কলকাতার মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিয়েছেন বলে জোর জল্পনা। তবে পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় জানালেন, তাঁর কাছে পদত্যাগপত্র জমা পড়েনি। ১৯ জুন দুপুর দুটোয় পুরসভার অধিবেশন ডাকা হয়েছে বলে জানান তিনি।
টেকনিশিয়ান স্টুডিও গিল্ডের সদস্যরা তাঁর বিরুদ্ধে টাকা তোলার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে স্বরূপকে।
টাকা নিয়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মপূরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করল বিজেপি। তাদের বক্তব্য, পার্কসার্কাসে তৃণমূল নেতা মহসিন আলি টাকা নিয়ে ফর্ম ফিল-আপ করাচ্ছেন মহিলাদের।
'মমতা আজকের দিনে বাংলার শুধু নয়, দলেরও বোঝা'। খোঁচা দিলেন নেত্রীর এককালের আস্থাভাজন বর্তমানে বিজেপি সরকারের মন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন,'ফিরহাদ হাকিম কেন ইস্তফা দিচ্ছেন না? কলকাতার অনেক ক্ষতি করে দিয়ে গিয়েছে। পুরসভাটা চালাতে হবে'।
ঘটনার সূত্রপাত তৃণমূলের পরিষদীয় দলের স্পিকারকে চিঠি দেওয়াকে ঘিরে। সেই চিঠিতে দলেরই বিধায়কদের সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তার তদন্ত শুরু করে করে CID।
বৃহস্পতিবার কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ ভক্তদের মতো সিঁড়ির ধারে থাকলেন অপেক্ষায়। দেখুন সেই ভিডিও।
এখন প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক (ঘাসফুল) নিয়ে ভবিষ্যতে কোনও আইনি লড়াই শুরু হবে কি না। অতীতে শিবসেনা, এনসিপি এবং লোক জনশক্তি পার্টির ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল, দলীয় বিভাজনের পর নির্বাচন কমিশনই প্রকৃত দলের স্বীকৃতি নির্ধারণ করেছে।
'ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত। তিনি কীভাবে বিরোধী দলনেতা হতে পারেন? অমিত মিত্রের কলার ধরে টেনেছিল। দিদিকে ঘেরাও করেছিল'। বললেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
'গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এআই জেনারেটেড করে হকার উচ্ছেদের নোটিস বের করে দেওয়া হয়েছে। কলেজস্ট্রিটে কোনও উচ্ছেদ হচ্ছে না। এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না কলকাতা পুরসভা'। জানালেন পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডে।
'কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূলের জন্ম দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা জীবনে কংগ্রেসে থাকলে কাউন্সিলর হতে পারতেন না, তাঁদের মমতা নেতা-নেত্রী বানিয়েছেন। এটা ওদের ভিতরের ব্যাপার'। বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মনে করিয়ে দিলেন, সরকার চালাতে দায়িত্বশালী বিরোধীর দরকার।
প্রধানমন্ত্রীর “এক পেড় মা কে নাম” প্রকল্পের আদলে রাজ্যেও শুরু হচ্ছে বড়সড় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। ২০২৪ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, এবার সেই পথ অনুসরণ করেই পশ্চিমবঙ্গে গাছ লাগানোর বিশেষ অভিযান শুরু করতে চলেছে প্রশাসন।