বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা গেটের ঝুলন্ত রেস্তরাঁয় আচমকা আগুন। বুধবার সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। রেস্তরাঁয় থাকা সকলকে নিরাপদে নীচে নামিয়ে আনা হয়েছে বলে খবর। বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর এখনও পর্যন্ত নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল।
আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, থাইল্যান্ড উপসাগর এবং সংলগ্ন থাইল্যান্ড ও মায়ানমার এলাকায় থাকা ঘূর্ণাবর্তটি ২১ অক্টোবরের মধ্যে উত্তর আন্দামান সাগরে প্রবেশ করতে পারে।
'মা সবার। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মায়ের আশীর্বাদ পাওয়ার অধিকার সবার আছে। সবার ধর্মপরীক্ষা করতে নামবেন মুখ্যমন্ত্রী? আমরা ভেদাভেদমূলক বক্তব্য হিসেবে দেখছি'। শুভেন্দুর মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া দিলেন কুণাল ঘোষ।
কলকাতার অ্যালেন পার্কের দুর্গাপুজোয় সিঁদুরখেলায় হাজির হলেন টলি সেলেবরা। ঢাকের তালে নাচতে দেখা গেল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অপরাজিতা আঢ্য আর দর্শনাকে। দেখুন সেই ভিডিও।
খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ইঞ্জিন। দমকলকর্মীরা হিডকোর সিঁড়ি ব্যবহার করে উপরে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।
চোরবাগান পদপিষ্টে মৃত বরানগরের বাসিন্দা দিলীপ ঘোষ ও দীপালি ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের ছেলের দায়িত্বও নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ অর্থাত্ বুধবার সকাল থেকে চোরবাগানে মৃতদের বাড়িতে পর পর যান শুভেন্দু অধিকারী। সরকারের তরফে ২৫ লক্ষ আর্থিক সাহায্য তুলে দিলেন সকলের হাতে। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। এরপরেই দিলীপ ঘোষ ও দীপালি ঘোষের বাড়িতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এটা আমার কর্তব্য। ছেলেটার বাবা-মা চলে গিয়েছে। আমি বাড়ির লোককে বলেছি, আমার কাছে থাকতে চাইলে ও থাকতে পারে। আমি অভিভাবক হতে পারি। প্রতিভাবান ছেলে। ওকে আমাকে দিয়ে দিন।'
তদন্তের স্বার্থে সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইলে তোলা ভিডিয়ো, ফরেন্সিক রিপোর্ট, কল রেকর্ড, থানার নথি, কন্ট্রোল রুমের লগ, চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য শারীরিক প্রমাণ খতিয়ে দেখা হবে।
'মাইকে বলার দরকার ছিল না, প্যাণ্ডেল ভেঙে পড়ে যাবে। মাঝ রাতে গিয়েছিলাম। প্যাণ্ডেল ভেঙে পড়েনি। এটা মানুষের ভুল'। চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
চোরবাগানে নিহত প্রিয়া সমাদ্দারের বাড়িতে গেলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বারাকপুরের ঘোলায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। হাতে তুলে দেন ২৫ লাখ এবং ২ লাখের দুটি চেক। সেই সঙ্গে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন। মাকে চাকরির ব্যবস্থা এবং স্কুটি কিনে দেওয়ার কথাও বলেন।
মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বরানগরের বাসিন্দা দিলীপ ঘোষ ও দীপালি ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের ছেলের দায়িত্বও নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন শুভেন্দু।
'দুর্গাপুজো ধর্মীয় অনুষ্ঠান। মাকে নিয়ে যাবেন যাঁরা, তাঁদের নামপরিচয় জানতে হবে। সনাতন ধর্ম মানলেই প্রতিমাকে হাত দেবেন। এ বছর ব্যবস্থা আরও সুন্দর করা হয়েছে। একদিকে নিরাপত্তা, আর মায়ের মূর্তির পবিত্রতা'। বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।