Kakali Letter To CM Suvendu: ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর আমলে কংগ্রেস কর্মীদের ওপর যে ভয়াবহ গুলি চালনার ঘটনা ঘটেছিল তার ফরেনসিক তদন্তের দাবি তুলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
'মনে হলে একশোবার আসবে। তালা মেরে চলে যাচ্ছ, কারণ তোমাদের সঙ্গে পুলিশ আছে। আমি ভেবেছিলাম, ওঁরা থাকবে। এত তড়িঘড়ি চলে যাওয়ার কী হল? সন্ধেবেলায় তালা লাগিয়ে চলে গেলেন'। ঋতব্রতদের কটাক্ষ করলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
'ফৌজদারি দখলদারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে এল কেন? অরূপ রায় চেয়ারম্যান। সব চোর, ডাকাত, গুন্ডা। সবচেয়ে বেশি নেমকহারামি করেছে ববি হাকিম। খেলার শেষ দেখিয়ে দেব'। বললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ইএম বাইপাসের ধারে তৃণমূল ভবনের দখল ঘিরে ঋতব্রত তৃণমূল বনাম মমতা তৃণমূল। দিল্লি থেকে ফিরেই দলীয় কার্যালয়টি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী। সেখানে বৈঠক করেন তাঁরা। বৈঠক শেষে তৃণমূল ভবনের মূল দরজায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা। অন্য শিবিরের নেতা মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষ পৌঁছন সেখানে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঋতব্রতর ডেপুটি সন্দীপন সাহা বলেন,'এটা তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টিঅফিস। আমাদের ন্যাশনাল কমিটিও তৈরি হয়েছে। চেয়ারপার্সন অরূপ রায়'।
বাইপাসের ধারে তৃণমূলের অফিসে তালা ঝোলালেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে সেখানে পৌঁছন কুণাল ঘোষ, মদন মিত্ররা। পুলিশ আটকে দেয়। শুরু হয় বচসা। কুণাল বলেন,'আমরা ওই তালা ভাঙছি না। আপনারা বলছেন, চাবি যাঁর কাছে তাঁর অথরিটি। আমরা তো তালা ভাঙছি'।
কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতরে শুক্রবার চরম উত্তেজনা। প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর রেহানা খাতুন যোগ দিতে এসেছিলেন কংগ্রেসে। সেই সময় কংগ্রেস কর্মীদের একাংশের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েন। ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।
শুক্রবার কার্যত মেট্রোপলিটন ইএম বাইপাসের তৃণমূল ভবনের 'দখল' নিল ঋতব্রত তৃণমূল। হল বৈঠকও। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে পৌঁছলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। শুক্রবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ তিনি তৃণমূল ভবনে এসে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।
তৃণমূল ভবনে গিয়ে বৈঠক ঋতব্রত-শিবিরের। পার্টি অফিসে নতুন পোস্টার টাঙিয়ে 'আমরাই আসল তৃণমূল' দাবি আখরুজ্জামানদের।
জয়া বচ্চন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ দুই নেত্রীর মধ্যে সৌহার্দ্য, ভালোবাসা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্কের ভিত্তিতে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁদের একসঙ্গে দেখা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। মহুয়া বলেন, "জয়া বচ্চন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ। তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন রাজনৈতিক লড়াইয়ে দুই দল একসঙ্গে থেকেছে।
'উনি প্রশিক্ষিত। ওঁর অন্য লেবেল। উনি সব জানেন। ওঁর নেত্রী তো ট্রেডমিলে বাজেট তৈরি করেন'। কুণাল ঘোষের ওয়াকআউট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। অর্জুন সিংয়ের মন্তব্য, কুণাল ঘোষ শকুনি মামা।
'সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এক অভিযোগ। তৃণমূল মারছে তৃণমূল। এক বড় পুলিশ অফিসারকে বললাম, ডিমওয়ালাদের ঠেকান। আমাকে বলল, ডিম ডিটেকটর তো নেই। কারও পকেটের ভিতর হাত দিয়ে ডিম খোঁজা বিপজ্জনক ব্যাপার'। মহাজাতি সদনের একটি অনুষ্ঠানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ভাইরাল।