পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসীকে ধমক অগ্নিমিত্রার। বিতর্ক তুঙ্গে। মঙ্গলবার সেই মহিলার সঙ্গে দেখাও করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিকতার প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি মমতাকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যেরও তীব্র সমালোচনা করেন কুণাল। এমনকি দুই মুখ্যমন্ত্রীর হাঁটার প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জও দেন তৃণমূল বিধায়ক।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পাল্টা জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুণাল। তাঁর প্রশ্ন, একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য কোন রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচায়ক? কুণালের অভিযোগ, শাসক দল রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে না পেরে বিরোধী নেত্রীকে গৃহবন্দি করার মতো মানসিকতা দেখানো হচ্ছে। এরপরেই শুভেন্দু অধিকারীকে চ্যালেঞ্জ করে কুণাল বলেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে একটা হাঁটার কম্পিটিশন হোক, সারা পৃথিবী দেখুক। এক্সারসাইজ আর হাঁটার প্রতিযোগিতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাগজে-কলমে যা বয়স, বাস্তবে তার থেকে বয়স অনেকটাই কম।
শুভেন্দুর বয়স হয়েছে, বিশ্রাম নিন- মন্তব্য নিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি ছিল না। দলনেত্রী নিজেও এ কথা বারবার বলেছেন। ফলে তাঁর এখন প্রকৃত যা বয়স, তার তুলনায় অফিসিয়াল বয়স অনেকটাই বেশি। কিন্তু যাই হোক, কোনও মহিলার বয়স নিয়ে এভাবে কথা বলাটা অত্যন্ত কুরুচিকর।
Kolkata Howrah Municipal Election 2026: পুরভোটের প্রস্তুতিতে কোমর বেঁধে নামছে বঙ্গ বিজেপি। কলকাতায় পুরভোটের দায়িত্ব দেওয়া হল সুকান্ত মজুমদারকে। হাওড়ার দায়িত্বে রাহুল সিনহা।
কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বুধবারও। ইতিমধ্যে হাওয়া অফিস ১২ জেলাতে সতর্কতা জারি করেছে। নিম্নচাপের প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। এই পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলিতে কেমন থাকবে রাজ্যের ২৩ জেলার আবহাওয়া, চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই আপডেট।
দুর্গোৎসব, শারদ উৎসবের মতো শব্দ অপছন্দ। বিষয়টি আসলে দুর্গাপুজো। মত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের। তাঁর বিশ্লেষণ, দুর্গাপুজোর এহেন নামকরণ কমিউনিস্টদের মস্তিষ্কপ্রসূত। একইসঙ্গে থিমপুজো নিয়েও কী বললেন দিলীপ? শুনুন।
তরুণ প্রজন্ম বিয়ের দিনটা স্মরণীয় ও স্পেশাল করে তুলতে চাইছে। রাজবাড়ি, জমিদারবাড়ি, দুর্গ বা সৈকতে মণ্ডপ বসাতে চাইছেন অনেকে। কিন্তু বিদেশ বা অন্য রাজ্যে গিয়ে বিয়ে করার সামর্থ্য সকলের নেই। তা বলে কি আশ মেটাতে নেই? আর এমন বহু হবু দম্পতিদের স্বপ্ন পূরণ করতে এবার উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার।
গত জুলাই মাসে সামাজিক কল্যাণ পেনশন প্রকল্পে মাসিক ভাতা ১,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করে নবান্ন। ১ অগাস্ট থেকে রাজ্যের বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা—এই তিনটি প্রকল্পের উপভোক্তারা এই বাড়তি টাকা পাচ্ছেন। এবার ফের এই তিন ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু জানিয়ে দেন ফের বার্ধক্য ভাতা বাড়তে চলেছে। বাড়ছে বিধবা ও দিব্যাঙ্গ ভাতাও।
পার্কস্ট্রিট ফুটপাথ বিতর্কে মাস্টারস্ট্রোক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। দেখা করলেন অগ্নিমিত্রা পালের কাছে ধমক খাওয়া মহিলার সঙ্গে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে পার্কস্ট্রিটে শিশুর দুধ গরম করে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কাছে ধমক খাওয়া মহিলার সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, '১৫ বছর মমতা খোঁজ নেয়নি। এখন মমতা লোক পাঠাচ্ছে টাকা নাও, বিজেপির নামে নিন্দা করো। উনি বলেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে ভরসা করি। আমি বলেছি, আপনার থাকার ব্যবস্থা আমরা করে দেব।'
ফুটপাতে মহিলার দুধ গরম ইস্যুতে বাক-যুদ্ধ চলছে রাজ্য রাজনীতি। বিরোধীরা একযোগে নিশানা করেছে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল তথা শাসকদল বিজেপি। সেই ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শুভেন্দু সরকারকে অমানবিক বলে আক্রমণ করে দাবি করলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার গরিবদের ঘৃণা করে। তাঁর কথায়, 'গরিবদের ঘৃণা করবেন না। আগে মানবিক হোন। ওরা রাস্তায় দুধ গরম করে কী দোষ করেছে? আগে দিতে শিখুন। মায়ের অভিশাপ খুব খারাপ। আমি এই পরিবারের দায়িত্ব নিতে রাজি আছি। তারা চাইলে আমি কোনও সহকর্মীর বাড়িতে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেব। বাচ্চাদের লেখাপড়াও হবে সেখানে।'
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পাল্টা জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উঠেছে যোগ্য-অযোগ্যের প্রসঙ্গও। সে প্রসঙ্গে জবাব দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'উনি নাকি বলছিলেন যে, বিজেপি তো সবাইকে দেওয়ার কথা বলেছিল। তা, যোগ্য-অযোগ্য তো সবকিছুতেই থাকে। উনি তাহলে ২৫-৬০ করেছিলেন কেন ? ওঁর যদি সকলকে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল, তাহলে উনি তো বলতেন সব মহিলাই পাবেন। উনি নিয়ম করেননি ? ২৫ থেকে ৬০ করে যাননি উনি ? এটাও তো একটা নিয়ম-ক্রাইটেরিয়া। অন্যগুলো ছেড়েই দিলাম। ফেসবুকেই থাকুন আপনি বিকালবেলা। আপনাকে রাস্তায় বেরোতে হবে না। রাস্তায় আপনি যাতে না বেরোতে পারেন তার ব্যবস্থাও আমি করব।'