প্রাচীন আগ্নেয়শিলার বিষ্ণু মূর্তিকে শিব রূপে পূজো করেন গ্রামবাসীরা। সারা শ্রাবণমাস শিবের চরণে যেমন পূজো হয়, পাশাপাশি চৈত্র সংক্রান্তিতে পূজো করেন সন্ন্যাসীরা। কথিত আছে মাটির তলা থেকে স্বপ্নাদেশ পেয়ে রানাঘাট অনুলিয়া রায়বাড়ির জমিদার এই মূর্তি উদ্ধার করেছিলেন। তবে লাঙ্গলের ফালাতে বিষ্ণু মূর্তির নাকে আঘাত লেগে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এই মূর্তি কোনদিনই মন্দিরে রাখা হয়নি একটি বটগাছের নীচে তিনি অধিষ্ঠিত। কারণ জমিদার স্বপ্নাদেশে জানতে পারেন মূর্তিটি কোনো মন্দিরে রাখা যাবে না, সেই সময় থেকে এই বিষ্ণু মূর্তি বট গাছের নিচেই রয়েছেন। গ্রামের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গৃহদেবতা হিসাবে পূজো করা হয় এই মূর্তির। আজও ঝড়, বৃষ্টি, রোদের মধ্যে বট গাছের নিচে তিনি অধিষ্ঠিত। গ্রামের মানুষের মনোবাঞ্চা পূরণ করা থেকে আপদে বিপদে তিনিই রক্ষাকর্তা।