ভোট শেষ হতে না হতেই প্রবল ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা এবং শহরতলীতে। রাতে আরও বাড়বে ঝড়। সঙ্গে বজ্রপাতেরও সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। রাতে ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে কলকাতা ও তার আশপাশের অঞ্চলে।
ফলতায় বিজেপির বোতামে টেপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ভাইরাল সেই ভিডিও। পুননির্বাচনের দাবি উঠল। নির্বাচন কমিশন জানাল, রিপোর্ট আসার পর সিদ্ধান্ত।
ছাব্বিশের নির্বাচনে দ্বিতীয় দফাতেও রেকর্ড হারে ভোটদান। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৪২টি আসনে ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দু'দফাতেই রেকর্ড সংখ্যক ভোটের হারকে স্বাগত জানিয়েছেন।
'বড় কোনও ঘটনা ঘটেনি। এতে প্রমাণ হচ্ছে নিয়ম মেনে পরিচালিত হলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়। আমার দুঃখ লাগে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সেই যোগ্যতা ছিল। কিন্তু তাদের দূরে রাখা হল। এটা তো উর্দির অপমান'। বললেন মহম্মদ সেলিম।
'প্রথম দফার নির্বাচনের প্রতিফলন দ্বিতীয় দফায়। অপেক্ষা করছি ৪ তারিখ পর্যন্ত। রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা ফিরে পেতে চায় বাঙালি'। বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
বেলাশেষে সৌজন্য। বুধবার সকাল থেকে ভবানীপুরে যেখানেই গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, সেখানেই তাঁকে ঘিরে স্লোগান। তবে দিনের শেষে তৃণমূল ক্যাম্প গিয়ে কথা বললেন শুভেন্দু। খেলেন নরম পানীয়।
ভবানীপুরে শেষবেলাতেও শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। সামাল দিতে হিমশিম খেল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ।
তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, 'তোমরা কোন রাজ্য থেকে এসেছ, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কার রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় রয়েছ, সেটাও নয়। এই বর্বরতার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে খুঁজে বের করা হবে এবং আইনের মুখে ফেলা হবে।'
দ্বিতীয় দফায় ভোট দিলেন টলিউডের তারকা জিৎ, প্রসেনজিৎ ও দেব। প্রসেনজিৎ বললেন, 'আমার ছেলের প্রথম ভোট'। দেবের কথায়, 'পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিন'।
'তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা বাংলার জয়জয়কার তো করবেই। শান্তির পরিবেশ থাকাই শ্রেয়। আমার মতে, পুলিশ অতিরিক্ত করছে'। বললেন ফিরহাদ হাকিম।
'চারিদিকে অত্যাচার করে বেড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করেছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সব কট়াকে ধরে মারো। আদর্শ আচরণবিধি তো রয়েছে'। সাংবাদিকদের বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।