Narendra Modi আগামী ৯ জুন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তৃতীয় মোদী সরকার গঠনে র তোড়জোড় শেষ পর্যায়ে। শপথগ্রহণের আগে দফায় বৈঠক চলেছে NDA শরিকদের। সংসদের সেন্ট্রাল হলে এনডিএ শরিকদের বৈঠকে সর্বসম্মত ভাবে নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হল। মূলত ফোকাসে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) ও চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। জেডিইউ ও টিডিপি সহ জোটের শরিকদের কোন কোন মন্ত্রক দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে বিজেপি-তে। অন্যদিকে INDIA জোটেও একাধিক বৈঠক চলছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মিটিং করেছেন সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের সঙ্গে। সব মিলিয়ে দিল্লিতে জোর তত্পরতা। প্রতি মুহূর্তের আপডেট পেতে ক্লিক করুন bangla.aajtak.in।
নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'এনডিএ সরকারকে তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। আমি এই সুযোগের জন্য দেশকে ধন্যবাদ জানাই। আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছি যে ১৮ তম লোকসভার ৫ বছরের মেয়াদেও আমরা একই গতি এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করব।
'রাষ্ট্রপতি আমায় ডেকেছিলেন। আপাতত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। রাষ্ট্রপতিজিকে বলেছি, ৯ জুন সন্ধ্যায় শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান হলে ভালো হয়'। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে এসে বললেন নরেন্দ্র মোদী।
এনডিএ সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরে বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদী রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করলেন। সন্ধ্যা ৬টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেন মোদী। তাঁকে জগন্নাথের ছবি দিয়ে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। আগামী ৯ জুন নবগঠিত সরকারের শপথ গ্রহণের কথা। এনডিএ বৈঠকে তৃতীয়বারের মতো সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ও জোটের সব নেতারা।
রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের দাবি করলেন নরেন্দ্র মোদী। রাষ্ট্রপতির কাছে সমর্থনপত্র দেওয়ার পর মোদী জানান, তাঁরা সরকার গড়ছেন। এটা এনডিএ সরকারের জয়। এই নিয়ে তৃতীয়বার এনডিএ সরকার গড়তে চলেছে। তাঁরা আগেও ১০ বছর সরকার চালিয়েছেন। তাই সরকার চালানো তাঁদের পক্ষে সহজ হবে।
NDA জোটের বৈঠকে সর্বসম্মত ভাবে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। সংসদ ভবন থেকে বেরিয়েই মোদী গেলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীর বাড়িতে।
#WATCH | PM Narendra Modi meets Bharat Ratna and veteran BJP leader LK Advani at the latter's residence in Delhi. pic.twitter.com/fZtIlOj5yw
— ANI (@ANI) June 7, 2024
রাষ্ট্রপতির দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানাল এনডিএ। আজ এনডিএ-র সংসদীয় দলের নেতা মনোনীত হন নরেন্দ্র মোদী। রবিবার তিনি তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।
