'আমি প্রতিদিন সাড়ে তিন কোটি আয় দিতাম সরকারকে। আমাকে জেলে ঢুকিয়ে আয় হল ৪০ লাখ। এটা জন্য দায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়'। সাংবাদিক বৈঠকে বড় কথা বলে দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।
'সাজানো কথা বলতে হচ্ছে মদনদাকে। রেপিস্ট কাকে বলেছেন? মদনদাকে বাগে আনতে ফ্যামিলিকে গান পয়েন্টে রাখছে'। প্রতিক্রিয়া দিলেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন,'স্ত্রী ও ছেলেদের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। চাপ নিতে পারেননি। সব তো সাজানো কথা'।
'মদনদা ঋতব্রত গ্যাংয়ে গিয়েছেন। একটাই কারণ, তাঁকে ইডি আমন্ত্রণ করেছে। বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ এমনই ইডি, সিবিআইয়ের আমন্ত্রণে এদিক থেকে ওদিকে যাচ্ছে। এটা বাংলার মানুষ দেখছে'। মদনের মমতার তৃণমূল ত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন মহুয়া মৈত্র।
'ইডির থেকে বেশি ভয় এবিকে। এবি কখন কোথায় তাড়িয়ে দেবে, ভগবান জানে। আমি ২৭ মাস জেলে ছিলাম। পার্টির বিরুদ্ধে বলিনি'। মমতার তৃণমূল ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে নাম লিখিয়ে বললেন মদন মিত্র।
'তৃণমূলের সম্মান বাঁচিয়ে দিয়েছে আদালত। বিড়লার চারপাশে আড়াই হাজার লোক এমনিই বাদাম বেচে। এখনও চ্যালেঞ্জ নিলে সত্যিকারের তৃণমূল ডাক পেলে ব্রিগেড করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে'। মমতা তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন মদ মিত্র।
'অনুব্রত মণ্ডল আমার কাছে অরিজিনাল রোনাল্ডো, আর নাইন। মদনদা রোনাল্ডিনহো'। এমনটাই বললেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যোগ করেন, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে সমস্তটা দেখতে পারবেন। অধিকাংশ শহিদ পরিবার কার সঙ্গে আছে, সব দেখতে পারবেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের তহবিল নিয়েও ঋতব্রত মুখ খোলেন। তিনি বলেন,'তৃণমূল স্তরের একটি দল তৃণমূল কংগ্রেস। তাই যদি কোনও অর্থ থাকে, তা তৃণমূলস্তরের কর্মীদের জন্যই ব্যবহার করা উচিত। আমরা নিশ্চিত করব, দলের তহবিল যেন কোনও ব্যক্তির জন্য ব্যবহার না হয়।'
'অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম। নির্বাচনে হারার পর চারবার ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললাম, তুমি চোখ দিয়ে দেখো না, কানে দেখো'। বাইপাসের ধারে তৃণমূলের অফিসে ঋতব্রতকে সঙ্গে নিয়ে ঢুকলেন অনুব্রত মণ্ডল।
'কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা পা কালীঘাটে, একটা ঋতব্রতর দিকে চলে গিয়েছে'। বললেন দিলীপ ঘোষ। তিনি মন্তব্য করেন,'কে ভাল তৃণমূল, কে খারাপ তৃণমূল, এটা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। দুর্নীতিতে জড়িতদের নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে'।
'আমার বয়স নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কেউ কখনও বয়স জিজ্ঞেস করে না। এটা কিছু লোকের দুঃস্বপ্ন। আপনাদের প্রধানমন্ত্রীর বয়স কখনও জিজ্ঞেস করেছি?' প্রতিক্রিয়া দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
'১৫ দিন আগেই ঠিক করেছিল। লক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করব'। নাম না করে মদন মিত্রকে নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন,'সেটিং কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে বিজেপি। ছেলেকে অ্যারেস্ট করবে বলেছিল। পরিবারের সকলকে সমন পাঠিয়েছে। তখনই সব ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিলাম। ২০০৪ সালে একা নতুন করে শুরু করতে পারলে ২০২৬ সালেও পারব। আগে ছিল চোর, এখন সাধু পুরুষ'।