আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি অসত্য। ভিডিওটির সঙ্গে ইমাম গ্রেফতারের কোনও সম্পর্ক নেই। এটি উত্তরপ্রদেশের আজমগড় জেলার প্রায় তিন মাস পুরনো একটি ঘটনার ভিডিও, যা বর্তমানে বিভ্রান্তিকর দাবিতে ছড়ানো হচ্ছে।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও ক্লিপ দুটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং প্রথম ক্লিপই বাংলাদেশের দিনাজপুরের একটি রিসোর্টে হামলার দৃশ্য। অন্যদিকে দ্বিতীয় ক্লিপটি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ কিংবা ভারতের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে স্থানীয় বিএনপি সাংসদ এবং নির্দল প্রার্থীর অনুগামীদের মধ্যে সংঘর্ষের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিও-র সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি ২০২৬ সালের ১ জুন মহারাষ্ট্রের ওয়াসিম জেলায় গাড়ি ওভারটেক করা সংক্রান্ত বিবাদের দৃশ্য। পাশাপাশি, এই ঘটনায় কারোর মৃত্যু হয়নি।
তবে আজতক ফ্যাক্ট চেকে উঠে এসেছে যে, ছবিটির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাতিল হওয়া বৈঠকের কোনও সম্পর্ক নেই। এই ছবিটি আরজি কর আন্দোলনের সময়কার।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি অসম কিংবা ভারত বিরোধী কোনও বিক্ষোভের সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ৩ মে জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা স্পোর্টস স্টেডিয়ামে আম আদমি পার্টির বিধায়ক মেহরাজ মালিকের সমর্থনে আয়োজিত জনসভা বা ব়্যালির দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওতে দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শোনা যায়নি, বরং অন্য এক বিজেপি নেতার নাম করে বিদ্রুপ করতে শোনা যাচ্ছিল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি-র সঙ্গে ভারত বা বিএসএফ-এর কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ককটেল বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগে দেশটির মুন্সীগঞ্জ এলাকা থেকে ৫ বিএনপি সমর্থককে গ্রেফতারের দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গ কিংবা ভারতের নয়। বরং সেটি ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৮ অগস্ট বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাঞ্চনঘাটে 'জীবন মহল' নামক একটি রিসোর্টে ক্ষুব্ধ জনতার হামলার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং সেটি উত্তর প্রদেশের বারাণসীর লাট ভৈরব মন্দির প্রাঙ্গণে ৫০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে এক সঙ্গে নামাজ পড়ার ও রামলীলা অনুষ্ঠিত হওয়ার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবি দুটির একটিও ভারতের নয়। সেই সঙ্গে, ভারতে অনুপ্রবেশকারী সন্দেহেও যাদের আটক করা হয়েছে, তাদেরও এমন কোনও স্থানে রাখা হয়নি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল দাবিটি সঠিক নয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। বরং সম্প্রতি কর্নাটক সরকারের পক্ষ থেকে এমনই একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।