আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গ কিংবা ভারতের নয়। বরং সেটি ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৮ অগস্ট বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাঞ্চনঘাটে 'জীবন মহল' নামক একটি রিসোর্টে ক্ষুব্ধ জনতার হামলার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি উত্তর প্রদেশের বারাণসীর লাট ভৈরব মন্দির প্রাঙ্গণে ৫০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে এক সঙ্গে নামাজ পড়ার ও রামলীলা অনুষ্ঠিত হওয়ার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবি দুটির একটিও ভারতের নয়। সেই সঙ্গে, ভারতে অনুপ্রবেশকারী সন্দেহেও যাদের আটক করা হয়েছে, তাদেরও এমন কোনও স্থানে রাখা হয়নি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিটি সঠিক নয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। বরং সম্প্রতি কর্নাটক সরকারের পক্ষ থেকে এমনই একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি কোনও বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীর নয়। বরং পুরো ভিডিওটি স্ক্রিপ্টেড এবং ভারতের বিহারে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভিডিওতে থাকা অভিষেকের বক্তব্য জনগণ বা বিরোধীদের উদ্দেশে নয়, বরং পাকিস্তানের উদ্দেশে ছিল। সঠিক প্রেক্ষাপট ছাড়াই অসম্পূর্ণ ভিডিও বিভ্রান্তিকর দাবিতে ছড়ানো হচ্ছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে বিহার কিংবা নিয়োগ দুর্নীতির জেরে বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে হামলার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ৭ মে তেলেঙ্গানার করিমনগরে বিজেপি কর্মীদের তরফে স্থানীয় বিআরএস বিধায়ক গাঙ্গুলা কমলাকরের দফতরে হামলা চালানোর দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি বাংলার নবনির্বাচিত বিজেপি সরকরারের সময়ের নয়। বরং সেটি ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই বিধানসভায় তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়ের বাকবিতণ্ডার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে পোস্টগুলি বিভ্রান্তিকর। দমদম স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও ভিডিওটি ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত সরকারের উচ্ছেদ অভিযানের।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিটি পুরোপুরি মিথ্যে। তামিলনাড়ুতে আরএসএসের বিরুদ্ধে এমন কোনও পদক্ষেপ থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে বর্ধমান তো নয়ই, এমনকি ভারতের সঙ্গেও কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল নেপালের পারসা জেলার বীরগঞ্জ শহরের রাস্তার দু’পাশে তৈরি অবৈধ নির্মাণ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে অসম কিংবা ভারতের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ১৬ মে পাকিস্তানের দক্ষিণ খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু এলাকায় পুলিশের শান্তি কমিটির তরফে পরিচালিত জঙ্গি বিরোধী অভিযানের দৃশ্য।