পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
হার সত্ত্বেও এই মন্ত্রীকে নিজের মন্ত্রিসভায় টেনে নেন নরেন্দ্র মোদী। করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর হাতে দেওয়া হয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক। যার পূর্ণমন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন রেলের প্রতিমন্ত্রীও, যে মন্ত্রকের দায়িত্বে অশ্বিনী বৈষ্ণব।
Rahul Gandhi press conference Dharmendra Pradhan resignation: বদলি নয়। ইস্তফা-ই চাই। কেন্দ্রীয় সরকারকে আল্টিমেটাম দিলেন রাহুল গান্ধী। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিরোধী দলনেতা। জানান, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কেবল অন্য কোনও মন্ত্রক বা দফতরে স্থানান্তরিত বা ‘বদলি’ করলেই পার পাওয়া যাবে না।
NEET প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলা আন্দোলনের সঙ্গে বিদেশি ফান্ডিং বা বিদেশি যোগ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের এবার সরাসরি উত্তর দিল বিদেশ মন্ত্রক।
এবার দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিট ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি যন্তর মন্তরে ধর্না দেবেন বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের নিন্দাও করেন।
সোনম ওয়াংচুক অনশন ভাঙার পরই 'সেটিং' তত্ত্ব সামনে এসেছে। এবার সেই বিষয়টা নিয়েই মুখ খুললেন তিনি। ঠিক কী বললেন? জেনে নেওয়া যাক।
এতদিন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি করে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে এবার তাদের ক্ষোভ ধীরে ধীরে পৌঁছে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকে। তেমনই ইঙ্গিত দিলেন দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।
ফের ভিডিও বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এবারও যুবদের উদ্দেশ করেই বার্তা। ঠিক কী বললেন তিনি?
CJP আন্দোলনের মাঝেই NTA ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত। প্রবেশিকা পরীক্ষায় গাফিলতি এবং প্রশ্নফাঁস বিতর্কে আন্দোলন তুঙ্গে। এমতাবস্তায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা NTA-র প্রায় ৪৭ জন আধিকারিকদের দায়িত্ব থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত পুলিশি বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তা দমাতে নির্বিচারে পুলিশি বর্বরতা চালানো হয়েছে। এমনকি আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পেলেট গান ব্যবহার করা হয়।
ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন জারি থাকবে। স্পষ্ট বার্তা দিলেন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে। সেই সঙ্গে জানালেন,'আমাদের বিরুদ্ধে সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য সরিয়ে রেখে এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন বিরোধী নেতৃত্বরা'