস্থিতি খুব খারাপ? বড়সড় বিপর্যয়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত পরিকাঠামো নেই?
নবমীতে চোরবাগানকাণ্ডে নিহতদের বাড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাতে নিউটাউন ও পানিহাটিতে পুজো মণ্ডপেও দেখা যায় তাঁকে। এর মাঝেই সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে 'দশেরা'র রাবন দহন অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুমও পরিদর্শন করেন তিনি। এরমধ্যে সময় করে ভবানীপুরের মল্লিক বাড়ির পুজোতেও গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। । নবমীর সন্ধ্যায় অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণে সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজো দেওয়ার পাশাপাশি মল্লিক বাড়িতে নাড়ুও খান মুখ্যমন্ত্রী।
সপ্তমীর ক্ষণিকের বৃষ্টি পুজোর আনন্দে শুরুতেই সামান্য ব্যাঘাত ঘটিয়েছিল। তবে দ্বিতীয় সপ্তমী থেকে আবহাওয়ার চিত্র অনেকটাই বদলে যায়। দিনের বেলায় রোদ ঝলমলে পরিষ্কার আকাশ দেখা গিয়েছে উত্তর থেকে দক্ষিণ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। দুর্গাপুজোর শেষ পর্বেও ভালো খবর শোনাল আবহাওয়া দফতর। আপাতত বৃষ্টির আর কোনও সম্ভাবনা নেই দুই বঙ্গেই। ফলে বিজয়া দশমীতে চুটিয়ে মজা করতে পারবে রাজ্যবাসী।