‘মিনি ইন্ডিয়া’ ভবানীপুরের প্রতি বাড়িতে ৩ বার পৌঁছনোর টার্গেট, মমতার মনোনয়নে ঠিক কী প্ল্যান?

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি বাড়িতে অন্তত তিনবার করে পৌঁছনোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গুজরাতি, মারোয়াড়ি, শিখ, বিহারি ও বাঙালি, এই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে পৃথক বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। ভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই বড় জনসভা ও রোড শো-র মাধ্যমে প্রচারের মাত্রা বাড়ানো হবে।

Advertisement
‘মিনি ইন্ডিয়া’ ভবানীপুরের প্রতি বাড়িতে ৩ বার পৌঁছনোর টার্গেট, মমতার মনোনয়নে ঠিক কী প্ল্যান?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • ভবানীপুরকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশলে এবার বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে ‘ঘনিষ্ঠ’ জনসংযোগে।
  • লক্ষ্য একটাই, বহুত্ববাদী এই কেন্দ্রে প্রতিটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তুলে জনভিত্তি আরও মজবুত করা।

ভবানীপুরকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশলে এবার বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে ‘ঘনিষ্ঠ’ জনসংযোগে। লক্ষ্য একটাই, বহুত্ববাদী এই কেন্দ্রে প্রতিটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তুলে জনভিত্তি আরও মজবুত করা।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি বাড়িতে অন্তত তিনবার করে পৌঁছনোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গুজরাতি, মারোয়াড়ি, শিখ, বিহারি ও বাঙালি, এই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে পৃথক বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। ভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই বড় জনসভা ও রোড শো-র মাধ্যমে প্রচারের মাত্রা বাড়ানো হবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব শিগগিরই ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন। সেই দিন সকাল থেকেই হাজরা মোড়ে দলীয় কর্মীদের জমায়েতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে মিছিল করে আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিংয়ে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভবানীপুরে তৃণমূলের প্রচার মূলত বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগেই সীমাবদ্ধ ছিল। এখনও পর্যন্ত বড় কোনও সভা বা মিছিল না করলেও, আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রাস্তায় নেমে প্রচার চালাবেন বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, একই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মনোনয়নের সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যা এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভবানীপুরকে অনেকেই ‘মিনি ইন্ডিয়া’ বলে থাকেন। এই কেন্দ্রে বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থান রয়েছে। সেই কারণেই তৃণমূলের কৌশল, প্রতিটি গোষ্ঠীর কাছে আলাদা করে পৌঁছনো এবং তাঁদের আস্থা অর্জন করা।

দলীয় নেতারা ইতিমধ্যেই মারোয়াড়ি ও গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছেন। আলিপুরের অ্যাগ্রি হর্টিকালচারাল সোসাইটিতে এক বৈঠকে শিল্পপতিদের সঙ্গে কথাবার্তাও হয়েছে। তাঁদের কাছে উন্নয়ন ও শিল্প সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরার পাশাপাশি, বিধানসভা নির্বাচনে সমর্থনের আবেদনও জানানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ব্যক্তিগত যোগাযোগ, সম্প্রদায়ভিত্তিক সংলাপ এবং ধাপে ধাপে প্রচার বাড়ানো, এই তিন স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ভবানীপুরে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement