House Vastu Tips: ভাঁড়ার উপচে পড়বে সোনায়-দানায়, সিন্দুকে রাখুন এই কয়েকটি জিনিস, ফিরবে শ্রী

House Vastu Tips: শুধু টাকা-পয়সা রাখলেই হলো না, সিন্দুক বা লকারের ভেতরে কয়েকটি বিশেষ উপাচার রাখলে তা চুম্বকের মতো সমৃদ্ধিকে আকর্ষণ করে। শাস্ত্র মতে, বুদ্ধি আর সিদ্ধি যেখানে থাকে, সেখানেই শ্রী বৃদ্ধি পায়। তাই সিন্দুক সাজানোর প্রথম ধাপ হলো একটি গোটা পুজো করা সুপারি>

Advertisement
ভাঁড়ার উপচে পড়বে সোনায়-দানায়, সিন্দুকে রাখুন এই কয়েকটি জিনিস, ফিরবে শ্রীসিন্দুকে রাখুন এই ৫ টি জিনিস, লক্ষ্মীর কৃপায় অর্থ আসবে

লক্ষ্মী চঞ্চলা, তাই তাঁকে ধরে রাখা দায়। কিন্তু গৃহস্থের সিন্দুক যদি হয় বাস্তুসম্মত, তবে মা লক্ষ্মী সেখানে স্থায়ী নিবাস গড়েন বলেই বিশ্বাস। শুধু টাকা-পয়সা রাখলেই হলো না, সিন্দুক বা লকারের ভেতরে কয়েকটি বিশেষ উপাচার রাখলে তা চুম্বকের মতো সমৃদ্ধিকে আকর্ষণ করে। শাস্ত্র মতে, বুদ্ধি আর সিদ্ধি যেখানে থাকে, সেখানেই শ্রী বৃদ্ধি পায়। তাই সিন্দুক সাজানোর প্রথম ধাপ হলো একটি গোটা পুজো করা সুপারি। সিঁদুর-চন্দন মাখিয়ে সেই সুপারিকে গণেশ জ্ঞানে সিন্দুকে রাখলে অর্থের অভাব হয় না।

শুক্রবার দিনটি মা লক্ষ্মীর আরাধনার জন্য প্রশস্ত। এদিন একটি হলুদ কাপড়ে পাঁচটি কড়ি, অল্প কেশর ও একটি রুপোর কয়েন পুটলি করে বেঁধে সিন্দুকে রাখুন। এর সঙ্গে সামান্য গোটা হলুদ রাখতে ভুলবেন না। দেখবেন, কিছুদিনের মধ্যেই আপনার সঞ্চয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি, লকারে বা ক্যাশ বাক্সে ১০ টাকার নোটের একটি আস্ত বান্ডিল রাখার অভ্যাস করুন। এর সঙ্গে কিছু পিতল বা তামার কয়েন রাখলে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। তবে ভুলেও অ্যালুমিনিয়াম বা দস্তার কয়েন রাখবেন না।

আর্থিক বাধা কাটাতে অশ্বত্থ পাতার টোটকা বেশ কার্যকরী। একটি পরিষ্কার অশ্বত্থ পাতায় ঘি মেশানো লাল সিঁদুর দিয়ে ‘ওম’ লিখুন। পরপর পাঁচটি শনিবার এই প্রক্রিয়াটি করুন এবং পাতাগুলি সিন্দুকে জমিয়ে রাখুন। এতে গ্রহের ফের যেমন কাটে, তেমনই শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। আবার পুষ্যা নক্ষত্রের পুণ্য তিথিতে সন্ধ্যাবেলায় কড়ি ও পুরনো রুপোর কয়েন কেশর দিয়ে পুজো করে সিন্দুকে রাখলে লকার কখনও খালি হয় না।

তন্ত্রশাস্ত্রে দক্ষিণাবর্তী শঙ্খের মহিমা অপরিসীম। বলা হয়, যে গৃহের সিন্দুকে বা ঠাকুরঘরে এই বিশেষ শঙ্খ থাকে, মা লক্ষ্মী স্বয়ং সেই গৃহের দিকে আকর্ষিত হন। এমনকি সাধারণ মানুষকেও রাজার মতো ঐশ্বর্য দেওয়ার ক্ষমতা রাখে এই পবিত্র শঙ্খ। এছাড়া লাল চন্দন দিয়ে ভূর্জপত্রে ‘শ্রী’ লিখে যদি সিন্দুকে রাখা যায়, তবে উপার্জনের নতুন নতুন পথ খুলে যায়। ময়ূরের পালক দিয়ে এই লেখাটি লিখলে শুভ ফল মেলে দ্রুত।

Advertisement

প্রকৃতির বুকেও লুকিয়ে আছে সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। বহেড়া গাছের শিকড় বা পাতা রবি-পুষ্যা নক্ষত্রের দিন জোগাড় করে লাল কাপড়ে বেঁধে ভাণ্ডার ঘরে রাখুন। এর ফলে যেমন শ্রীবৃদ্ধি ঘটে, তেমনই গৃহে অশুভ শক্তির প্রবেশ রুদ্ধ হয়। শঙ্খপুষ্পীর শিকড়ও একইভাবে রুপোর পাত্রে ভরে লকারে রাখা যায়। তবে মনে রাখবেন, প্রতিবার গুরু-পুষ্যা নক্ষত্রের যোগ এলে পুরনো শিকড়টি জলে ভাসিয়ে দিয়ে নতুন করে তা প্রতিষ্ঠা করতে হয়।

সবশেষে বলা প্রয়োজন ঐশ্বর্য বৃদ্ধি বা ধনদা যন্ত্রের কথা। বিধি মেনে এই যন্ত্র পুজো করে যদি টাকা রাখার জায়গায় রাখা যায়, তবে সিন্দুক কখনও শূন্য হয় না। এই ছোট ছোট ঘরোয়া উপাচারগুলি বিশ্বাসের সঙ্গে পালন করলে আপনার ঘরে সর্বদা দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থাকবে। মনে রাখবেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আর ভক্তিই হলো মা লক্ষ্মীকে ঘরে বাঁধার শ্রেষ্ঠ উপায়।

 

POST A COMMENT
Advertisement