অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এমডি প্রদীপ গুপ্তা জানিয়েছেন, কেন পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে তাঁদের এগজিট পোল প্রকাশ করা হয়নি। রাজ্যে বিজেপির অবস্থান কী তা নিয়েও মতামত দেন তিনি।
তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা অভিযোগ করেছিলেন, স্ট্রং রুমের ভিতরে কী কাজ হচ্ছে সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, নির্দিষ্ট সময়ে স্ট্রং রুম খোলা হবে বলে জানানো হলেও সেই সময় দলীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারেননি।
ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। স্ট্রংরুমে বহিরাগত থাকার অভিযোগে অবস্থান করলেন কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা। ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। তাঁকে দেখেই জয় বাংলা স্লোগান দিলেন তৃণমূল কর্মীরা। পাল্টা উঠল জয় শ্রী রাম স্লোগান।
'সিলড করা ঘরের ভিতরে লোক ঢুকতে পারে না। আমি অনুরোধ করছি, আপনারা গিয়ে দেখে আসুন'। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে তৃণমূলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মন্তব্য করলেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।
'স্ক্রুটিনি চলছে। এখনও পর্যন্ত পুনর্নির্বাচনের খবর নেই'। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটা জানালেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।
ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের ভিতরে সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গেটে বাইরে অবস্থানে বসলেন কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজারা। ব্যালট বক্স খোলা হচ্ছে বলে একটি ভিডিও পোস্টও করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
'তৃণমূল পারে না এমন কোনও কাজ নেই। মানুষ করে দিয়েছে। খেলা শেষ'। বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়,'কর্মীদের গণনাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য বুস্ট করছেন'।
Strong Room Row in Kolkata: স্ট্রংরুমের ভিতরে সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগ তুললেন কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন দুই তৃণমূল প্রার্থী। সেখানে যান বিজেপির তাপস রায়ও। উত্তেজনা ছড়ায়।
রেললাইনের কাজ ও অবকাঠামোর উন্নতির জন্য মাঝে মধ্যেই ট্রেনের টাইম টেবিলের পরিবর্তন করে থাকে রেল। এবার ট্রেনের রুট বদল করা হচ্ছে। মে মাসজুড়ে দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের রুটে পরিবর্তন করা হচ্ছে।
ভোটের রেজাল্ট বেরনোর আগেই বড়সড় আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে রাত জেগে ভবানীপুরের স্ট্রংরুম পাহারা দেবেন বলে জানালেন। বাকি প্রার্থীদেরও রাত জাগতে বললেন। আশঙ্কা প্রকাশ করলেন EVM বদল হয়ে যাওয়ার।
বুধবারই শেষ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। তারপরেই আমজনতার নজর ছিল এগজিট পোলের দিকে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পরপরই একাধিক সমীক্ষক সংস্থার তরফে এগজিট পোলের সমীক্ষা প্রকাশ করা হয়। বেশিরভাগ সমীক্ষাতেই দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গ জয়ের পথে BJP। এরপরেই বাংলা জুড়ে শোরগোল পড়ে।