Ex TMC MLA Saokat Molla Arrest: সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে তিনি একটি গাড়িতে চেপে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, একটি বিশ্বাসযোগ্য খবরের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে এনআইএ-র একটি দল কলকাতার কাছাকাছি একটি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে।
'প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে অন্য বিধানসভা থেকে লোক এনে সন্দীপন সাহার বাড়ির সামনে অরাজকতা সৃষ্টির তৈরি হয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নিশ্চিতভাবে এই ধরনের ঘটনাকে সমর্থন করবে না'। বললেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
জনরোষ এসে পরে সুরুচি সঙ্ঘের ক্লাবঘরে। বিশ্বাস ব্রাদার্সের জনপ্রিয় পুজো এই সুরুচি সঙ্ঘ। শুক্রবার বিকেলে ভেঙে ফেলা হয় সুরুচি সঙ্ঘের ফ্লেক্স। ক্লাবের ঘরে ভেঙে ঢুকে পড়েন বিক্ষুব্ধ একদল মানুষ। রীতিমতো ঢোল পিটিয়ে চালানো হয় ভাঙচুর।
'নেতাজিতে শ্রদ্ধা জানানোর ইচ্ছে ছিল। নেতাজি মেয়র থাকাকালীন ঠনঠনিয়ায় জল জমেছিল। নেতাজি গামবুট করে গিয়েছিলেন। সেই জল আজও জমে। সেখানে ঋষিকেশ পাম্পে ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন উদ্বোধন করতে পারলাম না। সেটা শেষ হবে, যে স্বপ্ন দেখেছিলেন নেতাজি'। বললেন ফিরহাদ হাকিম।
'দাপটের সঙ্গে চালিয়েছি। মানুষকে সুরাহা দিয়েছি। এখন সেটা সম্ভব হচ্ছে না। চেয়ারকে অবমাননা করতে পারি না। সম্মানহানি করতে পারি না। ঢাল নেই, তরোয়াল নেই, নিধিরাম সর্দার'। কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বললেন ফিরহাদ হাকিম।
Firhad Hakim: প্রথমবার মেয়র হওয়ার সেই স্মৃতিও এদিন মনে পড়ল ফিরহাদের। বললেন, '২০১৮ সালে হঠাৎ করে যখন তখনকার মেয়র ইস্তফা দিলেন, সে সময়ে সব কাউন্সিলরদের সম্মতি নিয়ে আমাকে এই চেয়ারে বসানো হয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল, এই চেয়ারে বসার যোগ্যতা আমার নেই।'
নেতাজির স্বপ্নপূরণ করা হল না তাঁর। কী সেই স্বপ্ন? জানালেন ফিরহাদই। বলেন, "যখন নেতাজি মেয়র ছিলেন তখন ঠনঠনিয়াতে খুব জল জমেছিল। নেতাজি গামবুট পরে সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানে এখনও জল জমে। আমি ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন করেছি অনেকটাই এগিয়েছে। ভিত্তিপ্রস্তর করেছিলাম। উদ্বোধন করা হয়নি। আশা করি এটি শেষ হবে। নেতাজি চেয়েছিলেন আর ঠনঠনিয়াতে জল জমবে না। আমি আর থাকব না।"
সংসদেও এবার ঋতব্রত মডেল? রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা এখন তুঙ্গে। তৃণমূলের কোনও কোনও সাংসদ ইতিমধ্যেই বেসুরো। ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট কাকলির। কী বলছেন ঋতব্রত?
Swarup Biswas News: স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মুখ খুলেছেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। বিশেষত, ৪ মে, রাজ্যে পালাবদলের পরে, তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবার, স্বরূপের গ্রেফতারির খবর পেয়ে, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে টলিউড।
হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু তার পর ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁর সম্মানহানি করতে পারে না। কেন এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে, ৪ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিয়ে রাজ্যকে তা জানাতে হবে।
বিদ্রোহী শিবিরেই পাল্টা বিদ্রোহের ইঙ্গিত মিলেছে। তবে শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বলেন, 'একটাই কথা বলব, নম্বর ক্রমশই বাড়বে।' জানান, তিনি সম্পূর্ণ কনফিডেন্ট।