Bangladesh Hilsa Fishing: লক্ষ্য ৫ লক্ষ মেট্রিক টন, দু'মাস নিষেধাজ্ঞার পর পদ্মা-মেঘনায় ফের ইলিশ ধরা শুরু

দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে শুক্রবার (১ মে) থেকে বাংলাদেশের ৬ জেলায় ইলিশ মাছ ধরা শুরু হচ্ছে। ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় নদী তীরবর্তী মৎস্য ঘাটগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। জেলেরা এখন জাল মেরামত, নতুন জাল বোনা এবং ট্রলার-নৌকা প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

Advertisement
 লক্ষ্য ৫ লক্ষ মেট্রিক টন, দু'মাস নিষেধাজ্ঞার পর পদ্মা-মেঘনায় ফের ইলিশ ধরা শুরু ইলিশ শিকারে নামলেন বাংলাদেশের জেলেরা

দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে শুক্রবার (১ মে) থেকে বাংলাদেশের ৬ জেলায় ইলিশ মাছ ধরা শুরু হচ্ছে। ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় নদী তীরবর্তী মৎস্য ঘাটগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। জেলেরা এখন জাল মেরামত, নতুন জাল বোনা এবং ট্রলার-নৌকা প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

দীর্ঘ ৬০ দিনের বিরতির পর নদীতে নামার অপেক্ষায় আছে প্রায় ২০ হাজার জেলে। বাংলাদেশের ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে ও জাটকা সংরক্ষণে গত ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। তাই নদীতে মাছ ধরতে পারেননি জেলেরা। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকেই জেলেরা পুনরায় মাছ শিকারে নামতে পারবেন। দীর্ঘ দুই মাস পর নিজ পেশায় ফিরছেন প্রায় অর্ধলাখ জেলে।

নিষেধাজ্ঞার অবসানকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের প্রায় অর্ধলক্ষ জেলের মাঝে নতুন করে কর্মোদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। জেলেরা নদী তীরবর্তী এলাকায় তাদের নৌকা মেরামত এবং জাল বুননের কাজ শেষ করে মধ্যরাতের সংকেতের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। 

জেলেদের আশা, এবারের মরসুমে জালে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়বে। মৎস্য দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবারের নিষেধাজ্ঞা সফল হওয়ায় জাটকার প্রাচুর্যতা বেড়েছে। ফলে বাংলাদেশে ইলিশ উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এবার অভিযান সফল হওয়ায় আগের চেয়ে মাছের উৎপাদন বাড়বে, বলছেন বাংলাদেশের মৎস্য কর্মকর্তারা।

POST A COMMENT
Advertisement