মামলার শুনানিতে CEC-কে অপসারণের দাবিও ওঠে। বিকাশ সিং বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের হাতে অত্যন্ত বেশি ক্ষমতা চলে এসেছে। এমনকী অবসরের পরও তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
SIR মামলায় নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, 'আমরা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আইন অনুযায়ী কাজের প্রত্যাশা করি।' একইসঙ্গে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, Form-6 বদলের ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষ আদালত কোনও অনুমতিই দেয়নি।
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনা সমগ্র বিশ্বের উপর খারাপ প্রভাব ফেলেছে। শুরু হয়েছে গ্যাস-এর সঙ্কট দিয়ে। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর সম্প্রতি যুদ্ধ, আবহাওয়া এবং সার সরবরাহের সীমাবদ্ধতার মতো কারণ উল্লেখ করে আগামী মাসগুলোতে বড় খাদ্য সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যের পর চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এবার সেই আশঙ্কার কথা শোনা গেল দেশের অর্থমন্ত্রীর গলাতেও।
এক্স-এ একটি পোস্টে নেহা বোরা দাবি করেন, বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় আটক করে রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আটক হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনজীবীদের একটি দল যোগাযোগ রাখছে।
এবার সামনে এল সনাতনী প্রোটিন ব্রেকফাস্ট। সামনে আনলেন তমাল। তিনি Instagram-এ mantra_saadhana নামে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কী থাকছে এই প্লেটে? জেনে নিন দ্রুত।
৪ ঘণ্টা কাজই যথেষ্ট। যদি মন দিয়ে করা যায়। এমনটাই দাবি করলেন চেতন ভগত। ঠিক কী বলতে চাইছেন তিনি? আসুন জেনে নেওয়া যাক বিশদে।
রেলের ৯৯.৬% রুট এখন ইলেকট্রিক। ভারতীয় রেলের ব্রডগেজ নেটওয়ার্কের প্রায় ৬৯,৮৭৩ রুট কিলোমিটারের বৈদ্যুতিকীকরণ হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও প্রয়োজন হচ্ছে ডিজেল ইঞ্জিনের। সেটা কেন? সহজ ভাষায় বুঝে নিন।
NHRC-র নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের কোনও রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত এলাকায় স্থানীয় বিক্রেতা, হকার, ফেরিওয়ালা, কুমোর এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকা ও মানবাধিকার সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
রবিবার গভীর রাতে একটি পোস্টে সৌরভ দাস অভিযোগ করেন, সরকার সিজেপি নেতৃত্বকে গ্রেফতার করার প্ল্যানিং করছে। এই ধরনের 'স্বৈরাচারী পদক্ষেপ' নিয়ে সরকার যদি মনে করে যে আগামিদিনে প্রতিবাদ দমন করা যাবে, তাহলে তারা ভুল করছে।
সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের কথা উঠেছিল। আসলে সেই সময় গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। তাহলে ঘূর্ণিঝড় এল কোত্থেকে। জানব সেই কাহিনি।
জ্ঞানেশ কুমার কেরলম ক্যাডারের ১৯৮৮ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক। ওই সময় তিনি কেরলমের পূর্ত দফতরে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর বছর শেষ হওয়ার আগেই তাঁকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছিল।