স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বাড়ি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই কয়েকজন বাসিন্দা নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়ি থেকে সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে শুরু করেছেন।
'সব নির্বাচন বাতিল করতে হবে। আবারও ভোট করানো হোক। জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে তাঁর উপরে মামলা চালানো দরকার'। বললেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
'ইউপি মডেলে বাংলায় ভোটলুঠ করেছে। উত্তরপ্রদেশে উপনির্বাচনে করেছিল। আর বাংলায় ৩ লাখ বাহিনী নিয়ে ভোটলুঠ করেছে বিজেপি'। বললেন সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব।
'গোটা দুনিয়ায় একটা উদাহরণ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা। সেখানে বিরোধীরা ঔপচারিকভাবে শাসক দলের সমর্থন করছে। যেখানে জেতেননি, সেখানে দলবদল। জেতার এমন আগ্রহ কোনও সরকারের দেখিনি। ২০০৭ সালের এফআইআরের ভিত্তিতে ২০২৬ সালে কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। কারণ উপনির্বাচনও জিততে হবে'।
সেপ্টেম্বরের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের পরিপ্রেক্ষিতে, কেন্দ্রীয় সরকার কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতন প্রদানের তারিখ পরিবর্তন করেছে। এবার বেতন ও পেনশন আরও আগে দেওয়া হবে।
CJP-এর এই দাবির পিছনে রয়েছে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্য নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। The Indian Express-এর একটি তদন্তমূলক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪টি ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি পোস্টে দাবি করা হয়, কোথাও কোথাও ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত কম দামে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টেও এই বিষয়টির উল্লেখ করা হয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে বিতর্কের জেরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মমতা। বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনকে সময় বেঁধে দিল দেশের শীর্ষ আদালত।
সমস্তিপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা জগতসিংহপুর ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
'নিজের মর্জিমতো সিদ্ধান্ত নিতেন জ্ঞানেশ কুমার। পুরো ব্যবস্থাকে কেন্দ্রীকরণ করেছেন। এটা আইনবিরুদ্ধ'। বললেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল। তাঁর দাবি, অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে সাসপেন্ড করে নির্বাচন বাতিল করা হোক।
পুজোর আগেই কমানো হল ভোজ্য তেলের আমদানি শুল্ক। অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং অপরিশোধিত পাম তেলের বেসিক কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, অপরিশোধিত সূর্যমুখী তেলের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য করা হয়েছে। এতেই কমতে পারে খাওয়ার তেলের দাম।