নতুন দলে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের বিরোধী ব্লকের সাংসদরা। তাঁরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে বিষয়টা জানিয়েছেন। আর এই বিষয়টা নিয়েও মুখ খুলেছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
চড়া গরমে নাজেহাল বঙ্গ। দক্ষিণবঙ্গ তো বটেই গরম টের পাচ্ছে উত্তরবঙ্গও। তবে টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গে খুব বেশি তাপমাত্রা বাড়তে পারেনি। কিন্তু সকাল পেরোতেই রোদের তাপে রাস্তায় বার হওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছে কলকাতাবাসীর জন্য।
এনসিপিআই-তে যোগ দিলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। ত্রিপুরার বিধানসভা ভোটেও প্রার্থী এনসিপিআই। কৈলাশহর, ছাওমনু আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা। বাংলাতেও তাদের অস্তিত্ব রয়েছে।
Kakali Son Return Gift To Mamata: এই উপহার ফেরতের আবহেই তৃণমূলের অন্দরে এক চরম রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই দলের অন্দরে একটি সমান্তরাল অক্ষরেখা তৈরির চেষ্টা করছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিধানসভার পর এবার দেশের সংসদীয় লোকসভাতেও চরম ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
অভিষেকের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের কারণ কী? কুণাল ঘোষ বললেন,'এনিয়ে কোনও কথা বলব না। দলের মধ্যে কী কথা হচ্ছে বাইরে বলব না। আমি তৃণমূলের মুখপাত্র। সুমিত রায়ের মুখপাত্র নই'। তিনি যোগ করেন,'অভিষেক আমার নেতা। আমি তাঁকে ভালোবাসি। বয়সে আমার থেকে ছোট। নেত্রীর পর উনি দলের সাধারণ সম্পাদক'।
'বিজেপি কর্মীদের বলছি, ডিম মারবেন না। ফট করে রেগে গিয়ে বিদ্রোহী হলে আমার নামে জয়ধ্বনি দিতে হবে। যাঁকে, তাঁকে ডিম মারবেন না'। বললেন কুণাল ঘোষ।
এদিকে এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, ২০ জন সাংসদের সই করা চিঠি নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন বিরোধী শিবিরের সাংসদরা।
'তাপস রায় থেকে সজল ঘোষদের প্রতি অন্যায় অবিচার করা হয়েছিল। সুদীপবাবুর জন্য সজল, তাপস রায় চলে গেলেন। আজ তিনিও মমতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন'। উত্তর কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হয়েই বললেন কুণাল ঘোষ।
'আপনারা জানতে পারবেন। আপনাদের জবাব দেব না। নিজের লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের কাছে জবাব দেব'। বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে কার্যত এড়িয়ে গেলেন তৃণমূলের বিক্ষুদ্ধ সাংসদ সায়নী ঘোষ।
'২০ বলেছিলাম। সেটা আদতে ২২'। আরও সাংসদের শিবির বদলের ইঙ্গিত দিলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কি লোকসভায় দলনেতা? কাকলি জানান,'সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত হবে। সবার মতের প্রাধান্য দেওয়া হবে। কোনও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত নেবে না'।
বাংলায় ট্রে প্রতি ২০ টাকা বাড়ল ডিমের দাম, 'ডিম ছোড়াই' কি কারণ? যা জানা গেল