ভারত সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থা ক্যাবিনেট সচিবালয় সেবা তীর্থ চত্বরে অবস্থিত। একই চত্বরে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিবালয়ও।
'ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য শক্তি, গতিপথ এবং প্রভাব সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস পেতে এই সপ্তাহান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আগামী ৫-৮ দিনে ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিস্থিতি। এই ঘূর্ণাবর্তটি শক্তি বাড়িয়ে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পিছনে কয়েকটি অনুকূল পরিস্থিতি কাজ করতে পারে'। বললেন আবহবিদ।
শুনানি চলাকালীন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার বয়স জানতে চায় আদালত। তাঁদের আইনজীবী জানান, সৌরভের বয়স ২৭ বছর এবং আশুতোষের ৩১ বছর। এরপর আদালত স্পষ্ট জানায়, তাঁরা জেন জি (Gen Z) নন। কোন বয়সের মানুষকে মিলেনিয়ালস বলা হয়, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত।
ছত্তিসগঢ়ের রাজনন্দগাঁওয়ের পুলিশ সুপার আইপিএস অঙ্কিতা শর্মার বিজয়া দশমীর অস্ত্রপুজোর ভিডিও ঘিরে বিতর্ক। ওই ভাইরাল ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে শাড়ি পরে AK-47 রাইফেল থেকে শূন্যে গুলি চালাচ্ছেন অঙ্কিতা। আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। দেখনদারির জন্য এটা দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে দাবি করেছেন অনেকে।
পুজোর সময় হরিদ্বারে বাঙালি পর্যটকদের ভিড় থাকে। আর সেই হরিদ্বারের বিখ্যাত হর কি পৌড়িতে জল নেই বললেই চলে! ডুব দিতে না পেরে হতাশ পর্যটকরা। অন্যদিকে, গঙ্গায় নেমে চলছে কয়েন খোঁজা। আসলে পুণ্যার্থীরা এখানে কয়েন ছুড়ে দেন। জল নেমে যাওয়ায় সেই কয়েন খোঁজার হিড়িক। আসলে রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য গঙ্গা খাল বন্ধ। তাই হর কি পৌড়ি জলশূন্য।
হরিদ্বারে আসা কয়েক জন ভক্ত জানিয়েছেন, গঙ্গায় স্নান করার ইচ্ছা নিয়েই তাঁরা এসেছিলেন। কিন্তু হর কি পৌরিতে জল না থাকায় সেই সুযোগ মিলছে না। তাঁদের কথায়, গঙ্গাস্নান করতে না পারলেও অন্তত গঙ্গাজল পান করে এবং জল ছিটিয়ে ধর্মীয় বিশ্বাস পূরণের চেষ্টা করবেন তাঁরা।
বিক্ষোভের স্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি জানতে চান, যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভের জায়গা হিসেবে ডিনোটিফাই করা হয়ে থাকলে সেখানে যাওয়ার কারণ কী?
'চ্যালেঞ্জ যতই কঠিন হোক না কেন, অন্যদের ভরসায় থাকলে হবে না। নিজেদের শক্তি বুঝতে হবে। নিজেদের সংকল্পকে শক্তি বানাতে হবে। পরিশ্রম করে সাফল্য পেতে হবে। এই শিক্ষাই দেয় শ্রীরামের জীবন'। বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
তাঁর বক্তব্য, বিচারবিভাগীয় হেফাজত সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে আবেদনকারীদের বক্তব্য ও লিখিত যুক্তি জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের জবাব দাখিল করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাঁরা তা করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গ তুলে ভারতের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ করেন পাকিস্তানের এই প্রাক্তন সেনা আধিকারিক। তাঁর দাবি, ওই অভিযানে ভারত এমন ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, যা পরমাণু অস্ত্র বহন করতে সক্ষম।
মুকেশ আম্বানির জিও প্ল্যাটফর্মসের ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং ((IPO) চালু হয়েই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ৩০,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের এই ইস্যুটি অন্য যেকোনও মেগা আইপিওর চেয়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে জোরালো সাড়া পাচ্ছে। এটি খোলার মাত্র ১০০ মিনিটের মধ্যেই সম্পূর্ণ সাবস্ক্রাইব হয়ে যাওয়া থেকেই বিষয়টি স্পষ্ট। প্রসঙ্গত, কিউআইবি (QIB) ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ সাবস্ক্রিপশন পাওয়া গেছে।