Bangladesh Post Poll Violence: সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে তর্ক-বিতর্ক, পরে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। যদিও এখনও পর্যন্ত হতাহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি, তবে ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
BNP Massive Win Cause: সূত্রের খবর, নির্বাসনে থাকা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি গত কয়েক বছরে সাংগঠনিকভাবে নিজেদের শক্ত ভিত গড়ে তোলে। বিশেষ করে জামায়াতের সঙ্গে সরাসরি দূরত্ব বজায় রেখে বৃহত্তর ভোটব্যাংকে প্রভাব বিস্তার করার কৌশল নেয় দলটি, যা নির্বাচনে ইতিবাচক ফল দেয় বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
এই নির্বাচনে প্রথমবার বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে জামাত ইসলামি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জামাতের এই ফলাফল বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।
বাংলাদেশের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর, BNP চেয়ারপার্সন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, ভারতের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন। আর সেই আবহেই নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুনভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিল BNP শিবির। ক্ষমতার পালাবদলের পর দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ নতুন পথে এগোতে পারে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।
ভোটের ফলাফল সামনে আসার পর থেকেই বিভিন্ন দেশ ও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানরা তারেককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ব্যতিক্রম নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশ অনেকটা সীমানা ভাগ করে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে, ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে তার নির্ধারিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কারণে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঢাকা সফর অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত একজন সিনিয়র প্রতিনিধি পাঠাবে বলে ইঙ্গিত রয়েছে।
প্রত্যাশা মতোই নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন খালেদাপুত্র তারেক রহমানই। আগামী মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। পাশাপাশি, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও ওই দিনই শপথ নেবেন বলে জানানো হয়েছে।
নতুন বাংলাদেশ সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির কথাও তুলে ধরেন জিয়াউদ্দিন হায়দার। তাঁর মতে, সরকারের অগ্রাধিকার হবে দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং খাদ্য নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। এর পাশাপাশি অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের নীতি প্রণয়ন করবে সরকার।
'বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই বিদেশনীতি তৈরি করব'। ভোটে জয়ের পর জানালেন তারেক রহমান।
নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে বিএনপি প্রধান তারেক রহমানের ওপর। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, হিংসা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, দেশকে স্থিতিশীলতার পথে ফেরানো এবং ভারসাম্যপূর্ণ বিদেশনীতি গড়ে তোলা।