দলের আহত কর্মীকে দেখতে হাসপাতালে শম্পা ধাঁড়া। আহত হয়েছেন তিনিও। চলছে চিকিৎসা (ডানদিকে)তৃণমূল প্রার্থী আক্রান্ত হলেন বর্ধমানে। শনিবার রাতে এমনই অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগের তির বিজেপির বিরুদ্ধে। তারা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
পুলিশ ৫ ব্যক্তিকে আটক করেছে। জানা গিয়েছে, তারা বিজেপির কর্মী। শম্পা ধাঁড়া ওই ঘটনার কথা ফেসবুকে লিখেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, তিনি ও তাঁর দলের কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, রায়না বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী শম্পা ধাঁড়া প্রচার করার সময় আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা হামলা চালায় প্রার্থীর প্রচারে। শনিবার রায়নার দেনো গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শম্পা প্রচারে গিয়েছিলেন।
সেই সময়ে তাঁর প্রচার মিছিলের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। প্রার্থী শম্পা ধাড়ার অভিযোগ, এদিন রায়না-২ নম্বর ব্লকের বড়বৈনানের দেনো গ্রামে তিনি দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে হেঁটে বাড়ি বাড়ি প্রচারে যান।
ওই সময় একদল মদ্যপ যুবক তাদের মিছিলের সামনে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শুরু করে। তাঁরা প্রতিবাদ করলে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। কুড়ুল,লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। তির-ধনুক ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন শম্পা। ওই ঘটনায় তৃণমূল প্রার্থীও জখম হন।
আরও অভিযোগ, মিছিলে ইঁট-পাটকেল ছোড়া হয়। কোনও ক্রমে রক্ষা পান শম্পা ধাঁড়া। এছাড়াও ধারালো অস্ত্রের কোপ মারা হয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে। তাঁদের মাথায়, হাতে আঘাত লাগে।
আহতদের প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ও পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। শম্পা ধাঁড়ার দাবি, ঘটনায় ৬ জন তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক জখম হয়।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে পদ্ম-শিবির। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল রায়ের দাবি, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে গণ্ডগোল হয়। এদিকে, পুলিশ ঘটনায় ৫ জন বিজেপি কর্মীকে আটক করেছে বলে খবর।