ফাইল ছবিযারা ভাড়াবাড়িতে থাকেন, ছাত্রছাত্রী বা কাজের সূত্রে প্রায়ই এক শহর থেকে অন্য শহরে যেতে হয়, তাঁদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এখন আর স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ না থাকলেও সহজেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় উদ্যোগে ইন্ডিয়ান অয়েল এবং ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো তেল সংস্থাগুলি ৫ কেজির ছোট এলপিজি সিলিন্ডার বাজারে এনেছে। এই সিলিন্ডারগুলি ‘ইন্ডেন ছোটু’ ও ‘ভারত গ্যাস মিনি’ নামে পরিচিত।
সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এই সিলিন্ডার নিতে কোনও ঠিকানার প্রমাণপত্র জমা দিতে হয় না। আধার কার্ড, ভোটার আইডি, প্যান কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো যেকোনও বৈধ পরিচয়পত্র থাকলেই সহজে এটি পাওয়া যাবে।
এই ছোট সিলিন্ডারগুলি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে তাঁদের জন্য, যাঁদের গ্যাসের ব্যবহার কম বা যাঁরা অস্থায়ীভাবে কোথাও থাকেন। আকারে ছোট ও ওজনে হালকা হওয়ায় এগুলি বহন করাও খুব সহজ। ফলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়াও ঝামেলাহীন।
কেনার প্রক্রিয়াটিও অত্যন্ত সহজ। নিকটবর্তী গ্যাস এজেন্সি বা অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে গিয়ে মূল্য জমা দিলেই দ্রুত সিলিন্ডার হাতে পাওয়া যায়, অনেক ক্ষেত্রেই মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই। কোনও জটিল কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় না। রিফিলের ব্যবস্থাও রয়েছে সারা দেশের বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে। তবে একটি সামান্য টাকা জমা রাখতে হয়, যা সিলিন্ডার ফেরত দিলে ফেরত পাওয়া যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকের দ্রুতগতির জীবনে এই ধরনের পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা নিয়মিত শহর পরিবর্তন করেন বা অস্থায়ীভাবে থাকেন, তাঁদের জন্য এটি একটি কার্যকর ও ঝামেলাহীন সমাধান।
তেল সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, দেশে এলপিজি সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। কোনও গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র অনুমোদিত এজেন্সি বা অফিসিয়াল অ্যাপের মাধ্যমেই গ্যাস সিলিন্ডার নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ঠিকানার প্রমাণপত্র ছাড়াই ৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়ার এই উদ্যোগ লক্ষ লক্ষ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে। এখন আর দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ঝামেলা নেই, সহজেই, দ্রুত গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।