বিহারের জামুইয়ের পর সমস্তিপুরে এক নাবালিকাকে হেনস্থা। ভাইরাল ভিডিও। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ১৫ সেপ্টেম্বরের। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, একদল যুবক নাবালিককে ঘিরে ফেলেছিল। বারবার প্রতিবাদ করছে সে। ভিডিওটি সামনে আসার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সমস্তিপুরের এসপি অরবিন্দ প্রতাপ সিং জানান, অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।
২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্মঘটের কারণে ব্যাঙ্কের শাখাগুলিতে কাজকর্ম ব্যাহত হলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন সাধারণ গ্রাহক, ছোট ব্যবসায়ী এবং চাকরিজীবীরা।
আবারও নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল সিজেপি। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করলেন সিজেপি নেতা দীপকে। তাঁর বক্তব্য, দেশে সবচেয়ে বড় গদ্দার জ্ঞানেশ কুমার। দেখুন পুরো ভিডিও।
'সিদ্ধান্তের পিছনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মত না থাকলে সেটা বেআইনি। সাংবাদিক বৈঠক করে সবাই বলুন, সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিতে নেওয়া হয়েছে'। বললেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এসওয়াই কুরেশি।
সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী সরাসরি জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করেন। দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যে ‘অরাজকতা’ বা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তার জন্য তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে দায়ী করেন।
প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ফর্ম ৬ ভরতে হয়। তাতে এমন একটি প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, যা আগে কখনও ছিল না। নতুন ভোটারকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছিল, তিনি বা তাঁর বাবা-মা, ঠাকুরদা-ঠাকুরমা/দাদু-দিদার নাম শেষ এসআইআর ভোটার তালিকায় ছিল কিনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার বাড়ি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই কয়েকজন বাসিন্দা নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাড়ি থেকে সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে শুরু করেছেন।
'সব নির্বাচন বাতিল করতে হবে। আবারও ভোট করানো হোক। জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে তাঁর উপরে মামলা চালানো দরকার'। বললেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
'ইউপি মডেলে বাংলায় ভোটলুঠ করেছে। উত্তরপ্রদেশে উপনির্বাচনে করেছিল। আর বাংলায় ৩ লাখ বাহিনী নিয়ে ভোটলুঠ করেছে বিজেপি'। বললেন সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব।
'গোটা দুনিয়ায় একটা উদাহরণ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা। সেখানে বিরোধীরা ঔপচারিকভাবে শাসক দলের সমর্থন করছে। যেখানে জেতেননি, সেখানে দলবদল। জেতার এমন আগ্রহ কোনও সরকারের দেখিনি। ২০০৭ সালের এফআইআরের ভিত্তিতে ২০২৬ সালে কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। কারণ উপনির্বাচনও জিততে হবে'।
সেপ্টেম্বরের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের পরিপ্রেক্ষিতে, কেন্দ্রীয় সরকার কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতন প্রদানের তারিখ পরিবর্তন করেছে। এবার বেতন ও পেনশন আরও আগে দেওয়া হবে।