Donald Trump: ইজরায়েলের ট্র্যাপে পড়ে ট্রাম্প ফেঁসে গিয়েছেন! হরমুজ সঙ্কট আরও জটিল, এবার কী হবে?

ইরান যুদ্ধের ৫ সপ্তাহ। অপারেশন ফিউরি চালাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এমন পরিস্থিতিতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সূত্রে খবর, এই অভিযান দ্রুত শেষ করতে চাইছেন ট্রাম্প। এমনকী হরমুজ প্রণালীর অনেকটা অংশ বন্ধ থাকলেও সামরিক অভিযান বন্ধ করতে চাইছে আমেরিকা বলে দাবি করেছেন এক শীর্ষ আধিকারিক।

Advertisement
ইজরায়েলের ট্র্যাপে পড়ে ট্রাম্প ফেঁসে গিয়েছেন! হরমুজ সঙ্কট আরও জটিল, এবার কী হবে?ডোনাল্ড ট্রাম্প
হাইলাইটস
  • অপারেশন ফিউরি চালাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • এই অভিযান দ্রুত শেষ করতে চাইছেন ট্রাম্প। এমনকী হরমুজ প্রণালীর অনেকটা অংশ বন্ধ থাকলেও সামরিক অভিযান বন্ধ করতে চাইছে আমেরিকা বলে দাবি করেছেন এক
  • হরমুজ প্রণালীর অনেকটা অংশ বন্ধ থাকলেও সামরিক অভিযান বন্ধ করতে চাইছে আমেরিকা বলে দাবি করেছেন এক শীর্ষ আধিকারিক

ইরান যুদ্ধের ৫ সপ্তাহ। অপারেশন ফিউরি চালাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এমন পরিস্থিতিতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সূত্রে খবর, এই অভিযান দ্রুত শেষ করতে চাইছেন ট্রাম্প। এমনকী হরমুজ প্রণালীর অনেকটা অংশ বন্ধ থাকলেও সামরিক অভিযান বন্ধ করতে চাইছে আমেরিকা বলে দাবি করেছেন এক শীর্ষ আধিকারিক।

এই সংবাদপত্রকে সেই শীর্ষ আধিকারিক জানান, হরমুজ খুলতে গেলে অনেক জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে পারে আমেরিকা। যার ফলে যুদ্ধ অনেক দিন গড়িয়ে যেতে পারে। আর সেটাই চাইছেন না ট্রাম্প। 

এই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিলে হরমুজের উপর তেহরানের কর্তৃত্ব আরও মজবুত হবে। এমন পরিস্থিতিতে পরবর্তী সময় আবার হরমুজ খোলার কথা ভাবা যেতে পারে। তবে তেমনটা এখনই ভাবা হচ্ছে না।

তবে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার জন্য ট্রাম্পের যেই কথা সামনে আসছে, তার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনার বড় সামরিক মোতায়েনের অঙ্ক মিলবে না। কারণ, সপ্তাহান্তে ইউএসএস ট্রিপোলি এবং ২,৫০০-এরও বেশি নৌসেনা সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। ট্রাম্প আরও ১০,০০০ স্থলসেনা পাঠানোর কথাও ভাবছেন। এর মাধ্যমে তিনি ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নেওয়ার জন্য একটি জটিল সামরিক মিশনের বিষয়টিও বিবেচনা করছেন। আর এমন পরিস্থিতিতে আবার দ্রুত যুদ্ধ থামানোর প্রসঙ্গ সামনে এল। 

মূল প্ল্যানেই থাকতে চাইছেন ট্রাম্প
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প ও তাঁর উপদেষ্টারা মূল্যায়ন করেছেন, হরমুজের মতো সংকীর্ণ নৌপথটি জোর করে খুলতে গেলে সংঘাত চার থেকে ছয় সপ্তাহের সময়সীমার পেরিয়ে যেতে পারে। এমনটাই রিপোর্টটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাই ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে আমেরিকার হওয়া উচিত ফাইনাল স্ট্র্যাটেজিতে মনোযোগ দেওয়া। তারা ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে চায়। তারপর সংঘাত কমিয়ে এনে তেহরানের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে চায় আমেরিকা। এই কৌশলেই হরমুজের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য পুনরুদ্ধার করতে বাধ্য করা হবে ইরানকে। কিন্তু এই প্ল্যান যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে ইউরোপ ও গালফ অঞ্চলের মিত্রদের এই নৌপথ আবার খুলে দেওয়ার নেতৃত্ব গ্রহণ করতে উৎসাহিত করবে ওয়াশিংটন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এমনটাই জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।

Advertisement

ওয়াশিংটনের এই অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়েও। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য নয়। 

এই বিষয়ে সেই দেশের বিদেশ মন্ত্রী মার্কো রুবিও আল জাজিরাকে বলেছেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ হলেই হরমুজ প্রণালী যেভাবেই হোক খুলে যাবে।'

রুবিও আরও বলেন, 'এটি খোলা থাকবে। হয় ইরান আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলবে এবং এই বাণিজ্যিক জলপথ অবরোধ করবে না।' আর তেমনটা না হলে বিশ্বের একাধিক দেশের জোট এটি খুলে দেবে। সেই জোটে আমেরিকা থাকবে।

POST A COMMENT
Advertisement