কেদারনাথ, বদ্রীনাথ মন্দির নিয়ে বড় খবর। এবার থেকে কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দিরে আর প্রবেশ করতে পারবেন না অ-হিন্দুরা। খুব শীঘ্রই এই প্রস্তাব মন্দির কমিটির আসন্ন বোর্ড সভায় পাশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির (BKTC) সভাপতি ও BJP-র এক প্রবীণ নেতা হেমন্ত দ্বিবেদী আজ এই ঘোষণা করেছেন।
দিল্লির কর্তব্যপথে আড়ম্বরের সঙ্গে পালিত হল ৭৭তম সাধারণতন্ত্র দিবস। সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ভারতীয় তেরঙা উত্তোলন করলেন। ১০৫ মিমি হালকা ফিল্ড গান থেকে গর্জে উঠা আওয়াজে দেশপ্রেমের সুর ছড়িয়ে পড়ল তামাম দুনিয়ায়। এ বছর প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উর্শুলা ভন ডার লেইয়েন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা, যার মাধ্যমে ভারত–ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমন্বয় ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিল এই অনুষ্ঠান। প্যারেডে ‘১৫০ বছর বন্দে মাতরম’–কে কেন্দ্র করে দেশের সামরিক শক্তি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও উন্নয়নের গল্প ফুটে উঠেছে। ট্যাবলোগুলিতে ভারতের ঐতিহ্য, বিভিন্ন রাজ্যের জীবনধারা, প্রযুক্তিগত সাফল্য ও গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হল। বাংলার ট্যাবলোতে ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার অবদানের আখ্যান। সেনাবাহিনী ও অফসেট বাহিনীর কুচকাওয়াজ, আধুনিক অস্ত্র ও যানবাহনের পরিবেশনা, বিমানবাহিনীর ফ্লাইপাস্ট, সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ মিনিটের অনুষ্ঠানে দুনিয়া দেখল, ভারত আজ শক্তিশালী একটি দেশ। বিশ্বকে পথ দেখানোর ক্ষমতা রাখে।
সাধারণতন্ত্র দিবসে তাজমহলের মূল সমাধিস্থলে পৌঁছে গেলেন হিন্দু মহাসভার সদস্যরা। তেরঙা পতাকা উত্তোলন করেন তাঁরা জানালেন, যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ মেনেই এ কাজ করা হয়েছে। এর আগে কখনও মুঘল আমলের এই স্মৃতিসৌধে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা জানিয়েছে, তাজমহলের ভিতরে এই ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা উত্তোলন করেছেন সংগঠনের কর্তা নন্দুকুমার এবং নীতেশ ভরদ্বাজ। তাঁরা জাতীয় সঙ্গীতও গান মূল সমাধিস্থলে। ঘটনাটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা শুরু হয়েছে।
প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে জয়সলমীরে এক সন্দেহভাজন যুবককে আটক করেছে সিআইডি। খবর অনুসারে, গুপ্তচর সন্দেহে সাঁকড়া থানা এলাকার নেহদান গ্রামের বাসিন্দা ভান্নারামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি। সূত্রগুলি জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্ত এবং জিজ্ঞাসাবাদে প্রমাণ পাওয়া গেছে, যুবকটি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছিল। জানা গেছে, যুবকটি পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কিত গোপনীয় এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানে পাঠাচ্ছিল।
এদিন দিল্লির কর্তব্যপথে পশ্চিমবঙ্গের ট্যাবলোর থিম ছিল, স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলা ও বাঙালির অবদান। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ক্ষুদিরাম বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুভাষচন্দ্র বসুদের ছবির সঙ্গে ছিল মাতঙ্গিনী হাজরার ছবিও। বাংলার ট্যাবলো যখন কর্তব্যপথে দেখানো হচ্ছে, তখন ধারাভাষ্যকার বাংলার মনীষীদের নাম বলছেন।
বরফের পুরু চাদরে ঢেকেছে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ ও জম্মুর বিস্তীর্ণ এলাকা। সোনমার্গ, মানালি, সিমলা, কেদারনাথের মতো পর্যটনস্থলগুলোতে ভিড়ও উপচে পড়ছে। সোমবার ও মঙ্গলবার এই জায়গাগুলিতে আরও ভারী তুষারপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
রেলের সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ১১টার মধ্যে ট্রেনের লখনউ পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে ট্রেন পৌঁছয় প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরিতে। ফলে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি সমৃদ্ধির। এক মুহূর্তে হাতছাড়া হয়ে যায় তাঁর নিট পরীক্ষা, কার্যত নষ্ট হয়ে যায় একটি গোটা বছর।
প্রজাতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলোয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্য়ায়। সঙ্গে দেখা গেল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। ট্যাবলোয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস, বিবেকানন্দ, বিনয়-বাদল-দীনেশ, মাতঙ্গিনী হাজরার মতো বিপ্লবীদেরও তুলে ধরা হয়। বাংলাকে স্বাধীন করতে কত রক্ত দিয়েছে বাঙালি, তা তুলে ধরা হল ট্যাবলোয়। হাজার টানাপোড়েনের পর ১৭টি রাজ্যের মধ্যে বাংলার ট্যাবলো সগৌরবে অংশ নেয় এবারের কুচকাওয়াজে। আজ কর্তব্যপথে ২১ নম্বরে দেখা গেল পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশন। জাতীয় স্তরে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন, তাই প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের ট্যাবলোয় বাংলা ভাষায় লেখা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিশেষজ্ঞ কমিটি। কিন্তু রাজ্য সরকারের অনড় অবস্থানে তা বদলাতে পারেনি কেন্দ্র। বাংলা ছাড়াও অসম, কেরল, তামিলনাড়ু সহ ৪ রাজ্যে ভোট। বাকিদের ট্যাবলোর থিম কেমন?
তাজমহলের ভিতর সটান ঢুকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করল হিন্দু মহাসভা। সংগঠনের দুই সদস্য গাইলেন জাতীয় সঙ্গীতও। তাঁদের দাবি, 'যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ মেনেই এ কাজ করা হয়েছে।'
কর্তব্য পথে কুচকাওয়াজ শুরু হয় তিরঙ্গা উত্তোলন এবং তারপর ২১টি তোপের মাধ্যমে। এর সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর তিনটি শাখা তাদের নিজ নিজ শক্তি প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজের থিম বন্দে মাতরমের উপর ভিত্তি করে, যার সুরেলা সুর অনুষ্ঠান চলাকালীন ক্রমাগত শোনা যায়।
কেদারনাথ, বদ্রীনাথ মন্দির থেকে বড়সড় আপডেট। এবার থেকে কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দিরে আর প্রবেশ করতে পারবেন না অ-হিন্দুরা। খুব শীঘ্রই এই প্রস্তাব মন্দির কমিটির আসন্ন বোর্ড সভায় পাশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।