Tribunal Apply: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নাম নেই? অনলাইনেও আবেদন করা যাবে কমিশনের ট্রাইবুনালে, জানুন পদ্ধতি

৬টি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। আপনার নাম আসেনি? সেক্ষেত্রে আবেদন করতে পারবেন ট্রাইবুনালে। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এবার অনলাইনেও ট্রাইবুনালে আবেদন করা যাবে। রইল পদ্ধতি।

Advertisement
সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নাম নেই? অনলাইনেও আবেদন করা যাবে কমিশনের ট্রাইবুনালে, জানুন পদ্ধতি সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট
হাইলাইটস
  • ট্রাইবুনাল লিস্টে আপনার নাম আসেনি?
  • এবার অনলাইনেও ট্রাইবুনালে আবেদনের সুযোগ
  • জেনে নিন স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি

এখনও পর্যন্ত ৬টি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। নিষ্পত্তি হয়েছে ৪২ লক্ষ ভোটারের নাম। তবে এখনও বাকি ১৮ লক্ষ। একইসঙ্গে চালু হয়েছে ট্রাইবুনালও। সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া ভোটাররা অনলাইনেই এই ট্রাইবুনালের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। জেনে নিন অনলাইনে আবেদনের পদ্ধতি...

> ইলেকশন কমিশনের ওয়েবসাইট eci.gov.in-এ গিয়ে Submit Appeal for Individuals (Under Adjudication অপশনে ক্লিক করতে হবে। 
> নতুন একটি পেজ খুলবে। সেখানে মোবাইল নম্বর বা এপিক নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে হবে। 
> লিখতে হবে ভোটারের পিন কোড সহ পুরো ঠিকানা। 
> আবেদনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিতে হবে ১০০০ শব্দের মধ্যে। 
> কী কারণে আবেদন করছেন, তা ৫০০ শব্দের মধ্যে লিখে সাবমিট করতে হবে। 

 ইতিমধ্যেই ২৩ জেলায় জন্য ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতি ও বিচারকদের নিয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টের নির্দেশ মতো ট্রাইবুনালে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে কমিশন। অনলাইনের পাশাপাশি মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে সমস্ত তথ্য দিয়ে আবেদন করতে পারবেন ভোটার। 
 

প্রসঙ্গত, সোমবার কমিশনের পক্ষ থেকে ষষ্ঠ সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত সামনে আনা হয়েছিল চারটি তালিকা। আর, সোমবার একসঙ্গে দু'টি তালিকা প্রকাশ করে দিল কমিশন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল লিস্ট বের করে কমিশন। সেই লিস্টে প্রায় ৬০ লক্ষ অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায় ছিল। আর এই সব ভোটারদের নথি পরীক্ষার পরই অ্যাডজুডিকেশন লিস্ট বের করছে কমিশন। ভোটারদের নথি পরীক্ষার কাজটি করছেন প্রায় ৭০৫ জন বিচারক। তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ মেনে কাজ করছেন। এখন দেখার কমিশন ঠিক কত তাড়াতাড়ি এই সব নামের নিষ্পত্তি করে দেয়। তার উপরই নির্ভর হবে, এই সব ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন কি না। 

 

POST A COMMENT
Advertisement