শীত শেষ। এখন বসন্ত। কিন্তু আবহাওয়ার মতিগতি দেখে তা বোঝার উপায় নেই! ইতিমধ্যেই আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস সত্যি করে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায়। বৃহস্পতিবার সন্ধেতে ভিজেছে কলকাতাও। সঙ্গে চলেছে ঝোড়ো হাওয়া। যার ফলে রাতের তাপমাত্রা মনোরমই ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ডিএ মেলেনি। বরং ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে রাজ্য সরকার। তার প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার রাজ্যজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে একাধিক সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠন।
নতুন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নবান্নে একটি ২৪ ঘণ্টার স্টেট LPG কন্ট্রোল রুম চালু করা হবে। এটি LPG সরবরাহ ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে কলকাতার ডেকার্স লেনে। কোথায় মেনুতে কাটছাঁট হচ্ছে, কোনও দোকান আবার বন্ধ হওয়ার মুখে। শয়ে শয়ে অফিসকর্মীদের দুপুরের খাবারের ঠিকানা এই গলিতে LPG সঙ্কট তুঙ্গে। bangla.aajtak.in-এ সেই পরিস্থিতির কথা জানালেন চিত্তবাবুর দোকান মালিক থেকে খিচুড়ি আর বেগুন সুন্দরী খ্যাত অরুণদা।
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সঙ্কটের মধ্যে, সরকার বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে এলপিজির বিকল্প জ্বালানি হিসেবে রাজ্যগুলিকে ৪০,০০০ কিলোলিটার অতিরিক্ত কেরোসিন বরাদ্দ করা হয়েছে।
ভোটের আগে শনিবার ধর্মতলায় জনসভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। কলকাতার এই সভা থেকে ঘোষণা ১৮ হাজার ৬৮০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার বাসিন্দা সেখ নিজাম উদ্দিনের একটি গ্যারাজে তেল কোম্পানির একটি ট্যাঙ্কার গাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে ঝালাইয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় হঠাৎই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধের জেরে গোটা দেশজুড়েই এলপিজি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে বিভিন্ন জায়গায় রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকান সবই বড় সমস্যার মুখে। কলকাতা ময়দানেও এসে পড়েছে মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধের আঁচ। একে একে বন্ধ হতে বসেছে কলকাতা ময়দানের ক্যান্টিনগুলো। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও সিএবি ক্যান্টিনে তালা পড়ার মতো পরিস্থিতি।
বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন রবীন্দ্র নায়ারণ রবি। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনে করিয়ে দিলেন,'বাংলার মানুষ তাঁকেই ভালোবাসে যিনি বাংলাকে ভালোবাসেন।' রবি বলেন,'বাংলা ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী'।
Swasthya Sathi Scheme: গুরুবারে দারুণ সুখবর টেকনিশিয়ানদের জন্য। এবার তাঁরা পাবেন স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের বিশেষ সুবিধা। টেকনিশিয়ানস স্টুডিয়োতে হবে বিশেষ ক্যাম্প।
'গ্যাস ডিলারদের গানপয়েন্টে সিলিন্ডার তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যাতে ক্রাইসিস তৈরি হয়। আর কত তোষণ করবেন? বোটানিক্যাল গাার্ডেনের ভিতরেও অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে পড়েছে'। রাজ্যসভায় বললেন শমীক ভট্টাচার্য।