আফরিন শিল্পী প্রতীক উর রহমান দল ছেড়ে তৃণমূলে যাওয়ার পূর্বে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, CPIM দলে লবিবাজি হয়! স্পষ্ট ইঙ্গিত করেছিলেন রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের দিকে। CPIM-এ দ্রুত উত্থান হওয়া আফরিন শিল্পীও কি এমনই কোনও লবিতে রয়েছেন? bangla.aajtak.in-এ এই নিয়ে মুখ খুললে CPIM-এর বালিগঞ্জের প্রার্থী।
দ্রুত গতিতে উত্থানের নেপথ্যে কী?
আফরিন শিল্পী সম্প্রতি চর্চায় আসেন নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে মহম্মদ সেলিমের পাশে। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে বামেদের এই তরুণ তুর্কীকে নিয়ে বিস্তর আলোচনা শুরু হতে না হতেই তাঁকে বালিগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে টিকিট দেয় বামেরা। এত দ্রুত গতিতে উত্থানের নেপথ্য কাহিনিটা ঠিক কেমন? আফরিন শিল্পী বলেন, 'আমি ছাত্রাবস্থায় SFI করতাম। তারপর পার্টির নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ি। দল আমায় যখন যেমন কাজ দিয়েছে, আমি করার চেষ্টা করেছি। এখন আমাকে আরও বড় দায়িত্ব দিয়েছে। মানুষের কাজ করার সুযোগ দিয়েছে দল।'
কোন লবিতে আফরিন?
প্রতীক উর রহমান দাবি করেছিলেন, CPIM-এর অন্দরে লবি রয়েছে। বিরুদ্ধে কথা বললেই কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আফরিন এমন কোনও লবি থেকে উঠে এসেছেন কি না, প্রশ্ন করতেই সটান জবাব, 'একজন তৃণমূলে চলে যেতে চেয়েছে। বিক্রি হয়ে যেতে চেয়েছে। তাই তিনি কী বললেন, সেটা অপ্রাসঙ্গিক। তিনি অন্য দলের হয়ে ব্যাটিং করছেন ফলে এই বিষয়টা আমাদের কাছে ক্লোজড চ্যাপ্টার। কথা বললে সময় নষ্ট হবে।'
বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে দল?
বালিগঞ্জের মতো হেভিওয়েট কেন্দ্রে CPIM-এর টিকিট পেলেন একদম আনকোরা মুখ। আফরিনকে কি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিল CPIM? প্রার্থীর বক্তব্য, 'দল আমার উপর ভরসা রেখেছে। আমি বালিগঞ্জেরই মেয়ে। এখানকার সমস্যাগুলো আমার নিজের বাড়ির সমস্যা। ছোট থেকে এখানেই মানুষ হয়েছি, বড় হয়েছি, তাই ইস্যুগুলো আমার আরও বেশি করে জানা। সে কারণেই এই সুযোগ পেয়েছি। মানুষের সমর্থন রয়েছে তাই ঘৃণার বিরুদ্ধে ভালোবাসার রাজনীতি করতে চাই।'