কুখ্যাত অনলাইন মার্কেটের তালিকায় Snapdeal, নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগ

২০১৮–র নভেম্বরে করা একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, স্ন্যাপডিলের ৩৭ শতাংশ ক্রেতা নকল জিনিস পাঠানোর অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়াও, ২০১৯–এর জুলাইয়ে নকল জিনিস বিক্রির জন্য ভারতে ফৌজদারি মামলা হয়েছিল স্ন্যাপডিলের প্রতিষ্ঠাতাদের বিরুদ্ধে।

Advertisement
কুখ্যাত অনলাইন মার্কেটের তালিকায় Snapdeal, নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগস্ন্যাপডিল
হাইলাইটস
  • নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগ উঠল স্ন্যাপডিলের বিরুদ্ধে
  • প্রথমবার কোনও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এধরনের নকল জিনিস বিক্রির অভিযোগ উঠল
  • যদিও সংস্থার তরফে বলা হয়েছে সঠিক তথ্য না নিয়েই এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে

আমেরিকায় নকল পণ্য বিক্রির অভিযোগ উঠল ভারতের বৃহত্তম ই–কমার্স প্ল্যাটফর্ম স্ন্যাপডিলের বিরুদ্ধে। ‘‌নকল পণ্যের কুখ্যাত বাজার পুনঃমূল্যায়ন, ২০২০’‌–তে স্ন্যাপডিল সহ ভারতের মোট চারটি বাজারকে এর তালিকাভুক্ত করল ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ বা ইউএসটিআর–এর অফিস  (UTSR)। নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগ উঠল এই অনলাইন সংস্থার বিরুদ্ধে৷ 

প্রথমবার কোনও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এধরনের নকল জিনিস বিক্রির অভিযোগ উঠল। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসটিআর–এর পুনঃমূল্যায়ন রিপোর্টে উল্লেখ, ২০১৮–র নভেম্বরে করা একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, স্ন্যাপডিলের ৩৭ শতাংশ ক্রেতা নকল জিনিস পাঠানোর অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়াও, ২০১৯–এর জুলাইয়ে নকল জিনিস বিক্রির জন্য ভারতে ফৌজদারি মামলা হয়েছিল স্ন্যাপডিলের প্রতিষ্ঠাতাদের বিরুদ্ধে।

এধরনের বাজারে নকল ঘড়ি, পোশাক, প্রসাধনী, বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি, সফ্‌টওয়্যার এমনকি পাইকারি জিনিসপত্রও বিক্রি হচ্ছে যা রীতিমতো উচ্চ গুণমানের।নকল প্রসাধনী মানুষের ত্বকের পক্ষে মারাত্মক হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টে। এমনকি এই বাজারগুলি থেকে ভারতের অন্যান্য বাজারেও নকল পণ্য সরবরাহ হয়ে থাকে নিয়মিত।

যদিও সংস্থার তরফে বলা হয়েছে সঠিক তথ্য না নিয়েই এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। যদিও রিপোর্টের তরফে বলা হয়েছে স্ন্যাপডিলের নিজেরই তথ্য ভুল রয়েছে।

POST A COMMENT
Advertisement