
দিল্লি-এনসিআর-সহ গোটা উত্তর ভারতে ভূমিকম্প। যার জেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হলেও ঝাঁকুনির তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বহু মানুষ ঘরবাড়ি এবং অফিস থেকে তড়িঘড়ি বাইরে বেরিয়ে আসেন।
দিল্লি-এনসিআর, চণ্ডীগড়-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। একই সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের একাধিক এলাকায়ও ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে উধমপুর, পুঞ্চ এবং কাশ্মীর উপত্যকার মাটি কেঁপে ওঠে।
দিল্লির বহুতল ভবনে বসবাসকারী মানুষরাও কম্পন অনুভব করে তড়িঘড়ি কাজ ফেলে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। তাঁরা পার্ক, খোলা মাঠ এবং নিরাপদ স্থানে জড়ো হন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন, যেখানে আতঙ্কের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
যদিও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবুও প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে জরুরি পরিষেবাগুলিকেও সতর্ক রাখা হয়েছে।
অধিকারিকরা সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন এবং গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর প্রায়ই আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন হতে পারে, তাই কিছু সময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
এই প্রতিবেদনটি প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎস, মাত্রা এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং শীঘ্রই আরও আপডেট সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।