পঞ্জাবের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পঞ্জাবের জলন্ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন আম আদমি পার্টির নেতা। বৃহস্পতিবার এক গুরুদ্বারের সামনে ঘটনাটি ঘটে। পঞ্জাবের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। মৃত নেতার নাম লাকি ওবেরয়। তিনি মডেল টাউনের একটি গুরুদ্বারে গিয়েছিলেন। সেই সময় স্কুটিতে করে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, তাঁর শরীরে অন্তত পাঁচটি গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
#WATCH | Punjab | One Lucky Oberoi shot at by armed assailants near a gurudwara in Jalandhar this morning, confirms Police. pic.twitter.com/I5p63bTo7I
— ANI (@ANI) February 6, 2026
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জলন্ধরে রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। দ্রুত গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। ফরেনসিক টিমকেও ডাকা হয়। তদন্তকারীরা আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে দুষ্কৃতীদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছেন। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দু'জন সন্দেহভাজন ছিল বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তাদের মধ্যে একজনই সম্ভবত গুলি চালায়। তবে এখনও এই খুনের পিছনে নির্দিষ্ট কোনও শত্রুতা ছিল তা জানা যায়নি।
লাকি ওবেরয়ের স্ত্রী অতীতে পুরসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলে তিনি ক্যান্ট এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক AAP নেত্রীর ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত ছিলেন। ফলে এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ক্রমেই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ।
শিরোমণি অকালি দলের নেতা সুখবীর সিং বাদল এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। পঞ্জাবের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে অপরাধের মাত্রা বেড়ে চলেছে। সাধারণ মানুষ তো বটেই, শাসক দলের নেতারাও নিরাপদ নন। তাঁর অভিযোগ, জানুয়ারিতেই রাজ্যে একাধিক খুনের ঘটনা ঘটেছে।