'সমস্ত হিন্দু, জৈন ও শিখরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের প্রণাম জানাচ্ছি। আমাকে কোনও মুসলমান ভোট দেননি'। ভবানীপুর জিতেই বললেন শুভেন্দু অধিকারী।
ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা আজ শান্তি পেল। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন তিনি।
অমিত শাহের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম নয়, ভবানীপুর আসন থেকেও জিতলেন। তবে কি এবার বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারীই? এই নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। কোন কোন ফ্যাক্টরে শুভেন্দুকে মুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে?
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক ফল। ১৫ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার রাতে কাউন্টিং সেন্টার থেকে বেরিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।
'এটা অনৈতিক জয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন যা করেছে তা বেআইনি জয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর'। প্রতিক্রিয়া দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
১০ রাউন্ড অবধি লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হবে। এরপর থেকে জিতবেন তিনিই। সকালেই দাবি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বাস্তবে হলও তাই। ভবানীপুরেও জিতলেন তিনি। এবারও হারালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করলেন রাহুল গান্ধী। INDIA জোটের দুই নেতার মধ্যে কী কথা হল?
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মভূমি আজ গেরুয়াময়। বিজেপি বলতেই পারে,'জহাঁ জন্মে মুখার্জি ও বঙ্গাল হামারা হে'। যা বছর দশেক আগেও যা কল্পনাতীত ছিল। তবে আটের দশকে বিজেপির প্রতিষ্ঠার সময়েই বঙ্গজয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী।
বাংলায় এই প্রথম গেরুয়া ঝড়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতছে বিজেপি। প্রত্যাবর্তন নয়, পরিবর্তনেই বিশ্বাস রেখেছে বাংলার জনতা। এর পিছনে রয়েছে শেষ সাতদিনের স্ট্র্যাটেজি, প্রচার, পরিশ্রম। কী এমন ঘটল শেষ সাতদিনে যে ধসে পড়ল তৃণমূল।
সূর্যাস্তের পরও খেলা ঘুরল না। ২০০ আসন পার করে গেল বিজেপি। ১০০ আসনও পেরোতে পারল না তৃণমূল কংগ্রেস। নন্দীগ্রামে জিতলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর ভবানীপুরে এখন টানটান লড়াই।
পশ্চিমবঙ্গে বিপু জয়ের পর বাংলায় কাকে মুখ্যমন্ত্রী করবে BJP? শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য না কি কোনও মহিলাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাবে পদ্ম শিবির। কারা দাবিদার রয়েছেন? দেখে নিন তালিকা।