আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে চলতি নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়কার।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ক্লিপটির সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের র্যালির কোনও সম্পর্ক নেই। বরং চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল মধ্যরাতে আসানসোলে পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় একজন আহত হলেও, কারোর মৃত্যু হয়নি। পাশাপাশি, আহত যুবতীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিটি ভুয়ো এবং ভিত্তিহীন। এমন কোনও ঘোষণা মমতা করেননি। এমনকি ‘B Plus Live’ নামে কোনও সংবাদ মাধ্যমের ডিজিট্যাল অস্তিত্বও নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল দাবিটি ভিত্তিহীন। সম্প্রতি নেপালের প্রধানমন্ত্রীর তরফে ভারতীয় মুসলিমদের জন্য দেশটিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট আইন পাশ বা জারি করা হয়নি। একটি বৈধ পাসপোর্ট অথবা ছবিযুক্ত ভোটার বা এপিক কার্ড থাকলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতীয় নাগরিক নেপালে ভ্রমণ করতে পারেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিগুলি অসত্য। প্রথমত, ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয় বরং ২০২২ সালের। দ্বিতীয়ত, এই ভিডিওতে এক তৎকালীন বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেত্রী নিজেই বিজেপিতে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের কোনও ঘটনা নয়, বরং ত্রিপুরার। গত ১২ এপ্রিল স্বশাসিত জেলা পরিষদ ভোটের সময় এই ঘটনাটি ঘটেছিল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি উত্তর প্রদেশের তো নয়ই, এমনকি সেটি ভারতেরও নয়। বরং এটি ২০২৬ সালের ২৮ মার্চ ব্রাজিলের মাকাপার ঘটনা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র কোনও ক্লিপই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কনভয়ে হামলার দৃশ্য নয়। বরং প্রথম ক্লিপটি মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার তালাওয়াড়ি গ্রামে একটি প্রস্তাবিত চুনাপাথরের খনি জরিপের সময় স্থানীয় গ্রামবাসীদের তরফে প্রশাসনিক আধিকারীকদের উপরে হামলার দৃশ্য। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ক্লিপটি ইন্দোনেশিয়ার একটি বিক্ষোভের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল পোস্টে থাকা উভয় উক্তি ভুয়ো, ভিত্তিহীন এবং মনগড়া। টাটা গোষ্ঠীর বর্তমান চেয়ারম্যান এই ধরনের কোনও মন্তব্য করেননি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি উত্তর প্রদেশের নয়, এমনকি সেটি বিজেপি-শাসিত কোনও রাজ্যেরও নয়। বরং এটি ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আম আদমী পার্টি শাসিত পাঞ্জাবের অমৃতসরে এক যুবতীর থেকে তার মোবাইল ছিনতাইয়ের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, পোস্টে যেমন লেখা হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এমন কিছুই জানায়নি। পক্ষান্তরে, ১৩ এপ্রিলের এক শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা কার্যত স্পষ্ট হয়ে দিয়েছেন যে ট্রাইবুনালে আবেদনকারীরা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবিটি অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পের তো নয়ই, এমনকি সেটি ভারতের ঘটনাও নয়। বরং সেটি ২০১৮ সালে ক্যারিবিয়ান দেশ ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের লা রোমানায় অবস্থিত একটি জেলে থাকা বন্দিদের দৃশ্য।