বন্ধুত্বের পথে India-Bangladesh? BNP ক্ষমতায় আসতেই বড় ইঙ্গিত তারেক-কবীরের

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন। আর সেই আবহেই নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুনভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিল BNP শিবির। ক্ষমতার পালাবদলের পর দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ নতুন পথে এগোতে পারে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

Advertisement
বন্ধুত্বের পথে India-Bangladesh? BNP ক্ষমতায় আসতেই বড় ইঙ্গিত তারেক-কবীরের দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ নতুন পথে এগোতে পারে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।
হাইলাইটস
  • বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন।
  • নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুনভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিল BNP শিবির।
  • দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ নতুন পথে এগোতে পারে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন। আর সেই আবহেই নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুনভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিল BNP শিবির। ক্ষমতার পালাবদলের পর দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ নতুন পথে এগোতে পারে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বিএনপি নেতৃত্বের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত ও বাংলাদেশের উচিত পারস্পরিক স্বার্থে, সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্গ গড়ে তোলা।

সম্প্রতি বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, 'নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি মেনে নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করা প্রয়োজন।'  

গত বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসন পেয়েছে। ২০২৪ সালের অগাস্ট আন্দোলনের পর থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকলাপে যেন ভারতের ভূমিকা না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সেই শর্ত পূরণ হলেই ফের স্বাভাবিক কূটনৈতিক সহযোগিতা শুরু হতে পারে। বলেন, 'আমরা প্রতিবেশী। পরস্পরের বেনেফিটের কথা ভেবে আমাদের একসঙ্গে কাজ করা উচিত।'

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তারেক রহমানের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ফোনালাপ হয়েছে বলে জানান কবীর। সেই সময় তারেক রহমানকে ভারত সফরেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে আপাতত দেশের অর্থনৈতিক স্থিতি ও উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়েও এদিন মন্তব্য করেন কবীর। তাঁর দাবি, অগাস্ট উত্থানের সময় রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সংখ্যালঘুদের উপর তেমন কোনও বড় আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি। এটাই বাংলাদেশের সামাজিক সম্প্রীতির প্রমাণ। যদিও এই বিষয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত।  

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর উপরও জোর দিয়েছেন কবীর। গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা বাড়ানোর আর্জি জানান।

বিএনপি সূত্রে খবর, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করতে পারেন। সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।   

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement