অর্থব ছিল প্রেম সিং ও তাঁর স্ত্রীর একমাত্র সন্তান। তাকে ঘিরেই ছিল বাবা-মায়ের যাবতীয় স্বপ্ন ও আশা। অল্প বয়সে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়।
প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, এই অভিযুক্ত ব্যক্তি আগে থেকেই হত্যার প্ল্যানিং করেছিল। প্রথমে নিজের স্ত্রীকে খুন করে ইন্দুশেখর। এরপর পার্টি দেওয়ার অছিলায় দুই শ্যালককে বাড়িতে ডেকে পাঠায়। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের খুন করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের স্ত্রী, নিজের শাশুড়ি এবং সাত বছরের শিশুটিকেও হত্যা করে অভিযুক্ত। আর এই ঘটনা সামনে আসার পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল, এমন নিয়ম তৈরি করা, যা এক দিকে জাতিগত বৈষম্য রুখবে, অন্যদিকে সমস্ত শ্রেণির পড়ুয়াদের অধিকার ও স্বার্থও সুরক্ষিত থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ফর্ম ৬ নিয়ে দেখা দিয়েছিল বিতর্ক। জানতে চাওয়া হচ্ছিল, আবেদনকারী নিজে বা তাঁর বাবা-মা কিংবা ঠাকুরদা-ঠাকুরমা বা দাদু-দিদার নাম চলতি শতকের গোড়ায় হওয়া এসআইআরের পর ভোটার তালিকায় ছিল কিনা। ওই প্রশ্নের উত্তর না দিলে অনলাইনে ফর্মের পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।
আরও একবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মুখে ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট। হরিয়ানার সভায় তিনি বলেন,'অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং তাদের ফেরত পাঠাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মোদীজি'।
অষ্টম বেতন কমিশনে কর্মীদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম হল ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর। এই ফ্যাক্টরের ভিত্তিতেই বর্তমান বেসিক পে সংশোধন করে নতুন বেসিক বেতন নির্ধারণ করা হবে।
শুধু অশরফিই নয়, দীপাবলি উপলক্ষে তৈরি হয়েছে ন'টি রত্নের রং ও স্বাদের অনুকরণে বিশেষ কাজু কাতলি, সোনার প্রলেপ দেওয়া মিষ্টি এবং বাজির আদলে তৈরি উপহারের বাক্স। সব মিলিয়ে মিষ্টির পাশাপাশি উপহার দেওয়ার আয়োজনেও অভিনবত্ব এনেছেন জয়পুরের মিষ্টি প্রস্তুতকারীরা।
দীপাবলির আগে মোদী সরকারের অগ্নিপথ স্কিমে বড় পরিবর্তন। চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল এনএস রাজা সুব্রামানি জানালেন, চার বছরের প্রাথমিক মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২৫ শতাংশ অগ্নিবীর স্থায়ী চাকরির সুযোগ পাবেন। আরও দুই বছরের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন বাকি ৭৫ শতাংশ অগ্নিবীর। মোট চাকরির মেয়াদ দাঁড়াবে ৬ বছর।
পেনশনভোগীর আধার নম্বর এবং বায়োমেট্রিক তথ্যের ভিত্তিতে এই ডিজিটাল শংসাপত্র তৈরি হয়। ফলে প্রতি বছর পেনশন প্রদানকারী সংস্থার কাছে গিয়ে কাগজে-কলমে জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
পঞ্জাবে মাদক সমস্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে নিশানা করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। দাবি করলেন, লোকসভার অধিবেশনে বসার সময় মানের মুখ থেকে মদের গন্ধ পেতেন। সেই সঙ্গে রাজ্যে মাদক সমস্যা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রাহুল গান্ধী ঠিক কী বলেছেন, দেখে নেওয়া যাক সেই ভিডিও।
আরটিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত দিল্লির জেলগুলিতে বিদেশি বন্দির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬৬। তাঁদের মধ্যে ৭২১ জন, অর্থাৎ প্রায় ৯৪ শতাংশই বিচারাধীন। মাত্র ৩৭ জন বিদেশি নাগরিকের সাজা হয়েছে। বাকিদের মধ্যে রয়েছেন আটক এবং অন্যান্য শ্রেণির বন্দি।