West Bengal Election 2026 All-Party Meeting: শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর দাবি বাম-বিজেপির, কলকাতায় সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির সব পক্ষই

West Bengal Election 2026 All-Party Meeting:  সোমবার কলকাতার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের (CEO) দফতরে আয়োজিত হলো এক গুরুত্বপূর্ণ সর্বদলীয় বৈঠক। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর এটাই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক যেখানে রাজ্যের যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা এক টেবিলে মুখোমুখি হলেন।

Advertisement
শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর দাবি বাম-বিজেপির, কলকাতায় সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির সব পক্ষই শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর দাবি বাম-বিজেপির, কলকাতায় সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির সব পক্ষই

West Bengal Election 2026 All-Party Meeting: গত কাল বিকেলে দিল্লির বিজ্ঞান ভবন থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আর তার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ, সোমবার কলকাতার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের (CEO) দফতরে আয়োজিত হলো এক গুরুত্বপূর্ণ সর্বদলীয় বৈঠক। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর এটাই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক যেখানে রাজ্যের যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা এক টেবিলে মুখোমুখি হলেন। কমিশনের লক্ষ্য, আসন্ন দুই দফার নির্বাচনকে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবের মেজাজে সম্পন্ন করা।

এদিনের বৈঠকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন শশী পাঁজা। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল বিজেপির হয়ে বৈঠকে যোগ দেন তাপস রায় এবং সঞ্জয় সিং। বাম শিবিরের হয়ে উপস্থিত ছিলেন কল্লোল মজুমদার ও পলাশ দাস। জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে অংশ নেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে মূলত আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct) এবং ভোট প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল, এই দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। গণনা সম্পন্ন হবে ৪ মে। আজ বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে প্রচারের সময়সীমা, সব ক্ষেত্রেই কমিশনের গাইডলাইন অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার এবং উস্কানিমূলক বার্তার ওপর কড়া নজরদারি চালানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কমিশন।

বিজেপি ও বামফ্রন্ট নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এদিনের বৈঠকে স্পর্শকাতর বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। অন্য দিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে ভোট প্রচারের ক্ষেত্রে লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মূলত প্রথম দফার ১৫২টি এবং দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব মাথায় রেখেই এদিনের আলোচনায় সুর বেঁধে দেয় কমিশন

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement