West Bengal Assembly Election 2026 Phase 2 Voting Live Updates: আজ রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এদিন ভাগ্য নির্ধারণ হবে ১৪২টি আসনের। এই দফায় মোট ১ হাজার ৪৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে ২২০ জন মহিলা। কলকাতার ১১টি আসন-সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমানে ভোট হচ্ছে। দুই দফার এই নির্বাচনে দ্বিতীয় দফাই মূলত ক্ষমতা দখলের চাবিকাঠি হিসেবে দেখা হচ্ছে। দ্বিতীয় দফার লড়াইয়ে একাধিক ‘স্টার’ এবং হেভিওয়েট প্রার্থীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ইভিএমে বন্দি হবে। ভবানীপুরে রয়েছে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর হাড্ডাহাড্ডি ফাইট।
রাজ্যের প্রথম দফার ভোট হয়েছিল ১৬টি জেলায়। এর মধ্যে ছিল উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের আসনগুলি। যেখানে গতবার দারুণ ফল করেছিল গেরুয়া শিবির। এদিকে, দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে কলকাতার ও সংলগ্ন জেলাগুলির আসনে। তৃণমূল নেত্রীর দুর্ভেদ্য গড় বলেই পরিচিত।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, অনুকূল বায়ুপ্রবাহ ও বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর আর্দ্রতা প্রবেশের কারণে আগামী এক সপ্তাহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়বে কলকাতাতেও।
রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফার ভোট। ১৪২ আসনের এই ভোটে কেউ নবাগত, কেউ কোনওদিন হারেননি, কেউ আবার একাধিকবার পরাজিত হয়েও হাল ছাড়েননি। তবে সব আলোচনা ছাপিয়ে শিরোনামে ভবানীপুর কেন্দ্র।
আঙুলের কভার দিয়ে ভোটচুরির ষড়যন্ত্র করছে তৃণমূল কংগ্রেস। দ্বিতীয় দফার আগে অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বললেন,'ভোট চোর তৃণমূল। সাড়ে সাতশো নকল আঙুল কিনেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। কোনও চুরি করতে দেব না। মমতার হার সময়ের অপেক্ষা'।
রাত পোহালেই ভোটের 'মহাষ্টমী'। তৃণমূলের জন্য কেন এই দফা এত গুরুত্বপূর্ণ? গত কয়েকটি বিধানসভা এবং লোকসভা ভোটের হার এবং জয়-পরাজয়ের নিরিখে হিসেব দেখে নিন...
এবার ঝালমুড়ি খেলেন শুভেন্দু অধিকারী। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের দিন ভবানীপুরের ঠেলা থেকে খেলেন ঝালমুড়ি।
ভোটের আগের রাতে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে ভোট রিগিং করাতে তৃণমূল বিশেষ এক ধরনের আঙুলের গ্লাভস অর্ডার করেছে বলে দাবি BJP প্রার্থীর। ইতিমধ্যেই থানার দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু।
ওই মহিলার অভিযোগ, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতে তাঁর বাড়িতে কয়েকজন প্রবেশ করে নিজেদের সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স বলে পরিচয় দেয়। এরপর তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়।
চলতি বছর রেকর্ড গরম পড়তে পারে। দেশের বিভিন্ন জায়গার তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে গড়ে ৪৫ থেকে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কোনও সন্দেহ নেই এর জেরে অস্বস্তি বাড়বে।
পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি সঙ্কটে না থাকলেও চাপ রয়েছে যথেষ্টই। ফলত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে যে-ই জিতুক, সেই দলকেই কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।