মাছ নিয়ে মিছিল জিতেন্দ্র তিওয়ারির, মনোনয়নের আগে করলেন 'মৎস্য পুজোও'

মাছ বিতর্কে বঙ্গ রাজনীতিতে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এরই মধ্যে 'মৎস্য পুজো' করলেন এক বিজেপি প্রার্থী। মাছের পুজো করে, মাছ সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারি। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি বলেন, "বাংলার সংস্কৃতিকে সমুন্নত রাখতে পেরে আমি গর্বিত।" বুধবার দুর্গাপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
মাছ নিয়ে মিছিল জিতেন্দ্র তিওয়ারির, মনোনয়নের আগে করলেন 'মৎস্য পুজোও'মাছ নিয়ে মনোনয়ম জমা দিতে গেলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি

মাছ বিতর্কে বঙ্গ রাজনীতিতে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এরই মধ্যে 'মৎস্য পুজো' করলেন এক বিজেপি প্রার্থী। মাছের পুজো করে, মাছ সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারি। মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি বলেন, "বাংলার সংস্কৃতিকে সমুন্নত রাখতে পেরে আমি গর্বিত।" বুধবার দুর্গাপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন তিনি।

মনোনয়নপত্র দাখিল করার আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। মাছ নিয়ে মিছিল করে মনোনয়ম দেন, কারণ মাছ বাঙালিদের সংস্কৃতিতে শুভ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

ভোর থেকেই বিপুল সংখ্যক সমর্থক ও কর্মী ছোট মাছে ভরা ঝুড়ি নিয়ে মিছিলে যোগ দেন। কপালে চন্দন ও ফুল মেখে তিনি সমর্থকদের সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় পর্যন্ত হেঁটে যান। তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেন।

বিরোধীদের লক্ষ্য করে তিওয়ারি বলেন, "কেউ যদি এটাকে নাটক বলে, তাহলে এই 'নাটক' নিয়ে আমি গর্বিত। বাংলার সংস্কৃতির প্রচার যদি নাটক হয়, তাহলে আমি তা গর্বের সঙ্গেই করছি।"

তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি দলই নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী অনুষ্ঠান আয়োজন করে। তিনি বলেন, "তাদের সম্পদ বেশি, তারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে লোক আনতে পারে, তারা খাবার ও পানীয়ের ব্যবস্থা করতে পারে। আমি আমার সাধ্যমতো করছি।"

২০০-র বেশি আসন পাওয়ার দাবিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, তারা চাইলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার আসনও তাদের তালিকায় যোগ করতে পারে।

পাণ্ডবেশ্বরের জনগণের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, "এখানকার মানুষের প্রজ্ঞার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। পাণ্ডবেশ্বরের মানুষ অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং তারা তাদের অঞ্চলের সর্বোত্তম স্বার্থে সঠিক সিদ্ধান্তই নেবেন।"

উল্লেখ্য, বাঙালি সংস্কৃতিতে মাছকে শুভ বলে মনে করা হয়। যেকোনও নতুন বা গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের শুরুতে এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এই ঐতিহ্য অনুসরণ করে তাঁর মনোনয়নে একটি সাংস্কৃতিক ছোঁয়া দিতে চেয়েছিলেন।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement