কম দামের নতুন ইলেকট্রিক স্কুটার আনার পরিকল্পনা করছে সংস্থা। ইলেকট্রিক টু-হুইলারের বাজারে বড় চমক আনতে চলেছে Ather Energy। কম দামের নতুন ইলেকট্রিক স্কুটার আনার পরিকল্পনা করছে সংস্থা। নতুন প্ল্যাটফর্মের উপর তৈরি। বর্তমানে ভারতে ইলেকট্রিক স্কুটারের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই কিনতে পারছেন না। সেই জায়গাতেই ফোকাস করছে Ather। সংস্থার লক্ষ্য, আরও বেশি মানুষের নাগালের মধ্যে ইলেকট্রিক স্কুটার পৌঁছে দেওয়া। জানা গিয়েছে, নতুন এই স্কুটার তৈরি হবে একটি একেবারে নতুন প্ল্যাটফর্মের উপর। এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘EL’। এটি মূলত কম খরচে স্কুটার তৈরি করার জন্য ডিজ়াইন করা হয়েছে। ফলে দাম কমলেও পারফরম্যান্স ও গুণগত মান বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে।
Ather-এর বর্তমান মডেলগুলি তুলনামূলকভাবে প্রিমিয়াম সেগমেন্টে পড়ে। যেমন Ather 450 সিরিজ়। কিন্তু নতুন স্কুটারটি হবে এন্ট্রি-লেভেল সেগমেন্টে। অর্থাৎ যাঁরা প্রথমবার ইলেকট্রিক স্কুটার কিনতে চান, তাঁদের লক্ষ্য করেই এই পরিকল্পনা।
সংস্থার তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, এই নতুন স্কুটারের দাম বর্তমান মডেলের তুলনায় অনেকটাই কম হতে পারে। ফলে ১ লক্ষ টাকার(electric scooter under 1 lakh Malda) আশপাশেই দাম হতে পারে(এক্স-শোরুম)। যদিও নির্দিষ্ট দাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
পারফরম্যান্স
পারফরম্যান্সের দিক থেকেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা হতে পারে। ব্যাটারি প্যাক ছোট হতে পারে, যাতে খরচ কমে। তবে শহরের দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত রেঞ্জ দেওয়ার দিকেই জোর দেওয়া হবে। বিশেষ করে কলকাতার মতো শহরে অফিস যাওয়া-আসা বা ছোটখাটো কাজে এই স্কুটার ব্যবহার করা সহজ হবে।
কস্ট কাটিংয়ের কৌশল
এছাড়াও, নতুন স্কুটারে কিছু স্মার্ট ফিচার থাকলেও তা সীমিত রাখা হতে পারে। কারণ অতিরিক্ত ফিচার বাড়ালে দামও বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজনীয় ফিচার রেখে বাকি অংশে খরচ কমানোর কৌশল নিয়েছে সংস্থা।
ভারতের ইলেকট্রিক টু-হুইলার বাজারে ইতিমধ্যেই Ola, TVS, Bajaj-এর মতো সংস্থাগুলি প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এই পরিস্থিতিতে Ather-এর এই পদক্ষেপ বাজারে প্রতিযোগিতা আরও বাড়াবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক বছরে ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজার আরও বড় হবে। সরকারের ভর্তুকি, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সচেতনতার কারণে মানুষ ধীরে ধীরে ইলেকট্রিক যানবাহনের দিকে ঝুঁকছেন। এই সুযোগ কাজে লাগাতেই কম দামের স্কুটার আনছে Ather।
সব মিলিয়ে, নতুন এই স্কুটার বাজারে এলে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য বড় স্বস্তি হতে পারে। কম খরচে, কম রক্ষণাবেক্ষণে এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াত, এই তিনের মিশেলে নতুন অপশন হতে পারে এই স্কুটার।