Mamata Attack On BJP On Abhishek Issue: শনিবার এক জরুরি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে এই বিষয়ে নিজের তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সোনারপুরে হামলার পর অভিষেকের শরীরে একাধিক জায়গায় 'ব্লাড ক্লট' বা রক্ত জমাট বেঁধেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালের ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিটে (ITU) রেখে চিকিৎসা চালানো হচ্ছে।
২০১৯ সালে রাজ্যে বিজেপির উত্থানের পর থেকে বিরোধী পরিসর দখল করেছিল তারাই। একটাই রাজনৈতিক ভাষ্য ছিল, হয় তৃণমূল, না হয় বিজেপি। যার অভিঘাতে ২০২১ সালে বিধানসভা এবং ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে একটাও আসন পায়নি সিপিএম। এবার সাকুল্যে একটা। কিন্তু 'টার্নিং পয়েন্ট' ফলতা পুনর্নির্বাচনের ফল। সিপিএম উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে। উজ্জীবিত বামশিবির। হ
বাইপাসের ধারের হাসপাতাল থেকে মিন্টোপার্কের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ওই হাসপাতালে তাঁর ট্রিটমেন্ট হচ্ছিল না। বাইপাসের ধারের হাসপাতাল থেকে হুইলচেয়ারে বার করা হয় অভিষেককে। সেই ভিডিও দেখুন।
'ঠান্ডা মাথায় নিগ্রহ করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কী করছিল পুলিশ? এটা গণতন্ত্রবিরোধী। ফ্যাসিবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র'। বললেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় ফেরার পর তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
'শান্ত থাকুন। ভদ্র আচরণ করুন। হিংসা বর্জন করুন। হিংসামুক্ত করার জন্য মানুষ রায় দিয়েছে। সবাই এই ধরনের কাজকর্ম থেকে বিরত থাকুন'। বললেন শমীক ভট্টাচার্য।
দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর সোনারপুরে হামলার ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারধর করা হচ্ছে। তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে, ছোড়া হয়েছে ডিম।
সোনারপুরের রাস্তায় জনরোষের শিকার হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মারধর করা হল, ছেঁড়া হল জামা, ছোড়া হল ডিম। তাঁর প্রাণ সংশয় পরস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করলেন কুণাল ঘোষ, ডেরেক ও'ব্রায়েনরা। কী প্রতিক্রিয়া দিলেন শমীক ভট্টাচার্য?
'আমার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে, কারণ আমি অমিত শাহের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। অমিত শাহ যখন বলছে, উল্টো করে ঝুলিয়ে দেব, তখন কোনও ব্যবস্থা নেয় না থানা। তখন সব চুপ'। ডিজে মন্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কামালগাছির সিগন্যালে অভিষেকের কনভয় থামতেই কয়েকজন পুরুষ ও মহিলা তাঁর গাড়ির দিকে এগিয়ে যান। প্রথমে কালো পতাকা দেখানো হয়, পরে শুরু হয় স্লোগান। এরপর সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়ির পথে আরও বড় জমায়েত তৈরি হয়। অভিযোগ, সেখানে উপস্থিত কয়েকজনকে ডিম প্রস্তুত রাখতে বলতেও শোনা যায়।
সোনারপুরে অভিষেককে ঘিরে চোর স্লোগান। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল শনিবার বিকেলে। ভোটের পর আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক অভিষেক। কিন্তু সোনারপুরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে ঘিরে একদল মানুষ তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকে। তাঁর দিকে ডিম ছোড়া হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ অভিষেককে হেলমেট পরায়। শুধু ডিম নয়, জুতোও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। সেইসঙ্গে চলতে থাকে অশ্রাব্য গালিগালাজ। অভিযোগ, জামাও ছিঁড়ে দেওয়া হয় অভিষেকের।