এরপরই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের শিবির। তাদের অভিযোগ, 'কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।'
তৃণমূলের যুবনেত্রী উপাসনা চৌধুরীর উপর হামলা। অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীরা। তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে বাইকে যাচ্ছিলেন উপাসনা। সেই সময় তাঁর উপর চড়াও হয় কয়েকজন। ওঠে চোর চোর স্লোগান। পাল্টা জয় বাংলা স্লোগান দেন উপাসনা।
ভক্তদের সঙ্গে জন্মদিন সেলিব্রেট করলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বললেন,'সবাইকে ধন্যবাদ।' আজই মুক্তি পেয়েছে সৌরভের বায়োপিকের প্রথম পোস্টার। সে নিয়ে মহারাজ বললেন,'পরের বছর রিলিজ হবে'।
'বেইমানদের জন্য অত্যাচার বাড়িয়েছে বিজেপি। ছলনা কেন? হয় তৃণমূল করুন, না হলে বিজেপির কাছে যান'। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিধায়ক জোটকে বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনেই বিশৃঙ্খলা। বিজেপি কর্মীদের স্লোগান। মাইক হাতে তৃণমূল নেত্রী। ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশের। এমন সময় মেজাজ হারালেন মমতা। চড় মারলেন দলের কর্মীদেরই। দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই বিমান ও হেলিকপ্টার কেনার জন্য মোট ১১২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। এছাড়া, ২০২৩ সালে কেম্যান আইল্যান্ডস-ভিত্তিক একটি সংস্থার কাছ থেকে ১.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অসুরক্ষিত ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
বারুইপুরের ঘটনার প্রতিবাদে আজ, বুধবার পথে নেমেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মিছিলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেক কর্মী।
'যেখানে মেয়েরা ধর্ষিতা হচ্ছে, সেখানে পুলিশ নেই। সকাল ৬টা থেকে ডিজে বাজিয়েছে। আমার বাড়ি থেকে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি পর্যন্ত তাণ্ডব চালিয়েছে'। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
'এটা গদি মিডিয়ার প্রশ্ন। আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না। চিফ মিনিস্টারকে প্রশ্ন করুন। এটা আমার সাবজেক্ট নয়। গো আউট'। বারুইপুর এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন করতেই রেগে গেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
lifeofpujaa নামে একটি ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইল চালান পূজারিণী। গ্রাম্য জীবন ও ইংরেজিতে তাঁর তীক্ষ্ণ মন্তব্যের মিশ্রণে করা কনটেন্ট হু হু করে শেয়ার হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। দ্রুত জনপ্রিয়তা পান তিনি। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তিও করেন। তবে তাঁকে নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। বিতর্কের মুখেও পড়তে হয়েছে।
কলকাতার স্কুলগুলিতে এবার মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনকে ৷ বাজেটে এমনটাই ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল বিতর্ক চলছে। প্রশ্ন উঠছে, সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিলে কি এবার বাচ্চাদের পাতে ডিম-মাছের বদলে শুধুই মিলবে রাজমা আর ডাল। রান্নার দায়িত্ব কি তবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাত থেকে কেড়ে তুলে দেওয়া হবে ইসকনের মতো কোনও ধর্মীয় সংস্থার হাতে। মিড-ডে মিলে ডিম বন্ধ নিয়ে এর আগে একাধিকবার রাজ্যের বিজেপি সরকারকে নিশানা করেছে কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ডিম প্রসঙ্গে মুখ খুললেন স্বয়ং নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।