সংসদে যে আসন যে বাড়বে জানাই ছিল। মূলত সেই লক্ষ্য নিয়েই নতুন বিল্ডিং তৈরি হয়েছিল। এবার সেই লক্ষ্যপূরণেই আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্র। লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ লাগু করতে চলেছে নয়াদিল্লি।
সংসদে চলছে বাজেট অধিবেশন। আজ, সোমবার এই অধিবেশনে ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালী ও দেশে জ্বালানির সঙ্কট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, "আমরা এখন চেষ্টা করছি, যাতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যবাহী জাহাজগুলো নিরাপদে ভারতে পৌঁছানো নিশ্চিত করা। আমরা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া আমাদের অনেক জাহাজ ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছে।"
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সংসদে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যেখানে যুদ্ধের আবহে LPG সঙ্কট থেকে শুরু করে ভারতের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাখ্যা দেন। রইল ১০ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।
অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, বিলটি লিঙ্গ স্বীকৃতির প্রক্রিয়াকে সহজ করার পরিবর্তে আরও জটিল করে তুলছে। এতে প্রশাসনিক বাধা বাড়বে এবং ইতিমধ্যেই প্রান্তিক অবস্থানে থাকা এই সম্প্রদায় আরও কোণঠাসা হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা তাঁদের।
এরপরেই যুদ্ধের আসন্ন প্রভাব নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকা ও শান্ত থাকার বার্তা দিলেন মোদী। বললেন, 'এই যুদ্ধের জেরে দুনিয়াজুড়ে যে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে জারি থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এই অবস্থায় আমাদের তৈরি থাকতে হবে ও আমাদের একজোট থাকতে হবে।' এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই করোনার সময়ের সেই কঠিন পরিস্থিতির কথা তুললেন তিনি।
ইরান-ইজরায়েল সংঘাতে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কার মাঝে লোকসভায় বড় তথ্য দিলেন নরেন্দ্র মোদী। ভারতে ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম মজুত রয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ৪১টি দেশ থেকে আমদানি করে ভারত। LPG ও পেট্রল সরবরাহ নিয়ে এখনই আতঙ্কের কারণ নেই বলেই আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর।
সংসদে চলছে বাজেট অধিবেশন। আজ, সোমবার এই অধিবেশনে ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালী ও দেশে জ্বালানির সঙ্কট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লোকসভায় এদিন PM জানান ভারতীয়দের নিরাপত্তাই এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার।
হরমুজ প্রণালী ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। এই গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ রুটে সমস্যা হলে বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়তে পারে। লোকসভায় এ নিয়ে মুখ খুললেন নরেন্দ্র মোদী। জানালেন, পরিস্থিতি জটিল হলেও ভারত প্রস্তুত। তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে আগেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন।
মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লোকসভায় ভাষণ দিলেন। সংসদে তিনি এই সংঘাতের মধ্যে ভারতীয়দের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর রূপরেখা তুলে ধরেন।
ইরান যুদ্ধের ভারতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে চলেছে, তার আভাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বক্তব্যেই করোনাকালের প্রসঙ্গও তুললেন তিনি। বললেন, 'এই যুদ্ধের জেরে দুনিয়াজুড়ে যে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে জারি থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এই অবস্থায় আমাদের তৈরি থাকতে হবে ও আমাদের একজোট থাকতে হবে। আমরা করোনার সময়েও একজোট হয়ে এই রকম চ্যালেঞ্জ সামলেছি। আবার ওই রকম ভাবেই তৈরি থাকার সময় ও আবশ্যিকতা এসেছে। ধৈর্য ধরে শান্ত মনে সব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা আমরা করতে হবে। এটাই আমাদের শক্তি। আমাদের অনেক সাবধান ও সতর্কও থাকতে হবে। এই ধরনের পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে পারে, এমন অসাধু লোকের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমি দেশের সব রাজ্যের কাছে আবেদন করছি, এই ধরনের পরিস্থিতিতে কালোবাজারি অ্যাক্টিভ হয়ে যায়।'
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম। এদিন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে লোকসভায় বক্তব্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের মতো অর্থনীতিতে যুদ্ধের কী প্রভাব পড়ছে, কীভাবে ভারত মোকাবিলা করছে এদিন বিস্তৃত বর্ণনা দেন তিনি।