আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওতে শুভেন্দুর বক্তব্যটি অসম্পূর্ণ এবং প্রেক্ষাপট ছাড়া ছড়ানো হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভারতীয় অস্ত্র-সহ ঢাকা-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের গ্রেফতার হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যে। বরং ২০২৫ সালের ৯ অগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরফে ঢাকার নিউমার্কেট থেকে অবৈধ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ছবির সঙ্গে মির্জা আব্বাসের একটি এআই নির্মিত ছবি যুক্ত করে এই সংক্রান্ত বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে বর্ণ বৈষম্যের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি উত্তর প্রদেশের আমেঠি জেলার জগদীশপুরে মনোজ সিং নামক এক ব্যক্তির খুনের অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে তার দেহ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের রাস্তা অবরোধের চেষ্টার সময় পুলিশের হস্তক্ষেপের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, প্রথম ক্লিপটি ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে তিরুবনন্তপুরমের ঘটনা এবং এতে পুলিশের দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তিটি মুসলিম নয় বরং তিনি কেরলের এনএসইউআই (কেএসইউ) সভাপতি কে এম অভিজিৎ। অন্যদিকে দ্বিতীয় ক্লিপটি ভারতের নয় বরং সেটি নেপালের ঘটনা।
৯০ পাতার ইস্তেহারে ব্যবহার হওয়া অন্তত আটটি ছবি ভারত থেকে নেওয়া হয়েছে। ভারতবিরোধী অবস্থানের জন্য খ্যাত একটি দলের পক্ষে এহেন বিষয় বিড়ম্বনা সৃষ্টি করেছে বৈকি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভিডিওতে থাকা বক্তব্য আসল প্রেক্ষাপট ছাড়াই শেয়ার করা হচ্ছে। তিনি তৃণমূলের আইটি সেল তথা পরামর্শকারী সংস্থা আইপ্যাককে উদ্ধৃত করে কটাক্ষের সুরে এই কথা বলেছিলেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে একটি পৃথক অডিও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। আসল ভিডিওতে চোর চোর স্লোগান শোনা যায়নি। অন্য একটি ঘটনার অডিও এখানে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি কোনও ভারতীয় সেনার উপর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার নয়। বরং এটি ২০২৫ সালের ২৭ অগস্ট জম্মু-কাশ্মীরে কিশ্তওয়ার জেলার আস্তানবালা এলাকায় কয়েকটি বাড়িতে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ড ও গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, সি-ভোটার আসন্ন ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সমীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেনি। সর্বশেষ, চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি ইন্ডিয়া টুডে এবং সি-ভোটারের তরফে যৌথভাবে পরিচালিত ‘মুড অফ দ্য নেশন’ সমীক্ষা প্রকাশ করা হয়। সেই সমীক্ষায় লোকসভা আসন ভিত্তিক ফলাফলের আভাস দেওয়া হয়েছে, বিধানসভা নয়।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল নিউজ ক্লিপগুলির একটিও সাম্প্রতিক নয় এবং এগুলির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে ভাঙনের কোনও সম্পর্ক নেই। আসলে নিউজ-১৮ বাংলার প্রথম ক্লিপটি ২০২১ সালের ২৭ জুনের, দ্বিতীয় ক্লিপটি ২০২৪ সালের ৭ জুলাইয়ের এবং এবিপি আনন্দের তৃতীয় ক্লিপটি ২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারির।
তবে আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি মিথ্যা। এই ভিডিওটি অজিত পাওয়ার মৃত্যুর আগেকার এবং মুম্বাইয়ের মুলুন্ডের যেখানে সুনীল পাটঙ্কর নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর অঙ্গদান করা হয়েছিল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র চিকিৎসক মুসলিম নয়, বরং হিন্দু এবং তাঁর নাম ডাঃ এস.বি খারে বা সরকার বাহাদুর খারে। পাশাপাশি, মহিলাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করার জন্য নয়, বরং সরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে নিজের ব্যক্তিগত ক্লিনিকে রোগী দেখার অভিযোগে তাঁকে নিগ্রহ করা হয়েছিল।