Mofakkerul Islam: মালদার 'মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুলের সঙ্গে কল্যাণের ছবি, তৃণমূল সাংসদ বললেন, 'চিনি না'

এরপরই bangla.aajtak.in-এর তরফে মোশারফ হোসেনের সঙ্গে ফোনে যোগযোগ করা হয়। তিনি বলেন, 'ও তৃণমূলের কেউ নয়। মিমের লোক। বিজেপির এজেন্ট। সুকান্ত মজুমদারই টাকা দিয়ে ওকে আমার বিরুদ্ধে ইটাহারে প্রার্থী করেছিলেন।' 

Advertisement
মালদার 'মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুলের সঙ্গে কল্যাণের ছবি, তৃণমূল সাংসদ বললেন, 'চিনি না'কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে মোফাক্কেরুল ইসলাম।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • মোথাবাড়ি কাণ্ডে গ্রেফতার ‘মূলচক্রী’ মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি পোস্ট করল বিজেপি।
  • তাদের অভিযোগ, মালদার ঘটনায় তৃণমূল যোগ থাকতে পারে। বিষয়টিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় bangla.aajtak.in-কে বললেন, 'পার্বতীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটা ডেভলপমেন্টের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম, এটা তখনকার ছবি।

মোথাবাড়ি কাণ্ডে গ্রেফতার ‘মূলচক্রী’ মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি পোস্ট করল বিজেপি। তাদের অভিযোগ, মালদার ঘটনায় তৃণমূল যোগ থাকতে পারে। বিষয়টিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় bangla.aajtak.in-কে বললেন, 'পার্বতীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটা ডেভলপমেন্টের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম, এটা তখনকার ছবি। ওখানে ওই ছেলেটি ছিল। ২০২১ সালে কালিয়াচক থেকে মিম-এর হয়ে ভোটে দাঁড়ায়। বহু মানুষই তো ছবি তোলে পাশে দাঁড়িয়ে, সবাইকে তো ব্যক্তিগতভাবে চেনা সম্ভব নয়। এই ছেলেটিকে আমি চিনি না।'

এদিকে, মোথাবাড়ি কাণ্ডে গ্রেপ্তার ‘মূলচক্রী’ মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম। শুক্রবার পেশায় আইনজীবী ইটাহারের বাসিন্দা মোফাক্কেরুলকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি বেঙ্গালুরু পালিয়ে যাওয়ার ছক কষেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার আগেই বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে মোট ৩৫ জনকে। 

পুরো ঘটনার দায় বিজেপির ওপর চাপিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা তৃণমূলের কোর্টে বল ঠেলেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, 'ইটাহারের তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে মোফাক্কেরুল ইসলামের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কী না তা খতিয়ে দেখা হোক।'

এরপরই bangla.aajtak.in-এর তরফে মোশারফ হোসেনের সঙ্গে ফোনে যোগযোগ করা হয়। তিনি বলেন, 'ও তৃণমূলের কেউ নয়। মিমের লোক। বিজেপির এজেন্ট। সুকান্ত মজুমদারই টাকা দিয়ে ওকে আমার বিরুদ্ধে ইটাহারে প্রার্থী করেছিলেন।' 

জানা গেছে, মোফাক্কেরুল ইসলাম ইটাহারের পোরসা হাটখোলার বাসিন্দা। বয়স ৪০ বছর। রায়গঞ্জ আদলতের আইনজীবী ছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা লড়তেন। বাড়ি রয়েছে কলকাতাতেও। ওকালতির মাঝে ২০২১ সালে ওসাদউদ্দিন ইয়েওসি-র দল মিমের প্রার্থী হন। ইটাহারে প্রার্থী হন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই কিছুই দাগ কাটতে পারেননি। কিন্তু সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর। 

 

POST A COMMENT
Advertisement