বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় বড়সড় বিনিয়োগ করতে চলেছে আদানি গোষ্ঠী। কলকাতার নিকটবর্তী নিউ টাউনে ২,০০০ শয্যার একটি হাসপাতাল তৈরি করবে আদানিরা। নিজেই সে খবর জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই হাসপাতালের ২,০০০ শয্যার মধ্যে ১,০০০ শয্যা দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
'বিজেপির নিজস্ব সংগঠন নেই। এটাই আসল সত্য। আইসিদের দিয়ে ব্লক সভাপতির কাজ করাচ্ছেন। এসপিদের দিয়ে জেলা সভাপতির কাজ করাচ্ছে বিজেপি'। বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
'কেউ কেউ আমার মৃত্যুকামনা করছেন। ফোন করে বলছে কদিন আর বাঁচবে! আরে আমি এখনও অনেকদিন বেঁচে আছি'। বড় কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'। বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
'বিজেপিতে থেকে দল ভাঙার চক্রান্ত। সরকার পক্ষে আছে বলে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতীক কেড়ে নিতে পারেন। ধরে নিলাম প্রতীক দিয়েও দেয়, তাতে কী যায় আসে'। মমতার এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠছে প্রতীক কি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা করছেন?
স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন আইএএস দুষ্মন্ত নারিওয়ালা। একটি সভায় শুভেন্দু বললেন, 'বাংলায় তিন ধরনের কর্মসংস্থানের প্ল্যান। সরকারি চাকরির নিয়োগ কমিটিতে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তি থাকবে না। ইউপিএসসিকে অনুসরণ করব। ওএমআর থাকবে। কার্বন কপি ঘরে নিয়ে যেতে পারবে। মৌখিক পরীক্ষার নম্বরও কমবে'।
'পোস্তায় এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যে আচরণ করেছে, সেটা রাজনৈতিক বিষয় নয়। অ্যাসোসিয়েশনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। ৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হয়নি। ছোট উদাহরণ, বড় বার্তা'। শিল্প নিয়ে সরকারের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পোস্তা বাজারে ব্যবসায়ী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলার ঘটনা ব্যবসায়ী সংগঠনের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’। এমনটাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ব্যবসায়ীদের প্রতি তাঁর আশ্বাস, ঘটনায় পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
'বাজেট অন্য কেউ লিখে দিত। তিনি সই করতেন। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক। কে লিখে দিত? আইপ্যাক? তদন্ত হওয়া উচিত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিষয়টি দেখবেন'। দাবি করল রাজ্য বিজেপি।
'নতুন করে তদন্ত করবেন বলে কথা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উনি বললেন, আবেদন দেখেছি'। মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে হাজির হলেন সুটিয়ার বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমীলা রায়।
'মন্ত্রী থাকাকালীন কষ্ট হয়নি। ওঁর মনে হয়েছে যাবেন। আস্তে আস্তে সে দিকে এগোচ্ছিলেন। ওঁকে শ্রদ্ধা করতাম'। চন্দ্রিমার বিদায়ে বললেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
'রামমন্দির কত টাকা দিয়ে বানাল মানুষ। রামের নাম বদনাম করলেন। হিন্দুত্বের নামে হিন্দু ধর্মকে শেষ করলেন'। রামমন্দিরে অনুদান চুরির প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।