Bangladesh Hindu Family Murder : বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারকে খুনের আগে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ? প্রতিবাদে একজোট ঢাকার সনাতনীরা

হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য প্রকৃতল দোষীদের আড়াল করা।

Advertisement
বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারকে খুনের আগে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ? প্রতিবাদে একজোট ঢাকার সনাতনীরা   খুনের আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল?
হাইলাইটস
  • এই ঘটনায় পুলিশ মৃত শিক্ষকের দুই আত্মীয় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করে
  • পুলিশের দাবি, এই দু’জনই গলা টিপে চারজনকে খুন করেছে

বাংলাদেশের রংপুরে হিন্দু শিক্ষক-সহ তাঁর পরিবারের ৪ সদস্যকে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। শিক্ষকের স্ত্রী এবং মেয়েও রয়েছেন সেই তালিকায়। সেই হত্যার ঘটনায় তোলপাড় বাংলাদেশ। তারই মধ্যে সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। ঢাকার সনাতনীদের সংগঠন হিন্দু মহাজোটের দাবি, শিক্ষকের স্ত্রী ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। 

এই ঘটনায় পুলিশ মৃত শিক্ষকের দুই আত্মীয় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, এই দু’জনই গলা টিপে চারজনকে খুন করেছে। কোনও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। তবে স্থানীয় বাসিন্দা এবং হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডে আরও অনেকে জড়িত রয়েছে এবং পুলিশ তাদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। পুলিশের তদন্ত এবং ফরেন্সিক রিপোর্ট নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার লোকজন। 

স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে মর্গের এক কর্মী দাবি করেছেন, মৃত মহিলাদের শরীর থেকে বীর্য পাওয়া গিয়েছিল। এই দাবির সত্যতা সরকারিভাবে মেলেনি। তবে এই দাবিকে উড়িয়ে দিতে নারাজ হিন্দু সমাজ। এদিকে এই ঘটনায় চাপ বাড়ছে তারেক রহমান সরকারের উপর। ইতিমধ্যেই তদন্তভার ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের (DB) হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার সকালে বাংলাদেশের জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানব বন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের পদত্যাগও দাবি করা হয়। 

'প্রথম আলো'-তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ, হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য প্রকৃতল দোষীদের আড়াল করা। ওই এলাকায় খুনের আগে কারা এসেছিল,  রেকি করেছিল- এসবের দিকে পুলিশ নজরই দিচ্ছে না। 

তাঁর আরও অভিযোগ, প্রকৃত দোষীদের আড়াল করার জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের এই তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। হিন্দু অফিসারদের ব্যবহার করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। 

এরপরই তিনি হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ প্রশাসনকে। জানান, হিন্দুরা এই ঘটনায় একজোট। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করা না হয় তাহলে গোটা দেশজুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সামিল হবে হিন্দুরা।  

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement