আগামী ৯ মে, রবীন্দ্র জয়ন্তী উৎসবের দিনই রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শপথগ্রহণ করবেন। এর জন্য রাজ্যে আসতে পারে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। শমীক ভট্টাচার্য ঠিক কী জানালেন?
ভারতীয় রাজনীতিতে একটি বিশ্বাস ক্রমেই গেঁড়ে বসছিল, তা হল মহিলাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা জমা করার মতো স্কিম নিয়ে এলে তা সরকার রক্ষার 'অব্যর্থ দাওয়াই'। কিন্তু সেই 'দাওয়াই' ফেল করল বঙ্গে।
একুশে 'মেজোবোন' নন্দীগ্রামে পরাজয়ের পর, ছাব্বিশে 'বড়বোন' ভবানীপুরেও হারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা-ও সেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই। SIR, ভিক্টিম কার্ড না অবাঙালি ভোট না পাওয়া? কোন কোন ইস্যু কাজ করল এই পরাজয়ের নেপথ্যে?
আয়ুষ্মান কার্ড আজ গরীব ও অভাবী মানুষের জন্য গোটা দেশে বিরাট স্বস্তি হয়ে উঠেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়া যায়। এখন এটি পাওয়ার জন্য আর কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন নেই; ঘরে বসেই খুব সহজে এটি তৈরি করা যায়। সরকার এই প্রক্রিয়াটিকে সহজ ও ডিজিটাল করে দিয়েছে।
বাংলায় ক্ষমতায় আসার পর এবার প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা BJP-র। প্রথমেই নতুন সরকার বাংলাকে কী কী উপহার দিতে চলেছে? তালিকায় রয়েছে মাসে মাসে মহিলাদের হাতে ৩ হাজার টাকা দেওয়া থেকে শুরু করে সপ্তম বেতন কমিশন।
ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় গেরুয়া ঝড়। ধুয়ে মুছে সাফ সবুজ বাহিনী। এমনকি পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছেন খোদ মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ও। ভবানীপুরে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর জেতার পরেই তৃণমূলকে নিশানা করলেন বিজেপি নেতা।
'সমস্ত হিন্দু, জৈন ও শিখরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের প্রণাম জানাচ্ছি। আমাকে কোনও মুসলমান ভোট দেননি'। ভবানীপুর জিতেই বললেন শুভেন্দু অধিকারী।
ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা আজ শান্তি পেল। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন তিনি।
অমিত শাহের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম নয়, ভবানীপুর আসন থেকেও জিতলেন। তবে কি এবার বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারীই? এই নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। কোন কোন ফ্যাক্টরে শুভেন্দুকে মুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে?
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক ফল। ১৫ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার রাতে কাউন্টিং সেন্টার থেকে বেরিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।
'এটা অনৈতিক জয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন যা করেছে তা বেআইনি জয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর'। প্রতিক্রিয়া দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।