
শেখ হাসিনা ও তারেক রহমান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল বিএনপি সরকার। তবে তাদের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে বিচারের আওতায় আসতে হবে।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন। এমনই দাবি করেছেন মুজিবুর-কন্য়া হাসিনা। একাধিক সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার তারেক রহমানের সরকারের তরফে প্রথম প্রতিক্রিয়া এল।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট। বাংলাদেশে গণ অভ্যুত্থানের ফলে ক্ষমতাচ্যুত হন আওয়ামি লিগ প্রধান শেখ হাসিনা। তাঁকে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিতে হয়। সেই থেকে এই দেশে রয়েছেন। এদিকে হাসিনার পরে বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বতীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে। তাদের তরফে গণহত্যা-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয় হাসিনার বিরুদ্ধে। শুনানি শেষে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ভারতে বসে হাসিনা এই রায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। সাফ জানিয়েছিলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই তাঁর সাজা ঘোষণা হয়েছে। এমনকী বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনেও আওয়ামি লিগকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয়নি। সেই দলের অনুপস্থিতিতেই ভোটে লড়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি।

মঙ্গলবার তারেক রহমানের তথ্য ও কৌশল বিষয়ক উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান বলেন, 'আমরা হাসিনার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই। কারণ আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। দেশের মানুষ চায়, অপরাধের জন্য তাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকুক।''ডেইলি স্টার'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী জাহিদ বলেন, 'তিনি বিশ্বের সেরা আইনজীবীদের নিয়ে আসুন। আমাদের কোনও সমস্যা নেই।'
তবে আদালতের রায়ে হাসিনা বেকসুর খালাস হতে পারেন বলেও দাবি করেন রহমান। তাঁর কথায়, 'আদালতের পক্ষে হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় পুনর্বিবেচনা করা বা তাঁকে খালাস দেওয়াও সম্ভব। তাঁর দেশে ফেরার পরিকল্পনার বিষয়ে সরকারের ওপর কোনও চাপ নেই।' রহমান ভারত সরকারের প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন। তিনি জানান, ঢাকার সঙ্গে পরামর্শ করে দিল্লি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।