ম্প্রতি আইআইটি মাদ্রাজের একটি গবেষণায় চেন্নাই মেট্রোর বিভিন্ন স্টেশন ও ট্রেনের নমুনায় অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স জিনের সন্ধান মিলেছে। শুধু চেন্নাই নয়, দিল্লির রেলস্টেশনের বাতাসেও আগের একটি গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের অণুজীব ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের সঙ্গে যুক্ত জিনের উপস্থিতি ধরা পড়েছিল।
ভারতের প্রাক্তন টি২০ অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, এক কিশোরী সুমধুর কণ্ঠে কন্নড় ভাষায় ভক্তিগীতি গাইছেন। গানটি গণেশ বন্দনার। তাঁর গানের ভিডিও শেয়ার করেছেন মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন,'দীপাবলির আবহে রাম ও সরযূর আগমন ঘটেছে। এটি দীপাবলির পরিবেশকে আরও পবিত্র ও দিব্য করে তুলেছে'।
পঞ্জাব থেকে বিহারে যাচ্ছিল কর্মভূমি এক্সপ্রেস। শুক্রবার পঞ্জাবে ট্রেনে আগুন লাগল। ট্রেনটি রাজপুরা যাওয়ার পথে পঞ্জাবের পাতিয়ালায় এই ঘটনা ঘটে। আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোনও যাত্রী আহত হননি। রেল কর্তৃপক্ষ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
বিজেপি-র ওই সাংসদের কথায়, 'আমার মত হল, শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীর নয়, ওই সব এলাকাও ফেরত নেওয়ার সময় এসে গিয়েছে, যেগুলি নেহরু পাকিস্তানকে দিয়েছিলেন। তার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর, সিলেট ও নোয়াখালিও রয়েছে।'
যতদূর খবর, বম্বে হাইকোর্টে একটি হুমকি ই-মেল পাঠানো হয়েছে। সেখানে আদালতকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই তিনটি জায়গা এবং ওরলি রেসকোর্সে বোমা হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। সেই তালিকায় রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।
অর্থব ছিল প্রেম সিং ও তাঁর স্ত্রীর একমাত্র সন্তান। তাকে ঘিরেই ছিল বাবা-মায়ের যাবতীয় স্বপ্ন ও আশা। অল্প বয়সে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়।
প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, এই অভিযুক্ত ব্যক্তি আগে থেকেই হত্যার প্ল্যানিং করেছিল। প্রথমে নিজের স্ত্রীকে খুন করে ইন্দুশেখর। এরপর পার্টি দেওয়ার অছিলায় দুই শ্যালককে বাড়িতে ডেকে পাঠায়। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের খুন করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের স্ত্রী, নিজের শাশুড়ি এবং সাত বছরের শিশুটিকেও হত্যা করে অভিযুক্ত। আর এই ঘটনা সামনে আসার পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল, এমন নিয়ম তৈরি করা, যা এক দিকে জাতিগত বৈষম্য রুখবে, অন্যদিকে সমস্ত শ্রেণির পড়ুয়াদের অধিকার ও স্বার্থও সুরক্ষিত থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ফর্ম ৬ নিয়ে দেখা দিয়েছিল বিতর্ক। জানতে চাওয়া হচ্ছিল, আবেদনকারী নিজে বা তাঁর বাবা-মা কিংবা ঠাকুরদা-ঠাকুরমা বা দাদু-দিদার নাম চলতি শতকের গোড়ায় হওয়া এসআইআরের পর ভোটার তালিকায় ছিল কিনা। ওই প্রশ্নের উত্তর না দিলে অনলাইনে ফর্মের পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।
আরও একবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মুখে ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট। হরিয়ানার সভায় তিনি বলেন,'অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং তাদের ফেরত পাঠাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মোদীজি'।