জামরুলগরমকালে নানা ধরণের ফল পাওয়া যায়। আম, জাম, কাঁঠালের পাশাপাশি জামরুলও দারুণ উপকারি একটা ফল। গরমে আমাদের শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে জল বেরিয়ে যায়। ফলে যে সমস্ত ফলে প্রচুর জল থাকে সে সমস্ত ফল খাওয়া জরুরী। তাতে শরীরে জলের ঘাটতি দূর হয়। জামরুল ঠিক এ রকমই একটা ফল। এই ফলের ৯৩ শতাংশই জল। ঘণ্টাকৃতির জামরুল সাদা, লাল দুই রকমই হয়। যে কোনও রঙের জামরুলই উপকারী।
ক্যালরি কম
জামরুলে ক্যালরি কম থাকে। ক্যালরি কম এমন খাবার খাওয়াই এখন ট্রেন্ড। রোগা হওয়ার জন্য যাঁরা চেষ্টা করছেন, তাঁদের জন্য এই ফল আদর্শ। কারণ, এতে ক্যালোরির মাত্রা বেশ কম। ১০০ গ্রাম জামরুলে মেলে মাত্র ৬০-৬২ কিলোক্যালোরি, ২২.৩ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি। এত রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং পটাশিয়াম। ফলে থাকা ফাইবার খাবার পরিপাকে সহায়ক।
শরীরে প্রচুর জলের জোগান দেয়
জামরুলে প্রচুর জল থাকে যা গরমকালে আমাদের শরীরের জলের ঘাটতি মেটায়। শুধু তাই নয়, জল পর্যাপ্ত থাকায় আমাদের শরীরের হজমক্রিয়াও সঠিক সময়ে হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রেও এই ফল আমাদের দারুণ সাহায্য করে। পাশাপাশি ক্যালরিও কম থাকায় এটা খেলে মোটা হওয়ার সমস্যা থাকে না।
গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম
যে খাবার খেলে রক্তে দ্রুক শর্করার মাত্রা বাড়ে না, সেগুলি গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের নীচের দিকে থাকে। জামরুলের জিআই কম, ফলে এই ফল অনায়াসে ডায়াবেটিক এবং প্রি-ডায়াবেটিকেরাও খেতে পারেন।
রোগ প্রতিরোধ
ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, দুই-ই মেলে এতে। এই ফলের রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা যথেষ্ট। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকেও শরীরকে বাঁচায় জামরুল।
জামরুল আপনি সরাসরিও খেয়ে নিতে পারেন। তবে অবশ্যই ভাল করে জল দিয়ে তা ধুয়ে নিতে হবে। তবে জামরুলের স্বাদ বৃদ্ধি করতে চাইলে তা কেটে নুন, গুঁড়োলঙ্কা দিয়ে মাখিয়ে নিতে পারেন। যোগ করতে পারেন অল্প কাসুন্দিও।