সীমান্ত এলাকাগুলির জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতির বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন। মনে করিয়ে দিলেন শমীক ভট্টচার্য।
অসুস্থতা, না কি সঙ্গী হারানোর দীর্ঘস্থায়ী মানসিক আঘাত, ঠিক কোন কারণে এমন অস্বাভাবিক আচরণ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আলিপুর চিড়িয়াখানার একমাত্র পুরুষ জলহস্তীকে ঘিরে উদ্বেগ যে ক্রমশ বাড়ছে, তা মানছেন পশু চিকিৎসক থেকে শুরু করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সকলেই।
শীতের তীব্র কামড় আর ঘন কুয়াশার দাপটে এই মুহূর্তে কার্যত জবুথবু গোটা বাংলা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তর দিক থেকে অবাধে বইতে থাকা ঠান্ডা হাওয়ার জেরে রাজ্যজুড়ে পারদ ক্রমশ নীচের দিকে নামছে।
কনকনে শীতের সঙ্গে সঙ্গেই এবার আসছে নিম্নচাপ। উত্তুরে হাওয়া ঢুকছে রাজ্যে। হু হু করে কমছে তাপমাত্রা। আর কত ঠান্ডা পড়বে? কতদিন থাকবে এমন হাড়কাঁপানো শীত? বৃষ্টির সম্ভাবনা কি আছে?
অবশেষে প্রকাশ্যে এল বাংলার বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি। তবে ৩৫ সদস্যের এই কমিটিতে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম না থাকায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শুধু দিলীপ ঘোষ নন, তালিকায় জায়গা হয়নি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারেরও।
শুরু হতে চলেছে গঙ্গাসাগর মেলা। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি। দূর দূরান্ত থেকে যাচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। ভিড় জমিয়েছেন সাধুসন্তরা। কলকাতার বাবুঘাটে রাস্তার পাশে সারি সারি তাঁবু তৈরি হয়েছে। আখড়াগুলোতে ভিড় জমিয়েছেন তাঁরা। মকর সংক্রান্তির আগে বা পরে যারা গঙ্গাসাগরে পুণ্য স্নানে যেতে চাইলে কোথায় থাকবেন ভাবছেন? খুব কম খরচে হোটেল, ডরমিটরি, আশ্রম পেয়ে যাবেন। জেনে নিন বিস্তারিত।
প্রবল শীতে কাঁপছেন গোটা দক্ষিণবঙ্গবাসী। জুবুথুবু অবস্থা জেলায় জেলায়। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হাওয়া অফিসের আশঙ্কা, আরও কমতে পারে একাধিক জেলার তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, হাড়কাঁপানো ঠান্ডা আগামী দিনে পড়তে পারে। ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি নামতে পারে পারদ। চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলিতে কেমন থাকবে বাংলার প্রতিটি জেলার আবহাওয়া? চলুন জেনে নেওয়া যাক আপডেট।
'৫ হাজার টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করে দিন। কী হয় হাজার টাকায়?' তোপ শুভেন্দু অধিকারীর। এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন যে, তাঁরা কোনওমতেই মাথা নোয়াতে নারাজ। সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় শুভেন্দু জানান, 'সেই ক্ষমতা, টাকা থাকলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়িয়ে দিন।'
'হয় তো বিএলও-রাই জীবিত ভোটারদের 'মৃত' দেখিয়েছেন', দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর বারুইপুর বা অন্যত্র নিয়ে গিয়ে এসআইআর-এর বিরুদ্ধে প্রচার করাই মূল উদ্দেশ্য, মত বিরোধী দলনেতার। এই ঘটনায় তিন জন বিএলও জড়িত বলে দাবি তুললেন।
হেলিকপ্টার পেতে দেরি হওয়ায় বীরভূমের সভায় দেরি করে পৌঁছেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে কেন্দ্রকেই টার্গেট করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। হেলিকপ্টার না পাওয়াকে কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্ত বলে নিশানা করলেন তিনি। বললেন, 'ওদের যা জেদ, তার ১০ গুণ জেদ আমার। আমি পাশের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের হেলিকপ্টার আনালাম।'
গত ২ জানুয়ারি থেকে রাজ্যের প্রান্তে প্রান্তে সভা শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মাসভর ঘুরবেন রাজ্য জুড়ে, এমনটাই কর্মসূচি রয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের। ৬ জানুয়ারি তাঁর সভা করার কথা বীরভূমের রামপুরহাটে। তারপরেই দেখা করার কথা সোনালি বিবি এবং তাঁর নবজাতকের সঙ্গে। সেইমতো রামপুরহাটে মাঠের সভাস্থলে হাজির কর্মী-সমর্থকেরা। প্রস্তুত ছিল জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। কিন্তু, প্রথম প্রয়োজনীয় অনুমতি না মেলায় বীরভূমের রামপুরহাটের উদ্দেশে উড়তে দেরি হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারের।