আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ছবিটি ভুয়ো এবং এটি এআই দ্বারা তৈরি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবির বৃদ্ধা হলেন উত্তর ২৪ পরগনার নিমতার বাসিন্দা শোভা মজুমদার এবং তাঁকে বিজেপি কর্মীরা মারধর করেনি। বরং ২০২১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বিজেপি করার জেরে তাঁকে এবং তাঁর ছেলেকে বেধড়ক মারধর করেছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পের তো নয়ই, এমনকি সেটি ভারতের ঘটনাও নয়। বরং সেটি ২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার আঙ্গুনাকোলাপেলেসা কারাগারে পুলিশের তরফে বন্দিদের মারধরের ফাঁস হওয়া ভিডিও।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবির যুবক মুসলিম নয় বরং হিন্দু এবং তিনি উত্তর প্রদেশের গাজীয়াবাদের বাসিন্দা বিপুল কুমার। ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি পারিবারিক বিবাদের সময় বিপুলের নিজের স্ত্রী তার জিভ কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয় বরং ২০২৩ সালের এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। এর সঙ্গে বর্তমানে ভবানীপুরে প্রচারের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি দিল্লির নয়, কোনও সরকারি অফিসেরও নয়, এমনকি এখানে কোনও মুসলিম বা মহিলাকেও মারধর করতে দেখা যাচ্ছে না।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভিডিওটি গত বছরের এবং একটি পৃথক ঘটনার। বর্তমানে বিধানসভা ভোটের প্রচারপর্বের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবিটির সঙ্গে এসআইআর কিংবা আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ ঠাকুরপুকুরের আনন্দনগর বাজার এলাকায় দক্ষিণ কলকাতা জেলা বিজেপির সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্যের এক অনুগামীর ওপর দলেরই অন্য গোষ্ঠীর কর্মীদের আক্রমণ এবং কালি ছোঁড়ার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি বিহারের নয়, এমনকি ভারতেরও নয়। বরং সেটি নেপালের রাউতাহাট জেলার গৌড় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে হিন্দুত্ববাদীদের তরফে দুটি মসজিদে হামলা ও অগ্নিসংযোগেরর দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়কার নয়, বরং প্রায় ১০ বছর আগেকার এবং আক্রমণের অভিযোগ তৃণমূলের দিকেই ছিল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি সঠিক নয়। প্রথমত, ইয়ারিভ লেভিন ইজরায়েলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেননি। দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ছবিটি এআই দ্বারা তৈরি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে ভাইরাল ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চস্থ হওয়া একটি নাটক বা যাত্রাপালার। কোনও আসল ঘটনার নয়।