Rabindra Sadan Metro: বিকল এসকেলেটর, রবীন্দ্রসদন মেট্রো স্টেশনে যাত্রী ভোগান্তি চরমে 

জানা গিয়েছে, তুলনায় নতুন এসক্যালেটর বছরে একবার ‘পিরিয়ডিক ওভারহলিং’-এর জন্য খোলা হয়। কিন্তু পুরনো এসক্যালেটরগুলির ক্ষেত্রে বছরে দু’বার, অর্থাৎ প্রতি ছ’মাস অন্তর এই কাজ করতে হয়। একটি এসক্যালেটর সম্পূর্ণ খুলে পরিষ্কার ও মেরামত করতে গড়ে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে।

Advertisement
বিকল এসকেলেটর, রবীন্দ্রসদন মেট্রো স্টেশনে যাত্রী ভোগান্তি চরমে কলকাতা মেট্রো।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • কলকাতার ব্যস্ততম মেট্রো স্টেশনগুলির অন্যতম রবীন্দ্রসদন মেট্রো স্টেশন-এ গত তিন দিন ধরে একটি চলমান সিঁড়ি বিকল।
  • এখনও তা সারানো না হওয়ায় নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

কলকাতার ব্যস্ততম মেট্রো স্টেশনগুলির অন্যতম রবীন্দ্রসদন মেট্রো স্টেশন-এ গত তিন দিন ধরে একটি চলমান সিঁড়ি বিকল। এখনও তা সারানো না হওয়ায় নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে একদিকের এসক্যালেটর বন্ধ থাকায় যাত্রীদের সিঁড়ি ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা বয়স্ক ও অসুস্থদের জন্য আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, এত ব্যস্ত একটি স্টেশনে এসক্যালেটর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিদিন এই স্টেশন ব্যবহার করা প্রবাল গুহ বলেন, ‘আমি উচ্চ রক্তচাপের রোগী। এভাবে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হচ্ছে। খুব কষ্ট হচ্ছে। কাজ চলছে ঠিকই, কিন্তু গতি খুবই ধীর। আর কত দিন এভাবে চলবে, জানি না।’

মেট্রো সূত্রে খবর, শুধু রবীন্দ্রসদন নয়, শহরের আরও বেশ কিছু স্টেশনের একাধিক এসক্যালেটরের অবস্থাও নড়বড়ে। পুরনো এসক্যালেটরগুলির ক্ষেত্রে ঘনঘন রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন পড়ছে। ফলে যাত্রীচাপের সময় আচমকা বিকল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।

জানা গিয়েছে, তুলনায় নতুন এসক্যালেটর বছরে একবার ‘পিরিয়ডিক ওভারহলিং’-এর জন্য খোলা হয়। কিন্তু পুরনো এসক্যালেটরগুলির ক্ষেত্রে বছরে দু’বার, অর্থাৎ প্রতি ছ’মাস অন্তর এই কাজ করতে হয়। একটি এসক্যালেটর সম্পূর্ণ খুলে পরিষ্কার ও মেরামত করতে গড়ে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে।

ভূগর্ভস্থ স্টেশনগুলিতে এসক্যালেটরের ব্যবহার বেশি হওয়ায় সেখানে ক্ষয়ক্ষতিও দ্রুত হয়। সেই কারণে এই স্টেশনগুলিতে রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনও বেশি। তবে প্রশ্ন উঠছে, এত পুরনো এসক্যালেটর এখনও কেন ব্যবহার করা হচ্ছে?

মেট্রোর একাংশের কর্মীদের মতে, মেরামতির কাজ দেরি হওয়ার পিছনে সরকারি প্রক্রিয়াই বড় কারণ। নির্দিষ্ট টেন্ডার পদ্ধতিতে একাধিক স্টেশনের দায়িত্ব একসঙ্গে একটি সংস্থাকে দেওয়া হয়। ফলে অনেক সময় যে সংস্থা এসক্যালেটর তৈরি করেছে, মেরামতির দায়িত্ব পায় অন্য সংস্থা। এতে আসল যন্ত্রাংশ জোগাড়ে সমস্যা তৈরি হয় এবং কাজ বিলম্বিত হয়।

তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষের অন্য একটি অংশের দাবি, যন্ত্রাংশ নয়, বরং কম খরচে দক্ষ সংস্থা নির্বাচন করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। সব মিলিয়ে, রক্ষণাবেক্ষণের এই জটিল প্রক্রিয়ার জেরেই যাত্রীদের ভোগান্তি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement