'আজ আমরা যা দেখছি, তা আসলে বাংলার মানুষের সম্মানের ওপর আঘাত। দিনমজুর, হকার, ছোট দোকানদার এবং গরিব পরিবারগুলি তিলে তিলে জীবিকার মাধ্যম তৈরি করেছিল। সেখানে আঘাত হানা হচ্ছে'। এক্স হ্যান্ডেলে লিখলেন মমতা।
'বিজেপি সরকার দমনপীড়ন করছে। এতে শুধু মুসলিমদের ক্ষতি হচ্ছে না, হিন্দুদের লোকসান'। বললেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
রবিবার উত্তপ্ত হল কলকাতা পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট ক্রসিং। বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদের আশঙ্কার প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভের আয়োজন। বিক্ষোভ চলাকালীন আচমকাই কিছু আন্দোলনকারী ইট ছুড়তে শুরু করে। পুলিশ মৃদু বলপ্রয়োগ করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
'৪ তারিখ বেলা ১২টায় নেমন্তন্ন করেছিলেন অমিত শাহকে। রবীন্দ্র সংগীত ও ডিজে বাজানোর কথা বলেছিলেন। এখন জনরোষে আক্রান্ত। আমরা বলছি, আপনি আসুন প্রচার করুন ফলতায়। তোমাকে আমরা মিস করছি'। ফলতায় নাম না করে অভিষেককে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২ দিনও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
Park Circus protest: পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট ক্রসিং এলাকায় বিক্ষোভ। বুলডোজ়ার অভিযান এবং রাস্তার উপর নমাজ পাঠ নিয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।
'রেলের জায়গা কব্জা করে বসে আছে। সরকারি জায়গা অবৈধভাবে ব্যবহার করে লাভ করছে অনেকে'। বুলডোজার অ্যাকশন নিয়ে বললেন দিলীপ ঘোষ।
সল্টলেকের বাসন্তী দেবী কলোনির তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার শতাধিক আধার কার্ড ও জমির দলিল। বিজেপির দাবি, মানুষের থেকে ওই আধার কার্ডগুলি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাছাড়া দলিলগুলি সব বেআইনি।
হুমায়ুন বলেন, 'কুরবানির সঙ্গে আমরা কোনও সমঝোতা করব না। বিশ্বের মুসলমানরা কুরবানি করবেই। মুসলমানদের এটা বড় উৎসব। ত্যাগের উৎসব। এটাকে কেউ বারণ করতে পারে না। কুরবানি মুসলমানদের অধিকার। আর তা হবেই।'
শনিবার রাতে হাওড়া স্টেশনের বাইরে বুলডোজার অ্যাকশন। গুঁড়িয়ে দেওয়া হল দেড়শোর বেশি অবৈধ দোকান। এই দোকানগুলি যাত্রীদের যাওয়া-আসার পথে বাধা তৈরি করছিল বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
তাঁদের অভিযোগ, আধার কার্ড তৈরির সময় তৃণমূল পার্টি অফিসের ঠিকানাতেই কার্ডগুলি আসত। বহুবার আধার কার্ড চাইতে গেলেও পার্টি অফিস থেকে জানানো হত, এখনও কার্ড এসে পৌঁছয়নি।