ফের একবার রাজ্যে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০ জুন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই রাজ্যে আসবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। এরপর ২১ জুন রয়েছে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস।
তীব্র গরম। ভোরবেলা থেকেই অস্বস্তি চরমে। একটু হাঁটাহাঁটি করলে প্রচুর ঘাম হচ্ছে। আর এমন পরিস্থিতিতেই অনেকের প্রশ্ন, এহেন দাবদাহের দাপট চলবে? নাকি আর কয়েক দিনের মধ্যেই আসছে ঝড়বৃষ্টি? আর সেই উত্তরটাই দিয়েছে হাওয়া অফিস। তাই ঝটপট সেই দিকে নজর রাখা যাক।
এদিনের বৈঠক শেষে সংগঠনগুলির দাবি করে, পূর্ববর্তী সময়ের মতো ডিএ সংক্রান্ত বিষয় ঝুলিয়ে না রেখে সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানের পথে এগোতে চায় সরকার, তেমনই প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আজ যাঁরা শপথ নিলেন তাঁদের কাকে কোন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা এখনও সরকারের তরফে জানানো হয়নি। ১৩ জন রয়ছেন পূর্ণমন্ত্রী।
সোমবার বেলা ১২টায় তাঁকে বিধানসভায় সই-কাণ্ডে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি গরহাজির হন। তারপরই বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছে যান CID-র ১১ জন আধিকারিক। কোন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে গেলেন তাঁরা?
বিধানসভার ভুয়ো সই-কাণ্ডে ফের তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসুস্থতার কারণে ১৫ দিনের সময় চাইলেও তা মঞ্জুর করেনি CID। কালীঘাটের বাড়িতে নতুন নোটিস দিয়ে তাঁকে ৮ জুন ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।
দল ভাঙার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, বিধায়কদের উপর বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, প্রথমে পুলিশ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে, তার পরেই বিজেপির দফতর থেকে ফোন যাচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই - তৃণমূল কংগ্রেসকে দুর্বল করা এবং দলের মধ্যে ভাঙন ধরানো। ফলতার পুনঃনির্বাচন নিয়েও বিজেপিকে নিশানা করেন মমতা। তৃণমূলনেত্রী দাবি করেন, ৫০০ এজেন্টকে গ্রেফতার করে, প্রার্থীকে ভয় দেখিয়ে ভোট লুঠ করা হয়েছে। মমতা জানান, ফলতার পোস্টাল ব্যালেটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
বিজেপি সরকারের আমলে মুসলমানদের সঙ্গে হিন্দুরাও বঞ্চিত। অভিযোগ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, এবার মুসলমানদের ইদের উৎসব করতে দেওয়া হয়নি। হিন্দুরাও দুধের ব্যবসা ঠিকমতো করতে পারছেন না। এর জন্য দায়ি এই সরকার।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারে ৩৫ জন নতুন বিধায়ক পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। নবগঠিত মন্ত্রিসভায় দীপাংক বর্মন, তাপস রায়, শঙ্কর ঘোষ, অর্জুন সিং, স্বপন দাশগুপ্ত সহ বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ও নতুন বিধায়ক পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। মন্ত্রী হওয়ার পর কী বলছেন তাঁরা?
ফেসবুক লাইভে দলত্যাগী নেতাদের তীব্র আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ‘আমি যদি অভিষেককে তাড়িয়ে দিই, তাহলে কেউ কেউ চলে আসবে।’ পাশাপাশি তাঁর দাবি, কয়েক জন বিধায়ক বা সাংসদকে ভাঙিয়ে তৃণমূলকে দুর্বল করা সম্ভব নয়, বরং দল আরও শক্তিশালী হবে।
নিজেরই দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার জেরে বিপাকে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের দল থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। সেই ঋতব্রতর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, 'আগে সিপিআইএম করত। আমাদের ভুল হয়েছিল তাঁকে টিকিট দেওয়া।'