'মমতার ভয়ের প্রতিক্রিয়া। সকাল থেকে বুথে বুথে ঘুরছেন। মনে হচ্ছে, ভবানীপুর নিয়ে মমতা ভীত। মনে করছেন, হেরে যেতে পারেন'। বললেন অধীর চৌধুরী।
'আমাদের অনেক লোককে গ্রেফতার করেছে। আমি এমন গণতন্ত্র দেখিনি। আমি বলছি, তৃণমূল জিতছি। এভাবে অত্যাচার করতে পারে না সিআরপিএফ। সীমান্তের সুরক্ষা দেখা দরকার ওদের। ১৯৮৪ সাল থেকে এত অত্যাচার দেখিনি'। বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
'বাংলাদেশি মুসলমান এনে রেখেছিল। ভোটার তালিকায় নাম নেই। তারপর তাড়া করে কালীঘাটের নালাতে ফেলে দিয়ে এসেছি'। বললেন শুভেন্দু অধিকারী।
সকালে যে শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন, বিকেলে তাঁকেই কোল্ডড্রিঙ্কস খাওয়ালেন তৃণমূল কর্মীরা। ভবানীপুরে ঘুরতে ঘুরতে একটা সময়ে বুধবার বিকেলে শুভেন্দু পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূলের ক্যাম্প অফিসে। সেখানেই কোল্ডড্রিঙ্কস খান তিনি।
আইপিএল কে জিতবে এবার? সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বললেন,'এখনও অর্ধেক টুর্নামেন্ট বাকি। ৭-৮টা ম্যাচ হয়েছে সবে। বলাটা মুশকিল। আরসিবি, পঞ্জাব, রাজস্থান ভালো খেলছে'।
ভবানীপুরে ভোট দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৮৪ সাল থেকে নির্বাচনে লড়ছেন, এরকম অত্যাচার আগে কোনওদিন হয়নি, বলে বড় দাবি করেন মমতা। এরপরও দাবি করেন, তৃণমূলের জয় নিশ্চিত।
'ওয়েদার আমাদের পক্ষেই রয়েছে।' এমনটাই বলছেন বালিগঞ্জ কেন্দ্রের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি মনে করছেন, স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই ভোট দিচ্ছেন তাঁর কেন্দ্রের ভোটাররা। এদিকে তাঁর কেন্দ্রে ভোট দিলেন রাসবিহারী কেন্দ্রের TMC প্রার্থী দেবাশিস কুমার। দেশপ্রিয় পার্কের ন্যাশনাল হাই স্কুলের বুথে স্ত্রী দেবযানী কুমার এবং মেয়ে দেবলীনা কুমারকে নিয়ে ভোট দিলেন তিনি।
'জো লোগ আসমান মে রহতে হ্যায়, উনকো ভি জমিন পে উতরনা পড়তা হ্যায়...।' ভোটাধিকার প্রয়োগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন মহম্মদ সেলিম। CPIM-এর রাজ্য সম্পাদক বলেন, 'রকেটে আগুন দিলে অনেক দূর উড়ে যায়, আবার মশলা শেষ হলেই ছাই হয়ে যায়।' ফলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সকাল থেকে বুথ পরিদর্শনে নেমে তৎপরতা দেখানো বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছে বলেই মনে করছেন তিনি। পাশাপাশি মহম্মদ সেলিম জানান, তাঁর ভোট তিনি সেই ভোটারদের উৎসর্গ করছেন, যাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) জানিয়েছেন, যেসব ভোটকেন্দ্রে ইভিএমের কোনও বোতাম টেপার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে পুনর্নির্বাচন করা হবে।
ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীকে দেখে উঠল 'চোর, চোর' স্লোগান। ফোন করে বাহিনী ডাকলেন প্রার্থী। চলে এল বাহিনী। তারপর লাঠিচার্জ। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় চলছে ভোটগ্রহণ। নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে কার্যত বনধ-এর চেহারা। বেশিরভাগ মানুষই ছুটির মুডে রয়েছেন। একাধিক রুটে প্রচুর বাস বন্ধ, অটোরও দেখা মিলছে কদাচিৎ। এমন পরিস্থিতিতে বহু মানুষের ভরসা হতে পারত ফেরি পরিষেবা। কিন্তু তা হল না।