আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি আসল কোনও ঘটনার নয় বরং এটি এআই দিয়ে তৈরি। বাস্তবে এমন কোনও ঘটনার খবর কোথাও প্রকাশ পায়নি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল উভয় রিপোর্টের স্ক্রিনশটই ভুয়ো। মানব গুহ-র বিষয়ে এমন কোনও প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি এই সময় বা বাংলা হান্ট, কোনও সংবাদ মাধ্যমই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ভাইরাল ছবিটি বাস্তব নয়। বরং সেটি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি কোনো বিজেপি কর্মীকে ইভিএম চুরির সময় আটকের দৃশ্য নয়। বরং এটি ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল বীরভূমের বোলপুরে কোনও নিরাপত্তা কর্মী ছাড়াই কিছু রিজার্ভ ইভিএম (ভোটে অব্যবহৃত) নিয়ে যাওয়ার সময় একটি গাড়িকে আটক করে বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ-সহ তাঁর দলের কর্মীরা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের নয়, এমনকি সেটি ভারতেরও নয়। বরং সেটি চাঁদার দাবিতে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ বাংলাদেশের সাভার উপজেলার আশুলিয়ার গণকবাড়ি এলাকায় একটি মাদ্রাসাতে হামলার দৃশ্য।
তবে আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি পুরোপুরি ভুয়ো। নির্বাচন কমিশন একটিও বুথে পুনর্নির্বাচনের বিষয়ে কিছুই জানায়নি।
ইন্ডিয়া টুডে ফ্যাক্ট চেক টিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিওতে অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলে মনে হলেও, তাঁর সম্পূর্ণ বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি আসলে বিজেপিকে উদ্দেশ্য করেই এই মন্তব্য করেছিলেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে চলতি নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়কার।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ক্লিপটির সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের র্যালির কোনও সম্পর্ক নেই। বরং চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল মধ্যরাতে আসানসোলে পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় একজন আহত হলেও, কারোর মৃত্যু হয়নি। পাশাপাশি, আহত যুবতীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিটি ভুয়ো এবং ভিত্তিহীন। এমন কোনও ঘোষণা মমতা করেননি। এমনকি ‘B Plus Live’ নামে কোনও সংবাদ মাধ্যমের ডিজিট্যাল অস্তিত্বও নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল দাবিটি ভিত্তিহীন। সম্প্রতি নেপালের প্রধানমন্ত্রীর তরফে ভারতীয় মুসলিমদের জন্য দেশটিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট আইন পাশ বা জারি করা হয়নি। একটি বৈধ পাসপোর্ট অথবা ছবিযুক্ত ভোটার বা এপিক কার্ড থাকলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ভারতীয় নাগরিক নেপালে ভ্রমণ করতে পারেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিগুলি অসত্য। প্রথমত, ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয় বরং ২০২২ সালের। দ্বিতীয়ত, এই ভিডিওতে এক তৎকালীন বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেত্রী নিজেই বিজেপিতে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন।