পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজো শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শ্রমজীবী মানুষের সংস্কৃতি, কারিগরি পেশা এবং বাংলার শিল্পাঞ্চলের নিজস্ব ঐতিহ্য। প্রতি বছর ভাদ্র সংক্রান্তির দিন সাধারণত বিশ্বকর্মা পুজো পালিত হয়।
কলকাতার রাস্তার নামে বড় বদল করতে চলেছে সরকার। মার্কস বা লেনিনের নাম রাখা নাও হতে পারে। এমনকী সরিয়ে দেওয়া হতে পারে ধর্মতলার লেনিনের মূর্তিও।
গণেশ পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে 'কমিউনিস্ট ঘরানার' লোকেদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। ‘পুজো বলতে খুব কষ্ট’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। বিশ্বকর্মা পুজোয় কমিউনিস্ট নেতাদের সঙ্গে পুষ্পাঞ্জলির আহ্বানও জানান। একই সঙ্গে ‘গণপতি তো মহারাষ্ট্রের পুজো’ বলে যে সমালোচনা হচ্ছে, তারও জবাব দেন শুভেন্দু।
পদ্মার ইলিশের দিকে চেয়ে থাকে বাঙালি। অথচ এখনও তার কোনও খবরই নেই। বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসার পরিবর্তে ভারত থেকে ঢাকায় যাচ্ছে ইলিশ। তাহলে কি এবার পুজোয় ইলিশ আর আসবে না?
বাংলায় ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। বিভিন্ন মাদ্রাসার কার্যপদ্ধতি নিয়ে তদন্তের পর প্রথম পর্যায়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি গুরুতর অসঙ্গতি ধরা পড়া আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এই যাচাইয়ে মাদ্রাসাগুলির পরিচালন ব্যবস্থা, শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা, পড়ুয়ার উপস্থিতি, পরিকাঠামো এবং অর্থের উৎস-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে বলে খবর।
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও প্রায় শতাধিক মাদ্রাসাকে শোকজ নোটিস ধরানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, 'হোটেল-রেস্তোরাঁ হোক বা মাদ্রাসা, সবই এখানে বেআইনি। সরকার স্ক্রুটিনি করছে, সরকারের অনুমতি না মিললে চলবে না এইসব মাদ্রাসা। বেআইনি মাদ্রাসা সব বন্ধ হবে।' বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিরা এসে এইসব মাদ্রাসাতেই আশ্রয় নেয় বলেও মন্তব্য দিলীপের।
কেন এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ? কারণ অসংগঠিত অ-কৃষি ক্ষেত্রের মধ্যে এমন বহু ছোট ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলি কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত নয়। এই ক্ষেত্রের মধ্যে দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়।
১৭ জন NCPI সাংসদ যোগ দিতে চলেছেন BJP-তে। এমনই দাবি করলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। এই নিয়ে তুঙ্গে চর্চা। তবে তাঁর সতীর্থ অবশ্য বিষয়টিকে নিশ্চিত করছেন না।
কোনওমতেই হল না ঐক্য। রেজিনগরে CPIM-এর প্রার্থীর পাল্টা প্রার্থী ঘোষণা করে দিল RSP। ফলত, একই আসনে বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২ জন প্রার্থী লড়বেন। গৃহযুদ্ধ ফ্রন্টে!
ডেঙ্গি যে কীভাবে বাড়ছে রাজ্যে, তার প্রমাণ হল অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরের ডেটা। ৬ অগাস্ট পর্যন্ত ২ হাজার ৪১০ জনের ডেঙ্গি ধরা পড়েছিল। ১১ সেপ্টেম্বর ওই সংখ্যাটা বেড়ে হয়ে গেল ৫ হাজার ২ জন। ইতিমধ্যেই পয়লা সেপ্টেম্বর ডেঙ্গি ইস্যুতে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
bangla.aajtak.in-কে বিধায়ক সন্দীপন সাহা জানালেন, আজ বৈঠক রয়েছে। তারপরেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এখন প্রশ্ন হল, জোড়াফুল প্রতীকে কোন শিবির লড়বে? নাকি দুই শিবিরকেই জোড়াফুল প্রতীক ত্যাগ করে নির্দল হিসেবে লড়তে হবে শেষ পর্যন্ত।