গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। কপিলমুনির আশ্রমের সংলগ্ন সৈকতের পরিস্থিতির উন্নয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
গতকাল অর্থাত্ বুধবার করণের সঙ্গে মিটিংয়ে যে তাজপুর বন্দর নিয়ে কথা হয়েছে, তা জানালেন শুভেন্দু। তাজপুর সমুদ্র বন্দরের জন্য রাজ্য সরকারের হাতে পর্যাপ্ত জমি নেই বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাজপুর থেকে ১০ কিমি দূরে ১৭০০ একর জমি নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগনো হবে বলেও জানান তিনি।
আপাতত ৫৮ বিধায়কের সমর্থনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা ঘটনায় শুভঙ্কর সরকার বলেন,'তৃণমূলের প্রতীকটা কার কাছে থাকবে? তবেই তো দল ভাঙার প্রশ্ন আসে। যাঁরা বিরোধী হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন, তাঁদের প্রতীকটা কী?'
সূত্রের খবর, কেরলের কোচির মতো কলকাতাতেও ব্যাটারি-চালিত বৈদ্যুতিক হাইব্রিড বোট ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই আধুনিক জলযানগুলি পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি দ্রুত যাতায়াতের সুবিধা দেবে। গঙ্গার বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি না করে কীভাবে পরিষেবা চালানো যায়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই আশ্বাস দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তৃণমূল এখন থেকেই আইনি পরামর্শ নিতে শুরু করেছে। নজর রাখা হচ্ছে স্পিকারের ভূমিকার দিকেও। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হচ্ছে বলে খবর। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে অংশ নেওয়ার সময় শীর্ষ আইনজীবীদের সঙ্গে আলাদা করে আলোচনা করতে পারেন।
বিধাননগরের মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। ইস্তফাপত্র এদিন তিনি সশরীরে গিয়ে বিধাননগরের পুর কমিশনারের হাতে জমা করেন। বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, কী কারণে এই সিদ্ধান্ত।
কলকাতায় তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে শহরবাসীর একটাই প্রশ্ন, কবে আসবে স্বস্তির বর্ষা? কিন্তু সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। যেন গ্রীষ্মের দগ্ধ হাওয়ার সঙ্গেই ভেসে বেড়াচ্ছে অনিশ্চয়তা।
পূর্ব রেলের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ৩ নম্বর ব্রিজে গার্ডার লাগানোর জন্য বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হবে। তার জন্যই শনিবার ও রবিবার ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিত্যযাত্রীদের অসুবিধার জন্য আগাম দুঃখপ্রকাশও করেছে পূর্ব রেল।
আবার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতকে আক্রমণ করলেন কুণাল ঘোষ। পাশাপাশি তিনি জানতে চাইলেন, যেই চিঠি স্পিকারকে জমা দেওয়া হল, সেটা কোথায়? কারা সেই চিঠিতে সই করেছেন?
বুধবার যখন তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যাচ্ছে, বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, একেবারে তুলকালাম পরিস্থিতি বঙ্গ রাজনীতিতে, তখনই সন্ধ্যায় একটি খবর জানান বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তা হল, কলকাতার মেয়র পদে ইস্তফা দিতে চান ফিরহাদ হাকিম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করেছেন। তিনি অনুমতি দিয়ে দিয়েছেন।
মুর্শিদাবাদে ৯ জন সংখ্যালঘু বিধায়কদের মধ্যে ৮ জনই ‘বিদ্রোহী’ হয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন বহু চর্চিত সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসও। তিনি নিজে জানিয়েছেন, বুধে তিনিও ছিলেন বিধানসভায়। সেইসঙ্গে জানান, 'আমিও সই করেছি।' অর্থাৎ ঋতব্রত টিম-এর ৫৮ জনের মধ্যে, একজন সাগরদিঘির বিধায়ক। ৫০ সাক্ষরের মধ্যে একটি তাঁর।