আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি কলকাতার অপর একটি আবাসনকে সাজিয়ে তোলার দৃশ্য।
তবে আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি আসল কোনও ঘটনার নয়। বরং এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের স্ক্রিপ্টেড ভিডিও এটি যেখানে সবাই অভিনয় করছেন।
এই ওয়েবসাইটটি রাজ্যের বিজেপি সরকার, বা বিজেপির দলীয় উদ্যোগে তৈরি করা হয়নি। বরং, প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তবের কাজ কতটা মেলে, সেই হিসেব স্বচ্ছভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরতে এক এক্স (সাবেক টুইটার) ব্যবহারকারী নিজের উদ্যোগে এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন।
ভাইরাল দুটি ভিডিও-র একটিরও সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ কিংবা পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং প্রথম ভিডিওটি বিহারের নালন্দার ঘটনা। অন্যদিকে দ্বিতীয় ভিডিওটি উত্তর দিল্লির ওয়াজিরাবাদে সিগনেচার ব্রিজ সংলগ্ন একটি কবরস্থানের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে থালাপতি বিজয় কোনও সম্প্রদায়ের মানুষকেই নিশানায় নিয়ে এমন কোনও মন্তব্য করেননি। তাঁর এই উক্তিটি পুরোপুরি মনগড়া ও মিথ্যা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি মণিপুরের নয় বরং মধ্য প্রদেশের। সেই সঙ্গে এই ঘটনায় কোনও সাম্প্রদায়িক যোগ নেই, যেমনটা দাবি করা হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি লাভ জিহাদের অভিযোগে ২০২৬ সালের ১০ মে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যদের তরফে মধ্য প্রদেশের রাজধানী ভোপালে এক মুসলিম যুবককে মারধরের দৃশ্য।
প্রত্যেকটি ভিডিও পোস্ট করেই দাবি করা হচ্ছে যে বিধানসভা ভোট পরবর্তী সময়ে মসজিদগুলো উপর এই ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। তবে আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে এই ভিডিওগুলির সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সংঘাতের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেনমোহর এবং গহনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বর ও কনে পক্ষের মধ্যে বিবাদের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের সামনে জেন জ়ি-দের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল কোলাজের ছবিগুলি পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী সময়ে মুসলিম কিংবা বিরোধী দলের কর্মীদের উপরে হামলার ঘটনা নয়। বরং, প্রথম ছবিটি উত্তর প্রদেশে প্রশাসনের তরফে একটি অবৈধ মাদ্রাসা ভেঙে ফেলার দৃশ্য। দ্বিতীয় ছবিটি ভোট-পরবর্তী হিংসা রোধে পশ্চিমবঙ্গে পুলিশি টহলের দৃশ্য। অন্যদিকে, তৃতীয় ছবিটি পুরনো শত্রুতার জেরে ওড়িশার পুরিতে এক যুবকের উপরে হামলার ঘটনা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল উভয় ভিডিও-র সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী কোনও ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। প্রথম ভিডিওটি রাজস্থানের এবং হোলির সময়ের ঘটনা। দ্বিতীয়টি কাশ্মীরের একটি ইসলামিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেখানে গত এপ্রিল মাসে অগ্নিকাণ্ড হয়।