






২০২৬ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে প্রমাণিত হতে চলেছে। কারণ, এই বছরে একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনের ফলাফল শুধু আঞ্চলিক রাজনীতিতেই নয়, কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলবে। নির্বাচন কমিশন রবিবার, ১৫ মার্চ তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরি, পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের নির্বাচনী সূচি ঘোষণা করেছে। ইসিআই-এর ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল, আর শেষ দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা ও ফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে। বিস্তারিত নির্বাচনী সূচির জন্য এখানে ক্লিক করুন।
এই রাজ্যগুলিতে আবারও শাসকদল ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাবে। এই নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য থাকবে দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে নিজেদের জনভিত্তি বাড়ানো, অন্যদিকে কংগ্রেস এবং আঞ্চলিক দলগুলি (যেমন DMK, TMC, CPM ইত্যাদি) নিজেদের শক্তিশালী সংগঠন এবং স্থানীয় ইস্যুগুলির উপর নির্ভর করবে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, এবারের ভোটে এই বিষয়গুলো নির্বাচনে প্রধান ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু, এই দুই রাজ্যের দিকে বিশেষ নজর থাকবে সারা দেশের। পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন TMC নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করবে, অন্যদিকে বিজেপি আগের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠার জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে পারে। তামিলনাড়ুতে DMK সরকারের কাজের মূল্যায়ন এবং AIADMK-র চ্যালেঞ্জ নির্বাচনী লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। কেরলে বামফ্রন্ট সরকার ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন UDF-এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী লড়াই চলবে, আর অসমে বিজেপি সরকারের সামনে আঞ্চলিক সমীকরণ ও নাগরিকত্ব ইস্যু আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের এই বিধানসভা নির্বাচনগুলি শুধু রাজ্যগুলির রাজনৈতিক চিত্র নির্ধারণ করবে না, বরং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে জাতীয় রাজনীতির দিকনির্দেশ এবং বিরোধীদের কৌশল নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বিভিন্ন নির্বাচনের বিস্তারিত খবর পেতে aajtak.in-এর কভারেজের সঙ্গে যুক্ত থাকুন।