'একুশে জুলাই আমাদের সভার অনুমতি দিয়েছে আদালত। বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে আমাদের সভা হবে। বেলা ১১টা থেকে সবাই জমায়েত হবেন। তৃণমূলের প্রতীকটা নেবেন। ভুল করে অন্য জায়গায় যাবেন না। বাঁধ ভেঙে চলে আসবেন'। কর্মীদের বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
'আমি সেটিং করে নিলে এই অত্যাচার সহ্য করতে হত না। আমি বিবেক বিকিয়ে খাই না'। মদন সঙ্গ ছাড়ার পর ফেসবুক লাইভে এমনটাই বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বার্তা,'মানুষই আমাদের জাগ্রত শক্তি। আমাদের অনেক শিক্ষা হয়েছে। আমি করজোরে ক্ষমা চাইছি। এদের অনেক লাগেজ-ব্যাগেজ আছে। অজানা সত্যি জানতে পারছি। লাগেজ-ব্যাগেজ-প্যাকেজ আছে, তারাই বিজেপির দোলা খাচ্ছে। কখনও লড়াই থামাইনি'।
লাইভে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'অভিষেক বাহানা হয়ে গেছে। দেড় বছরের বাচ্চাকে নিয়ে ওর বউ সিবিআই অফিসে হাজিরা দিয়েছে। একটু সেটিং করে নিলে পারত।' নিজের সম্পর্কেও মমতা বলেন, 'আমি নিজে সেটিং করে নিলে এই অত্যাচার হত না। মূল্যবোধ বেঁচে খাই না।'
মমতাপন্থী তৃণমূল ছাড়ার পরেই অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে নিশানা করলেন অনুব্রত মণ্ডল। বিস্ফোরক দাবিতে তিনি জানান, অভিষেকের জন্যই জেলে যেতে হয়েছিল তাঁকে।
মদন বলেন, "বিড়লা তারামণ্ডলের বাইরে আড়াই হাজার জমায়েত নিয়ে একুশে জুলাই করার অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। ওখানে তো বাদাম, মুড়িওয়ালাই এতগুলো থাকে। যাইহোক সম্মানটা তো বাঁচল। চ্যালেঞ্জ করে বলছি আসল তৃণমূল যদি ডাক পায় এখনও ব্রিগেড করে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।"
মমতার দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন, রাজনৈতিক যাত্রা এবং বহু উত্থান-পতনের সঙ্গী মদনও শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়লেন। অভিষেকের নাম করে বড় তথ্য ফাঁস করলেন। বললেন, 'ED-র চেয়ে AB বেশি ভয়ঙ্কর।'
'২১ জুলাই শহিদ দিবস করা যাবে তারামণ্ডলের সামনে। আড়াই হাজার লোক আনা যাবে। সরকারের তরফে বিরোধিতা করা হয়েছিল'। হাইকোর্ট থেকে বেরিয়ে জানালেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছাড়লেন মদন মিত্র। কালীঘাট তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। কামারহাটির বিধায়ক বলেন,'তৃণমূলে ছিলাম, তৃণমূলেই রইলাম। এ ঘর থেকে ও ঘরে গেলাম। আমি খাটিয়া বেছে নিলাম'।
'অভিষেককে বলেছিলাম, আপনি কয়েক মাসের জন্য ছেড়ে দিন। উনি বললেন পার্টি ছাড়ব না। সবাইকে মরতে দিন, অভিষেককে বাঁচান। খালি অভিষেকের জন্য দলের সর্বনাশ হল'। বললেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র।
এদিন শুনানিতে বিচারপতি জানান, পুলিশকে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। কর্মসূচি দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়াও কালীঘাট তৃণমূল ইউনিটের ২০ জন স্বেচ্ছাসেবকের নাম ও ফোন নম্বর ১৮ জুলাই বিকেল ৪ টের মধ্যে পুলিশের যুগ্ম কমিশনারের কাছে জমা দিতে হবে।
কাকলি বলেন, "আমাদের দল NCPI-এর স্বীকৃতির জন্য স্পিকারের কার্যালয়ে কাগজপত্র দিয়েছি। তারা আমাদের অনুরোধটি খতিয়ে দেখছেন। আমরা আসন সংখ্যা হ্রাস ও নারী সংরক্ষণ বিল সমর্থন করব। আমরা সবসময় নারী কল্যাণের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে এসেছি।"