মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় হয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্তও। এই দুইয়ের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দুর্যোগ চলবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। আর কী জানাচ্ছে ওয়েদার বুলেটিন?
প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের আগে তিনজনই পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই সাংসদ পদ ছেড়েছিলেন সুখেন্দু। তারপর সুস্মিতাও পদ ও দল ছেড়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
'আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে লাখো লোক নেমেছিল রাস্তায়। প্রবাসীরাও প্রতিবাদ করেছিলেন। দেওয়াল লিখন পরতে পারেননি মমতা। তিনি ফিনিশড। দলও শেষ'। বিজেপিতে যোগ দিয়েই বললেন সুখেন্দু শেখর রায়।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে প্রসেনজিতের সাক্ষাৎ নবান্নে। রাজনীতির যোগ নিয়ে অভিনেতা বলেন, 'এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। মুখ্যমন্ত্রীকে নিজেদের সুবিধা-অসুবিধা বলার থাকে। আলোচনা হয়েছে সিনেমা নিয়ে'।
বিজেপিতে যোগ দিলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন তিন তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবার রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে দলীয় পতাকা নেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশচিক বরাইক। অতিসম্প্রতি তাঁরা রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। শমীক ভট্টাচার্য বলেন,' ব্যতিক্রমী চরিত্র থাকবে। সময়ের সঙ্গে দল খাপ খাইয়ে নেয়'।
সব জল্পনা উড়িয়ে প্রসেনজিৎ জানান, "রাজনীতিতে আসা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। আমি কোটিবার বলেছি রাজনীতিতে আসছি না। কিন্তু মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তো রাখতে হবে। আমার নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন আছে যা সিস্টেমের মধ্যে পড়ে। এবং সেই চেয়ারের সম্মান দিয়ে আজ এখানে আসা।"
যদিও দলে থেকেও তৃণমূলের বিরোধিতায় একাধিকবার সরব হয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে 'রিক্লেম দ্য নাইট'-এ সামিল হয়েছিলেন তিনি। তারপরও বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন।
'বালিশ চাটা ঋতব্রতকে জিজ্ঞেস করুন, ভোটের আগে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ঢুকেছিল'। বললেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, 'নীচ চরিত্র। মুখোশ খুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আমরা যেটা প্রথম থেকে বলে এসেছি, সেটা কলকাতা হাইকোর্টও বলেছে'।
'১০ বছর আগে বেইমানির সলতে পাকাতে শুরু করেছিলেন। লোককে বেইমান, গদ্দার বলছেন। ৯১ পাতার দলিল পড়ুন। ওঁকে ডেকে জিজ্ঞেস করুন। কাচের ঘরে বসে ঢিল ছুড়তে নেই'। নাম না করে কুণাল ঘোষকে নিশানা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার তৃণমূলের বিদ্রোহী তিন রাজ্যসভার সাংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। তবে কি আগামী দিনে বিদ্রোহী তৃণমূলীদের জন্যও বিজেপিতে যোগদানের রাস্তা খুলে গেল? উত্তর দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
বিধানসভা ভোটের পর থেকেই ভাঙন চলছে তৃণমূলে। দলের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন সুখেন্দু শেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। সেই পদত্যাগী তিন সাংসদই এদিন বিকেলে পৌঁছন সল্টলেকে বিজেপির দফতরে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সুস্মিতা দেব জানিয়ে দেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করতেই তিনি এসেছেন। তখন থেকেই জল্পনা জোরদার হয় তিন জনই যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। সেই জল্পনায় শিলমোহর দিলেন স্বয়ং শমীক ভট্টাচার্য। সাংবাদিক সম্মেলনে ৩ জনের বিজেপি যোগের কথা ঘোষণা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।