আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি দিল্লির নয়, কোনও সরকারি অফিসেরও নয়, এমনকি এখানে কোনও মুসলিম বা মহিলাকেও মারধর করতে দেখা যাচ্ছে না।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভিডিওটি গত বছরের এবং একটি পৃথক ঘটনার। বর্তমানে বিধানসভা ভোটের প্রচারপর্বের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ছবিটির সঙ্গে এসআইআর কিংবা আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং সেটি ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ ঠাকুরপুকুরের আনন্দনগর বাজার এলাকায় দক্ষিণ কলকাতা জেলা বিজেপির সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্যের এক অনুগামীর ওপর দলেরই অন্য গোষ্ঠীর কর্মীদের আক্রমণ এবং কালি ছোঁড়ার দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল ভিডিওটি বিহারের নয়, এমনকি ভারতেরও নয়। বরং সেটি নেপালের রাউতাহাট জেলার গৌড় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে হিন্দুত্ববাদীদের তরফে দুটি মসজিদে হামলা ও অগ্নিসংযোগেরর দৃশ্য।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়কার নয়, বরং প্রায় ১০ বছর আগেকার এবং আক্রমণের অভিযোগ তৃণমূলের দিকেই ছিল।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে দাবিটি সঠিক নয়। প্রথমত, ইয়ারিভ লেভিন ইজরায়েলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেননি। দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ছবিটি এআই দ্বারা তৈরি।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে ভাইরাল ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চস্থ হওয়া একটি নাটক বা যাত্রাপালার। কোনও আসল ঘটনার নয়।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, ভাইরাল এবিপি আনন্দের জনমত সমীক্ষার স্ক্রিনশটটি সম্পাদিত। বরং গত ১৬ মার্চ এবিপি আনন্দে Matrize-IANS পরিচালিত একটি জনমত সমীক্ষা প্রকাশ করে। সেই সমীক্ষায় বিজেপি নয় বরং ১৫৫-১৭০টি আসন পেয়ে তৃণমূল ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ফের একবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘর্ষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে ইরানের তরফে ইজরায়েলে এবং আমেরিকার তেলবাহী জাহাজে হামলা সংক্রান্ত তথাকথিত একটি ছবি ও তিনটি ভিডিও। কিন্তু আমরা আমাদের অনুসন্ধানে দেখেছি যে এই ছবি এবং ভিডিওগুলির সঙ্গে ইরান-ইজরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতের কোনও সম্পর্ক নেই।
ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে এই সংক্রান্ত তথাকথিত তিনটি ভিডিও। প্রতিটি ভিডিওই শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলার ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন ইজরায়েলের নাগরিকরা। আমরা আমাদের অনুসন্ধানে দেখেছি যে এই ভিডিওগুলির সঙ্গে ইরান-ইজরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতের কোনও সম্পর্ক নেই।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে কলকাতায় নরেন্দ্র মোদীর সভার কোনও সম্পর্ক নেই। ভিডিওটি কয়েকমাস পুরনো এবং হরিয়ানার করনালের।
আজতক ফ্যাক্ট চেক অনুসন্ধান করে দেখেছে যে ভাইরাল ভিডিওতে থাকা মহিলার মৃত্যু হয়নি। তিনি অজ্ঞান হয়ে গেছিলেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে যান।