আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি মালদার ইংরেজবাজারে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের মালিকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারিত গ্রাহকদের বিক্ষোভের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওগুলি পুরনো, এবং মুখ্যমন্ত্রীর মিড-ডে মিল সংক্রান্ত ঘোষণার আগেকার। এই ভিডিওগুলির সঙ্গে ইস্কনের মিড-ডে মিল দেওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিওটি কোনও বাস্তব ঘটনা নয়। বরং সেটি বিহারের রাজধানী পাটনার গার্ডানিবাগ হাইস্কুলে একটি সিনেমার শুটিংয়ের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ছবিটি সম্প্রতি পাবনায় ঘটা একটি দুর্ঘটনার। এর সঙ্গে দীপু দাসের হত্যাকাণ্ডের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান কিংবা ভারতের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের মিরপুরের কলেজ মার্কেটের একটি দোকান থেকে চুরির অভিযোগে এক তরুণীকে দোকানের মালিকের তরফে মারধরের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল দাবিটি অর্ধসত্য ও বিভ্রান্তিকর। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বকেয়া ডিএ নিয়ে এমন কোনও মন্তব্য করেননি। বরং ২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন তিনি তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কটাক্ষ করে এই মন্তব্য করেছিলেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভিডিওটি অসম্পূর্ণ এবং মূল প্রেক্ষাপট ছাড়াই বিভ্রান্তিকর দাবিতে শেয়ার করা হয়েছে। শুভেন্দু প্রকৃতপক্ষে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামাজপাঠে অংশ নেওয়ার সমালোচনা করেছিলেন।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি অসত্য। দিলীপ ঘোষের সাম্প্রতিক নামাজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তাঁর বাংলোয় কোনও হামলা করা হয়নি। ভাইরাল ভিডিওটি ২০২৩ সালের।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিটি অসত্য। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বেসরকারি স্কুলে পড়লেও তাদের পরিবার এই যোজনার আওতায় আসবে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি সঠিক নয়। ভাইরাল ভিডিওটি ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের যখন তৃণমূলের নেতৃত্বে তৎকালীন বিরোধী নেতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি ত্রিপুরা সীমান্তের নয়। বরং এটি গত বছরে কাশ্মীরে এক সন্ত্রাসী দমনের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক কিংবা সাম্প্রদায়িক হিংসার সম্পর্ক নেই। আসলে এটি ২০২৬ সালের ১৩ জুন উত্তর প্রদেশের দেউরিয়া জেলার মদনপুরে বাবা মহেন্দ্রনাথ শিব মন্দিরের আধিপত্য, জমির দখল এবং দান বা প্রণামীর ভাগ নিয়ে মন্দিরেরই পুরোহিতদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের দৃশ্য।