রাজ্যে কোন দফতর কার হাতে থাকবে, সেটা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিল নবান্ন। দেখে নিন একনজরে
'ইন্ডিয়া ব্লক মানেও তো কাছাকাছি আসা। দুই শীর্ষ নেত্রীর বৈঠকে আর কী কী হতে পারে, সে নিয়ে মন্তব্য করার দরকার নেই। রাহুল ও অভিষেক বৈঠক করতেই পারেন। সেই বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না'। কংগ্রেস ও তৃণমূলের বিলয়ের জল্পনা নিয়ে মন্তব্যে নারাজ কুণাল ঘোষ।
'বিনিয়োগকারীদের পশ্চিমবঙ্গমুখী করতে হবে। শিল্পবান্ধব রাজ্য করতে তুলতে হবে বাংলাকে। এটাই আমাদের চ্যালেঞ্জ। টাটাদের ফিরিয়ে আনতেই হবে। মোটর কারখানা যেমনভাবে চেয়েছিল, তেমনভাবেই করুক'। দায়িত্ব নিয়েই বললেন রাজ্যের নতুন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায়।
'রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কী বিশেষণ ব্যবহার করেছিলেন, সেটাও জানি। দুই দল মিশে গেলে তৃণমূল উঠে যাচ্ছে। শুভঙ্করের আন্ডারে থাকবেন মমতা! এই অফার মমতা নিশ্চয়ই গ্রহণ করবেন না। উচিতও না'। বললেন তাপস রায়।
প্রসঙ্গত অভিযোগকারী বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিচেন ক্যাবিনেটের সদস্য ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে আগে এখানে অভিযোগ নেয়নি। তখন আমি মণ্ডল সভাপতি ছিলাম।'
'দুটো দল থেকে বিতাড়িত। বিজেপিতে ঢুকতে পারলে সেখান থেকেও বহিষ্কৃত হবেন। তৃণমূলের টিকিটে জিতে এসে উল্টো কাজ করছে। মানুষের কাছে উত্তর দিতে হবে'। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়,টবিজেপির পৃষ্ঠপোষকতায় গোটা বিষয়টি চলছে। গোটাটাই কৃতজ্ঞতা বোধ। মূল্যবোধের বিষয়। আনুষ্ঠানিক কর্মিসভা করে বলুন, আমি বিজেপির হাতে তামাক খেতে যান'।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তৃণমূলের সাংসদ হিসেবেই তাঁরা লোকসভায় কাজ করে যাবেন। তবে প্রত্যক্ষভাবে বিজেপি বা এনডিএ জোটকে সমর্থন করবেন না বা তাঁদের সঙ্গে নিজেদের মিশিয়ে দেবেন না।
২০ জন বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে তাঁরা আলাদা জোন করতে চেয়েছেন, জানালেন শতাব্দী রায়৷ তিনি বলেন, ‘আমরা আলাদা ব্লক চেয়েছি৷ তৃণমূলের আলাদা এই ব্লকটা থাকবে৷ যেখানে এই ২০ জন থাকবে৷ তারা মূল তৃণমূলের সঙ্গে থাকবে না৷’ শতাব্দীর কথায়, ‘আমার একটাই অপরাধবোধ কাজ করছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খারাপ সময়ে তাঁকে ছাড়তে হচ্ছে। কিন্তু দিদিই সেই জায়গায় নিয়ে গেল আমাদের!’
অধীরের বক্তব্য, তাঁর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও ব্যক্তিগত বিরোধিতা নেই। তাঁর কথায়, 'দেখুন আমার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও ব্যক্তিগত বিরোধিতা নেই। কারণ, তৃণমূল আমার পার্টিকে খতম করতে চেয়েছে, আমি আমার পার্টিকে রক্ষা করতে চেয়েছি। আমার সঙ্গে তৃণমূল নেতানেত্রী, পার্টির কোনও ব্যক্তিগত বিরোধিতা নেই।'
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গীদের মধ্যে প্রথমসারিতেই দেখা যেত তাঁকে। সেই জুন মালিয়া প্রিয় দিদির সঙ্গ ছেড়ে যাচ্ছেন NDA শিবিরে। মনে করছেন, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে উন্নয়ন হচ্ছে। কেন আচমকা শিবির বদলের সিদ্ধান্ত? সবটা জানালেন মেদিনীপুরের সাংসদ।
কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত। এবার গ্রেফতার করা হল পুরসভার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ ও ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দারকে। খুনের চেষ্টা, শ্লীলতাহানি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।