ছোটদের জন্য এআইবর্তমান যুগটা AI-এর। এখন আমাদের জীবনের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। আর এই বিষয়টা এখন জলের মতো পরিষ্কার ভারত সরকারের কাছে। সেই মতো ছোটদের AI শেখানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। ভিতটা ঠিকঠাক করে গড়ার চেষ্টা করছে তারা।
এমন পরিস্থিতিতে 'School Yuva AI for All' নামক একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমেই বাচ্চাদের ডিজিটাল বিশ্বের সঙ্গে পরিচিতি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই সকল শিশুদের ইন্ড্রাস্ট্রি রেডি করার চেষ্টা চলছে।
এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাচ্চাদের শুরু কোডিং শিখিয়ে কোনও লাভ নেই। বরং তাদের বোঝাতে হবে কীভাবে মেশিন কাজ করে। পাশাপাশি এআই-এরও পাঠ দিতে চাইছে সরকার। এভাবেই ভারতের আগামী প্রজন্মকে ছোট থেকে 'টেক স্যাভি' করে তুলতে চাইছে সরকার।
সবাই সুযোগ পাবে
এই বিষয়ে নতুন একটা স্টেপ নিয়েছে ভারত সরকার। ইতিমধ্যেই ইলেকট্রনিক্স এবং ইনফরমেশন টেকনোলজির পক্ষ থেকে একটি কোর্স সামনে আনা হয়েছে। এটির নাম, 'School Yuva AI for All'। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ছোটদের এআই-এর পাঠ দেওয়া হবে। তাদের ছোট ছোট কনসেপ্ট শেখান হবে। তাদের ছোট ছোট প্রোজেক্ট দেওয়া হবে। তাদের প্র্যাকটিক্যাল প্রোজেক্ট করান হবে। করানো হবে ইন্টারেক্টিভ সেশন। যার মাধ্যমে হাতে কলমে এআই শিখবে ছোটরা।
সরকারের মতে, এর মাধ্যমে ছোটরা শুধু গ্যাজেট ব্যবহার শিখবে না। বরং এআই-এর কাজ করার ধরন, মেশিন লার্নিং, ডেটা অ্যানালিসিস এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি মতো বিষয়গুলি শিখবে।
কেন স্কুলে এআই শেখা জরুরি?
এখন সবার জীবনে এআই। চাকরিতেও জরুরি এআই। তাই এই সময় এআই না শিখলে বড় বিপদ হতে পারে। পরে গিয়ে চাকরি নিয়ে হতে পারে সমস্যা। তাই এআই শেখাতে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে ভারতের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন তারা।
প্রচুর চাকরি যাচ্ছে...
মাথায় রাখতে হবে, চাকরি ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই সমস্যা তৈরি করেছে এআই। অনেকেরই চাকরি নিয়েছে এই নয়া প্রযুক্তি। তাই এখন থেকেই এআই নিয়ে সাবধান হতে হবে। নিজেকে তৈরি রাখতে হবে এআই-এর জন্য। পাশাপাশি ছোটদেরও শেখাতে হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। তাহলেই তাদের ভবিষ্যত থাকবে সুরক্ষিত। তারা এই টুল শিখেই বড় হবে। তারা ছোট থেকেই হয়ে যাবে ইন্ড্রাস্ট্রি রেডি।