'হাসপাতালে পাঠানোর অনুমতি দেয়নি হাইকোর্ট। কোনও চিকিৎসা চলছে না। বাইরের ল্যাব থেকে আমরা টেস্ট করাচ্ছি'। জানালেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি।
অনশনকারীদের পাশে ঐশী ঘোষ। আজ থেকে আমরণ অনশনে বসবেন। এ কথা জানালেন এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়,'গায়ের জোরে সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে গিয়েছে দিল্লি পুলিশ'।
'এখনও বেঁচে আছি। আমার শরীরের ২০ শতাংশ চলে গিয়েছে। প্রথমে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হবে। তারপর আমার মস্তিষ্ক'। পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার আগে এই বার্তাই দিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক।
তিনি বলেন, 'শুধু হাতে বেশি বেতন পাওয়ার জন্য EPF-এর অবদান কমানো উচিত নয়। আজ সঞ্চয় সামান্য কমালেও আগামী ২৫-৩০ বছরে চক্রবৃদ্ধি সুদের কারণে অবসরের তহবিলে তার প্রভাব অনেক বড় হতে পারে।'
স্বামীর চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলী। তাঁর দাবি, হাসপাতাল কোনও রিপোর্ট প্রকাশ করছে না। এদিকে, হাসপাতাল রিপোর্ট প্রকাশ করে জানিয়েছে, সোনম সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছেন। তাঁর অন্যান্য হেলথ রিপোর্ট জানানোর পাশাপাশিই হাসপাতাল জানিয়েছে, তিনি কিছু খেতে চাইছেন না।
৫৯ বছর বয়সী পরিবেশবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের বাবাও ঠিক ৪২ বছর আগে একইভাবে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। পৌঁছে গিয়েছিলেন খোদ ইন্দিরা গান্ধী। তারপর কী হয়েছিল?
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তিনি আমরণ অনশনে বসেছেন দিল্লির যন্তর মন্তরে। আন্দোলনকারী এই সোনমের একজন উদ্ভাবক এবং শিক্ষা সংস্কারক হিসেবেই পরিচিত। তিনি কী কী আবিষ্কার করেছেন, তা জানেন কি?
সোনম ওয়াংচুককে জোর করে পুলিশ তুলে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। তারপরই তাঁর জায়গায় আমরণ অনশন শুরুর ঘোষণা করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। যন্তর মন্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দিপকে বলেন, '২০ তারিখ সংসদ অভিযান হবেই। নির্ধারিত সময়েই পদযাত্রা শুরু হবে। সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরও আন্দোলন স্তিমিত হবে না।' শনিবার সকালে অনশনের ২১তম দিনে সোনমকে চাদরে আড়াল করে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই উৎক্ষেপণ শুধু স্কাইরুটের জন্য নয়, ভারতের পুরো বেসরকারি মহাকাশ শিল্পের জন্যই বড় মাইলফলক। ২০২০ সালে ভারত সরকার মহাকাশ খাতে বড় সংস্কার আনে।
নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলা, যৌন হেনস্থা এবং পরবর্তীতে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলা থেকে এক মুসলিম যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
হিন্দু পড়ুয়ার হোমওয়ার্কে দেওয়া হল 'কলমা'। হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে এমনই ঘটনা ঘটেছে। এরপর ওই শিক্ষিকা এবং স্কুলের আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।