৯ জুলাই পর্যন্ত গুরু এই নক্ষত্রেই অবস্থান করবেন। আর পুষ্য নক্ষত্রের দ্বিতীয় পদের অধিপতি হল বুধ। ফলে গুরুর এই নক্ষত্র গোচরে দারুণ সময় আসতে চলেছে বেশ কিছু রাশির জীবনে। ইনকাম বাড়বে। বিশেষ লাভ হবে ৪ রাশির। কোন কোন রাশির কপাল খুলতে চলেছে দেখে নেওয়া যাক।
কৃত্তিকা নক্ষত্রের অধিপতি হলেন স্বয়ং সূর্যদেব, যিনি মঙ্গলের পরম বন্ধু। এই বন্ধুত্বপূর্ণ নক্ষত্রে মঙ্গলের আগমন বহু রাশির জীবনে উন্নতি, আর্থিক লাভ এবং ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। জানুন মঙ্গলের এই নক্ষত্র পরিবর্তনের ফলে কোন রাশিগুলি সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে।
Unlucky Zodiac Signs: চন্দ্রকে মনের কারক এবং শনিকে শৃঙ্খলা ও কর্মের কারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়; তাই এই যোগ সরাসরি মানসিক অবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে।
Shukra Gochar in Pushya Nakshatra 2026 June: ধন ও সমৃদ্ধির গ্রহ শুক্র এখন শনির নক্ষত্রে গোচর করতে চলেছে। শনির নক্ষত্রে শুক্রের এই প্রবেশ অনেক রাশির জন্য শুভ সময়ের সূচনা করতে পারে।
এই দুই রাশির জাতকদের স্বভাব ও ভাগ্য আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। যদিও এই দুই রাশির স্বামী বুধ। তাও এই দুই রাশির জীবনের রাস্তা ও স্বভাব বেশ আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।
জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা অনুসারে, মিথুন রাশিতে সূর্যের এই গোচর কিছু নির্দিষ্ট রাশির জন্য বিশেষভাবে উপকারী হবে। ভাগ্যবান রাশির জাতক-জাতিকারা এই সময়ে সৌভাগ্য লাভ করতে পারেন, আটকে থাকা কাজ গতি পেতে পারে এবং আর্থিক লাভ হতে পারে। জানুন সূর্যের এই গোচরের দ্বারা প্রভাবিত ভাগ্যবান রাশিগুলো কারা।
জ্যোতিষে বলা হয়েছে যে যখনই কিছু বিশেষ দিন (রবিবার, মঙ্গলবার বা শনিবার), কিছু তিথি (দ্বিতীয়া, সপ্তমী বা দ্বাদশী) আর বিশেষ নক্ষত্র একসঙ্গে হয়, তখন ত্রিপুষ্কর যোগ তৈরি হয়। এই সময় নতুন কাজ, বিনিয়োগ ও জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ভাল বলে মনে করা হয়।
Shani Nakshatra Transit 2026 Effect On Rashi: শনি বুধের রেবতী নক্ষত্রের মধ্য দিয়ে গোচর করছে। ২ জুলাই, শনি রেবতী নক্ষত্রের দ্বিতীয় অবস্থানে প্রবেশ করবে, যা চারটি রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য বিশেষ সুফল বয়ে আনবে।
১৫ জুন তেমনই বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা ঘটতে চলেছে। এই দিন সূর্য, বুধ এবং চন্দ্র মিথুন রাশিতে মিলিত হয়ে ত্রিগ্রহী যোগ সৃষ্টি করবে। ১৫ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৭ই জুন সকাল ৮:১৩ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হবে এই যোগ।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি মোটামুটি ভালো। তবে দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে কোমর বা হাঁটুতে সামান্য ব্যথা অনুভূত হতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ উপকারী হবে।
অতিরিক্ত ব্যস্ততার কারণে ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন। পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম প্রয়োজন। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করলে শরীর ও মন সতেজ থাকবে।