প্রতীকী ছবি বাস্তুশাস্ত্রে ঘরের প্রতিটি ছোট-বড় বস্তুর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। মনে করা হয় যে, ঘরে বস্তুসমূহের সঠিক দিক ও বিন্যাস ইতিবাচক শক্তি প্রবাহে সহায়তা করে। অন্যদিকে ভুল স্থানে কিছু রাখলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একইভাবে, বাস্তুশাস্ত্রে ফুলের টব ও গাছপালার একটি বিশেষ স্থান রয়েছে; এগুলি কেবল ঘরের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং জীবনের সুখ, শান্তি এবং শক্তির ওপরও প্রভাব বিস্তার করে।
ফুলের টব কি খালি রাখা উচিত?
বাস্তু মতে, ঘরের সাজসজ্জায় টব বা পাত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত মানুষ এগুলিতে মানি প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট কিংবা বিভিন্ন ধরণের ফুলের গাছ রোপণ করেন। তবে, আপনার কাছে যদি কোনও খালি টব থাকে এবং বর্তমানে তাতে কোনও গাছ লাগানো সম্ভব না হয়, তবে সেটিকে ঘরের উত্তর বা উত্তর-পূর্ব কোণে স্থাপন করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, টবে সর্বদা কোনও গাছ রোপণ করে রাখাই সর্বোত্তম। যদি গাছ লাগানো সম্ভব না হয়, তবে টবটি মাটি কিংবা ছোট ছোট নুড়িপাথর দিয়ে পূর্ণ করে রাখুন। টব খালি না রাখতে এতে কিছু সাজসজ্জার সামগ্রীও রাখতে পারেন। খালি টব ঘরের এমন কোনও স্থানে রাখা উচিত, যে স্থানটি তুলনামূলকভাবে কম ব্যবহৃত হয়।
রাহু দোষের নিবারণ
বাস্তুশাস্ত্র মতে, যদি কোনও ব্যক্তি তাঁর জন্মছকে রাহু সংক্রান্ত কোনও সমস্যার সম্মুখীন হন, তবে তিনি ঘরের দক্ষিণ দিকে একটি খালি ফুলের টব স্থাপন করে সেটিকে সাত ধরণের শুকনো শস্য বা দানাশস্য দিয়ে পূর্ণ করে রাখতে পারেন। এই প্রতিকারটি মানসিক চাপ এবং অহেতুক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি প্রদানে সহায়তা করতে পারে। অধিকন্তু, এই প্রতিকারটি রাহুর অশুভ প্রভাব হ্রাস করে এবং ধীরে ধীরে ব্যক্তির জীবনে ইতিবাচকতা বয়ে আনে। এর ফলে স্বাস্থ্যেরও উন্নতি পরিলক্ষিত হতে পারে।
(Disclaimer: এখানে দেওয়া তথ্য সাধারণ অনুমান এবং তথ্যের উপর ভিত্তি করে। আজতক বাংলা এটি নিশ্চিত করে না।)