Bengaluru IT Couple Tragedy: স্বামীর ঝুলন্ত দেহ, বহুতল থেকে ঝাঁপ স্ত্রীর, বেঙ্গালুরুতে আইটি দম্পতির চরম পরিণতি

Bengaluru IT Couple Tragedy: মঙ্গলবার সকালে অনেক ডাকাডাকির পরও ঘর না খোলায় সন্দেহ হয় পরিজনদের। এরপর ঘরের দরজা ভেঙে দেখা যায় সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে স্বামীর নিথর দেহ।

Advertisement
স্বামীর ঝুলন্ত দেহ, বহুতল থেকে ঝাঁপ স্ত্রীর, বেঙ্গালুরুতে আইটি দম্পতির চরম পরিণতিবেঙ্গালুরুতে দম্পতির মৃত্যু

Bengaluru IT Couple Tragedy: ঝকঝকে ক্যারিয়ার আর সাজানো সংসার, সবটাই যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল এক লহমায়। বেঙ্গালুরুর এক বিলাসবহুল বহুতল আবাসনে এক আইটি দম্পতির মর্মান্তিক মৃত্যুতে শিউরে উঠছে গোটা দেশ। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে বছর বত্রিশের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার স্বামী নিজের ফ্ল্যাটে আত্মঘাতী হন। এরপর স্বামীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে তা সহ্য করতে না পেরে ১৭ তলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ দিয়ে জীবন শেষ করেন তাঁর স্ত্রী। মঙ্গলবার ভোরের এই হাড়হিম করা ঘটনায় বেঙ্গালুরুর আইটি মহলে শোকের পাশাপাশি দানা বাঁধছে নানা রহস্য। ২০২৬-এর এই যান্ত্রিক যুগে সাফল্যের শিখরে থাকা এক দম্পতির এমন পরিণতির কারণ খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্বামী পেশায় একজন সিনিয়ির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রীও একটি নামী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে অনেক ডাকাডাকির পরও ঘর না খোলায় সন্দেহ হয় পরিজনদের। এরপর ঘরের দরজা ভেঙে দেখা যায় সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে স্বামীর নিথর দেহ। সেই দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বারান্দায় ছুটে যান স্ত্রী এবং ১৭ তলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার বীভৎসতা এতটাই ছিল যে, আবাসনের অন্যান্য আবাসিকরা আতঙ্কে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই জোড়া অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

পারিবারিক কোনও বিবাদ নাকি কর্মক্ষেত্রের মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ, কী কারণে এই ভয়াবহ সিদ্ধান্ত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও গোপনীয়তা বজায় রাখছে পুলিশ। তবে স্থানীয়দের দাবি, বাইরে থেকে এই দম্পতিকে যথেষ্ট সুখী মনে হতো। ২০২৬-এর এই সময়ে দাঁড়িয়ে আইটি কর্মীদের ক্রমবর্ধমান মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে আবারও বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। বেঙ্গালুরু পুলিশ ওই দম্পতির ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে শেষ কল বা মেসেজের সূত্র খোঁজার চেষ্টা করছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement