প্রতিবাদস্থল হিসাবে যন্তর মন্তরের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি নির্দেশ জারি হয়নি, এমনকি আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও করা হয়নি। তবু টলস্টয় রোডকে অশোক রোডের গোলচত্বরের সঙ্গে যুক্ত করা গাছঘেরা রাস্তাটি ধীরে ধীরে নয়াদিল্লির এমন একটি জায়গা হয়ে ওঠে, যেখানে ১৪৪ ধারা জারি থাকত না।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে ১০ জন সাংসদই রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছন। প্রতিনিধি দলে রাহুল গান্ধীর পাশাপাশি ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এম এ বেবি, ডি রাজা, সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাজীব রায়, সুপ্রিয়া সুলে, জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এবং আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা।
আয়োজকদের আবেদন খারিজ করেছে দিল্লি পুলিশ। অবশ্য শুধু দিল্লি নয়। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
কংগ্রেস মরা পার্টি। কিচ্ছু করতে পারবে না। রাহুল গান্ধীকে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরলেও কিছু করতে পারবে না। বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ভোট চুরির অভিযোগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে বিরোধী দলের বিক্ষোভ অব্যাহত। বিরোধী সাংসদরা শুক্রবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে জড়ো হয়েছেন। হাজির হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী সাংসদরা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিরোধী দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অনুরোধ করেছিল। রাষ্ট্রপতি ভবন শুক্রবার রাত ৮টায় সাক্ষাতের সময় দিয়েছে।
দিল্লিতে ১০ অক্টোবরের বড় আন্দোলন-বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি। তার আগে 'নিরাপত্তা'র খাতিরে ট্রেন-মেট্রো চলাচলে কাটছাঁট করেছে প্রশাসন। এবার সেই নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট।
শুক্রবার রাত ৮ টায় ইন্ডিয়া ব্লকের নেতৃত্বের ১০ জনের সঙ্গে দেখা করবেন রাষ্ট্রপতি। তালিকায় আছেন মমতা বন্দ্যোাধ্যায়ও। ফেসবুক পোস্টে এমনটাই জানালেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
যুগ্ম পুলিশ কমিশনার নূপুর প্রসাদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, বর্তমান নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের কমপক্ষে ১০ দিন আগে পুলিশের অনুমতি নিতে হয়। এর মানে হল, যদি বিক্ষোভটি ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকতো, তাহলে আবেদনপত্রটি আরও অনেক আগেই জমা দেওয়া উচিত ছিল। প্রাপ্ত তথ্য প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি ও নির্দেশিকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না।
কেন্দ্রীয় সরকার নন-শিডিউলভুক্ত এমন অ্যান্টি ক্যান্সার ওষুধের মূল্য নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার এই ধরনের সমস্ত অ্যান্টি ক্যান্সার ওষুধের বাণিজ্যিক মুনাফার উপর ৩০% সর্বোচ্চ সীমা আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপ ক্যান্সার ওষুধের মূল্যের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। মনে করা হচ্ছে যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছু ওষুধের এমআরপি ৭০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এর ফলে ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসার খরচ থেকে স্বস্তি পাওয়ার আশা বেড়েছে।
সব মিলিয়ে মমতা শিবিরে আরও একটি ভাঙনের ইঙ্গিত মিলছে। যদিও রাজনীতি সম্ভাবনার শিল্প, তাই এখনই চূড়ান্ত ভাবে কিছু বলা যায় না। তবে গতিপ্রকৃতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে বদলের ইঙ্গিত বেশ জোরাল।
এরপর বৃহস্পতিবার নতুন পোস্টে তিনি লেখেন, স্টারলিঙ্ক বিশ্বের ১৬৫টিরও বেশি দেশে লাইসেন্স পেয়েছে। ভারতে গত পাঁচ বছর ধরে সরকারের সমস্ত আইন ও প্রয়োজনীয়তা মেনে চলার চেষ্টা করার পরেও কেন এখনও বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করার অনুমতি মিলছে না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।