West Bengal Assembly Elections: রাজ্যে বিধানসভা ভোট কত দফায় হবে? বড় আপডেট

আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলার বিধানসভা ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। আর তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সামনেই রাজ্যের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ২ থেকে ৩ দফায় ভোট করানোর প্রস্তাব দিয়েছে। আর কমিশনও তেমনটাই চাইছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর।

Advertisement
রাজ্যে বিধানসভা ভোট কত দফায় হবে? বড় আপডেটপশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট
হাইলাইটস
  • আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলার বিধানসভা ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে
  • তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ
  • কত দফায় হবে ভোট?

আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলার বিধানসভা ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। আর তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সামনেই রাজ্যের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল ২ থেকে ৩ দফায় ভোট করানোর প্রস্তাব দিয়েছে। আর কমিশনও তেমনটাই চাইছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিজেপি-সহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলও একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশপাশি বিজেরি দাবি করেছে যে আগেরবারের মতো সাত-আট দফায় ভোট করানো উচিত নয়। এটা বাস্তবসম্মত নয়।

মাথায় রাখতে হবে যে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিনিধি দল। তাদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই বিষয়টা তুলে ধরা হয়। শুধু তাই নয়, ১৭ দফা স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়।

এই স্মারকলিপিতে বিজেপি দাবি করেছে যে, ভোটগ্রহণ ও ভোটগণনা, দুইই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারিতে থাকা উচিত। ভোটকেন্দ্র এবং গণনাকেন্দ্রে রাজ্য পুলিশের কোনও ভূমিকা থাকা উচিত নয় বলেও দাবি করা হয় স্মারকলিপিতে। সেই সঙ্গে তারা মনে করে যে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দু’বার পরীক্ষা বা তল্লাশি করা জরুরি। তাহলেই ঠিক ঠাক নির্বাচন হবে।

এখানেই শেষ না করে, ভোটকর্মী বা পোলিং পার্টিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কর্মীদের অনুপাত ৫০:৫০ রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তাতেই ভোটের নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

এছাড়া ভোট গণনা নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছে বিজেপি। তারা জানিয়েছে, ভোটগণনার প্রক্রিয়া শুধুমাত্র জেলা ও মহকুমা সদর দফতরেই করা উচিত।

এই স্মারকলিপিতে আরও দাবি করা হয়, গত তিনটি নির্বাচনে যেখানে হিংস হয়েছে বা যেখানে ৮৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে, সেই সব বুথকে ‘সংবেদনশীল’ বুথ হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত।

পাশাপাশি তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে অনেক আগে থেকেই মোতায়েন করা দরকার। এর মাধ্যমে তারা এলাকাটি ভালোভাবে বুঝে নিতে পারবে। তাতে আর স্থানীয় পুলিশের উপর নির্ভর করতে না হয়।

Advertisement

এছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া উচিত বলেও মনে করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তারা যেন স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে কোনও ধরনের আতিথ্য, খাবার বা থাকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, যাতে নিরপেক্ষতা বজায় থাকে, সেটা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার কমিশন এগুলির মধ্যে কোন কোন দাবি মেনে নেয়। 

 

POST A COMMENT
Advertisement