আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি সঠিক নয়। প্রথমত, ইয়ারিভ লেভিন ইজরায়েলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেননি। দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ছবিটি এআই দ্বারা তৈরি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে ভাইরাল ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চস্থ হওয়া একটি নাটক বা যাত্রাপালার। কোনও আসল ঘটনার নয়।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল এবিপি আনন্দের জনমত সমীক্ষার স্ক্রিনশটটি সম্পাদিত। বরং গত ১৬ মার্চ এবিপি আনন্দে Matrize-IANS পরিচালিত একটি জনমত সমীক্ষা প্রকাশ করে। সেই সমীক্ষায় বিজেপি নয় বরং ১৫৫-১৭০টি আসন পেয়ে তৃণমূল ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ফের একবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘর্ষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে ইরানের তরফে ইজরায়েলে এবং আমেরিকার তেলবাহী জাহাজে হামলা সংক্রান্ত তথাকথিত একটি ছবি ও তিনটি ভিডিও। কিন্তু আমরা আমাদের অনুসন্ধানে দেখেছি যে এই ছবি এবং ভিডিওগুলির সঙ্গে ইরান-ইজরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতের কোনও সম্পর্ক নেই।
ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে এই সংক্রান্ত তথাকথিত তিনটি ভিডিও। প্রতিটি ভিডিওই শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলার ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন ইজরায়েলের নাগরিকরা। আমরা আমাদের অনুসন্ধানে দেখেছি যে এই ভিডিওগুলির সঙ্গে ইরান-ইজরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে কলকাতায় নরেন্দ্র মোদীর সভার কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি কয়েকমাস পুরনো এবং হরিয়ানার করনালের।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওতে থাকা মহিলার মৃত্যু হয়নি। তিনি অজ্ঞান হয়ে গেছিলেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে যান।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি ইরানের বিপ্লবী গার্ডের তরফে ইজরায়েলি সেনা বা গুপ্তচরকে আটকের দৃশ্য নয়। বরং সেটি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে সিরিয়ার আলেপ্পোতে সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী সদস্যদের তরফে সিরিয়ান সেনাবাহিনীর একজন জওয়ানকে আটকের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, দাবিটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। ভিডিওতে নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গ নয় বরং ত্রিপুরা রাজ্যের কথা বলছিলেন এবং সেখানকার বর্তমান বিজেপি সরকারকে কৃতিত্ব দিচ্ছিলেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওর ব্যক্তি আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের দেহরক্ষী নয়। বরং তিনি ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল সিরায়ায় গ্রেফতার প্রাাক্তন রাষ্ট্রপতি বাশার আল আসাদ সরকারের আমলের কমান্ডার তাইসির মাহফুজ।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও ক্লিপ দুটির সঙ্গে ইরান-ইজরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং প্রথম ক্লিপটি ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি হায়দরাবাদের জুবিলি হিলসের একটি শাড়ির শোরুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য। অন্যদিকে দ্বিতীয় ক্লিপটি ২০১৬ সালের ২৩ অগস্ট চিনের ডাকিং পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে অগ্নিনির্বাপক রোবটের সাহয্যে মহড়ার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দুটি ভিডিও-র একটিও ইজরায়েলের নয়। প্রথমটি প্রায় ১০ বছর আগে আমেরিকার একটি ঘটনার। দ্বিতীয়টি ২০২৫ সালে দুবাইয়ের একটি অগ্নিকাণ্ডের।