ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ? আবেদন শেখাতে কর্মশালা I-PAC-এর

দলীয় কর্মীদের আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাঁরা আপিল করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াতে এবং আবেদনপত্র তৈরি ও জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করতে।

Advertisement
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ? আবেদন শেখাতে কর্মশালা I-PAC-এর
হাইলাইটস
  • ভোটের আগে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে বাড়তে থাকা বিতর্কের মাঝেই তৃণমূল কর্মীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল আইপ্যাক।
  • শনিবার একটি অনলাইন কর্মশালার মাধ্যমে কর্মীদের শেখানো হল, কীভাবে বাদ পড়া নামের বিরুদ্ধে সঠিকভাবে আপিল দায়ের করতে হয়।

ভোটের আগে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে বাড়তে থাকা বিতর্কের মাঝেই তৃণমূল কর্মীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল আইপ্যাক। শনিবার একটি অনলাইন কর্মশালার মাধ্যমে কর্মীদের শেখানো হল, কীভাবে বাদ পড়া নামের বিরুদ্ধে সঠিকভাবে আপিল দায়ের করতে হয়।

এই কর্মশালায় মূলত আপিলপত্র লেখার কৌশল নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। দলীয় কর্মীদের জানানো হয়েছে, আপিল যেন করুণা প্রার্থনার মতো না হয়। বরং আইনগত ও যুক্তিসম্মত ভিত্তিতে কেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় থাকা উচিত ছিল, সেই বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।

I-PAC-এর তরফে আপিলপত্রের গঠন নিয়েও বিস্তারিত নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, 'আপিলের সংক্ষিপ্ত বিবরণ' এবং 'প্রার্থিত প্রতিকার, কীভাবে লিখতে হবে, তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীদের জানানো হয়, ভাষা ও শব্দচয়ন এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপিলপত্রে অন্তত তিনটি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে বলা হয়েছে, 
প্রথমত, কেন ভুলবশত নাম বাদ পড়েছে।
দ্বিতীয়ত, কেন তা পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
তৃতীয়ত, 'স্বাভাবিক ন্যায়বিচার'-এর কোনও নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, যেমন, কোনও শুনানির সুযোগ না দিয়ে নাম বাদ দেওয়া বা আগে কোনও নোটিস না পাঠানো।

দলীয় কর্মীদের আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাঁরা আপিল করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াতে এবং আবেদনপত্র তৈরি ও জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করতে।

বর্তমানে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়ার পর প্রকাশিত তালিকায় ৬০ লক্ষেরও বেশি নাম যাচাইয়ের আওতায় ছিল। এই পরিস্থিতিতে বহু ভোটার ট্রাইব্যুনাল বা বিচারমঞ্চে আপিল দায়ের করছেন।

অনলাইন আপিল করা যাবে কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। সেখানে নির্দিষ্ট অপশনে গিয়ে আবেদন জমা দেওয়া সম্ভব। তবে অনলাইন ফরম্যাটে শব্দসংখ্যার সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সংক্ষিপ্ত বিবরণে ১,০০০ অক্ষর এবং প্রার্থিত প্রতিকারে ৫০০ অক্ষর।

Advertisement

অন্যদিকে, অফলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুযোগ রয়েছে। জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO) বা মহকুমা শাসকের (SDO) কাছে একটি সাধারণ কাগজে EPIC নম্বর উল্লেখ করেই আবেদন করা যায়। যদিও বাস্তবে অনেক ভোটার অভিযোগ করেছেন, অফলাইনে আবেদন করতে গিয়ে তাঁদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে সঠিক দিশা পাচ্ছেন না।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement