উত্তরবঙ্গ: উত্তরবঙ্গেও শুক্রবার বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তাপস রায় বলেন, 'প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় সরকার যে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে তা নজিরবিহীন। এর আগে এমনটা দেখিনি। অথচ তারপরও বিষয়টি নিয়ে রাজনীতির চেষ্টা করা হচ্ছে।'
কনস্টেবল, সাব-ইনস্পেক্টর, জেল ওয়ার্ডার রেডিও ক্যাডার, কম্পিউটার অপারেটর, ক্লার্ক এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল মন্ত্রীদের দফতরে নিয়োগ করা হবে। তবে কোন পদে কত শূন্যপদ থাকবে, তা সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই জানা যাবে।
বুধবার লোকসভার বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড হন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, রাজ্য বিধানসভায় একদিনের জন্য সাসপেন্ড হন কুণাল। অথচ মমতা কুণালকেই বেশি গুরুত্ব দিলেন।
'স্পিকারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আছে। স্পিকার কলঙ্কজনক বলায় আমি বিরোধিতা করেছি। আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি প্রতিবাদ করছি। আমাকে বাদ দেওয়ার চক্রান্ত তো কলঙ্কের'। বিধানসভায় বিতণ্ডা নিয়ে মুখ খুললেন কুণাল ঘোষ।
কমিশন গঠনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যপাল আর এন রবি। এই বিষয়ে গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের এক উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি। কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএস অতনু চক্রবর্তীকে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বৃহস্পতিবার অধিবেশন শুরুর পরই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় স্পিকারকে বলেন, 'গতকালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।' পালটা স্পিকার বলেন, 'কী আবার বলবেন? গতকালের ঘটনা অত্যন্ত কলঙ্কজনক।' এতেই ক্ষুব্ধ হয় মমতাপন্থী তৃণমূল শিবির।
তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে প্রচুর ভুয়ো বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছিল। দেদার জালিয়াতিও। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলায় জেলায় অভিযান শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। তাঁর দাবি, SIR প্রক্রিয়া চালকালীন প্রচুর অনিয়ম নজরে পড়েছে কমিশনের।
রাতভর বৃষ্টি চলেছে। সকালেও বৃষ্টি অব্যাহত কলকাতা সহ জেলায় জেলায়। সপ্তাহান্তেও বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে বাংলার প্রতিটি জেলার আবহাওয়া? চলুন জেনে নেওয়া যাক আপডেট।
দক্ষিণ দমদম পুরসভার হাল খারাপ। পুর পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ এলকাবাসীদের। বিষয়টা নিয়ে কী বলছে বিজেপি এবং সিপিআইএম? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের মিলল না সার্বিক রক্ষাকবচ। রাজ্যজুড়ে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় একসঙ্গে বিশেষ রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তবে সেই আবেদন গ্রহণ হল না হাইকোর্টে।