Missile Strike In Iran: ইরান কি মুছে যাবে? এ তো ভয়াবহ হামলা শুরু করে দিল আমেরিকা!

ইরানে হামলা শুরু করে দিল আমেরিকা? তেল কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে পরপর মিসাইল স্ট্রাইক। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই কি হামলা শুরু হয়ে গেল তেহরানে? প্রস্তুতি নিচ্ছে তারাও। ইতিমধ্যেই শিশুদেরও বন্দুক হাতে নামানো হচ্ছে পথে।

Advertisement
ইরান কি মুছে যাবে? এ তো ভয়াবহ হামলা শুরু করে দিল আমেরিকা!ইরান যুদ্ধ
হাইলাইটস
  • ইরানে হামলা শুরু করে দিল আমেরিকা?
  • ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই কি হামলা?
  • ইতিমধ্যেই শিশুদেরও যুদ্ধে নামাচ্ছে ইরান

ইরানে হামলা চালানো শুরু করে দিল আমেরিকা? ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার একদিন পরই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে হামলার খবর এল। মঙ্গলবার ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এই মিসাইল স্ট্রাইকের খবর নিশ্চিত করেছে।

এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া হরমুজ প্রণালী খোলার সময়সীমা শেষ হতে আরও বেশ কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইরান আশঙ্কা করছে, আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ইতিমধ্যেই মার্কিন-ইজরায়েলি হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হলেও তেহরান পিছু হটতে রাজি নয়। এতে স্থলযুদ্ধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

রান নজিরবিহীনভাবে সামরিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি অনুযায়ী, সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। মাত্র ৫ দিনের মধ্যে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। 

ইরানের আধাসামরিক বাহিনী রেভলিউশনারি গার্ডের অধীনে বাসিজি বাহিনী এখন ১২ বছর বয়সী শিশুদেরও দলে নিচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামেনস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই পদক্ষেপকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কিছু শিশুকে অস্ত্রও দেওয়া হচ্ছে।

তেহরানে গার্ডস-এর এক কর্তা রহিম নাদালি জানান, 'ফর ইরান' নামে একটি উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের টহল, চেকপোস্ট ও লজিস্টিকসের কাজে যুক্ত করা হচ্ছে। বয়স কমে যাওয়ায় এবং অংশগ্রহণের আগ্রহ বাড়ায় ন্যূনতম বয়স ১২-তে নামানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। 

রান সরকার দেশের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে রক্ষা করতে মানব প্রাচীর গঠনের আহ্বান জানিয়েছে। যুব, শিল্পী ও ক্রীড়াবিদদের নিয়ে 'ইরানস ইউথ হিউম্যান চেন ফর অ্যা ব্রাইট ফিউচার' নামে একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের কথা জানিয়ে উপমন্ত্রী আলিরেজা রহিমি বলেন, 'আমরা হাত ধরাধরি করে দাঁড়াব, যাতে বোঝানো যায়, এই হামলা যুদ্ধাপরাধ।'

 

POST A COMMENT
Advertisement