Ahmedabad Gold Smuggling: গোপনাঙ্গে লুকনো ক্যাপসুল থেকে বের হল ৮৩ লাখ টাকার সোনা, এয়ারপোর্টে চেকিঙে পর্দাফাঁস

Ahmedabad Gold Smuggling: শুল্ক দফতর সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর ছিল যে দুবাই থেকে আসা একটি বিমানে সোনা পাচার হতে পারে। বিমানটি বন্দরে নামার পর যাত্রীদের ওপর কড়া নজর রাখছিলেন আধিকারিকরা। নির্দিষ্ট ওই মহিলা গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তাঁর আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়।

Advertisement
গোপনাঙ্গে লুকনো ক্যাপসুল থেকে বের হল ৮৩ লাখ টাকার সোনা, এয়ারপোর্টে চেকিঙে পর্দাফাঁসগোপনাঙ্গে লুকনো সোনা উদ্ধার

Ahmedabad Gold Smuggling: আকাশপথে সোনা পাচারের নিত্যনতুন ছক দেখে দুঁদে গোয়েন্দাদেরও চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়। এবার আমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়ল এক মহিলা পাচারকারী, যার শরীরের গোপন অঙ্গে লুকানো ছিল প্রায় ৮৩ লক্ষ টাকার সোনা। মঙ্গলবার দুবাই ফেরত ওই মহিলার হাঁটাচলার গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় শুল্ক দফতরের (Customs) আধিকারিকদের। এরপরই তাঁকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে হলদে ধাতুর ভাণ্ডার। ২০২৬-এর এই অত্যাধুনিক নজরদারির যুগেও পাচারকারীরা যে কতটা মরিয়া হয়ে উঠতে পারে, আমেদাবাদের এই ঘটনা তারই এক জলজ্যান্ত প্রমাণ।

শুল্ক দফতর সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর ছিল যে দুবাই থেকে আসা একটি বিমানে সোনা পাচার হতে পারে। বিমানটি বন্দরে নামার পর যাত্রীদের ওপর কড়া নজর রাখছিলেন আধিকারিকরা। নির্দিষ্ট ওই মহিলা গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তাঁর আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। মহিলাকে আলাদা ঘরে নিয়ে গিয়ে মহিলা পুলিশকর্মীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি শুরু হয়। মেটাল ডিটেক্টরে সংকেত মিলতেই নিশ্চিত হন আধিকারিকরা।

দীর্ঘ জেরার পর জানা যায়, ওই মহিলা অত্যন্ত সুকৌশলে তাঁর গোপন অঙ্গে সোনার পেস্ট বা ছোট ছোট ক্যাপসুল লুকিয়ে রেখেছিলেন। উদ্ধার হওয়া সোনার বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লক্ষ টাকা। পাচারের এই ‘নোংরা’ অথচ ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি দেখে অবাক দুঁদে শুল্ক কর্তারাও। ওই মহিলা আন্তর্জাতিক কোনও সোনা পাচারকারী চক্রের ‘কুরিয়ার’ হিসেবে কাজ করছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

ধৃত মহিলার পাসপোর্ট এবং ভ্রমণ নথি খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, গত কয়েকমাসে তিনি বেশ কয়েকবার বিদেশ সফর করেছেন। ফলে এটি তাঁর প্রথম অপারেশন নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। আমেদাবাদ থেকে শুরু করে মুম্বই বা কলকাতা, সব বড় বিমানবন্দরেই এখন সোনা পাচার রুখতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্ক্যানিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ধৃতকে আপাতত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং এর পিছনে বড় কোনও পান্ডার হাত আছে কি না, তা জানতে জেরা চালাচ্ছে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement