'সরাসরি খুনের হুমকি দিচ্ছেন', মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে কমিশনে নালিশ BJP-র

সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর মঙ্গলবার রাজ্যের সিইও দফতরেও একই অভিযোগ জানালেন বিজেপি নেতারা। ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য প্রমুখ। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কানি রয়েছে এবং তাতে ভোট-পরবর্তী হিংসার ইঙ্গিত মিলছে।

Advertisement
'সরাসরি খুনের হুমকি দিচ্ছেন', মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে কমিশনে নালিশ BJP-রকমিশনে নালিশ বিজেপির।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • বাংলার বিধানসভা ভোটের আবহে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র আকার নিচ্ছে।
  • মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক মন্তব্যকে ঘিরে এবার সরব হয়েছে বিজেপি।

বাংলার বিধানসভা ভোটের আবহে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক মন্তব্যকে ঘিরে এবার সরব হয়েছে বিজেপি। অভিযোগ, এই মন্তব্যগুলি শুধু বিতর্কিতই নয়, বরং ভোটারদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে।

সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর মঙ্গলবার রাজ্যের সিইও দফতরেও একই অভিযোগ জানালেন বিজেপি নেতারা। ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য প্রমুখ। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কানি রয়েছে এবং তাতে ভোট-পরবর্তী হিংসার ইঙ্গিত মিলছে।

সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ‘খুনের হুমকি’ দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রশাসনের দায়িত্বে থেকেও এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, অতীতে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা নিলেও, এই ক্ষেত্রে কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।

এদিন রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কিছু শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক বিরোধী নেতাদের ফোন ও লোকেশন ট্র্যাক করছেন। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে এই বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

উত্তরবঙ্গের ময়নাগুড়ির একটি সভায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেখানে দেওয়া তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিজেপির অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্য গণতান্ত্রিক পরিবেশের পক্ষে বিপজ্জনক এবং তা ভোটারদের স্বাধীন সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বও। তাঁদের দাবি, নির্বাচন যেন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement