Kolkata Durga Puja Rules: দুর্গাপুজো নিয়ে মিটিংয়ে একাধিক নয়া নিয়মের বিষয়ে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার পুজোর আয়োজনে একাধিক নিয়ম মানতে হবে পুজো কমিটিগুলিকে।
শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, 'গত কয়েক বছরে কার্নিভালের নামে যে চাপিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল, এ বারে তা হচ্ছে না। আমরা যেটা করছি, আমাদের পর্যটন ও তথ্য সংস্কৃতি দফতর মহালয়ার দিন সবচেয়ে বড় কর্মসূচি করব ইডেন গার্ডেন্সে। সেখানেই আমাদের দুর্গাপুজো সূচনা হবে।' ইডেনের ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
এবার পুজোয় একটা দিন ড্রাই ডে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার নির্দিষ্ট একটি দিনে পুজোর মধ্যে মদ বিক্রি হবে না। এমনকী পানশালা ও বারগুলিতেও মদ বিক্রি করা যাবে না।
আজ মিলনমেলা প্রাঙ্গনে পুজো নিয়ে সমন্বয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সব পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। সেখান থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয় কী হবে পুজোর গাইডলাইন। কোন পুজো কমিটি পাবে সরকারি অনুদান। কবে হবে পুজোর বিসর্জন। সেখান থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয় এবার পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।
দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবা ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর মন্তব্যে বিজেপি ও আরএসএস-কে একহাত নিল প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সুমন রায়চৌধুরীর কটাক্ষ, বিজেপি, আরএসএস-এর স্লিপার সেল এঁরা। তাঁর কথায়, 'দুর্গাপুজোয় নবমীর দিনি পাঁঠা বলি। সরস্বতী পুজোর দিন জোড়া ইলিশ। এটা শুধু আমাদের ধর্মীয় আচার নয়, এগুলো আমাদের সংস্কৃতির মধ্যে মিশে গিয়েছে। বিজেপি ও আরএসএস-এর সমস্যা হল, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর থেকে যে কাজ নিজেরা করতে পারছে না, তার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্লিপার সেল তৈরি করেছে। সনাতনী মহাসভা, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ ইত্যাদি। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় ফ্লেক্স লাগিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রাম করছে। বিজেপি ভাবছে, এই কথাগুলি বললে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট হাতছাড়া হবে। তাই বিভিন্ন ধরনের স্লিপার সেল তৈরি করে ওই কথাগুলি বলাচ্ছে। হঠাত্ দেখলাম কোন এক বাবা এসে উপস্থিত হলেন, বাগেশ্বর ধাম থেকে, তিনি এসে বাঙালিদের জ্ঞান দিচ্ছেন। দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া উচিত নয়, মণ্ডপের আশপাশে আমিষ নিয়ে যাওয়া উচিত নয়। নবমীতে পাঁঠা বলি হবে কিনা, তা বাগেশ্বর ধামের বাবা ঠিক করে দেবেন?'
গুপ্তা বা জয়সওয়ালের মতো সম্প্রদায় না থাকলে উত্তর কলকাতার বনেদি বাঙালিদের অস্তিত্ব থাকত না। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য বিতর্ক তৈরি করেছে। তবে নিজের অবস্থান থেকে তিনি সরছেন না তিনি। বরং তাঁর আরও সংযোজন, গুপ্তা-জয়সওয়ালরা বাঙালি। সোমবার তিনি বিজেপির সল্টলেকের পার্টি অফিসে বলেন, 'আমি যেটা বলেছি সেটা ইতিহাস। সেই অবস্থানে আমি অনড়। গুপ্তা বা জয়সওয়ালরা এখানে লোহার ব্যবসা করেন। তাঁদের সব পুঁজি থাকে লোহাতে। সেই লোহা তাঁরা দিয়েছিলেন। যাতে আমরা বাঙালিরা নিরাপদে থাকতে পারি। আর আমরা যেমন বাঙালি গুপ্তা ও জয়সওয়ালরাও বাঙালি।'
গড়িয়াহাট বাজারে বড়সড় অভিযান। সোমবার সকালে আচমকাই বাজারে পৌঁছে গেলেন কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। মাছ-মাংস কতটা নিরাপদ, তা খতিয়ে দেখতে একের পর এক দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। কোথাও সংরক্ষণ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠল।
সুজিত মণ্ডল খুনের ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। BJP নেতা খুনের ঘটনায় CID তদন্তের নির্দেশ দিলেন তিনি। সঙ্গে স্ত্রী রাজি থাকলে তাঁকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ারও ঘোষণা করলেন।
সরকারের বিজ্ঞাপনে ১১ হাতের দুর্গা ঠাকুরের ছবি ঘিরে জোর বিতর্ক। একাদশভূজা দুর্গা কোথা থেকে এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল ঘোষ। শতরূপ ঘোষের বক্তব্য, 'BJP আরও একটি অস্ত্র দান করেছে।' পাল্টা জবাব শমীক ভট্টাচার্যের।
এই বক্তব্য সামনে আসার পর থেকেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশ শমীকের সমালোচনা শুরু করেন। অনেকে বলতে শুরু করেন, হিন্দি ভাষীদের আগ্রাসনের ফল এটা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি আসলে এই বাংলাকে গো বলয় করতে চাইছেন।
সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেও নিস্তার নেই বৃষ্টির থেকে। ইতিমধ্যেই শহরে শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বৃষ্টি চলবে বলেই পূ্র্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বুধবার পর্যন্ত এই বৃষ্টি চলবে। উত্তরবঙ্গেও বর্ষণের আশঙ্কা থাকছে। আগমী দিনগুলিতে কেমন থাকবে বাংলর প্রতিটি জেলার আবহাওয়া, চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই আপডেট।