ধৃতদের একজনের নাম সাহিল। তার বয়স ২৫। তার স্ত্রীর নাম সামিরা। বয়স ২১। পুলিশের দাবি, পাকিস্তানের গোয়েন্দা এজেন্টদের সঙ্গে এই দম্পতির যোগাযোগ ছিল। তারা ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য জোগার করে পাকিস্তানের গোয়েন্দাদের কাছে তুলে দিত।
চিনের জলসম্পদ মন্ত্রক চোচেন খোলা ও পুরপু সাংপোর সঙ্গমস্থলে তৈরি প্রতিবন্ধক হ্রদে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জলবিস্ফোরণের ওয়ার্নিং দিয়েছে। নেপাল হয়ে এই হ্রদের জল গন্ডক নদীরূপে ভারতে প্রবেশ করে। ফলে ভারতের উপরও ঘনিয়েছে বিপদ।
টিভিকে-এর প্রতিষ্ঠাতা বিজয়কে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করেছেন ৯.২ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে এই লিস্টে প্রথমে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ৪৮.৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। আর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ২৭.১ শতাংশ ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কত শতাংশ ভোট পেয়েছেন?
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সরকার দ্রুত ইথানল পেট্রোলের সম্প্রসারণ করার উপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এতে ভুট্টার উপর চাপ বেড়েছে। আগে যে বিপুল পরিমাণ ভুট্টা সাধারণত ফিড প্রস্তুতকারকদের হাতে যেত, তার একটি বড় অংশ এখন ইথানল তৈরির কারখানায় যাচ্ছে।
তিব্বতে ইশা ফাউন্ডেশনের ক্যাম্পে হড়পা বান। আবেগতাড়িত সদগুরু জগ্গী বাসুদেব। জানালেন, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হড়পা বানে ইশা ফাউন্ডেশনের ৮০ জন সদস্য নিখোঁজ। বারবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সদগুরু। কাঁপছিল তাঁর হাতও। আবেগঘন আবেদন জানিয়ে ভারত ও চিনের দূতাবাসের কাছে তিব্বতের গিরং এলাকায় যাওয়ার অনুমতি চান তিনি।
মহারাষ্ট্রে এনডিএ ৪৯ শতাংশ ভোট পাবে, সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। ইন্ডিয়া ব্লক ৪৩ শতাংশ ভোট পেতে পারে। সব মিলিয়েএনডিএ ৩১টি এবং ইন্ডিয়া ব্লক ১৭টি আসন জিততে পারে। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি এনডিএ-র অনুকূলে। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ৪৬ শতাংশ ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা এনডিএ-র।
Mood of The Nation: ইন্ডিয়া টুডে-র 'Mood of The Nation' (MOTN) সমীক্ষাটি Gen-Z প্রজন্মের মানসিকতা এবং দেশের পরিবর্তনশীল মনোভাব বোঝার চেষ্টা করে। Gen-Z আন্দোলনের পর এটিই সবচেয়ে বড় সমীক্ষা। এতে কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে CJP-র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে।
যখন সমীক্ষায় দেশের জেন-জিদের জিজ্ঞাসা করা হয়, এই মুহূর্তে তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা না চাকরি? উত্তরে ৫৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কর্মসংস্থানই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়।
ভারত-নেপাল সীমান্তে গন্ডক বাঁধ। ৩৬টি গেটই পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গন্ডক বাঁধ পরিদর্শন করেছেন। নেপালে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর যে আশঙ্কা ছিল, তা এখনও বিহারে ক্ষয়ক্ষতি করতে পারেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।
রাক্ষুসে জলস্রোত কার্যত গিলে খেয়েছে নেপালকে। মহাপ্লাবনে ভেসে গিয়েছে নেপালের গ্রাম-শহর। ভেঙেছে রাস্তা, সেতু। জোলের তোড়ে ভেসে গিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু এমন ঘটনা কি আবারও ঘটতে পারে সিকিমে? দার্জিলিংও কি বিপদের মুখে? ব্যাখ্যা করলেন পরিবেশবিদরা।
কানপুরে প্রশিক্ষণ চলাকালীন ভেঙে পড়ল একটি বিমান। গঙ্গা ব্যারাজের কাছে একটি মাঠে ভেঙে পড়ে ওই বিমানটি। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাইলট ও কো-পাইলটের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। কী কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।