আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল গ্রাফিক্স কার্ডের দাবিটি অসত্য। রাজ্য সরকার এমন কোনও ঘোষণা তো করেনি, পক্ষান্তরে এই ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গ নতুন পশু জবাই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি হত ফেব্রুয়ারি মাসের, এবং সম্পূর্ণ অন্য ঘটনা সম্পর্কিত।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনের নয়। সেই সঙ্গে এই ভিডিওটির সঙ্গে গরুর মাংসে বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি অন্য ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি পুরনো এবং উত্তর প্রদেশের। এর সঙ্গে পার্ক সার্কাসের ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি গত মার্চ মাসের এবং এর সঙ্গে বিজেপি সরকারের সাম্প্রতিক নেওয়া কোনও সিদ্ধান্তের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি কলকাতার অপর একটি আবাসনকে সাজিয়ে তোলার দৃশ্য।
তবে আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি আসল কোনও ঘটনার নয়। বরং এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের স্ক্রিপ্টেড ভিডিও এটি যেখানে সবাই অভিনয় করছেন।
এই ওয়েবসাইটটি রাজ্যের বিজেপি সরকার, বা বিজেপির দলীয় উদ্যোগে তৈরি করা হয়নি। বরং, প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তবের কাজ কতটা মেলে, সেই হিসেব স্বচ্ছভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরতে এক এক্স (সাবেক টুইটার) ব্যবহারকারী নিজের উদ্যোগে এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন।
ভাইরাল দুটি ভিডিও-র একটিরও সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ কিংবা পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং প্রথম ভিডিওটি বিহারের নালন্দার ঘটনা। অন্যদিকে দ্বিতীয় ভিডিওটি উত্তর দিল্লির ওয়াজিরাবাদে সিগনেচার ব্রিজ সংলগ্ন একটি কবরস্থানের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে থালাপতি বিজয় কোনও সম্প্রদায়ের মানুষকেই নিশানায় নিয়ে এমন কোনও মন্তব্য করেননি। তাঁর এই উক্তিটি পুরোপুরি মনগড়া ও মিথ্যা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি মণিপুরের নয় বরং মধ্য প্রদেশের। সেই সঙ্গে এই ঘটনায় কোনও সাম্প্রদায়িক যোগ নেই, যেমনটা দাবি করা হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি লাভ জিহাদের অভিযোগে ২০২৬ সালের ১০ মে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যদের তরফে মধ্য প্রদেশের রাজধানী ভোপালে এক মুসলিম যুবককে মারধরের দৃশ্য।