জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় রাতভর ভারী বৃষ্টি। হড়পা বানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। জলের তলায় বাড়িঘর। অন্তত ১০ জনের মৃত্যু। বেশ কয়েকজন নিখোঁজ। শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ৫০টিরও বেশি পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী দল, পুলিশ, এসডিআরএফ এবং স্থানীয় প্রশাসন তল্লাশি ও ত্রাণকার্য চালিয়ে যাচ্ছে।
TMC MPs merger NCPI: আগামিকালই হতে পারে সিদ্ধান্ত। লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) ২০ জন 'বিদ্রোহী' সাংসদের NCPI শিবিরে যোগদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন স্পিকার। সোমবার থেকে সংসদের হাই-ভোল্টেজ বাদল অধিবেশন শুরু।
খাবার আবহাওয়ার কারণে আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হল অমরনাথ এবং বৈষ্ণোদেবী যাত্রা। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই প্রশাসন এই দুই তীর্থযাত্রা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপাতত বেস ক্যাম্প থেকে কোনও পুণ্যার্থীকেই আর এগোনোর অনুমতি দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরেই যাত্রা ফের শুরু করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাদল অধিবেশনের আগে সর্বদল বৈঠকে টানটান নাটক। প্রতীকী ওয়াকআউট করলেন বিরোধী সাংসদরা। অভিযোগ, কেন বিদ্রোহী সাংসদদের ডাকা হয়েছে ওই বৈঠকে। পরে কিরেন রিজিজু জানান,'স্পিকারের কাছে নতুন দলে যোগদান এবং আলাদা বসার দাবি করেছেন ২০ লোকসভা সাংসদ। লোকসভা সবার। সবাইকে ডাকা আমাদের কর্তব্য। ওরা তো লোকসভারই সাংসদ'।
সর্বদল বৈঠক ঘিরে দিল্লিতে মহানাটক। সর্বদলীয় বৈঠক ছেড়ে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। তবে কিছু সময় পরেই ফের বৈঠকে যোগ দেন তাঁরা।
সর্বদল বৈঠকেNCPI-কে আমন্ত্রণ জানানো নিয়েই বিতর্ক চরমে উঠেছে। এই ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেসর্বদলীয় বৈঠক ছেড়ে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের নেতানেত্রীরা। যদিও পরে ফের তাঁরা কিছুক্ষণের মধ্যেই বৈঠকে যোগ দেন।
Amarnath Yatra Suspended: তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে কাশ্মীরের ডিভিশনাল কমিশনার অংশুল গর্গ জানিয়েছেন যে ১৯ জুলাই থেকে বালটাল এবং পহেলগাম দুটি রুট দিয়েই এই যাত্রা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে যার কারণে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল।
তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং উদ্ধব ঠাকরের দলের সাংসদরা এই সর্বদলীয় বৈঠকে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন। তারা অভিযোগ করেছেন যে সংসদের ভেতরে বিরোধীদের ন্যায্য দাবিদাওয়ার কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না এবং স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
'হাসপাতালে পাঠানোর অনুমতি দেয়নি হাইকোর্ট। কোনও চিকিৎসা চলছে না। বাইরের ল্যাব থেকে আমরা টেস্ট করাচ্ছি'। জানালেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি।
অনশনকারীদের পাশে ঐশী ঘোষ। আজ থেকে আমরণ অনশনে বসবেন। এ কথা জানালেন এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়,'গায়ের জোরে সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে গিয়েছে দিল্লি পুলিশ'।
'এখনও বেঁচে আছি। আমার শরীরের ২০ শতাংশ চলে গিয়েছে। প্রথমে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হবে। তারপর আমার মস্তিষ্ক'। পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার আগে এই বার্তাই দিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক।