প্রধান বিচারপতি নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীকে সাফ জানান, শুনানির সময় যে ব্যক্তিকে ডাকা হবে তাঁর সঙ্গে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা রাজনৈতিক দলের কারও যাওয়ার অধিকার রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের এই নির্দেশকে হাতিয়ার করেই এদিন সুর চড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঙ্কার, 'আজ কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাবো।' তিনি জানান, যারা বাংলার মানুষের ভাতে মারতে চেয়েছিল এবং ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, দেশের সর্বোচ্চ আদালত তাদের গালে কষিয়ে চড় মেরেছে।
SIR-এর হিয়ারিংয়ে বহু মানুষ ডাক পাচ্ছেন। কারও 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি' অর্থাৎ তথ্যে অসঙ্গতি আবার কারও সমস্যা ম্যাপিংয়ে। এর মাঝেই মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড SIR নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তই এবার খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
বারাসতের রণ সংকল্প সভা থেকে নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। সোমবার SIR-এর লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ সংক্রান্ত নির্দেশকে হাতিয়ার করেই জ্ঞানেশ কুমারের টিমকে আক্রমণ করলেন অভিষেক।
ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে রাজ্যে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে অশান্তির খবর। এরমধ্যেই বীরভূমের নানুরে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। RSS সদস্যকে তৃণমূলের কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে শাসানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, আরএসএসের স্বয়ংসেবক ও বিজেপি কর্মী রিন্টু পালকে জোর করে বালিগুনি এলাকার তৃণমূলের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁকে গ্রামবাসীদের সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। গ্রামে থাকতে গেলে RSS বা বিজেপি করা চলবে না বলে রিন্টু পালকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে লড়তে আগ্রহী CPIM। তিরুবনন্তপুরমে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলায় কোন ইক্যুয়েশনে ভোটে লড়তে চাইছে তারা? রইল বিস্তারিত...
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র বিরোধী ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। ২০১১ সালে জোট বেঁধে এই দুই দল ক্ষমতায় এসেছিল ঠিকই, তবে সেই মধুচন্দ্রিমা খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। জোট ভেঙে যায় তৃণমূল ও কংগ্রেসের। তারপর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। তৃণমূল বিরোধিতায় মুখর হয়েছে কংগ্রেস। এমনকী রাজ্যে একদা শত্রু সিপিআইএম-এর সঙ্গে জোট বেঁধে তারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক ভোটেও লড়ছে। তবে বঙ্গ কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের এই সাপে নেউলে সম্পর্কের মধ্যে আবার ভিন্ন মত জানালেন দিল্লির এক কংগ্রেস নেতা। তাঁর মতে, তৃণমূল খারাপ, তবে বাংলায় বিজেপি এলে আরও ক্ষতি হয়ে যাবে।
SIR-এর খসড়া তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ পেয়েছে। এবার রাজ্যজুড়ে চলছে শুনানি পর্ব। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৪ লক্ষ আনম্যাপিং ভোটারদের ডেকে পাঠানোর কাজ চলছে। শুনানিতে উপস্থিত থাকতে না পারলে কী হবে?
SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই শেষ গিয়েছে এনুমারেশন প্রক্রিয়া। পাশাপাশি খসড়া ভোটার তালিকাও বেরিয়ে গিয়েছে। এখন চলছে হিয়ারিং। এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের দেওয়া তথ্য নিয়ে কোনও সন্দেহ হলেই ডাকা হচ্ছে শুনানিতে। সেখানে দেখাতে হচ্ছে এক বা একাধিক নথি। আর শুনানিতে গিয়ে অনেকেই নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছিলেন। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই কার্ডকে নথি হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে না। বরং যে কয়টি ডকুমেন্ট চাওয়া হয়েছে, সেগুলিই দিতে হবে।
'বাংলার মানুষকে পাল্টাতে চাইছেন। বাংলার মানুষকে শাস্তি দিয়ে পাল্টাতে চাইছেন আপনি। আপনার সঙ্গে একমত। পরিবর্তন দরকার। পরিবর্তন হবে আপনাদের'। মোদীকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
'গতকাল বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হয়েছে। আধ ডজন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পেয়েছে বাংলা। আজ আরও তিনটে শুরু হল। এর মধ্যে একটা আমার লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীকে যুক্ত করবে'। বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।