২০২৪ সালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ করে খুন করা হয় চিকিৎসক পড়ুয়াকে। ওই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, সোমনাথ দাস এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতা সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে অবিলম্বে গ্রেফতারির দাবি করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা।
'যেদিন লোকসভা ভোটে পরাজয় হবে, সেদিন মানুষের রায়ে বাংলার গদি এক রাতে চলে যাবে। এটা মানুষের রায় নয়। সেই রায় আমরা মাথা পেতে নেব। একশোর বেশি আসনে কাউন্টিংয়ের দিন লুঠ করেছে। আমরা বিচারব্যবস্থার কাছে বিচার চাই'। এই প্রথম দলের কর্মীদের বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়,'লুঠপাট করে ক্ষমতায় এসেছে। জয়ী হওয়ার পর প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে পড়া চারিত্রিক দুর্বলতার প্রকাশ'।
Abhishek Banerjee First Message After Defeat: হারের পর তৃণমূল কর্মীদের মনে যে হতাশা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে অভিষেক রীতিমতো রণংদেহি মেজাজে ধরা দেন এদিন। তাঁর দাবি, গণনার দিন আমাদের প্রার্থী ও এজেন্টদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরাই কার্যত গণনা নিয়ন্ত্রণ করেছেন। এই অবিচারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।
'বেআইনি বলছে প্রশাসন। ভাঙাটাও বেআইনি। আমি বেআইনি বাড়ির বিরুদ্ধে। একটা সময় তো দিতে হবে। ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে এই ধরনের অন্যায় চলছে'। তিলজলায় বেআইনি কারখানা পরিদর্শনে গেলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
গত মাসে, যখন শান্তনুবাবুর বাসভবনে তল্লাশি চালিয়ে ইডি আধিকারিকরা বেশ কিছু আপত্তিকর নথি উদ্ধার করেন। অভিযোগের আঙুল ওঠে কুখ্যাত অপরাধী সোনা পাপ্পু এবং ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের দিকেও।
২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তুললেন শমীক ভট্টাচার্য। মনে করালেন,'তখন শাসকের আইন ছিল। মমতার অভিযোগের বাস্তব ভিত্তি নেই। তিন জন বিজেপি কর্মীকে খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস'।
'খারাপ সময়ে মানুষ মুখ খোলে নিজের জন্য। এখন পিঠ বাঁচানোর জন্য বলছেন। কাউন্টিং এজেন্ট ছিলেন। ১টা বাজতে না বাজতে কোলাঘাটে লাঞ্চ করছিলেন'। নাম না করে আক্রমণ শানালেন সায়নী ঘোষ।
অবৈধ বহুতল রাখতে দেব না। জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রি অগ্নিমিত্রা পল। তিনি জানান, 'সরকারি নিয়ম না মানলে আমরা সুযোগ দেব। একেবারেই কিছু না থাকলে ব্যবস্থা নেব'।
'পশ্চিমবঙ্গে কোনও আইনশৃঙ্খলা নেই। তৃণমূলের লোকেদের ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। পুলিশ সাহায্য করছে বিজেপি। ঘরছাড়াদের ফেরাতে হবে'। বললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগ করেন, 'শুভেন্দু অধিকারী হিংসুটে। উনি খুব প্রতিহিংসাপরায়ণ'।
ভোটের আগেই বাংলায় ‘বুলডোজার অ্যাকশন’-এর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সেই ছবিই এখন দেখা যাচ্ছে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে। অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার গড়িয়ার মিতালি সংঘের মাঠ সংলগ্ন ক্লক টাওয়ার ভাঙার কাজ শুরু হয়। পুরসভার কর্মী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় চলে ভাঙচুরের কাজ।
বাংলাতে এবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) লাগু হবে। মন্ত্রীদের দফতর বন্টন হয়ে গেলেই প্রতিশ্রুতি মাফিক এই বিধি লাগু হবে। UCC কার্যকর হলে কী কী বদল হতে পারে বাংলায়? জেন নিন অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিস্তারিত...