Malda Chanchal Political Violence 2026: চাঁচলে তৃণমূলের মারে রক্তাক্ত কংগ্রেস নেতা, এলাকায় উত্তেজনা

Malda Chanchal Political Violence 2026: ঘটনার খবর চাউর হতেই রাতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আনজারুল হক এবং চাঁচল বিধানসভার হেভিওয়েট কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহেবুব-সহ একঝাঁক নেতা-কর্মী।

Advertisement
চাঁচলে তৃণমূলের মারে রক্তাক্ত কংগ্রেস নেতা, এলাকায় উত্তেজনাচাঁচলে তৃণমূলের মারে রক্তাক্ত কংগ্রেস নেতা, এলাকায় উত্তেজনা

Malda Chanchal Political Violence 2026: ভোটের দামামা বাজতেই উত্তর মালদহের রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। এবার শাসক-বিরোধী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল চাঁচল থানার শাহবাজপুর গ্রাম। সোমবার রাতে কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা নাশেদা খাতুনের স্বামী তথা এলাকার দাপুটে কংগ্রেস নেতা মর্তুজ আলমের ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। লোহার রড ও পাঞ্জার আঘাতে গুরুতর জখম মর্তুজ বর্তমানে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ২০২৬-এর এই হাইভোল্টেজ নির্বাচনে মালদহের প্রতিটি বুথে যখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে, ঠিক তখনই এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ জেলার আইনশৃঙ্খলার ওপর বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন বসিয়ে দিল।

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ৯টা নাগাদ মর্তুজ আলমকে কার্যত ফুঁসলিয়ে তাঁর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, আগে থেকেই ওত পেতে থাকা স্থানীয় তৃণমূল কর্মী রাজেশ ও মিরাজ-সহ একদল যুবক তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। রডের ঘায়ে মর্তুজের মাথা ফেটে যায় এবং চোখেও মারাত্মক চোট লাগে। আক্রান্ত নেতার স্ত্রী নাশেদা খাতুনের দাবি, এলাকায় কংগ্রেসের শক্তি বৃদ্ধিতে ভীত হয়েই তৃণমূল এই পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে।

ঘটনার খবর চাউর হতেই রাতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আনজারুল হক এবং চাঁচল বিধানসভার হেভিওয়েট কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহেবুব-সহ একঝাঁক নেতা-কর্মী। কংগ্রেসের সাফ দাবি, পুলিশের মদতেই তৃণমূলের ‘গুন্ডাবাহিনী’ এই হামলা চালিয়েছে। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফ র করা না হলে মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আসিফ মেহেবুব। চৈত্র শেষের এই গরমে কংগ্রেসের এই প্রতিবাদী সুর চাঁচলের রাজনৈতিক আবহে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তৃণমূলের সাফাই: অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এটিএম রফিকুল হোসেনের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও দূরতম সম্পর্ক নেই। তাঁর পাল্টা দাবি, এটি সম্পূর্ণভাবে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এলাকায় প্রাধান্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠী নিজেদের মধ্যে মারপিট করেছে এবং এখন দায় এড়াতে তৃণমূলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চাঁচল থানার পুলিশ, যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement