ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হল এমন একটি সংখ্যা, যার মাধ্যমে পুরনো বেসিক পে-কে নতুন বেসিক পেতে গুণ করা হয়। সহজ হিসাব হল- বর্তমান বেসিক পে × ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর = নতুন বেসিক পে
অর্থাৎ, শুধু আঞ্চলিক স্তরে আলোচনা করলেই পরিস্থিতির সমাধান হবে না বলে মনে করছে তেহরান। মার্কিন পদক্ষেপের সঙ্গে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতিকে সরাসরি যুক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
ভারতের জন্য চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, চাবাহার এবং ভারতের সঙ্গে তার সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইরানের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, ভারত ও চিনকে কৌশলগত এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নিজেদের সম্পর্ককে দেখা উচিত। চিন ভারত-চিন সম্পর্ককে এই দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখে বলে জানান তিনি।
ব্রিকসের নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্র সর্বসম্মতিতে পাশ হয়ে গেল। সামরিক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে সংযমের আহ্বান জানানো হয়েছে তাতে। একই সঙ্গে সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন, আলোচনা এবং কূটনীতির গুরুত্ব ফের তুলে ধরা হয়েছে। তবে ঘোষণাপত্রে সরাসরি কোনও দেশের নাম করা হয়নি। একই সঙ্গে একতরফা শুল্ক এবং শুল্ক-বহির্ভূত বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রিকস।
ব্রিকস সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবারস্পেস এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির মতো নতুন ক্ষেত্রে গ্লোবাল সাউথকে আর নিয়ম মেনে চলা দেশ হয়ে থাকলে চলবে না, বরং নিয়ম তৈরিতে ভূমিকা নেওয়া দেশ হয়ে উঠতে হবে বলে বার্তা দেন মোদী। বিশ্ব ব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য তিনি একটি ১০ দফা রোডম্যাপের প্রস্তাবও দেন।
নয়াদিল্লিতে ১৮তম BRICS শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্ব ব্যবস্থায় সংস্কারের জোরালো সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারে আর দেরি করা যায় না বলে স্পষ্ট জানালেন। এই সংস্কারের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ারও দাবি জানান প্রধানমন্ত্রী।
নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে হাতে হাত প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এই ছবি এখন আলোড়ন ফেলেছে গোটা দুনিয়া।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ‘দিল্লি ঘোষণাপত্র ২০২৬’ সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে ঘোষণাপত্রটির খসড়া উপস্থাপন করেন এবং কোনও দেশের এ বিষয়ে কোনও আপত্তি আছে কিনা তা জানতে চান। কোনও আপত্তি না আসায় ঘোষণাপত্রটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
পরবর্তীকালে স্বাধীনতা পাওয়ার পরে নানা সঙ্কটের সম্মুখীন হতে হয়েছে। যার ফলে উন্নত নয়, উন্নয়নশীলের তকমা রয়ে গিয়েছে। কারণ বিদেশি শক্তি এই সব দেশগুলির ধন, সম্পদ লুটে নিয়ে গিয়েছে দিনের পর দিন। যখন স্বাধীনতা পেয়েছে, তখন অর্থনৈতিক ভাবে একেবারে কোণঠাসা হয়ে যায়।
নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলন চলছে। সেই সম্মেলনের ফাঁকেই প্রকাশিত হয়েছে একটি ছবি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এই ছবিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী দু’জন নেতার হাত ধরে রয়েছেন। ছবিতে তিন শীর্ষ নেতাকেই হাসির মুহূর্ত ভাগ করে নিতে দেখা যাচ্ছে। আর এই ছবি নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে। এর মাধ্যমে বিশ্বের এই তিন শক্তিধর দেশ কোনও বার্তা দিতে চাইছে কি না, সেটাই এখন চর্চার বিষয়।