Advertisement
বাংলাদেশ

Tarique Rahman: বাংলাদেশে BNP-র প্রত্যাবর্তনে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের রেজাল্ট কত গুরুত্বপূর্ণ? যে বিষয়গুলি ভাবাচ্ছে...

উত্থান খানিকটা ফিনিক্স পাখির মতোই
  • 1/12

এটাই রাজনীতি। একদা BNP-র জোটসঙ্গী জামাত ই ইসলামি এখন বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল। বাংলাদেশের নয়া নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উত্থান খানিকটা ফিনিক্স পাখির মতোই। 
 

দীর্ঘ ২০ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় ফিরল BNP
  • 2/12

দীর্ঘ ২০ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় ফিরল BNP। বাংলাদেশের এই নির্বাচনে প্রথমে বিএনপি ঘোষণা করেছিল, খালেদা জিয়া এবারও প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হবেন। কিন্তু দীর্ঘ অসুস্থতার জেরে খালেদা নিয়ে সংশয় ছিলই।
 

২০০১ সালে শেষবার বাংলাদেশে নির্বাচনে জিতেছিল বিএনপি
  • 3/12

খালেদা জীবদ্দশাতেও তারেক রহমানই কার্যত বিএনপি চালাচ্ছিলেন লন্ডন থেকে। ২০১৮ সালে বিএনপি-র কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন তারেক। কিন্তু খালেদার জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়েই এগোচ্ছিল দল। তারপর হঠাত্‍ খালেদা জিয়ার প্রয়াণ। স্বাভাবিক ভাবেই তারেক রহমানকেই দেশে ফিরে হাল ধরতে হয় দলের। যার নির্যাস, প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীও হন তারেক। ২০০১ সালে শেষবার বাংলাদেশে নির্বাচনে জিতেছিল বিএনপি। 
 

Advertisement
 বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে প্রত্যাবর্তন
  • 4/12

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর বিদেশে নির্বাসন কাটিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে প্রত্যাবর্তন ঘটে তারেক রহমানের। এর কয়েকদিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দশদিন পর চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যানের পদে অভিষিক্ত হন।

তারেক রহমান উচ্চমাধ্যমিক পাশ
  • 5/12

তারেক রহমানের শিক্ষাগতযোগ্যতা কেমন? নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমান উচ্চমাধ্যমিক পাশ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় একাধিক সেনাকর্তার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের পরিবারকেও বন্দি করা হয়েছিলো। তখন তাঁদের দুই ছেলে তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমানও বন্দি ছিলেন।

জামাত ই ইসলামির তুলনায় মন্দের ভাল
  • 6/12

এখন বিষয় হল, BNP-র ক্ষমতায় ফেরায় তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ফের হাওয়া গরম হতে পারে। যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে, বিএনপি-র অতীত ভারত-বিরোধী হলেও, জামাত ই ইসলামির তুলনায় মন্দের ভাল। ভারতের আশা, বিএনপি-র সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হবে। খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যেও ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে গিয়েছিলেন ঢাকায়। 

তিস্তা জলবণ্টন নিয়ে গত বছর থেকেই নতুন করে সরব
  • 7/12

তিস্তা জলবণ্টন নিয়ে গত বছর থেকেই নতুন করে সরব হয়েছে বিএনপি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি-র মহাসচিব মির্জা ফকরুল বলেছিলেন, 'ভারতকে পরিষ্কার করে বলতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে যদি বন্ধুত্ব করতে চান তাহলে আগে তিস্তার পানি দেন, সীমান্তে গুলি করে হত্যা বন্ধ করেন, আর আমাদের সঙ্গে বড় দাদার মতো যে আচরণ সেটা বন্ধ করেন। আমরা আমাদের হিস্যা বুঝে নিতে চাই। আমরা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব দেখতে চাই। তবে সেই বন্ধুত্ব হবে সম্মানের সঙ্গে, আমার পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার সঙ্গে।'
 

Advertisement
তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশের দাবি
  • 8/12

৪১৪ কিমি দীর্ঘ তিস্তা নদীর জলবণ্টন নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের দাবি, শুষ্ক মরশুমে (বিশেষ করে শীতকালে) তিস্তার জল শুকিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষিতে জলের সঙ্কট দেখা দেয়। তাই বাংলাদেশের দাবি, তিস্তার জল ৫০ শতাংশ বাংলাদেশের পাওয়া উচিত। 

 মমতা সেই চুক্তিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ান
  • 9/12

কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবি, তিস্তার জল বাংলাদেশকে দিলে ওই শুষ্ক মরশুমে উত্তরবঙ্গের একটি বড় অংশের মানুষ জলসঙ্কটে পড়বে। কৃষিতেও জল পাওয়া যাবে না। ২০১১ সালে ভারতের তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে একটি ১৫ বছরের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, তিস্তার ৪২.৫ শতাংশ জল নেবে ভারত ও বাংলাদেশপাবে ৭.৫ শতাংশ জল। চুক্তির স কিছু চূড়ান্ত হয়ে গেলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করেন। উত্তরবঙ্গে জলসঙ্কটের প্রসঙ্গ তুলে মমতা সেই চুক্তিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ান। যার ফলে চুক্তি আর বাস্তবায়ন হয়নি।
 

তিস্তা জল নিয়ে ইস্যুতে জড়িয়ে চিনও
  • 10/12

এবার বিএনপি প্রথম থেকেই তিস্তা জল নিয়ে রাজনৈতিক আওয়াজ তুলতে শুরু করেছে। এবার আসা যাক আরেকটি প্রসঙ্গে। তা হল চিন। তিস্তা জল নিয়ে ইস্যুতে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে চিনও। বাংলাদেশে প্রস্তাবিত ১০০ কোটি ডলারের তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্প ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক ও কৌশলগত উদ্বেগ ভারতের কাছে । 
 

 চিকেন নেকসের (শিলিগুড়ি করিডোর) কাছাকাছি
  • 11/12

তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে সেচ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদী পুনর্গঠনের এই প্রকল্পে চিনা সংস্থা Power Construction Corporation of China কাজ করছে। প্রকল্প এলাকা ভারতের সংবেদনশীল চিকেন নেকসের (শিলিগুড়ি করিডোর) কাছাকাছি হওয়ায় দিল্লির নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়।

Advertisement
 গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
  • 12/12

এহেন পরিস্থিতিতে খুব ব্যালেন্স করে চলতে বে ভারতকে। কারণ চিনকে ঠেকাতে হলে তিস্তা জলবণ্টন ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধানের পথেই হাঁটবে দিল্লি। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। চলতি বছরেই পশ্চিমবঙ্গে ভোট। সেই ভোটে যদি ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গঠন কেন, তা হলে তিস্তা জলবণ্টন নিয়ে নয়া স্ট্র্যাটেজি নিতে হবে ভারতকে। আর যদি কোনও পার্টি সরকারে আসে, তাহলে সেই মতো কূটনৈতিক পদক্ষেপ করা হবে। তাই আপাতত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের রেজাল্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   

Advertisement