ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া-র সঙ্গে মিশে গেল তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহীদের ব্লক। কাকলি-সুদীপদের এই নয়া পার্টি একটি সময়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধেই ভোটে লড়েছিল। শুধু তাই নয়, এই দলের ঠিকানা বাংলার, তবে পার্টি ত্রিপুরার। তাদের পোস্টারে লেখা 'দলবদলু মুখ চাই না।'
এই ঘটনাকে শুধুই তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন হিসেবে দেখলে হবে না। বরং জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপট বদলে যেতে পারে। NCPI নামক এই নয়া শিবির বিজেপি-র নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থন দিলে সংখ্যার বিচারে ব্যাপক সুবিধা পাবে এনডিএ। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশের ক্ষেত্রে।
রবিবার ভোররাতে একবারে ফিল্মি কায়দায় মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে হেমতাবাদ থানার পুলিশ। এই প্রভাবশালী শাসকদলের নেতা গ্রেফতার হতেই উত্তর দিনাজপুরের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
এনসিপিআই-তে যোগ দিলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। ত্রিপুরার বিধানসভা ভোটেও প্রার্থী এনসিপিআই। কৈলাশহর, ছাওমনু আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা। বাংলাতেও তাদের অস্তিত্ব রয়েছে।
'আমরা ২০ জন সাংসদ। এনসিপিআইতে মিশে এখন কাজ করব। এনডিএর সঙ্গে কাজ করব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের নেতৃত্বে কাজ করব'। বলে দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
স্পিকারের দরবারে দেব-কাকলি-সুদীপরা, ত্রিপুরার NCPI-তে যোগে রাজনৈতিক ঝড়। তৃণমূলের এক বড় অংশের সাংসদ যদি NCPI-এর ছত্রছায়ায় চলে যান, তবে তা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। লোকসভার সমীকরণেও এর প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।
তৃণমূলে বড় ভাঙন। এসপিআইয়ের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,'ত্রিপুরার ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির সঙ্গে জুড়ছি'।
তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের প্রায় ২০-২২ জন সাংসদ ত্রিপুরার আঞ্চলিক দল এনসিপিআই-এর সঙ্গে জুড়ে যেতে পারেন। সূত্রের দাবি, পরে তাঁরা কেন্দ্রে এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানাতে পারেন।
MP Train Accident: পাতালকোট এক্সপ্রেস এবং উদয়পুর ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের যাত্রীদের সঙ্গে এই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে যে আচমকাই ট্রেনের একটি কামরায় আগুন লেগেছে বলে তীব্র গুজব রটে যায়। এই আগুনের খবরে যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
LIVE TMC Faction: তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ গোষ্ঠীকে কোনও স্বীকৃতি বা সুবিধা না দেওয়ার আর্জি জানিয়ে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলভাঙা অসাংবিধানিক বলেও দাবি তৃণমূলের।
এদিকে এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, ২০ জন সাংসদের সই করা চিঠি নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন বিরোধী শিবিরের সাংসদরা।