সময়টা ভীষণ তাত্পর্যপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশ যত দ্রুত সম্ভব তাদের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করতে চাইছে। কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে দেশটি।
গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন তারেক রহমান। তারপরেই তাঁকে ভারতে আমন্ত্রণ জানান হয়। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনেও আমন্ত্রণ থাকলেও আসেননি তারেক। সম্মলনে কোনও প্রতিনিধিও পাঠান হয়নি ঢাকার তরফে। তারেক কবে দিল্লিতে আসবেন, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি বাংলাদেশ। যদিও ক্ষমতায় বসার পর চিন সফর করে ফেলেছেন খালেদা জিয়ার পুত্র। এরমাঝেই তারেকের ভারত সফর নিয়ে মুখ খুললেন কায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
একটি বিষয় স্পষ্ট, বাংলাদেশে ইলিশ এই বছর না আসার সম্ভাবনাই প্রবল। সে ক্ষেত্রে গুজরাতের ইলিশের স্বাদ কি পদ্মার ইলিশের মতো? ইতিমধ্যেই গুজরাতের ইলিশ ছেয়ে গিয়েছে কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গের বাজার।
২০১৯ সাল থেকে শুধু দুর্গাপুজোর ‘উপহার’ হিসেবে কিছু ইলিশ পাঠায় বাংলাদেশ। অতিমারির পর থেকে সেই পরিমাণ আরও কমেছে। এবারও আশা করা হচ্ছে পুজোর সময় ইলিশ আসবে পদ্মা থেকে। তবে এবছর উলট্পুরাণ ঘটেছে। এই প্রথম বার বাংলাদেশে উৎপাদন কম হওয়ায় ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করেছে ঢাকা। ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ এক নম্বরে হলেও এহেন ঘটনায় স্বভাবতই সেদেশে অস্বস্তি বেড়েছে। ফলে ভারত থেকে হঠাৎ করেই ইলিশ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বসাল তারেক রহমানের সরকার। ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে সেই নিষেধাজ্ঞা।
বাংলাদেশে ২৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ ঘাটতি চলছে, ফলে দেশের একটি বড় অংশই দিনে প্রায় ১০ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে কাটায়। নিজেদের দেশের সরকারের অক্ষমতা ঢাকতে ভারতকে ঢাল বানাতে চেষ্টা করছে বিএনপি। বিএনপি নেতা রিজভি এমনিতেই তীব্র ভারত বিদ্বেষী।
দুর্গাপুজোর আগে প্রতিবারই বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আসে ভারতে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। ২০২৫ সালেও তা অল্প পরিমাণে এসেছিল। অথচ চলতি বছর থেকে গুজরাতের ইলিশ যাচ্ছে বাংলাদেশে।
আবুল কালাম আজাদ নামে এক বাংলাদেশি প্রায় ২৭ বছর ধরে UAE-তে বাস করছেন ও কাজ করেন। তাঁরও ভিসা বাতিল করা হয়েছে। আবুল কালামের কথায়, 'আমি গত ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ফিরেছিলাম। ২৪ জুলাই একটি ই-মেল পেলাম। দেখলাম, আমার ভিসা বাতিল করে দিয়েছে UAE। কোনও কারণও লেখা ছিল না।'
জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতেই দেশভাগ হয়েছিল। সেই জিন্নাহকে এখন মাথায় তোলা হচ্ছে পাকিস্তানে। ভুলে যাচ্ছে শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন।
মিউজিয়ামে অন্তত তিনটি জিন্নার ছবি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চের সেই বক্তব্যের ছবি, যেখানে জিন্না পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
কুনমিং থেকে মায়ানমার হয়ে বাংলাদেশে যাবে চিন। চিনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখান থেকে মায়ানমারের পরিবহণ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে।
ওবায়দুল কাদের তখন ছিলেন আওয়ামী লিগের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আওয়ামী লিগ, যুবলিগ ও ছাত্র লিগের সশস্ত্র ক্যাডার ও আইনশৃঙ্খলা এজেন্সিগুলিকে তিনিই নির্দেশ দিতেন, আন্দোলনকারীদের হত্যা ও নির্যাতনের।