বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির প্রতিনিধি দল। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে এবং পরিবারকেও সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
কলকাতার অনেক এলাকাতেই স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ধরপাকড় শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে লাগু হবে বাকি জেলাগুলিতেও। রাস্তায় আবর্জনা ফেলা, মলমূত্র ত্যাগ, প্রস্রাব ছাড়া আর কী কী নিষিদ্ধ? ফাইনই বা কত? জেনে নিয়ে সজাগ হোন। নাহলে আপনাকেও জরিমানা দিতে হতে পারে।
ময়দানের ড. বিধানচন্দ্র রায় মার্কেট ঘিরে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা এবার কলকাতা মেট্রোর ‘পার্পল লাইন’ প্রকল্পের অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে থাকা ৫২৮টি দোকান সরানো না গেলে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনের নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব নয়। তবে বৈধ স্বীকৃতির নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত স্থানান্তরে রাজি নন ব্যবসায়ীরা।
ফের বারুইপুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড। এবার ছুরি দিয়ে গলা কেটে খুন করা হল এক ১৭ বছরের কিশোরকে। ঘটনায় এলাকায় উত্তজেনা ছড়িয়েছে।
সোমবার টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন তিনি অভিনেতার বাড়ি গিয়েছিলেন? তা নিজেই স্পষ্ট করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে ভিডিও বার্তায় বক্তব্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলেন, ‘যখন জনসঙ্ঘ তৈরি হয়েছিল, তখন চারিদিকে কংগ্রেসকেই দেখা যেত। এমন সময়ে অন্য বিচারধারার কোনও জায়গা ছিল না। তখন সব পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে অন্য একটি বিচারধারা শুরুর সাহস দেখিয়েছিলেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু কিছু বিচারধারার আকর্ষণ হারিয়ে যায়। কিন্তু শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এমন একটি আর্দশের বীজ রোপণ করেছিলেন, সেটা আজও রয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন এক দেশে দুই বিধান, দুই প্রধান আমরা মেনে নেব না।'
'শ্যামাপ্রসাদের রাজ্যেই ওনাকে সম্মান দেওয়ার কাজ করছি। বাংলার জন্য যে স্বপ্ন রবীন্দ্রনাথ, ক্ষুদিরাম, রামমোহনরা দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন শুরু হল। শুভেন্দুকে অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। খুব সুন্দর জায়গায় ১২৫ ফুট উঁচু মূর্তি তৈরি হবে। আমি শুভেন্দুকে পরামর্শ দিয়েছি ওইখানেই শ্যামাপ্রসাদ ইন্সটিটিউশন করা হবে।'
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, 'শ্যামাপ্রসাদের ইতিহাসকে কংগ্রেস ও বামেদের ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কমিউনিস্টরা আসল সত্য ভুলিয়ে দেওয়ার কাজ করেছিল। আইনসভায় শ্যামাপ্রসাদের নেতৃত্বে এই পশ্চিমবঙ্গের ভারতভুক্তি ঘটিয়েছিল, তাই ভারতমাতার চরণে আশ্রয় পেয়েছি আমরা। শ্যামাপ্রসাদের নেতৃত্বে ৫৮-২১ ভোটে ভারত ভুক্তি হয়। এর থেকে বড় কিছু বলব না। আমাদের বাঙালি হিন্দুদের হোম ল্যান্ড দিয়ে গিয়েছেন তিনি। তৃণমূলের সময়ে পয়লা বৈশাখকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে জোর করে চাপিয়ে দিয়েছিল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নাম পশ্চিমবঙ্গের বইয়ে রাখা হয়নি। অমিতজি বলেছিলেন, ৬ জুলাই বড় করে অনুষ্ঠিত করতে। আমরা এই দিন ছুটির ঘোষণা করেছি। জিরাটে পৈতৃক ভিটেতে মিউজিয়াম ও ভালো রাস্তা তৈরি হবে।'
শ্যামাপ্রসাদের স্মরণে শাহ এদিন বলেন, "ইস্তফাপত্র আমি দেখছিলাম যেটা উনি দিয়েছিলেন। সেই সময় জওহরলাল নেহরু ও লিয়াকত এদের মধ্যে চুক্তি হয়। পাকিস্তান ও বাংলাদেশে যে হিন্দু ছিল, তাদের কোনও চিন্তাই করেনি তৎকালীন সরকার। ভারতে থাকা মুসলমানদের জন্য তো চিন্তা করেছেন। এই সমঝোতা একতরফা। তাই তিনি মন্ত্রীমণ্ডল থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। আজ সেই সরকারই CAA এনে নাগরিকতা দিয়েছে। ভারতীয়দের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করব। অনুপ্রবেশকারীদের বের করব।"
বারুইপুরের নাবালিকা খুনের ঘটনায় এবার পথে নামলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নিজের বাড়ির সামনে থেকেই মোমবাতি হাতে মিছিল শুরু করেন তিনি। যদিও বাড়ির গলির সামনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের নেতা কর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় মিছিল। সোমবার বিকেলে কালীঘাট রোডের মূল রাস্তায় মোমবাতি হাতে এই প্রতিবাদ মিছিলে নেতৃত্ব দেন মমতা। ‘জাস্টিস ফর বারুইপুর’ স্লোগান তুলে আয়োজিত এই মিছিলে মমতার সঙ্গে পা মেলান দোলা সেন, ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ কালীঘাট তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
রাজ্যে সক্রিয় বর্ষা । ইতিমধ্যেই নিম্নচাপের জেরে শনিবার থেকেই রাজ্যে শুরু হয়েছে বৃষ্টি দুর্যোগ। লাগাতার বৃষ্টিতে ভাসছে কলকাতা। কখনও ঝিরিঝিরি, কখনও মুষলধারে নামছে বৃষ্টি। এরমধ্যেই আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আগামী তিন দিনে এই সিস্টেম পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে, যার প্রভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এছাড়াও রাজস্থান থেকে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগঢ় হয়ে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত বর্ষাকালীন অক্ষরেখা সক্রিয় রয়েছে। নিম্নচাপ ও বর্ষার অক্ষরেখার প্রভাবে গোটা রাজ্যেই বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে। উত্তরের ৫ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।