আমাদের একসঙ্গে মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করতে হবে। আর যা সমর্থন দিয়েছেন, আমি কৃতজ্ঞ। আপনাদের আশা-আকঙ্খা পূরণ করার জন্য় কোনও চেষ্টায় কসুর রাখব না। আমার জন্য জন্ম শুধুই ওয়ান লাইফ ওয়ান মিশন। আর সেটা হল আমার ভারত মা। এটা ১৪০ কোটি ভারতীয় স্বপ্ন পূরণ করার জন্য় ক্লান্ত হওয়া। হাজার বছরের সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়া। গোটা পৃথিবী দেখুক যে এই মানুষটা ভারতীয়। দেশকে সেই উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।
নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'আজকাল সকলেই সরকার চেষ্টার তৈরির করছে। মন্ত্রীত্ব পদ দিয়ে দিচ্ছে। এরকম মিধ্যাচার করার লোকের অভাব নেই। সব সাংসদের কাছে আবেদন, এরকম ষড়যন্ত্রে পা দেবেন না। এসব গুজব থেকে দূরে থাকুন।ব্রেকিং নিউজের ভিত্তিতে দেশ চলে না। '
বিরোধীদের আক্রমণ করে মোদী বললেন, কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউপিএ, নাম বদল করে নতুন করে এসেছে। কিন্তু দেশ ওদের দুর্নীতি ভোলেনি। তাই আবার দেশ ওদের বিরোধী আসনে বসিয়ে দিয়েছে। এনডিএ বিকশিত ভারতের সঙ্কল্প নিয়ে নির্বাচনে নেমেছিল। কিন্তু বিরোধীরা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে গিয়েছে। ভোটের জন্য জোট ঘোষণা করে দিয়েছে। অথচ কত রাজ্যে বিরোধী হিসেবে নিজেরাই লড়ছে। একে অপরের পেটে ছুরি মারছে। আমি অনেক আগেই বলেছিলাম, ৪ জুনের পর থেকে এরা বিক্ষিপ্ত হবে। শুরুও হয়ে গিয়েছে। এদের চরিত্র হল, গদি পেলে একসঙ্গে আছি। না হলে নেই।
নরেন্দ্র মোদীর কথায়, বিরোধীদের ২০২৪ সালের লোকসভা রেজাল্ট বলছে, এই ফল এনডিএ-র মহাবিজয়। এমন একটা ভাব করছে বিরোধীরা, যেন আমরা হেরে গিয়েছে। আসলে নিজেদের দলের কর্মীদের উত্সাহ দিতে এই সব কাল্পনিক কথাবার্তা বলা শুরু করছে। ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী জোটের সরকার। দেশবাসী জানে, আমরা হারিনি। আমাদের সংস্কার হল, বিজয়ের আনন্দে পরাজিত লোকেদের উপহাস করি না। বিজয়কে উন্মাদের মতো সেলিব্রেট করি না। আগেও এনডিএ ছিল, আজ এনডিএ, কালও এনডিএ হবে। কংগ্রেস ১০০ আসনও ছুঁতে পারেনি। ২০১৪, ১৯ ও ২৪-এর কংগ্রেসের প্রাপ্ত মোট আসনের চেয়ে বেশি বিজেপি এই বছর আসন পেয়েছে। কংগ্রেস তেজ গতিতে গর্তে ঢুকে যাচ্ছে। কংগ্রেস এমন লোক, যারা নিজেদের দলের প্রধানমন্ত্রীকেও সম্মান করেনি। গণতন্ত্র আমাদের সবাইকে সম্মান করতে শেখায়। তাই বিরোধী জয়ী সাংসদদেরও আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গত ১০ বছরে সংসদে বিতর্ক মিস করেছি। বিরোধীরা আমাদের বিরোধী হতে পারেন, কিন্তু রাষ্ট্রের বিরোধী তো নয়।
মোদী বললেন, সংসদে যে কোনও দলের যে কোনও জনপ্রতিনিধি, আমার কাছে সবাই সমান। আমাদের সরকারের কাছে সবাই সমান। কেউ আপন-পর নয়। সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলি আমরা। আমরা যেভাবে সবাই মিলে তৃণমূলস্তরে যে কাজ করেছি, তার জেরেই আজ আমরা অর্গ্যানিক অ্যালায়েন্স হয়েছি। যেখাবে কম, সেখানেই আমরা। কোথাও তারপরেও কমতি থাকবে, সেখানে আমি নিজে কাজে নামব। দক্ষিণ ভারতে এনডিএ এক নতুন রাজনীতিকে মজবুত করেছে। কর্নাটক ও তেলঙ্গানার মানুষও এনডিএ-কে নির্বাচন করেছে। আমি তামিলনাড়ুর টিমকেও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আজ তামিলনাড়ুতে হয়তো সিট জিতিনি, কিন্তু যেভাবে এনডিএ-র ভোট শেয়ার বেড়েছে, তা সাফ জানান দিচ্ছে, আগামিকাল কী লেখা আছে। আজ প্রথমবার কেরলে আমাদের প্রতিনিধি