Samsaptak Yog: সংসপ্তক যোগে ঘনিয়ে আসছে অমঙ্গল, তিন রাশির জাতকদের সাবধানে থাকতে হবে

Samsaptak Yog: জ্যোতিষ মতে, শনি হলো কর্মফল দাতা এবং ন্যায়বিচারের প্রতীক, আর চন্দ্র মানুষের মনের কারক। এই দুই গ্রহ যখন বিরুদ্ধ অবস্থানে আসে, তখন মানুষের মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে।

Advertisement
সংসপ্তক যোগে ঘনিয়ে আসছে অমঙ্গল, তিন রাশির জাতকদের সাবধানে থাকতে হবে

Samsaptak Yog: গ্রহ-নক্ষত্রের চলন আর সময়ের চাকা, এই দুইয়ের অদ্ভুত মেলবন্ধনেই নির্ধারিত হয় মানুষের ভাগ্য। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার বলছে, আগামী এপ্রিল মাসে মহাকাশে এক বিশেষ জ্যোতিষীয় ঘটনা ঘটতে চলেছে। কুম্ভ রাশিতে অবস্থানরত শনি এবং সিংহ রাশিতে চন্দ্রের অবস্থানের ফলে তৈরি হতে চলেছে ‘সংসপ্তক যোগ’। জ্যোতিষ শাস্ত্রের গণনা অনুযায়ী, এই দুই গ্রহ যখন একে অপরের সপ্তম রাশিতে অবস্থান করে, তখন তাকে ‘বিষ যোগ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই অশুভ যোগের জেরে আগামী মাসে বেশ কয়েকটি রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে অভাবনীয় সমস্যার পাহাড় তৈরি হতে পারে।

জ্যোতিষ মতে, শনি হলো কর্মফল দাতা এবং ন্যায়বিচারের প্রতীক, আর চন্দ্র মানুষের মনের কারক। এই দুই গ্রহ যখন বিরুদ্ধ অবস্থানে আসে, তখন মানুষের মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে। বিষ যোগের প্রভাবে কাজের ক্ষেত্রে অযথা দেরি, মানসিক অবসাদ এবং পারিবারিক অশান্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। ২০২৬-এর এই উত্তাল সময়ে দাঁড়িয়ে গ্রহের এই ফেরে বহু মানুষের পরিকল্পিত কাজ ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের জন্য এই সময়টি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এই বিশেষ গ্রহযোগের সবথেকে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে মেষ, সিংহ এবং তুলা রাশির জাতকদের ওপর।

মেষ রাশি
মেষ রাশির ক্ষেত্রে এই সময়টি আর্থিক ক্ষতির এক বড় ঝুঁকি নিয়ে আসতে পারে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে পস্তাতে হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার প্রবল যোগ রয়েছে।

সিংহ রাশি
সিংহ রাশির জাতকদের জন্য এই বিষ যোগ যেন এক অগ্নিপরীক্ষা। সিংহ রাশিতেই চন্দ্রের অবস্থান হওয়ায় এই রাশির জাতকদের মানসিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছাতে পারে।

তুলা রাশি
তুলা রাশির ক্ষেত্রে এই যোগটি কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক অবস্থানে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তুলা রাশির জাতকরা এই সময়ে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে পারেন বা পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের সম্মুখীন হতে পারেন।

Advertisement

প্রতিকার
এই অশুভ প্রভাব কাটাতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বেশ কিছু বিশেষ উপায়ের কথা বলা হয়েছে। প্রতিদিন শিবের আরাধনা এবং ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ মন্ত্র জপ করলে বিষ যোগের তীব্রতা অনেকটাই প্রশমিত হয়। শনিবার নীল পোশাক পরিহার করা এবং অসহায় মানুষকে দান-ধ্যান করা উপকারী বলে মনে করা হয়। এছাড়া হনুমান চালিশা পাঠ করলে মনের ভয় দূর হয় এবং শনির কুনজর থেকে রেহাই পাওয়া যায়। ২০২৬-এর এই আধুনিক যুগে দাঁড়িয়েও বহু মানুষ মহাজাগতিক ইশারার ওপর ভরসা রাখেন। এপ্রিলের শুরুতে এই গ্রহের অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে প্রতিটি ড্রয়িং রুমে।

 

POST A COMMENT
Advertisement