খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিউ মার্কেট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে ততক্ষণে বুলডোজার ফেলে চম্পট দিয়েছে হামলাকারীরা। মধ্যরাতের এই তান্ডবের জেরে বাজারের নৈশপ্রহরীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জনবহুল এই এলাকায় যেখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের নজরদারি থাকে, সেখানে কীভাবে একটি আস্ত বুলডোজার এনে অফিস ভাঙার দুঃসাহস দেখানো হলো, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
'আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যে আসুন। আমাদের আপত্তি খালি ভোটের সময় আসা নিয়ে'। মন্তব্য করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুল গান্ধী ফোন করেছিলেন বলেও জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
ইস্তফা দেবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ না করলে কী হবে? রাজ্যে কি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে? বুধবার ৬ মে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মমতা কি এভাবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ আঁকড়ে থাকতে পারেন?
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় আগেই জানিয়েছে তিনি পদত্যাগ করবেন না। কারণ, হারেননি। তাঁর সঙ্গে কারচুপি করা হয়েছে। এবার নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
'গণনাকেন্দ্র থেকে তৃণমূলের লোকেদের তাড়ানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখান। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। একশোটা ভিডিও দিতে পারি। ১২টা থেকে সন্ধে ৬টার ফুটেজ দিন'। বড় দাবি করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
'৫-৬ রাউন্ডে আমি ৩২ হাজার ভোটে এগিয়েছিলাম। বিজেপি প্রার্থী বহিরাগত ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে গণনাকেন্দ্রে ঢোকে। ওরা প্রথমে আমার গাড়ি আটকায়। আমি গেলে সিআরপিএফ আমাকে ঢুকতে দেয়নি। এটা একতরফা ছিল'। বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আসানসোলের বস্তিন বাজারে দুর্গা মন্দিরের দরজা খুলে গেল। বছরের পর বছর বন্ধ ছিল। অবশেষে মন্দিরের গর্ভগৃহ উন্মুক্ত হওয়ায় খুশি এলাকাবাসী। অগণিত ভক্তের ভিড়। উলুধ্বনি ও জয়ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। রীতি মেনে চলে দেবীর পুজো।
'ওরা আমাদের লোকেদের অত্যাচার শুরু করেছে। আমার সঙ্গে কাজ করা মহিলার পরিবারকে রেপ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি'। অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মন্তব্য, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে গুন্ডাদের নিয়ে অত্যাচার শুরু করেছে বিজেপি। পুলিশ সক্রিয় নেই। আমরা প্রথম জিতে বলেছিলাম, বদলা নয় বদল চাই। সিপিএমের পার্টি অফিস দখল করিনি। তিন দিন ধরে অত্যাচার করেছে।
বঙ্গ নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বিজেপি ২০০-র বেশি আসনে জয়ী হলেও, পরাজয় মেনে নিতে নারাজ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । মঙ্গলবার কালীঘাটের বাড়ি থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই ইস্তফা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা দাবি করেছেন, 'আমরা হারিনি, জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে।'
'আমাদের একশো আসন জোর করে লুঠ করা হয়েছে'। সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়,'সমস্ত মেশিনারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও জড়িত। নোংরা খেলা খেলেছে। এই ধরনের নির্বাচন দেখিনি'।
ভোটগণনার দিন ভবানীপুরের কাউন্টিং স্টেশনের ভিতরে তাঁর সঙ্গে ‘শারীরিক নিগ্রহে’র (Physical Assault) অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি করলেন তৃণমূল নেত্রী।