২০২২ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রথম এই ৮০-২০ ফর্মুলার কথা বলেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। সেই সময় তাঁর বক্তব্য ছিল, দেশের জাতীয়তাবাদ, সুশাসন এবং উন্নয়নে বিশ্বাসী ভোটারদের ৮০ শতাংশ বিজেপিকে সমর্থন করবেন।
রবিবার ছত্তীসগঢ়ের বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদ্যাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। জওয়ানদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,'জঙ্গল থেকে সশস্ত্র মাওবাদীদের নির্মূল করা গিয়েছে। তবে নকশালবাদের বিপদ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। দিমাগী নকশালদের থেকে সাবধান থাকতে হবে'।
ছত্তিসগঢ়ের বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন,'মাওবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক দশকের লড়াইয়ে ভারতের জয়ের পর এটাই দেশের প্রথম দীপাবলি। নিরাপত্তাবাহিনীর জওয়ানদের সাহস ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করেন মোদী।
সামরিক অভিযানের প্রয়োজন অনুযায়ী এই ব্রিগেডগুলিকে লাইট, মিডিয়াম এবং হেভি- এই তিন ধরনের কাঠামোয় সাজানো হয়। একটি সাধারণ ব্রিগেডে আনুমানিক ৪,৫০০ থেকে ৫,০০০ সেনা থাকতে পারে।
দেশে দারিদ্র কমেছে, তবু ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন কেন? মোদী সরকারের প্রকল্প নিয়ে কী বললেন অর্থনীতিবিদ শামিকা রবি?
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ় সংকল্প এবং সুনির্দিষ্ট কৌশল নিয়ে লড়াই করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যে রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব ছিল, ২০১৪ সালের পর তা বদলেছে।
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, 'যাঁরা অযোধ্যাকে অবহেলা করেছেন, অপমান করেছেন, রামভক্তদের উপর গুলি চালিয়েছেন এবং সাধু-সন্তদের উপর লাঠিচার্জ করিয়েছেন, তাঁদের অবশ্যই অযোধ্যায় আসা উচিত। তবে তার আগে ক্ষমা চাইতে হবে। একবার রামভক্তদের কাছে এবং একবার সাধু-সন্তদের কাছে ক্ষমা চান। নিজেদের কাজের জন্য অনুতপ্ত হন।'
CJP Founder Abhijeet Dipke: ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে বড় দাবি করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ভোটের ফলাফল নিয়ে বড় দাবি করলেন তিনি।
বিমানের শৌচাগারে পাওয়া ওই চিঠিতে লেখা ছিল, 'এই বিমানটি ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে হাইজ্যাক করা হবে।' চিঠিটি উদ্ধারের পরই বিমানকর্মীরা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এরপর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা করার জন্য বিমানটিকে বেঙ্গালুরুতে ফিরিয়ে আনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবারও তিনি দেশের সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করবেন। মোদী বলেন, 'আপনাদের মতো আমিও অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করি। এবারও সেই ঐতিহ্য বজায় রাখব।'
১৯৯১ সালের লোকসভা নির্বাচনের কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে। সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আডবাণীজি দুটি কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে লড়বেন। তার মধ্যে একটি ছিল গান্ধীনগর। গুজরাতের সঙ্গে তাঁর পুরনো সম্পর্ক ছিল। দেশভাগের পর তাঁর বাবা কচ্ছ্ব অঞ্চলে বসবাস শুরু করেছিলেন। আডবাণীজিও গুজরাত থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। তাই গান্ধীনগর থেকে নির্বাচনে লড়াই অনেকটা ঘরে ফেরার মতোই ছিল।