ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর নতুন শিক্ষামন্ত্রী হলেন প্রহ্লাদ যোশী। শনিবার সকালেই ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কে গত কয়েকদিনে তীব্র আন্দোলন চলেছে। আন্দোলনকারী ককরোচ জনতা পার্টির মূল দাবিই ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
CJP Jantar Mantar Protest Withdrawn: শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা ও মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাসে যন্তর মন্তরে আন্দোলন তুলল সিজেপি। গত কয়েক দিন ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে CJP-র হাজার হাজার শিক্ষার্থী অবস্থান আন্দোলন করছিলেন।
'আমরা আরশোলা, একবার ঢুকলে সহজে বেরোই না।' ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা আদায় করে নিয়ে যন্তর মন্তরে দাঁড়িয়ে এমনটাই বললেন প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। যন্তর মন্তরে মাইক্রোফোনটা হাতে নিয়ে জমায়েত হওয়া প্রচুর সংখ্যক জেন জি-র উদ্দেশে তিনি বলেন, 'লং লিভ স্টুডেন্টস পাওয়ার'।
Dharmendra Pradhan: ইস্তফা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট (NEET) পরীক্ষা বিতর্ক এবং ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) লাগাতার আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন। শনিবার সকাল থেকেই ফের রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল দিল্লি এবং বিহারের পটনায়।
পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
হার সত্ত্বেও এই মন্ত্রীকে নিজের মন্ত্রিসভায় টেনে নেন নরেন্দ্র মোদী। করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর হাতে দেওয়া হয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রক। যার পূর্ণমন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন রেলের প্রতিমন্ত্রীও, যে মন্ত্রকের দায়িত্বে অশ্বিনী বৈষ্ণব।
Rahul Gandhi press conference Dharmendra Pradhan resignation: বদলি নয়। ইস্তফা-ই চাই। কেন্দ্রীয় সরকারকে আল্টিমেটাম দিলেন রাহুল গান্ধী। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেন বিরোধী দলনেতা। জানান, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কেবল অন্য কোনও মন্ত্রক বা দফতরে স্থানান্তরিত বা ‘বদলি’ করলেই পার পাওয়া যাবে না।
NEET প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলা আন্দোলনের সঙ্গে বিদেশি ফান্ডিং বা বিদেশি যোগ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের এবার সরাসরি উত্তর দিল বিদেশ মন্ত্রক।
এবার দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিট ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি যন্তর মন্তরে ধর্না দেবেন বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের নিন্দাও করেন।
সোনম ওয়াংচুক অনশন ভাঙার পরই 'সেটিং' তত্ত্ব সামনে এসেছে। এবার সেই বিষয়টা নিয়েই মুখ খুললেন তিনি। ঠিক কী বললেন? জেনে নেওয়া যাক।
এতদিন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি করে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে এবার তাদের ক্ষোভ ধীরে ধীরে পৌঁছে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকে। তেমনই ইঙ্গিত দিলেন দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।