'বিজেপিতে আসো। হুমকি দেওয়া হচ্ছে আমাকে। মোদী, অমিত শাহের নাতির বয়সী আমি। অথচ আমাকেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে'। বললেন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে।
তাহলে কি এই সাংসদরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে ফেরার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন? নাকি ২০ জন সাংসদেরই জায়গা হয়ে যাবে বিজেপি-তে? আবার মমতার তৃণমূলে কয়েকজন সাংসদের ঘর ওয়াপসিও হতে পারে।
রাজ্যসভার পর লোকসভাতেও পাস হয়ে গেল বন্দে মাতরম বিল। বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও উভয় কক্ষেই বিলটি পাস হয়। প্রসঙ্গত, বুধবার, ২৯ জুলাই রাজ্যসভায় বন্দে মাতরম বিলটি অনুমোদিত হয়। আজ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই লোকসভাও বিলটি পাস করেছে। উভয় কক্ষে পাস হওয়ার পর, বিলটি এখন রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
জেপি নাড্ডার সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই লাঞ্চের ছবির কথা অবশ্য অস্বীকার করলেন তৃণমূল (মমতাপন্থী) সাংসদ।
সংসদ চত্বরে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে ঠাট্টাতামাশা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গলায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তাতে লেখা, ২০ গদ্দার। তখনই কল্যাণ প্রিয়াঙ্কার উদ্দেশে বলেন,'আপনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাড়িয়েছেন'। পাল্টা প্রিয়াঙ্কা জানান,'রাজীবজি মমতাকে স্নেহ করতেন'।
দিল্লির যন্তর মন্তরে এবার প্রশাসনিক তৎপরতা। সিজেপির বিক্ষোভস্থলে বসানো ব্যারিকেডগুলিকে ওয়েল্ডিং করে স্থায়ীভাবে বসানো হচ্ছে। উদ্দেশ্য, ভবিষ্যতে বড় বিক্ষোভে আন্দোলনকারীরা যে সহজে ব্যারিকেড ভাঙতে না পারেন। ব্যারিকেডগুলিকে ওয়েল্ডিং করে জোড়া হচ্ছে। দেখুন ভিডিও।
'দিল্লিতে বিক্ষোভকারী ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে। চালানো হয়েছে পেলেট গান। এর জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দায়ী'। সাংবাদিক বৈঠকে নিজের অবস্থানে অনড় রাহুল গান্ধী।
আজ অর্থাত্ বৃহস্পতিবারও সকালে সংসদ ভবনের বাইরে একই চিত্র। কল্যাণ স্লোগান দিয়ে চলেছেন। কল্যাণকে দেখে এগিয়ে এলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সঙ্গে ছিলেন বিহারের পুর্নিয়ার সাংস পাপ্পু যাদব সহ অন্যান্যরা। কল্যাণকে দেখে সকলেই হাসতে হাসতে এগিয়ে আসেন। কল্যাণ ওঁদের দেখে উত্সাহে আরও জোরে স্লোগান তুলতে শুরু করলেন।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর নিজের মহারাষ্ট্রের বাড়িতে ফিরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন দিপকে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের দায়িত্ব সামলানোর বদলে নরেন্দ্র মোদী যেন সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশি স্বচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
মিড ডে মিলে ডিমের পাশাপাশি এবার সপ্তাহে একদিন করে দেওয়া হতে পারে চিকেন বিরিয়ানিও। এই প্রস্তাব ঘিরে তৈরি হয়েছে কৌতুহল। কোন রাজ্যের সরকার এমন ভাবনাচিন্তা করছে?
জেপি নাড্ডার সঙ্গে লাঞ্চ করতে দেখা গেল মমতাপন্থী তৃণমূলের দুই সাংসদ, সৌগত রায় ও শত্রুঘ্ন সিনহাকে। যদিও কী বিষয়ে কথা হয়েছে তাঁদের, তা এখনও জানা যায়নি। শিবির বদল করতে চলেছেন কি না, তা নিয়ে অবশ্য প্রকাশ্যে কেউই কোনও মন্তব্য করেননি।