মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা নির্বাচনী মামলা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ বিজেপি নেত্রী ও আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের। তিনি বলেন, 'নন্দীগ্রামে হারার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন লোডশেডিং হয়েছিল। এবার বলছেন মেশিনে কারচুপি হয়েছে। যদি সত্যিই মেশিনে কারচুপি হয়ে থাকে, তাহলে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল কেন জিতলেন না? তাই এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আদালতে যেতে পারেন, যেখানে খুশি যেতে পারেন। কিন্তু তিনি নিজের মর্যাদা ও সম্মান বজায় রাখতে পারেননি। গণতন্ত্রে এভাবে হয় না। হার-জিত মেনে নিতেই হবে।'
ডিম কাণ্ডে নতুন বিতর্ক উসকে দিলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, যাঁকে CID র অফিসিয়াল সাক্ষী বলা হচ্ছে, তিনিই নাকি তাঁকে ডিম ছুড়েছেন। কুণালের প্রশ্ন, তদন্তে যুক্ত বা সাক্ষী হিসেবে চিহ্নিত কোনও ব্যক্তি কী ভাবে এমন ঘটনা করতে পারেন? বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি TMC সাংসদের।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস মডেলগুলির ইঙ্গিত, ২৩ জুনের দিকে পরিস্থিতি উন্নত হতে পারে। অর্থাৎ ঝেঁপে বর্ষার বৃষ্টি নামতে পারে। তার আগে নয়। আবহাওয়াবিদদের মতে, প্রযুক্তিগতভাবে মধ্য ও পূর্ব ভারতের কিছু অংশে বর্ষা এগিয়ে চলেছে ঠিকই, কিন্তু বৃষ্টি-সৃষ্টিকারী ব্যবস্থাটি অস্বাভাবিকভাবে দুর্বল হয়ে আছে।
পুলিশ এখন হন্যে হয়ে খুঁজছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক (পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট) সুমিত রায়কে। দলে কোনও বড় পদে না থেকেও তৃণমূল জমানার অত্যন্ত প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এই সুমিত রায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর নামে একাধিক ফ্যান পেজ। কেউ কেউ বলতেন, বস। কারও কাছে ছিলেন দাদা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠবৃত্তের একজন হলেন সুমিত। শোনা যায়, অভিষেকের সঙ্গে একই স্কুলে ও ক্লাসে পড়লেও, অভিষেককে বরাবর স্যর বলেই ডাকেন সুমিত। এখন প্রশ্ন হল, কে এই সুমিত রায়?
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন গিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে, তার ব্যাখ্যা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় আজ নির্বাচনী মামলার হলফনামার অ্যাফার্মেশন করতে এসেছিলেন। এই মামলায় তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ভোটে জেতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। কারণ, নির্বাচনটি সঠিকভাবে হয়নি। তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট এবং তাঁকেও মারধর করে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
রেড রোডে আয়োজন করা হচ্ছে যোগ দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানের। আর এই আয়োজন ঘিরেই প্রশ্ন তুলেছেন কিছু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, রেড রোডে নমাজে অনুমতি দেওয়া না হলে, যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে কেন? মঙ্গলবার কড়া ভাবে এই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও কৃষি বিপণন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,"এর আগে ১০৭ বছর ধরে রেড রোডে নমাজ পড়া হত। তখন কোনও সংখ্য়ালঘু কি এই প্রশ্ন করেছিলেন, এত বড় মাঠ, এত মসজিদ পড়ে থাকতে রেড রোডে নমাজ কেন পড়া হচ্ছে?"
বর্তমানে বিদ্রোহী সাংসদদের সংখ্য়া বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। জানান ২০ থেকে বেড়ে তা ২২ হতে পারে। অন্য কোনও দলে যোগ নেওয়া নিয়ে তাঁদের অবস্থান যেন স্পষ্ট থাকে, সেটা সুনিশ্চিত করাও তাঁদের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন।
কুণাল ঘোষের উপর ডিম হামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তৃণমূল নেতা সজল ঘোষের কটাক্ষ, 'সুদীপদাই ডিম মারিয়েছে।' তাঁর কথায়, ফলস চুল নিয়ে মন্তব্য করায় নাকি ক্ষুব্ধ ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সৌগত রায় তাঁর চিঠিতে দাবি করেছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের সামনে একজন বিধায়কের উপর হামলার ঘটনাকে তিনি অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করেছেন।
২০ জুলাই সংসদে অধিবেশন শুরু হবে। ২১ জুলাই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস পালনের সম্ভাবনা। ওই সময়ের আগেই যাবতীয় স্ট্র্যাটেজি ও অঙ্ক সেরে ফেলতে চাইছেন বিদ্রোহীরা।
কুণালকে ডিম মারার ঘটনায় কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের। রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, 'দেখুন লোকজন দেখলাম এত সুন্দর প্র্যাকটিস করছে, কপালে, টাকে ঠিক মারছে। আমার মনে হয় কোথাও প্র্যাকটিস করানো হচ্ছে। উনি হয় তো জানতেন ডিম খাবেন, কিন্তু কাঁচা ডিম খাবেন ভাবেননি।'