Nirmala Budget: অর্থমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ পূর্বোদয় কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। ইস্টার্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোরে দুর্গাপুর অ্যাঙ্কর সিটি ও হলদিয়ার কাছে কেমিক্যাল পার্ক গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সিটি ইকোনমিক রিজিয়ন প্রকল্পে বছরে ১,০০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে এবং এতে কলকাতা, হাওড়া, দুর্গাপুর অংশ নিতে পারে।
সংসদ অধিবেশনের ভাষণে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কমেডিয়ান বীর দাসের নাম। তাতেই অবাক হন কমেডিয়ান। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন বীর। তাতে সংসদে বলা অভিষেকের ভাষণগুলি জুড়ে দেন। অভিষেক, বীরের ২০২১ সালের 'টু ইন্ডিয়া' স্ট্যান্ডআপটির অংশ তুলে ধরেন। কিন্তু প্রশ্ন হল অভিষেক সংসদে বীর দাসের স্ট্যান্ডআপের অংশ কী কারণে উদ্ধৃত করলেন? জেনে নিন ঠিক কী ঘটেছিল।
স্পিকারের আসনে বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পাল। নির্ধারিত সময়ের বেশি নেওয়ায় কল্যাণ বন্দ্যোপ্যাধ্যায়কে বললেন,'এবার থামুন'। তৃণমূল সাংসদের সরস মন্তব্য,'লোকসভার বাইরে তো আমায় ডার্লিং বলেন। একটু বাড়তি সময় দিন স্যার'। স্পিকার পাল্টা বলেন,'আপনার প্রতি পক্ষপাতিত্ব করতে পারি না'।
লোকসভায় রাহুল গান্ধী একাধিকবার এপস্টিন ফাইল প্রসঙ্গ উত্থাপনের সময়ে হরদীপ সিং পুরীর নাম তোলেন। জবাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। জানালেন কেন তিনি এপস্টিনের সঙ্গে একাধিকবার দেখা করেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পণ করেছেন। ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বললেন রাহুল গান্ধী। তার পাল্টা কিরেন রিজিজু বলেন,'সব অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে'।
'স্যার, বাইরে আপনি আমাকে ‘ডার্লিং’ বলে ডাকেন, কিন্তু এখানে সময়ই দেন না! অন্তত আমাকে একটু সময় দিন, ডার্লিং।' এই মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গে সংসদে হাসির রোল ওঠে।
'বাংলাদেশের পোশাকে শূন্য শুল্ক। সেখানে ভারতের পোশাকের উপর ১৮ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। গোটা পোশাকশিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে'। লোকসভায় বললেন রাহুল গান্ধী।
রাহুল বলেন, আমেরিকা বাংলাদেশের টেক্সটাইল শুল্ক শূন্যে নামিয়ে এনেছে। আমাদের টেক্সটাইল শিল্পের উপর ১৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে পুরো টেক্সটাইল শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। সবাই বাংলাদেশে চলে যাবে।
লোকসভায় ভাষণ দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী। স্পিকারের আসনে তাঁর দলেরই প্রাক্তন নেতা জগদম্বিকা পাল। সেই প্রসঙ্গ তুললেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। বললেন,'স্পিকার স্যার, আপনি প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা'। জগদম্বিকা মনে করালেন, 'আমার কথা শুনলে ওখানে বসে থাকতেন না। আমার পরামর্শ মানেননি বলেই বিরোধী আসনে বসে আছেন'।
'আপনি দেশ বিক্রি করে দিয়েছেন। আপনার লজ্জা নেই। আপনি ভারত মাকে বিক্রি করে দিয়েছেন'। লোকসভায় ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তব্য, এপস্টিন ও আদানি গলার কাঁটা হয়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। প্রধানমন্ত্রীর চোখে ভয়।
'বাজেট ভারত সরকার তৈরি করেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তৈরি বাজেট'। লোকসভায় দাবি করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।তাঁর কথায়,'বাংলাকে আবারও বঞ্চিত করা হয়েছে বাজেটে। বাংলার সঙ্গে সুবিচার হয়নি'।