রাহুল গান্ধী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সহ অন্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে রেট্রোস্পেকটিভ আইন আনার দাবি করার কথা তুলে ধরেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি রাহুল গান্ধীকে সমর্থন করবেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নে মমতা জবাব দেন, “কোনও কিছু যদি জেনুইন, প্র্যাকটিকাল হয় এবং জনতার ভালোর জন্য হয়, আমরাও চাইব ইমপিচমেন্ট হোক। আমাদের নম্বর নেই। কিন্তু ইমপিচমেন্ট হতেই পারে। ধারা রয়েছে। রেকর্ড তো হয়ে যাবে। উনি যদি এমন করেন, তবে আমরা আমাদের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের স্বার্থে এককাট্টা হয়ে কাজ করব। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”
নির্বাচন কমিশনকে বিশ্বাস করবেন না, বঙ্গভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলনেত্রী লেন, 'গতকাল যা হয়েছে, তার পর এই নির্বাচন কমিশনের উপর আমাদের আর কোনও আশা নেই।' একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেন, বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস একাই লড়াই করবে।
তিনি কৃষক, কৃষি, দুগ্ধ, শ্রম-নিবিড় ক্ষেত্র, জেলে, এমএসএমই, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অটো যন্ত্রাংশের জন্য চুক্তির সুবিধা এবং ভারতে উচ্চমানের ডেটা সেন্টারের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। গোয়েল বলেন, 'আমরা সকলেই জানি যে প্রধানমন্ত্রী মোদী কৃষকদের জন্য কীভাবে কাজ করেন এবং তিনি ' কতটা যত্নবান। এটি ভারতের জন্য 'কৃষকদের জন্য প্রথম' চুক্তি।'
আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির জন্য রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমাবে ভারত? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে দাবি করছেন তা কি সঠিক? এ বিষয়ে কী বলছে মস্কো? মঙ্গলবার রাশিয়া জানিয়েছে, রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা করেছেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিন বঙ্গভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন নির্বাচন কমিশন প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে মানুষের নাম বাদ দিচ্ছে। সেইসঙ্গে কেন্দ্রকেও নিশানা করেন মমতা। বাংলার নিরাপত্তা ও সীমান্ত সমস্যা প্রসঙ্গে বলেন, গত ১০ বছর ধরে কোনও ডেটা শেয়ার করে না। প্রধানমন্ত্রীকে এই নিয়ে চিঠিও দিয়েছি। বাংলা বললেই বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হচ্ছে। ক’জন রোহিঙ্গা পাওয়া গিয়েছে? একজনও না। ৫৮ লক্ষের নামও যদি বাদ যায়, আমরা এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না।
মোদ্দা বিষয়, বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেনশিভ রিভিশনকে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের অন্যতম ন্যারেটিভ করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী। আজ অর্থাত্ মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বোঝানোর চেষ্টা করলেন, সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়ায়।
Faridabad Murder: তদন্তে উঠে এসেছে, গত ৩০ নভেম্বর রাতে সুমনকে মদ্যপান করিয়ে সম্পূর্ণ অচেতন করা হয়। এরপর পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন করা হয় তাঁকে। খুনের পর দেহ নিয়ে গিয়ে মেওলা মহারাজপুর রেললাইনের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।
নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে ৪০ হাজার নাম বাদ দেওয়ায় দিল্লিতে গিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাণক্যপুরীতে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশন, বিজেপি ও সীমা খান্নার নাম করে একযোগে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার কথায়, বেছে বেছে তৃণমূল কংগ্রেসের জেতা আসনগুলি থেকেই সবথেকে বেশি ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে ৬ বার চিঠি লিখেও কোনও উত্তর না আসায় ফের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কোথাপকথেনর সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল কী হবে? মমতার স্পষ্ট জবাব, ‘আমি রাজনৈতিক জ্যোতিষী নই। তবে আমার মনে হয় আরও বেশি আসনে জিতব।’ এদিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে জোট নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং সরকারকে নিশানা করছে কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলির সদস্যরা। এই নিয়ে মঙ্গলবার লোকসভায় হট্টগোল সৃষ্টি হয়, যার ফলে অধিবেশন শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট পরেই দুপুর ১২টা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। আবারও কার্যক্রম শুরু হলে, হট্টগোল অব্যাহত থাকে। এর পরে, দুপুর দুটো পর্যন্ত সংসদের কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করা হয়। পরে, দুপুর দুটোয় রাহুল গান্ধী বক্তব্য রাখতে দাঁড়িয়ে আবার চিনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। কিরেন রিজিজু এই নিয়ে আপত্তি জানান এবং রাহুল গান্ধীকে বক্তব্য রাখতে বাধা দেওয়া হয়। হট্টগোল শুরু হয় এবং সংসদের কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করা হয়।
ভারত এবং আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি ফাইনাল বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই কারণেই ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছেন তিনি। ৫০ শতাংশ থেকে শুল্ক নামিয়েছেন ১৮ শতাংশে। আর তাতেই উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে শেয়ারবাজারে। ব্যবসা বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখে চাঙ্গা সেনসেক্স, নিফটি। আর ও দিকে মন খারাপ চিন, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের। কারণ, এই সব দেশের তুলনায় ভারতের শুল্ক কমেছে। যার ফলে মার খেতে পারে তাদের ব্যবসা। বাণিজ্যে এগিয়ে যেতে পারে ভারত।