আসন্ন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের খেলা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। সলমান আঘাদের খেলার বিষয়ে এখনও গ্রিন সিগন্যাল দেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই অবস্থায় PCB-কে কটাক্ষ করল আর এক ক্রিকেট খেলিয়ে দেশ আইসল্যান্ড।
সম্প্রতি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিমানবাহিনী প্রধানের মধ্যে বৈঠক হয়। যেখানে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান নিয়ে দুই তরফের আলোচনা হয়। এবার চিনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ইউনূসের বাংলাদেশ। মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) উৎপাদন, সংযোজন কারখানা স্থাপনসহ প্রযুক্তি হস্তান্তরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও চায়না ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন (CETC) ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদর দফতরে এই চুক্তি সই হয়।
সলমান আঘারা আদৌ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে কি না সেই বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি।
কৃষ্ণ নন্দীর বাড়ি ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাণিজ্যিক এলাকায়। সেখানে তাঁর একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর আগে তিনি আওয়ামী লিগের প্রাক্তন এমপি নারায়ন চন্দ্র চন্দের ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যদিও সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন কৃষ্ণ নন্দী।
এই খবর প্রকাশ করে বাংলাদেশি সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অফ বাংলাদেশ (ইউএনবি) জানিয়েছে, রবিবার রাতে এই অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছে। এবার থেকে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা ছাড় পাবে।
Bangladesh এ Hindu দের কী অবস্থা তা সকলেই জানে। লাগাতার সেখানে হিন্দুদের উপরে নির্যাতনের অভিযোগ উঠছে। শুধু হিন্দুদের মারধরই নয়, বিগত কিছু সময়ে সেখানে কয়েকজন হিন্দু জানে শেষও হয়ে গিয়েছেন। আর সবচেয়ে বড় কথা, হিন্দুদের উপরে লাগাতার নির্যাতন হলেও সেখানে কার্যত নিস্ক্রিয় হয়ে বসে রয়েছে প্রশাসন। এমনকী সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরও দেওয়া হচ্ছে না প্রশাসনের তরফে।
টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলুক। এমনটা চেয়েছিল BCCI। দাবি করলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা। জানান, বাংলাদেশকে নিরাপত্তা দেওয়ার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
রায়ে আদালত বলেছে, 'ওই তিনজন দোষী। তাঁরা তাঁদের অধস্তনদের নিয়ন্ত্রণ করতেন ও নির্দেশ দিতেন। তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।'
এখন প্রশ্ন হল, বন্ধুর বেশে আসলে বাংলাদেশের বড়সড় ক্ষতিই করল পাকিস্তান? কারণ, পাকিস্তান প্রথম থেকেই বাংলাদেশকে উস্কে যাচ্ছিল, ভারতে গিয়ে না খেলার জন্য। এমনকী নিজেরাও দাবি করছিল, বাংলাদেশকে জোর করে ভারতে খেলালে, তারা বিশ্বকাপ বয়কট করবে। ICC-তে ভোটাভুটিতেও দেখা গেল, বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র পাকিস্তান ভোট দিল। এত কিছুর পিছনে যে আদতে ক্রিকেট বিশ্ব থেকে বাংলাদেশকে মুছে ফেলার চক্রান্ত করছে পাকিস্তান, তার পর্দাফাঁস হয়ে গেল।
বাংলাদেশের আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে ভাষণ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ভারত সরকারের উপর এই অভিযোগ করে নিজেদের হতাশা ব্যক্ত করল মহম্মদ ইউনূসের সরকার।
এমনিতেই বাংলাদেশের ভারতে খেলতে না আসা নিয়ে বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই ইস্যুতে পাকিস্তান বরাবরই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন শাহিদ আফ্রিদির অভিযোগ, বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করেছে ICC। তারা দ্বিমুখী আচরণ করছে।