আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যদিও এটা সত্যি যে ইরান সম্প্রতি কাতারের আল-উদেইদ-সহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে ভাইরাল ভিডিওটি সেই হামলার নয়, বরং সেটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দ্বারা তৈরি।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি ভারতের নয়। বরং সেটি মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় পারিবারিক বিবাদের জেরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসা এক মহিলাকে তার পরিবারের সদস্যদের তরফে পুনরায় বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনে দেশটির দুটি ক্লাব অলিম্পিয়া ও সেরো পোর্তেনিওর মধ্যে আয়োজিত ম্যাচে সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের নয় এবং এর সঙ্গে কোনও সাম্প্রদায়িকতার রং নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ৭ জুলাই মধ্যপ্রদেশের বারওয়ানি জেলার রাজপুর তহসিল এলাকার বাবার বাড়ি থেকে এক আদিবাসী হিন্দু যুবতীকে তার স্বামী হুকুম রাওয়াতের তরফে অপহরণের দৃশ্য।
তবে আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি সঠিক নয়। ম্যাচের পর একটি ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে এই বিভ্রান্তির সূত্রপাত হয়।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়, বরং সেটি ২০২২ সালের ঘটনা। পাশাপাশি, পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভিডিও-র অভিযুক্ত যুবকের নাম ভদ্দে ইরান্না এবং সে মুসলিম নয় বরং হিন্দু।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিও দুটি কোনও বাস্তব ঘটনা নয়। বরং সেগুলি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি বিহারের কোনও বিজেপি নেতার গাড়ি ভাঙচুরের দৃশ্য নয়। বরং সেটি চলতি বছরের ৪ জুলাই ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় স্করপিও গাড়ির ধাক্কায় মৃত বাইক আরোহী যুবকের মায়ের তরফে গাড়িটির কাঁচ ভাঙার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি মালদার ইংরেজবাজারে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের মালিকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারিত গ্রাহকদের বিক্ষোভের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওগুলি পুরনো, এবং মুখ্যমন্ত্রীর মিড-ডে মিল সংক্রান্ত ঘোষণার আগেকার। এই ভিডিওগুলির সঙ্গে ইস্কনের মিড-ডে মিল দেওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি কোনও বাস্তব ঘটনা নয়। বরং সেটি বিহারের রাজধানী পাটনার গার্ডানিবাগ হাইস্কুলে একটি সিনেমার শুটিংয়ের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ছবিটি সম্প্রতি পাবনায় ঘটা একটি দুর্ঘটনার। এর সঙ্গে দীপু দাসের হত্যাকাণ্ডের কোনও সম্পর্ক নেই।