LPG Crisis Mumbai Bengaluru: সোমবার থেকে মুম্বইয়ের বহু জনপ্রিয় রেস্তরাঁ এবং চেন্নাইয়ের হোটেলগুলিতে হাঁড়ি চড়াতে কালঘাম ছুটছে রাঁধুনিদের। কারণ একটাই, সময়মতো মিলছে না ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের সিলিন্ডার। পরিস্থিতি এমনই যে, অনেক ছোট ও মাঝারি মাপের ভোজনালয় ইতিমত্যেই ঝাঁপ ফেলতে বাধ্য হয়েছে।
ইরান ও ইজরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব এবার রমজানের বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে খেজুর ও বিভিন্ন ধরনের ড্রাই ফ্রুটসের বিশেষ গুরুত্ব থাকে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে এই পণ্যগুলির সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বাজারে দাম বেড়ে যাচ্ছে। বিহারের গয়া শহরসহ বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যেই খেজুর ও শুকনো ফলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে আগামী দিনে বাজারে খেজুরের ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। ব্যবসায়ীদের মতে, ইরান ও সৌদি আরবসহ একাধিক আরব দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ খেজুর ভারতে আমদানি করা হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। ফলে বাজারে যে স্টক রয়েছে, তার ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এতে দামও ক্রমশ বাড়ছে। গয়ার এক ড্রাই ফ্রুটস ব্যবসায়ী জানান, রমজান মাসে অনেকেই অন্তত খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙেন। তাই এই সময় খেজুরের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। কিন্তু এখন বাজারে খেজুরের জোগান কমে যাওয়ায় ক্রেতাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সরবরাহকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হওয়ায় নতুন পণ্য আসতে দেরি হচ্ছে। ফলে রমজানের মাঝামাঝি সময়ে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে এমন কোন কোন সাংসদ রয়েছেন যাঁরা সম্পূর্ণ বেতন ফিরিয়ে দেন এমনকী, সুযোগ সুবিধাটুকুও নেন না। দুই দলের এমন ২ সাংসদের কথা জানা গেল RTI-এর উত্তরে।
পশ্চিম এশিয়ায় অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যসভায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সতর্ক ও পরামর্শ দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি সতর্ক করে বলেন, 'যুদ্ধ বাড়লে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর।' রাজ্যসভায় বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকারের প্রধান লক্ষ্য হবে দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রভাবের দিকে সরকার সতর্ক নজর রাখছে। বিদেশমন্ত্রীর কথায়, 'এই সংঘাতের বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট, উত্তেজনা কমাতে সংলাপ ও কূটনৈতিক পথেই সমাধান খোঁজা উচিত।' তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার একটি বিবৃতি জারি করে পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে। সম্প্রতি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এদিকে ওই অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়েও সরকার সতর্ক রয়েছে। বিদেশমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সারা ভারতের বড় বড় রেস্তোরাঁ চেইনের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট। হায়দরাবাদের একটি রেস্তোরাঁয় প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার গোপন টার্নওভার ধরা পড়ার পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
Gold-Silver Rate Fall: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, শেয়ার বাজার ধসে পড়ছে এবং বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা চরমে। তবুও, এমন পরিস্থিতিতেও, নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত সোনা ও রুপোর দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
রাজ্যসভায় পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সকলের জন্য উদ্বেগের বিষয়। জয়শঙ্কর ব্যাখ্যা করেন যে, এটি শুরু হয়েছিল ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন ইরানি নেতৃত্বের হামলা সহ বেশ কয়েকটি বড় হামলার ফলে প্রাণহানি ও সম্পদের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। তিনি সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
বিরোধীরা লোকসভার মহাসচিবের কাছে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস জমা দিয়েছে। বিরোধী দলগুলি নিয়ম 94(C) এর অধীনে স্পিকারকে অপসারণের জন্য অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস জমা দিয়েছে।
'নীচু মনের মানসিকতা বাংলার মুখ্য়মন্ত্রীর। সাংবিধানিক পদের সম্মান করতে পারেন না। জনজাতি সমাজ উঠে এসেছেন প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু'। প্রতিক্রিয়া দিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখিয়ে পাল্টা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন,'এটা প্রধানমন্ত্রীর জন্য। রাষ্ট্রপতিকে আপনি সম্মান দেন? রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে, আপনি বসে আছেন। আমরা সম্মান দিই। আপনারা দেন না'।
'বের করব নাকি? রেখে দিয়েছি। নির্বাচনের সময় কাজে লাগবে। এপস্টিন ফাইল খুলব। ষড়যন্ত্র খুলব। বাংলা মরে যায়নি। বাংলা মরে যাবে না'। হুঁশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায়,'বাংলা ভাগ করতে চাইছেন। রাষ্ট্রপতি শাসনের প্ল্যান আছে নাকি!'