'দলবদলানো রাজনৈতিক মুখ চাই না'। ২০২৩ সালে আত্মপ্রকাশ করার পর এটাই ছিল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া-র (NCPI) মূল মন্ত্র। অথচ সেই দলেই কি না মিশে গেলেন তৃণমূল থেকে আসা ২০ জন সাংসদ। ত্রিপুরার এই অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল ভোটে লড়েছে মাত্র একবার। তা-ও আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে ২টি আসনে। সমাজসেবাই এদের আসল লক্ষ্য। তবে আশ্চর্যজনক ভাবে এই দলের ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ায়। কারা এই NCPI?
ভারতে আপাতত বর্ষার ঘাটতি। ৬৪ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, কবে স্বাভাবিক হবে বর্ষা? সেই উত্তর জানতে পড়ুন।
ভারতের সেনাবাহিনীর মাথায় আসতে চলেছেন এক নতুন জেনারেল। নাম লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠ। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক পরিবর্তন। একজন সেনাপ্রধান অবসর নেবেন, আরেকজন তাঁর জায়গায় বসবেন। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি এতটা সাধারণ নয়। কারণ আজকের পৃথিবীতে সেনাপ্রধান মানে শুধু ইউনিফর্ম পরা একজন উচ্চপদস্থ অফিসার নন। তিনি এমন একজন ব্যক্তি, যার সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক বছরে দেশের নিরাপত্তা, সীমান্তনীতি, যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং সামরিক আধুনিকীকরণের গতিপথ নির্ধারণ করতে পারে।
এখন অনেকেই ‘হেলদি’, ‘অর্গানিক’, ‘ভেগান’ বা ‘জিরো ময়দা’ লেখা খাবার দেখে কেনেন। কিন্তু এই খাবরগুলি এতটাও হেলদি নয় বলে মনে করছেন FSSAI। তারা একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।
দেশে ১০০ শতাংশ ইথানল জ্বালানির ব্যবহারে অনুমতি দিল কেন্দ্র সরকার। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গড়করি এই তথ্য জানিয়েছেন।
ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া-র সঙ্গে মিশে গেল তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহীদের ব্লক। কাকলি-সুদীপদের এই নয়া পার্টি একটি সময়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধেই ভোটে লড়েছিল। শুধু তাই নয়, এই দলের ঠিকানা বাংলার, তবে পার্টি ত্রিপুরার। তাদের পোস্টারে লেখা 'দলবদলু মুখ চাই না।'
এই ঘটনাকে শুধুই তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন হিসেবে দেখলে হবে না। বরং জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপট বদলে যেতে পারে। NCPI নামক এই নয়া শিবির বিজেপি-র নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থন দিলে সংখ্যার বিচারে ব্যাপক সুবিধা পাবে এনডিএ। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশের ক্ষেত্রে।
রবিবার ভোররাতে একবারে ফিল্মি কায়দায় মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে হেমতাবাদ থানার পুলিশ। এই প্রভাবশালী শাসকদলের নেতা গ্রেফতার হতেই উত্তর দিনাজপুরের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
এনসিপিআই-তে যোগ দিলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। ত্রিপুরার বিধানসভা ভোটেও প্রার্থী এনসিপিআই। কৈলাশহর, ছাওমনু আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা। বাংলাতেও তাদের অস্তিত্ব রয়েছে।
'আমরা ২০ জন সাংসদ। এনসিপিআইতে মিশে এখন কাজ করব। এনডিএর সঙ্গে কাজ করব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের নেতৃত্বে কাজ করব'। বলে দিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
স্পিকারের দরবারে দেব-কাকলি-সুদীপরা, ত্রিপুরার NCPI-তে যোগে রাজনৈতিক ঝড়। তৃণমূলের এক বড় অংশের সাংসদ যদি NCPI-এর ছত্রছায়ায় চলে যান, তবে তা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। লোকসভার সমীকরণেও এর প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।