তারাতলা বিপর্যয়ে বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। দুর্ঘটনার পরে ২৪ ঘণ্টা পার করেও চলছে উদ্ধারকাজ। নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ ভেঙে পড়ে বিপর্যয়ের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত ১৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
EPFO সদস্য পোর্টালে প্রদর্শিত একটি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সংস্থাটি তার ক্লেইম প্রক্রিয়াকরণ সিস্টেমের জন্য একটি পরিকল্পিত ডেটাবেস একত্রীকরণ এবং সফটওয়্যার আপগ্রেড কার্যক্রম চালাচ্ছে।
আগামী চার সপ্তাহের জন্য কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, রাজারহাট নিউটাউন, মহেশতলা, বজবজ, পূজালি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর গ্রামীণ এলাকা, সোনারপুর, বারুইপুর পুর এলাকায় সব নির্মীয়মান কাজ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'সব প্ল্যান অডিট হবে, অডিট করার জন্য কমিটি তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। কমিটির মাথায় থাকবেন অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি IAS রাজেশ পাণ্ডে। বিধানসভায় শুভেন্দু স্পষ্ট করে দেন, যতক্ষণ না অডিট সার্টিফিকেট হচ্ছে, কোনও বিল্ডিংয়ে আমরা হাত দিতে দেব না।'
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তারাতলার ঘটনা নিয়ে ফুঁসে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিরোধী শিবিরে বসেছিলেন কলকাতা বন্দরের তৃণমূল (ঋতব্রতপন্থী) বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম তথা প্রাক্তন মেয়রও। শুভেন্দু তাঁর সামনেই বলেন, 'বিল্ডিং প্ল্যান চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অনুমোদিত হয়েছিল। টাকা নিতে নিতে বৃহত্তর কলকাতাকে আপনারা মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছেন। এই রাজ্যের সর্বনাশ করেছেন।' তিনি আরও বলেন, 'আসগরকে খুঁজছি। যদি চাপা পড়ে থাকে তাহলে আলাদা কথা। আমি চাই জীবিত বেরোক।'
বিধাননগর সাইবার থানায় দায়ের হওয়া মামলায় সিআইডি অভিষেকের ভয়েস টেস্ট বা কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার আর্জি জানায় নিম্ন আদালতে ৷ ইতিমধ্যে আদালত তাতে অনুমতিও দিয়েছে ৷ সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এদিন বিচারপতি কৌশিক চন্দর বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অভিষেকের আইনজীবী।
'কলকাতা পুরসভায় কালী না বললে কোনও প্ল্যান হয় না। আর কালী অ্যাপয়েন্টেড বাই ক্যামাক স্ট্রিক। আর এই কালী বাইপাসের ধারে তৃণমূলের পার্টি অফিস বানাচ্ছে ২০০ কোটি টাকা দিয়ে...' আজ বিধানসভায় তারাতলা বিপর্যয় প্রসঙ্গে এই দাবিই করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর পুরসভা সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রাক্তন মেয়র ববি হাকিমের ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই বলতে চেয়েছেন শুভেন্দু।
তারাতলায় লাফিয়ে বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। সর্বশেষ জানা গেছে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯ জন মৃত। আহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থিতিশীল। ১ জন অতিরিক্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় এবং ৪ জন সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছেন। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন,'আমরা ঘোষণা করছি মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং গুরুতর আহতদের ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। যদিও মৃত্যুর কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না। পাশাপাশি যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। সরকার তাঁদের পাশে রয়েছেন।'
Gold-Silver Rate: বৃহস্পতিবার কমোডিটি বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই সোনা ও রুপোর দামে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা গেছে। বাজার খোলার সময় উভয় মূল্যবান ধাতুর দাম কমলেও, পরক্ষণেই সেগুলোর দাম দ্রুত বাড়তে দেখা যায়। গত সপ্তাহে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে, অন্যদিকে রুপোর দামও ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে।
আজ বিধানসভায় তারতলা ইস্যুতে কালীর কথা তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এখন প্রশ্ন হল, কে এই কালী? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
'টাকা খেতে খেতে সিটি অফ জয়কে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছেন আপনারা।' প্রাক্তন তৃণমূল সরকারকেই তারাতলার ঘটনার জন্য কাঠগড়ায় তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফিরহাদ হাকিম বিল্ডিং প্ল্যানে সই করেছিলেন, সে কাগজও দেখালেন বিধানসভায়।
বুধবারই কলকাতার সব নির্মীয়মান বিল্ডিং খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, তৃণমূল সরকারের আমলে যে সমস্ত বাড়ি বা বহুতলের নকশা (বিল্ডিং প্ল্যান) অনুমোদিত হয়েছিল, সেগুলির নির্মাণকাজ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। প্রতিটি নির্মাণকাজ যথাযথ নিয়ম মেনে হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে একটি প্রতিনিধিদল।