আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি উত্তর প্রদেশের তো নয়ই, এমনকি সেটি ভারতেরও নয়। বরং এটি ২০২৬ সালের ২৮ মার্চ ব্রাজিলের মাকাপার ঘটনা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র কোনও ক্লিপই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কনভয়ে হামলার দৃশ্য নয়। বরং প্রথম ক্লিপটি মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার তালাওয়াড়ি গ্রামে একটি প্রস্তাবিত চুনাপাথরের খনি জরিপের সময় স্থানীয় গ্রামবাসীদের তরফে প্রশাসনিক আধিকারীকদের উপরে হামলার দৃশ্য। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ক্লিপটি ইন্দোনেশিয়ার একটি বিক্ষোভের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল পোস্টে থাকা উভয় উক্তি ভুয়ো, ভিত্তিহীন এবং মনগড়া। টাটা গোষ্ঠীর বর্তমান চেয়ারম্যান এই ধরনের কোনও মন্তব্য করেননি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি উত্তর প্রদেশের নয়, এমনকি সেটি বিজেপি-শাসিত কোনও রাজ্যেরও নয়। বরং এটি ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আম আদমী পার্টি শাসিত পাঞ্জাবের অমৃতসরে এক যুবতীর থেকে তার মোবাইল ছিনতাইয়ের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, পোস্টে যেমন লেখা হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এমন কিছুই জানায়নি। পক্ষান্তরে, ১৩ এপ্রিলের এক শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা কার্যত স্পষ্ট হয়ে দিয়েছেন যে ট্রাইবুনালে আবেদনকারীরা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবিটি অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পের তো নয়ই, এমনকি সেটি ভারতের ঘটনাও নয়। বরং সেটি ২০১৮ সালে ক্যারিবিয়ান দেশ ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের লা রোমানায় অবস্থিত একটি জেলে থাকা বন্দিদের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি ইজরায়েলের সাংসদের নয়। বরং সেটি চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তুরস্কের সংসদে নবনিযুক্ত বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেকের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী দলের সাংসদের মধ্যে সংঘর্ষের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি গত ১০ মার্চের এক নবান্ন অভিযানের সময় হওয়া বচসার। এখানে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সংঘর্ষ হয়নি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি ইজরায়েল প্রশাসনের তরফে কোনও প্যালেস্তাইনের নাগরিককে হত্যা বা শাস্তির দৃশ্য তো নয়ই, এমনকি এটি কোনও বাস্তব ঘটনাও নয়। বরং সেটি Screamfitters নামক একটি সংস্থার তরফে হ্যালোইন উপলক্ষ্যে তৈরি পণ্যের ডেমো ভিডিও।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি বিভ্রান্তিকর। কারণ কালীগঞ্জ ও কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীদের নাম ১৬ এবং ১৯ মার্চই ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সোমবার প্রার্থী খুঁজে পাওয়া গিয়েছে দাবিটি সঠিক নয়।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র ব্যক্তি হিন্দু নয়, বরং মুসলিম এবং তার নাম মহম্মদ মিন্টু। ২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বানারীপাড়া পৌরসভা এলাকায় মাদক দ্রব্য বিক্রির অভিযোগে তাকে মারধর করেন স্থানীয় এক বিএনপি নেতা।
আজ তক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে করা দাবি ভিত্তিহীন। এই ঘটনার সময় জনগণকে তাড়া করতে বা কোনও বিক্ষোভ দেখাতে লক্ষ্য করা যায়নি।