আজ হাইড্রোজেন ট্রেনের উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদী। তারপরই তিনি বলেন, '২০১৪ সালের আগে হলে দেশে ট্রেনই চলত না...'। কিন্তু কেন বললেন? জেনে নিন।
‘থ্রি ইডিয়টস’-এর গল্পটি সোনম ওয়াংচুকের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কি না, এই প্রসঙ্গে আমির খান বলেন, "না, এটা সত্যি নয়। আসলে, এটা একটা ভুল ধারণা। যখন আমরা এই ছবিটি তৈরি করছিলাম, আমি সোনম ওয়াংচুক সম্পর্কে জানতামই না।"
অন্ধ্রপ্রদেশে ফের কোভিড ১৯ সংক্রমণের খবর সামনে এসেছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনার জি. ভীরাপান্ডিয়ান জানিয়েছেন, ২৬ জুন থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যে মোট ১২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, মৃত প্রত্যেকেই আগে থেকেই একাধিক গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
হাইড্রোজেন ট্রেনটিতে মোট ৬৮২টি আসন এবং প্রায় ২,৬০০ জন যাত্রী ধারণের ক্ষমতা রয়েছে। অত্যন্ত সাশ্রয়ী, মাত্র ৫ থেকে ২৫ টাকা, যা একটি প্ল্যাটফর্ম টিকিটের (যার দাম সাধারণত ১০-২০ টাকা) এবং মেট্রোর ভাড়ার চেয়েও কম।
শ্রাবণ মাসে খোলামেলা কিংবা ছোট পোশাক পরে ঢোকা যাবে না প্রয়াগরাজের মানকামেশ্বর মন্দিরে। মহিলা ভক্তদের জন্য কড়া পোশাকবিধি চালু করা হল শ্রাবণ মাসের আগে। পুজোয় যাতে বিঘ্ন না ঘটে, তাই এই বন্দোবস্ত।
একটি ভিডিও বার্তায় দীপকে জানান, সোনম ওয়াংচুকের এতটাই খারাপ অবস্থা যে তাঁর শরীরের সব হাড় দেখা যাচ্ছে। বাথরুম যাওয়ার সময় দু বার মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া থেকে সামলেছেন। শারীরিক অবস্থা ক্রমেই সঙ্কটের দিকে যাচ্ছে। মঞ্চ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে পর্যন্ত পারছেন না। সবাইকে ধরতে হচ্ছে। পা টলছে।
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বা ইসরো থেকে ১০০ জন শীর্ষ বিজ্ঞানীর ইস্তফা দিয়েছেন। তাতে কতটা সঙ্কটে রয়েছে সংস্থা? বিষয়টা নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং।
'একবার গিয়ে কথাও বলতে পারছেন না। আমাদের এখানে ছেলেমেয়েরা যখন আন্দোলন করেছিল, আমি নিজে ছুটে গিয়েছিলাম। আমি তাঁদের অনেকবার ডেকেছিলাম'। সোনম ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, 'আমি যখন ২৬ দিন অনশন করেছিলাম, কেউ কথা বলতে আসেনি'।
ওড়িশার পুরীতে জগন্নাথের রথযাত্রা চলাকালীন বিশৃঙ্খলা। ভিড়ে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি। দম আটকে এক পুণ্যার্থীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের সহায়তায় তাঁকে তৎক্ষণাৎ পুরী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। আরও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার আশঙ্কা।
তবে তখনও বেঁচে ছিল শিশুটি। ফলে তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় পুলিশ কমিশনার জানান, অন্য পুলিশকর্মীরা ভেবেছিলেন বাচ্চাটি মারা গিয়েছে। তবে তিনি কাছে গিয়ে দেখেন সে বেঁচে।
পুরীর রথযাত্রায় ভক্তদের জনসমুদ্র। একবার রথের দড়ি স্পর্শ করার জন্য ও প্রভু জগন্নাথ দর্শনের জন্য লাখ লাখ মানুষ এখানে ভিড় জমান। ভিড় ঠেলে রথ দেখায় ভিড় উপচে পড়ে। প্রবল হুড়োহুড়িতে ১০০-র বেশি সংখ্যক মানুষ পদপিষ্ট। একাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা।