ট্রান্সজেন্ডার সেজে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে টাকা তোলার অভিযোগসিমলায় এক বাংলাদেশি যুবককে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। অভিযুক্ত যুবকের নাম ইসলাম মহম্মদ শহিদুল। আদতে তিনি বাংলাদেশের রাজশাহীর বাসিন্দা এবং ভারতে থেকে পড়াশোনা করছেন বলে দাবি। তিনি ট্রান্সজেন্ডার সেজে মন্দিরে গিয়ে ভক্তদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করছিলেন বলে অভিযোগ।
ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ব্যক্তি। অভিযোগে জানানো হয়েছে, গত ২৭ মার্চ অভিযুক্ত ব্যক্তি কালী বাড়ি মন্দির-সহ শহরের লোয়ার ও মিডল বাজার এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ও ভক্তদের আশীর্বাদ দেওয়ার নাম করে টাকা চাইছিলেন। পুলিশের কাছে অভিযোগকারী ব্যক্তি জানান, অভিযুক্ত শহিদুল নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশি মুসলিম হিসেবে দাবি করেছে।
ঘটনার তদন্ত করতে নেমে পুলিশ জানতে পারে, শহিদুল সিমলার APG ইউনিভার্সিটির BJMC পড়ুয়া। ২০২৪-২০২৮ সিজনের জন্য নাম রেজিস্টার রয়েছে তাঁর।
বর্তমানে তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তবে সূত্রের খবর জিজ্ঞাসাবাদে শহিদুল পুলিশকে জানান, তিনি ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের মানুষ। সেই কারণেই তিনি নিয়মিত মন্দিরে যান, বিশেষ করে নবরাত্রির মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কারও কাছ থেকে জোর করে টাকা নেননি, যারা দিয়েছেন, স্বেচ্ছায় দিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর পাসপোর্ট, স্টুডেন্ট ভিসা, স্টে ভিসা, ন্যাশনাল আইডি কার্ড, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি স্লিপ এবং শিক্ষাগত নথি- সব কিছুই বৈধ পাওয়া গিয়েছে। তবে কোনও আইন ভঙ্গ হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত এখনও চলছে।
যদিও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর এই ঘটনাকে গোয়েন্দা ব্যবস্থার ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, বিষয়টি আরও গুরুতর হতে পারে। সংবেদনশীল এলাকায় এভাবে যাতায়াত গ্রহণযোগ্য নয়।