Hanuman Jayanti 2026 Date: এবছর হনুমান জয়ন্তী কবে? জেনে নিন কীভাবে পুজো করলে তুষ্ট হন বজরংবলী

Hanuman Jayanti 2026: সকল অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে প্রতিটি কাজে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবেন হনুমানজি। শক্তির প্রতীক হিসেবে তিনি পূজনীয়। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়।

Advertisement
এবছর হনুমান জয়ন্তী কবে? জেনে নিন কীভাবে পুজো করলে তুষ্ট হন বজরংবলী  হনুমান জয়ন্তী ২০২৬

হনুমানকে বিষ্ণুর অবতার রামের একনিষ্ঠ ভক্ত হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যিনি তার অদম্য ভক্তির জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত। সকল অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে প্রতিটি কাজে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবেন হনুমানজি। শক্তির প্রতীক হিসেবে তিনি পূজনীয়। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। বজরংবলি বা হনুমানজি ভক্তি ও শক্তির এক অপূর্ব প্রতীক। মনের ভক্তি, নিষ্ঠা ও ভালোবাসায় তিনি সহজেই সন্তুষ্ট হন। 

হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, এবছর এপ্রিল মাসের শুরুতেই হনুমান জয়ন্তী পালিত হবে। হনুমানের জন্মদিন হনুমান জয়ন্তী হিসাবে পালিত হয়। পুরাণ অনুসারে, হনুমানজিকে শ্রীরামের পরম ভক্ত হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক গল্প রয়েছে। হনুমান জয়ন্তী বা হনুমান জন্মোৎসব হল একটি হিন্দু উৎসব। হনুমান জয়ন্তী উদযাপন ভারতের প্রতিটি রাজ্যে সময় এবং ঐতিহ্য অনুসারে পরিবর্তিত হয়। হনুমান জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে বজরংবলী ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এদিন হনুমান চালিসা ও সুন্দরকাণ্ড পাঠ করার সময় পরিবারের জন্য মঙ্গল কামনা করা উচিত। 

পবনপুত্র হনুমান, সঞ্জীবনী বুটি এনে লক্ষ্মণের জীবন রক্ষা করেছিলেন। তাই তাকে লক্ষ্মণ প্রাণদাতাও বলা হয়। হনুমান জির বিশেষ মন্ত্র ও স্তব পাঠে উপকার পাওয়া যায়। এই উৎসবে হনুমানের ভক্তরা তাঁকে উদযাপন করেন এবং তার সুরক্ষা ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। অনেকে মন্দিরে গিয়ে হনুমানজির উপাসনা করেন এবং ধর্মীয় নৈবেদ্য প্রদান করে। আবার অনেকে বাড়িতেই উপাসনা করেন। 

হনুমান জয়ন্তীর দিনক্ষণ 

এবছর ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তী পালিত হবে। ১ এপ্রিল সকাল ৬.৩৪ থেকে ২ এপ্রিল সকাল ৬.৪৬ পর্যন্ত থাকবে পূর্ণিমা তিথি।  

সিঁদুর নিবেদন 

পবনপুত্রের বিশেষ আশীর্বাদ পেতে  হনুমান জয়ন্তীর দিন সিঁদুর নিবেদন করা হয়। যে সিঁদুর দেওয়া হয়, তা হতে হবে খাঁটি কমলা রঙের। তবে, যদি প্রতি মঙ্গলবার হনুমান জিকে সিঁদুর নিবেদন করা হয়, তাহলেও গ্রহের দোষ দূর হয়, দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা এবং ঋণ থেকে মুক্তি মেলে।

Advertisement

জুঁই তেল

অনেকেই বজরংবলিকে জুঁই তেল উৎসর্গ করেন। তবে সিঁদুর ছাড়া জুঁই তেল দেবেন না। আসলে জুঁই তেলের মধ্যে এক বিশেষ ধরনের সুগন্ধ থাকে এবং এটি ওষুধ হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। হনুমানজিকে জুঁই তেল নিবেদন করলে মন বিশেষভাবে একাগ্র হয় এবং দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়। জুঁই তেলের প্রদীপ জ্বালিয়ে শত্রুদের সৃষ্ট বাধা প্রশমিত হয়।

লাল পতাকা

হনুমানজির মন্দিরে লাল পতাকা উত্তোলন করা বিশেষ উপকারী। এই লাল পতাকাটি ত্রিভুজাকার হওয়া উচিত এবং এতে রাম লেখা উচিত। হনুমান জয়ন্তীতে, হনুমানজির মন্দিরে পতাকা অর্পণ করলে সম্পত্তির সুবিধা পাওয়া যায় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সেই সমস্যার সমাধান হয়। 

তুলসী পাতা

হনুমানজিকে তুলসী পাতা নিবেদন করা একটি বিশেষ আচার। আপনি যে কোনও কিছু দিতে পারেন ভোগে। লাড্ডু, মিষ্টি বা ছাপ্পান্ন ভোগ, যাই হোক না কেন বজরংবলি শুধু তুলসী পাতাতেই সন্তুষ্ট হন। হনুমান জয়ন্তীর দিন হনুমানজিকে তুলসী পাতার মালা অর্পণ করলে জীবনে সর্বদা সমৃদ্ধি থাকবে। অর্পণ করা সেই তুলসী পাতা খেলে আপনার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement