অভিষেকের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের কারণ কী? কুণাল ঘোষ বললেন,'এনিয়ে কোনও কথা বলব না। দলের মধ্যে কী কথা হচ্ছে বাইরে বলব না। আমি তৃণমূলের মুখপাত্র। সুমিত রায়ের মুখপাত্র নই'। তিনি যোগ করেন,'অভিষেক আমার নেতা। আমি তাঁকে ভালোবাসি। বয়সে আমার থেকে ছোট। নেত্রীর পর উনি দলের সাধারণ সম্পাদক'।
'বিজেপি কর্মীদের বলছি, ডিম মারবেন না। ফট করে রেগে গিয়ে বিদ্রোহী হলে আমার নামে জয়ধ্বনি দিতে হবে। যাঁকে, তাঁকে ডিম মারবেন না'। বললেন কুণাল ঘোষ।
এদিকে এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, ২০ জন সাংসদের সই করা চিঠি নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন বিরোধী শিবিরের সাংসদরা।
'তাপস রায় থেকে সজল ঘোষদের প্রতি অন্যায় অবিচার করা হয়েছিল। সুদীপবাবুর জন্য সজল, তাপস রায় চলে গেলেন। আজ তিনিও মমতার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন'। উত্তর কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হয়েই বললেন কুণাল ঘোষ।
'আপনারা জানতে পারবেন। আপনাদের জবাব দেব না। নিজের লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের কাছে জবাব দেব'। বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে কার্যত এড়িয়ে গেলেন তৃণমূলের বিক্ষুদ্ধ সাংসদ সায়নী ঘোষ।
'২০ বলেছিলাম। সেটা আদতে ২২'। আরও সাংসদের শিবির বদলের ইঙ্গিত দিলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কি লোকসভায় দলনেতা? কাকলি জানান,'সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত হবে। সবার মতের প্রাধান্য দেওয়া হবে। কোনও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত নেবে না'।
বাংলায় ট্রে প্রতি ২০ টাকা বাড়ল ডিমের দাম, 'ডিম ছোড়াই' কি কারণ? যা জানা গেল
দিল্লিতে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের বৈঠকের আগে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি, তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে সাংসদের সংখ্যা ২০ নয়, ২২ হতে পারে। আরও কয়েক জন যোগ দেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানান তিনি।
আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যেই রাজ্যের বাকি অংশে বর্ষা প্রবেশ করতে চলেছে। এমনটাই পূর্বাভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর। সেইসঙ্গে সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রাজ্যের সব জেলাতেই আগামী কয়েকদিন ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করায় আবহাওয়া পরিবর্তনের এই অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নিয়োগে সই জালের অভিযোগে ফের সিআইডি-র জেরার মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বারের জবাবে অসন্তুষ্ট তদন্তকারীরা। একই মামলায় তলব করা হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকেও।
৫০টিরও বেশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মিলবে এই জনকল্যাণ শিবিরে৷ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক সামাজিক প্রকল্পে নাম নথিভুক্তির জন্য আবেদন, যাচাই ও অভিযোগ নিষ্পত্তি দ্রুত করা হবে৷ নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল, বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা এবং তার প্রকৃত উপভোক্তাদের মধ্যে যে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক দূরত্ব রয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে দূর করা ।