সংসদে। যা অতীতে ভাবাই যেত না। অরুণাচলে আমাদের লাগাতার সরকার তৈরি হয়েছে। সিকিমেও আমাদের এনডিএ সরকার। মহাপ্রভু জগন্নাথ, আমি যখন জগন্নাথ মনে করি, বুঝি ইনি গরিবের দেবতা। ওড়িশায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, আমি নিশ্চিত করে বলছি, আগামী ২৫ বছরে মহাপ্রভু জগন্নাথের কৃপায় ওড়িশা দেশের গ্রোথ ইঞ্জিনের অংশীদার হবে। ৪ জুন যখন রেজাল্ট বেরচ্ছিল, তখন আমি ভাবছিলাম, ইভিএম ঠিক আছে নাকি মরে গেছে। কারণ এই বিরোধীরা লাগাতার ইভিএম-কে গালি দিয়েছে। ৪ জুন যখন রেজাল্ট বেরল, তখন ওরা চুপ। এটাই ভারতের শক্তি, নির্বাচন কমিশনের শক্তি। আমি ভোটের সময় প্রথমবার দেখলাম, নির্বাচন কমিশনের কাজে বাধা দিতে বিরোধীরা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাচ্ছে। কীভাবে বাধা দেওয়া যায়, তার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে। ইন্ডি জোটের নেতারা যখন ইভিএম-এর যে বিরোধিতা করে, আমি এটাকে ভাবি, এঁরা সবাই অনেক পিছিয়ে আছে। এরা প্রগতি, আধুনিকতা ও প্রযুক্তির বিরোধী। এটাও দেশের জন্য চিন্তার বিষয়, বিশ্বের সামনে ভারতের গণতন্ত্রকে ছোট করার চেষ্টা করছে এই ইন্ডি জোট। এটি একটি ষড়যন্ত্র।
মোদীর কথায়, ভোটের আগে গঠিত জোট ভারতের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এত সফল অতীতে হয়নি, যা এনডিএ করে দেখাল। এই জোটের শক্তিতেই আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। সরকার চালানোর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকারি। কিন্তু দেশ চালানোর জন্য সহমত ও সবার পরামর্শ জরুরি। আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলছি, একসময় ছিল আমিও সংগঠনের কার্যকর্তা হিসেবে এই জোটের অংশ ছিলাম। আজ সংসদে বসে আপনাদারে সঙ্গে কাজ করছি। অনেক দশকের সম্পর্ক এনডিএ-র সঙ্গে আমার। দেশের সবচেয়ে সফল জোট। আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, এই জোট আজ চতুর্থ বার সরকার গড়ায় প্রবেশ করতে চলেছে। মুক্তমনে যদি ভাবেন, দেখুন, এনডিএ-র সরকার চালানোয় কিছু নির্দিষ্ট দলের মর্জিতে চলে না, এই জোটের মন হল, রাষ্ট্র প্রথম। NDA-এর যাদের দেখবেন, কমন বিষয় হল, গুড গভর্ন্যান্স। চন্দ্রবাবু নাইডু অন্ধ্রপ্রদেশ ও নীতীশজি বিহারের ভরপুর সেবা করেছেন।
এই মুহূর্ত আমার কাছে ভীষণ আবেগঘন। আপনাদের যত ধন্যবাদ দেব, ততই কম পড়বে। এই মহান গণতন্ত্রের শক্তি দেখুন, এনডিএ আজ দেশে ২২টি রাজ্যে সরকার গড়ার সুযোগ পেয়েছে। আমাদের জোট আক্ষরিক অর্থেই ভারতের আত্মার প্রতিবিম্ব। আমাদের দেশে ১০টি এমন রাজ্য আছে, যেখানে আমাদের আদিবাসী বন্ধুদের সংখ্যা বেশি। নির্ণায়ক। সেই ১০ রাজ্যের মধ্যে ৭ রাজ্যে এনডিএ সরকার।
নরেন্দ্র মোদী বললেন, যারা বিজয়ী হয়ে এসেছেন, তাঁরা অভিনন্দনের অধিকারী। এছাড়া দলের লাখ লাখ কার্যকর্তা এই ভয়াবহ গরমে যেভাবে পরিশ্রম করেছে, আজ তাঁদের সবাইকে নতমস্তকে প্রণাম করছি। আমার সৌভাগ্য, এনডিএ-র নেতা হিসেবে আপনারা সবাই সর্বসম্মতিতে আমায় নতুন দায়িত্ব দিলেন।
জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার বললেন, 'আমাদের পার্টি নরেন্দ্র মোদীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন জানাচ্ছি। ১০ বছর ধরে ইনি প্রধানমন্ত্রী। আবার প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। আমার ভরসা, যা কিছু বাকি আজ আছে, সেই সব কাজ সমাপ্ত করবেন। আমরা সর্বদা নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আছি। আমি জানি, যারা এবারে কিছু কিছু জিতেছে, তারা আগামীবার হেরে যাবে। এত ভাল কাজ করুন, যাতে পরের বার ওরা হেরে যায়। বিহারের সব কাজও হয়ে যাবে। যা কিছু বাকি আছে। আমরা সবাই আপনার সঙ্গে আছি। কেউ যদি এদিক ওদিক করতে চায়, তাতে কিছু লাভ হবে না।'
টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নাইডু বললেন, নরেন্দ্র মোদীজি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আমরা এনডিএ একটি পরিবার। আমাদের অন্ধ্রপ্রদেশে নির্বাচনে সভা করেছেন নরেন্দ্র মোদীজি, অমিত শাহজি, রাজনাথ সিং। সবাইকে আমার ধন্যবাদ। মানুষের মধ্যে বিশ্বাস বেড়েছে এনডিএ-র উপর। আমি অনেক সরকার দেখেছি। নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে সেই ক্ষমতা আছে, তা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ভারত আজ ঠিক সময়ে ঠিক নেতা পাচ্ছে। ভারতের জন্য বিরাট সুযোগ। এই সুযোগ আজ আমরা মিস করলে, বিরাট ক্ষতি। বিশ্বের সব দেশের বৃদ্ধির হার ২ থেক ৩ শতাংশ। ভারতের বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি। আমি গর্বের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর অনুমোদন দিচ্ছি।
নীতীন গড়করি বললেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর নামই আমি প্রস্তাব করছি। গত ১০ বছরে ওঁর নেতৃত্বে কাজের সৌভাগ্য আমাদের হয়েছে। আমার বিশ্বাস, শুধু দেশেই নয়, গোটা বিশ্বকে উনি কাজের মাধ্যমে প্রভাবিত করেছেন। আগামী ৫ বছরে বিশ্বের একটি মহান শক্তি হবে ভারত। রাজনাথজির প্রস্তাবে আমি অনুমোদন দিচ্ছি।
অমিত শাহ বললেন, নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব শুধু আমাদের এনডিএ জোটের প্রস্তাব নয়। দেশের ১৪০ কোটি ভারতীয়ের মনের ইচ্ছে। দেশের সব জায়গা থেকেই আওয়াজ এসেছে, আগামী ৫ বছর দেশের নেতৃত্ব দিন মোদীজি। ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদীজি যে কাজ করেছেন, তা ওঁর নেতৃত্বে বিজেপি ও এনডিএ করেছে। দেশের জনগণ সেই উন্নয়নের কাজে শিলমোহর দিয়েছে। আজ স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ৬০ বছর পর লাগাতার ৩ বার কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। তিনি নরেন্দ্র মোদী।
রাজনাথ সিং বললেন, সবচেয়ে প্রথমে লোকসভার সব সদস্যকে আমার শুভেচ্ছা। আমি মনে করি, মোদীজি সবচেয়ে যোগ্য। আমি মন্ত্রিমণ্ডলে ওঁর সদস্য হিসেবে আমি ওঁর যোগ্যতা প্রত্যক্ষ করেছি। গোটা দেশবাসীও দেখেছে। এনডিএ সরকার ১০ বছরে ভারতের যে সেবা করেছে, তা গোটা দুনিয়া প্রশংসা করেছে। আমাদের সৌভাগ্য তৃতীয়বার এনডিএ সরকার হতে চলেছে। ১৯৬২-এর পর কোনও রাজনেতা লাগাতার তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। আমি যতদূর জানি, গণতান্ত্রিক দেশে এই রকম সুযোগ আর কেউ পায়নি। আমাদের এনডিএ জোট পেল। মোদীজির মতো একজন দায়িত্বশীল প্রধানমন্ত্রীকে আমরা আবার পাচ্ছি। ভারতকে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। গত ১০ বছরে ভারতের উন্নয়নে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। গোটা বিশ্ব এখন ভরসা করে ভারতের উপর। ভারত এখন বিশ্বকেও নেতৃত্ব দিতে পারে। আমি মনে করি, এই বিকাশের গতিকে আরও গতিশীল করতে মোদীজির চেয়ে ভাল নাম আর কিছু নেই। আমি প্রধানমন্ত্রী পদে মাননীয় নরেন্দ্র মোদীর নামের প্রস্তাব রাখছি।