যারা যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে। সেই আইনও এবারের বাজেট অধিবেশনের শেষে রাজ্য সরকার পাশ করাতে পারে। বাজেট ভাষণে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'হরিশ মুখার্জি, চ্যাটার্জি স্ট্রিটের প্রাসাদে ফুটপাতবাসীদের থাকতে দেব। সম্পত্তির নিলাম করা হবে।' তিনি আরও জানান, আরজি করের নির্যাতিতা বিচার পাবেন। রাজ্যে নারী নির্যাতনে জিরো টলারেন্স নীতি এই সরকারের।
কলকাতার ঐতিহ্যবাহী কুমোরটুলি ঘাটের আমূল সংস্কারের প্ল্যান। হাত মিলিয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আদানি পোর্টস। প্রায় ১০ কোটি টাকার প্রকল্পে ঘাট, নদীতীর ও পর্যটন পরিকাঠামো উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিধানসভায় দাঁড়িয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, মমতার সরকার তাঁকে একাধিকবার সাসপেন্ড করেছিল। অথচ আজ তিনি বিধানসভায় আর মমতা হেরে বাড়িতে বসে রয়েছেন। তাঁর কথায়, 'মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় আমেকে বলেছিলেন পৌরভোটে হেরেছি। আর আজ উনি কোথায়? বিধানসভায় নেই। মানুষ জবাব দিয়েছে। তাই বাড়িতে বসে বসে আমার বক্তব্য শুনছেন।'
বিভিন্ন রাস্তার পুরনো নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করার ক্ষেত্রে এবার একটি কমিটি গঠন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মঙ্গলবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে ঘোষণা করেন, স্বামী প্রদীপানন্দ মহারাজ এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। সঙ্গে উল্লেখ করেন, কোনও বিদেশি বা পাঠান-মুঘলের নামে রাস্তার নাম থাকবে না। শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, 'সুরহাবর্দির নামে কোনও রাস্তার নাম হবে না। ওই নাম থাকবে না। যদি মনে করেন ড. এপিজে আবদুল কালামের নামে কোনও প্রকৃত দেশভক্তকে সম্মান দেওয়ার প্রয়োজন আছে, তখন বলবেন, মর্যাদা দেব। এই কলকাতাতে কোনও মোগল-পাঠানের নাম থাকবে না। ভোগিনী নিবেদিতা ছাড়া অন্য কোনও বিদেশির নামে রাস্তা করতে গেলে ভাবতে হবে।'
মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই কালো মেঘে ঢেকে যায় কলকাতার আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল বর্ষণে শহরের একাধিক এলাকায় লন্ডভণ্ড পরিস্থিতি তৈরি হয়।
বিধানসভায় বিরল রাজনৈতিক সমীকরণ। কুণাল ঘোষের উদ্দেশে শুভেন্দুর মন্তব্য, 'ঋতব্রত-সন্দীপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে রিপোর্ট করুন, ব্যবস্থা নেব।' দুই তৃণমূল বনাম বিজেপি সমীকরণে চর্চা তুঙ্গে।
বিভিন্ন রাস্তার পুরনো নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করার ক্ষেত্রে এবার একটি কমিটি গঠন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মঙ্গলবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে ঘোষণা করেন, স্বামী প্রদীপানন্দ মহারাজ এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। সঙ্গে উল্লেখ করেন, কোনও বিদেশি বা পাঠান-মুঘলের নামে রাস্তার নাম থাকবে না।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি নির্দেশ দেন, ভবানীপুরের গণনা কেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না। আগামী দু’মাস পরে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এদিকে মামলার শুনানির শুরুতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ভবানীপুরে ভোটে যা কারচুপি হয়েছে, তা মূলত গণনার দিন। শুনানিতে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামের ভোটের প্রসঙ্গও তোলেন কল্যাণ। বলেন ‘নির্বাচন শেষ হওয়ার পর পরই সিইও-কে মুখ্যসচিব করা হয়। এমনকী একটা সময় তিনি একসঙ্গে দু’টি দায়িত্বও সামলেছেন।’ মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্তের প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন কল্যাণ।
চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তাঁর আইনজীবী আদালতে এই বিষয়ে বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। চলতি সপ্তাহেই মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
পার্ক সার্কাসের এই এলাকার নতুন নাম হয় 'গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড', গোপাল পাঁঠার নামে। এই নামকরণের বিরোধিতা না করলেও সমালোচনা করেছেন বর্তমান বিরোধী দলনেতা। পাল্টা ঋতব্রতকে কমিউনিস্ট মনস্ক কথা বলে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, "এই কলকাতায় মোঘল, পাঠানের নামে কোনও নাম থাকবে না।"
কুণাল ঘোষ বক্তব্য রাখতে উঠতেই চোর চোর স্লোগান রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে। স্পিকার প্রথমেই তাঁকে সতর্ক করে বলেন, 'কুণালবাবু ইস্যুর বাইরে কথা বলবেন না।' পাল্টা তৃণমূল (মমতা) বিধায়ক বলেন, 'আমাকে তো তাহলে নারদা ভিডিওর তালিকা বের করতে হবে।' এরপরই শোরগোল পড়ে যায় অধিবেশনে। কাধিকবার তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। জবাবে তৃণমূল (মমতা) বিধায়ক বলেন, 'হাতের আঙুল থেকে এখনও কালি যায়নি। আমরা হেরে যেতে পারি কিন্তু আমি বেইমান নই।'